শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

বাংলাদেশে কেন বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে, ব্যাখ্যা দিলো আদানি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০০ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশে কেন বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে, ব্যাখ্যা দিলো আদানি

ভারতের রেলপথে যানজট ও পণ্য বোঝাইয়ের ওপর বিধিনিষেধের কারণে কয়লা পরিবহনে বিঘ্ন ঘটায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে বলে জানিয়েছে আদানি পাওয়ার।

বুধবার (২ আগস্ট) বাংলাদেশে একটি জনসংযোগ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে কোম্পানিটি জানায়, গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লাবাহী রেক চলাচল ব্যাহত হয়েছে। এতে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়লা সরবরাহ কমে গেছে এবং সাময়িকভাবে উৎপাদন সমন্বয় করতে হয়েছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বাংলাদেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির সরবরাহ কমে যাওয়ার বিষয়ে আদানি পাওয়ারের পক্ষ থেকে এটিই প্রথম ব্যাখ্যা।

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের মাঝামাঝি থেকে বেশিরভাগ সময় গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে প্রায় ৮০০ থেকে ১ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে, যা কেন্দ্রটির ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার তুলনায় অনেক কম।

আদানি জানায়, সন্ধ্যার সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দিনের অফ-পিক সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে রাখা হয়েছে।

কোম্পানিটি বলেছে, আমরা বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে (বিপিডিবি) পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত রেখেছি এবং স্বাভাবিক রেকের প্রাপ্যতা দ্রুত নিশ্চিতে ভারতীয় রেলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি।

কোম্পানিটি আশা করছে, শিগগির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব যতটা সম্ভব কমিয়ে আনতে এবং বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি তাদের।

কোম্পানিটি আরও জানায়, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে ভারতের পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের বেশ কয়েকটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লার মজুত কমে গেছে। যার ফলে পুরো অঞ্চলের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে কয়লা সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

Ads small one

ফকিরহাটে গ্রাম পুলিশের মাঝে মোবাইল ফোন বিতরণ 

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
ফকিরহাটে গ্রাম পুলিশের মাঝে মোবাইল ফোন বিতরণ 
ফকিরহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: গ্রামাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করতে বাগেরহাটের ফকিরহাটে গ্রাম পুলিশের মাঝে মোবাইল ফোন বিতরণ করেছে সামাজিক সংগঠন বুলবুল ফাউন্ডেশন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বের) বেলা ১১টায় ফকিরহাট সদর ইউনিয়নের সাতজন দফাদার ও মহল্লাদারদের হাতে এসব মোবাইল ফোন তুলে দেওয়া হয়।
মোবাইল ফোন যারা পেয়েছেন তারা হলেন ২নং ওয়ার্ডের শেখ আমির আলী, ৩নং ওয়ার্ডের চাঁন শেখ, ৪নং ওয়ার্ডের মেহেদি হাসান রানা, ৫নং নম্বর ওয়ার্ডের হানিফ সরদার, ৬নং ওয়ার্ডের দেলোয়ার শেখ এবং ৯নং ওয়ার্ডের মামুন শেখ। এসব মুঠোফোন বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বুলবুল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ তানভীর ইসলাম লিমন, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মুশফিকুজ্জামান রিপন, বিরেন চন্দ্র রায়, বিএনপি নেতা শেখ তৌহিদুল ইসলাম (লায়ণ),ফকিরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট এর যুব প্রধান সৈয়দ অনুজ,  ফকিরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ সৈয়দ আলী, মুরাদ হোসেন, মো. কালাম শেখ, পলাশ ঘোষ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন এবং উপজেলা গ্রাম পুলিশ সভাপতি মো. মেহেদি হাসান রানাসহ গ্রাম পুলিশের সদস্যবৃন্দ।
এসময় বক্তারা বলেন, গ্রাম পুলিশ তৃণমূল পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ এবং সরকারি নির্দেশনা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাদের হাতে আধুনিক যোগাযোগের সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ফলে স্থানীয় থানা, ইউনিয়ন পরিষদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, দুর্যোগকালীন জরুরি বার্তা পৌঁছানো এবং নাগরিক সেবা আরও সহজতর হবে।
বক্তারা আরো বলেন বুলবুল ফাউন্ডেশনের এমন সময়োপযোগী সামাজিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। এদিকে, মোবাইল ফোন উপহার পেয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্যরা খুব খুশি হয়েছেন। তারা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এখন থেকে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদ, থানা ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করে দ্রুত সহযোগিতা করা সম্ভব হবে।

সিফাতকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠালো পুলিশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
সিফাতকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠালো পুলিশ

বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার দাবি করে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্টদের গালিগালাজ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-ফেসবুকে ভিডিও ছাড়ার অভিযোগে আটক করা হয় গাজীপুরের সিফাত আব্দুল্লাহকে (২৫)। পূর্বের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলায় দিয়ে তাকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপির) গাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আব্দুল আওয়াল এ তথ্য জানান।

সাংবদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘সিফাতের বিরুদ্ধে মানহানির কোনও মামলা হয়নি। তাকে পূর্বের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।’

সিফাত আব্দুল্লাহ গাজীপুর মহানগরীর (৩৮ নং ওয়ার্ড) টিনের মসজিদ এলাকার সিকান্দরের ছেলে। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য অথবা ওসমান হাদির ভক্ত বলে দাবি করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির মুখ্য সংগঠক অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান। সিফাত রাজধানীর আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ছাত্র বলে জানা গেছে।

এর আগে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপির) গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রব্বানি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও সরকারকে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে গাছা থানাধীন টিনের মসজিদ এলাকা থেকে সিফাতকে আটক করা হয়।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে স্কচটেপ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে স্কচটেপ দিয়ে মুখ বাঁধা এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। বয়স আনুমানিক ৪২ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বনানী থানা পুলিশ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, সকাল পৌনে ৯টার দিকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। তার গায়ে সিএনজি চালকদের ইউনিফর্মের মতো নীল রঙের পোশাক ছিল। মুখে সাদা টেপ লাগানো ছিল। তাকে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা রাতে বা ভোরের কোনও এক সময় মরদেহ সেখানে ফেলে রেখে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মরদেহ উদ্ধারের সময় নিহত ব্যক্তির পরনে নীল রঙের শার্ট ও লুঙ্গি ছিল। তার মুখ স্কচটেপ দিয়ে বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে। নিহত ব্যক্তি সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক হতে পারেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, পুরো এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে। আমরা ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করছি। এতে মরদেহ কখন, কীভাবে সেখানে নেওয়া হয়েছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। নিহতের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।