বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

‘বাংলা কিউআর’ প্রচলনে সাতক্ষীরায় জনতা ব্যাংকের নানা উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
‘বাংলা কিউআর’ প্রচলনে সাতক্ষীরায় জনতা ব্যাংকের নানা উদ্যোগ

পত্রদূত রিপোর্ট: সরকার প্রবর্তিত সর্বজনীন ডিজিটাল পেমেন্ট পদ্ধতি ‘বাংলা কিউআর’ (Bangla QR) এর মাধ্যম লেনদেনকে সহজ করতে সাতক্ষীরায় নানা উদ্যােগ নিয়েছে জনতা ব্যাংক পিএলসি।

এরই অংশ হিসেবে শনিবার জনতা ব্যাংক সাতক্ষীরা ক্যাম্পাস শাখার উদ্যোগে শহরের লির্বাটি গ্যালারিতে ‘বাংলা কিউআর’ কোড হস্তান্তর করা হয়।

এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন জনতা ব্যাংক পিএলসির সাতক্ষীরা এরিয়া প্রধান মোঃ রোকনুজ্জামান, সাতক্ষীরা ক্যাম্পাস শাখার ব্যবস্থাপক শাহিনুর রহমান, সহকারী ব্যবস্থাপক প্রাণকৃষ্ণ মল্লিক, কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান, সত্যকি ঘোষ, রামকৃষ্ণ মন্ডল, নেপাল চন্দ্র সরকার প্রমুখ।

এসময় জানানো হয়, বাংলা কিউআর কোড স্ক্যান করে বিকাশ নগদ, রকেট বা যেকোনো ব্যাংকের অ্যাপ থেকে পেমেন্ট করা যাবে। এরজন্য গ্রাহককে নতুন করে কোনো ওয়ালেট বা অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে না। নিজের ফোনে থাকা বিদ্যমান ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ দিয়েই কাজ চালানো যাবে। ক্যাশ টাকা বা এটিএম কার্ড বহনের ঝুঁকি থাকে না। এটি একটি ‘পুশ পেমেন্ট’ ব্যবস্থা হওয়ায় মার্চেন্টের কাছে গ্রাহকের কার্ড বা অ্যাকাউন্টের কোনো গোপন তথ্য প্রকাশ পায় না। এই মাধ্যমে লেনদেন করলে কেনাকাটার পর ছেঁড়া-ফাটা নোট বা ১-২ টাকার খুচরা না থাকার ঝামেলা পোহাতে হয় না।

এই পদ্ধতিতে গ্রাহকের পাশাপাশি মার্চেন্টদেরও রয়েছে নানা সুবিধা। আগে বিকাশ, নগদ বা বিভিন্ন ব্যাংকের জন্য আলাদা আলাদা ৫-৬টি কিউআর কোড দোকানে ঝুলিয়ে রাখতে হতো। এখন মাত্র একটি ‘বাংলা কিউআর’ স্ট্যান্ড বা স্টিকার রাখলেই সব মাধ্যমের পেমেন্ট গ্রহণ করা সম্ভব।

প্রচলিত ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের পেমেন্ট নিতে ব্যয়বহুল পিওএস মেশিনের প্রয়োজন হয়, যার রক্ষণাবেক্ষণ খরচ আছে। বাংলা কিউআর-এ শুধু একটি কাগজের স্টিকার থাকলেই চলে, কোনো অতিরিক্ত সেটআপ খরচ নেই।

পেমেন্টের টাকা সরাসরি বিক্রেতার নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। ফলে দিনশেষে ক্যাশ টাকা ব্যাংকে গিয়ে জমা দেওয়ার ঝামেলা বা চুরি-ছিনতাইয়ের ঝুঁকি কমে যায়। প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত থাকে। এতে ব্যবসার আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখা পানির মতো সহজ হয় এবং ভবিষ্যতে ব্যাংক ঋণ পাওয়ার পথ সুগম করে। চা দোকানদার, মুদি দোকানদার থেকে শুরু করে ফুটপাতের হকাররাও খুব সহজে এবং বিনা খরচে এই ক্যাশলেস নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারছেন।

 

Ads small one

সাতক্ষীরার শিকারি ব্র্যান্ড বিডির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার শিকারি ব্র্যান্ড বিডির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সংবাদদাতা: মফস্বল শহর থেকে যাত্রা শুরু করে আধুনিক ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে নিজেদের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে ‘শিকারি ব্র্যান্ড বিডি’। দীর্ঘ ১১ বছরের সফল পথচলা শেষে প্রতিষ্ঠানটি ১২ বছরে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির পাশে অবস্থিত শিকারি ব্র্যান্ড বিডির প্রধান কার্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশ ও মিলনমেলার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের টিম সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন। কেক কাটা, ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়, ফটোসেশন এবং স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।

২০১৫ সালের ২৮ মার্চ সাতক্ষীরা শহর থেকে ছোট পরিসরে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু করেন প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মাহফুজ আহমেদ এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইমরুল কায়েস পিয়াস। মফস্বল শহরের গন্ডি পেরিয়ে আধুনিক ওয়েডিং ফটোগ্রাফি ও সিনেমাটোগ্রাফিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই ১৫-২০ জন তরুণকে নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল শিকারি ব্র্যান্ডের।

দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময়ের পথচলায় সেই ছোট পরিসরের উদ্যোগ এখন পরিণত হয়েছে একটি বড় প্রতিষ্ঠানে। বর্তমানে দেশের ৩০টিরও বেশি জেলায় প্রায় ৩ হাজার ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করেছে শিকারি ব্র্যান্ড বিডি। ঢাকায় শাখা কার্যালয়সহ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছেন বহু তরুণ।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজের সুনাম অর্জনের পাশাপাশি শিকারি ব্র্যান্ডের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। প্রতিষ্ঠানটির আলোকচিত্রীদের তোলা ছবি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে এবং পুরস্কৃতও হয়েছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শিকারি ব্র্যান্ড বিডির সিইও মাহফুজ আহমেদ বলেন, ‘আমার কাছে শিকারি ব্র্যান্ড বিডি শুধু কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি ভালোবাসার পরিবার। ২০১৫ সালে যাত্রা শুরুর সময় ভাবিনি প্রতিষ্ঠানটি একদিন আন্তর্জাতিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাবে। ১১ বছরের এই পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, তাদের সবার প্রতি আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আগামীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম আরও উজ্জ্বল করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

এক নজরে শিকারি ব্র্যান্ড বিডি: প্রতিষ্ঠা-২৮ মার্চ ২০১৫; প্রধান খাত-ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট; প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও-মাহফুজ আহমেদ; সহ-প্রতিষ্ঠাতা-ইমরুল কায়েস পিয়াস; প্রধান কার্যালয়-ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির পাশে, সাতক্ষীরা; শাখা-ঢাকা।

ভূমি অপরাধ আইনে মামলা গ্রহণে সাতক্ষীরায় জটিলতা: দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস জেলা প্রশাসনের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
ভূমি অপরাধ আইনে মামলা গ্রহণে সাতক্ষীরায় জটিলতা: দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস জেলা প্রশাসনের
বদিউজ্জামান: ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৮ ধারায় অবৈধভাবে দখলচ্যুত ব্যক্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করার আইনগত সুযোগ থাকলেও সাতক্ষীরায় এ ধারায় মামলা গ্রহণের কার্যক্রম অদ্যাবধি শুরু না হওয়ায় বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিস থেকে চীফ গিগ্যাল এইড অফিসার মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) দেবহাটা উপজেলার আলমগীর নামে একজন নালিশকারীকে তার দখলীয় জমি থেকে অবৈধভাবে উচ্ছেদের অভিযোগে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৮ ধারায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা করার পরামর্শ দেন। কিন্তু পরামর্শ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা করতে গিয়ে তিনি তা দাখিল করতে পারেননি বলে জানা গেছে।
সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের নথিতে দেখা যায়, ২৩/০৮/২০২৬ তারিখের আদেশে উপস্থিত ছিলেন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সাতক্ষীরা। ওই আদেশে নালিশকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিপক্ষ অবৈধভাবে তার স্বত্ব দখলীয় জমিতে ঘেরা বেড়া ও প্রাচির দিয়ে বেদখল করেছে উল্লেখ করে তাকে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৮ ধারার বিধান অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা দায়েরের পরামর্শ দেওয়া হয় এবং আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হয়।
আইনের ৮ ধারার উপধারা (১)-এ বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ছাড়া তার দখলীয় ভূমি থেকে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা হলে তিনি দখল পুনরুদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন বা মামলা করতে পারবেন। উপধারা (২) অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে পূর্ব-দখলীয় ভূমিতে দখল পুনর্বহালের জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন।
এছাড়া ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা, ২০২৪-এও ধারা ৮-এর অধীনে অবৈধভাবে দখলচ্যুত ব্যক্তির দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন করার পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিধিমালা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় দলিলাদি সংযুক্ত করে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করার বিধান রয়েছে।
ফলে আইন ও বিধিমালায় যেখানে দখলচ্যুত মানুষের দ্রুত প্রতিকার পাওয়ার পথ তৈরি করা হয়েছে, সেখানে সাতক্ষীরায় সংশ্লিষ্ট আদালতে এ ধারায় মামলা গ্রহণের কার্যক্রম কার্যকর না থাকায় আইনটির সুফল থেকে বিচারপ্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন কি না—এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “বিষয়টি নিয়ে উনারা কাজ করছেন। দ্রুতই মামলা নেওয়ার ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জমি দখলকে কেন্দ্র করে বিরোধের কারণে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার পেছনে ছুটতে হয়। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৮ ধারা অবৈধভাবে দখলচ্যুত ব্যক্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য একটি বিশেষ আইনি প্রতিকার সৃষ্টি করেছে। তাই সাতক্ষীরায় এ ধারার মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা দ্রুত চালু করা হলে প্রকৃত ভুক্তভোগীরা উপকৃত হবেন।
বিচারপ্রার্থী জনগণের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে ধারা ৮-এর আবেদন বা মামলা গ্রহণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট আদালতের কার্যক্রম স্পষ্টভাবে নির্ধারণ এবং জনসাধারণকে তা অবহিত করবেন—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের।

সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:)-২০২৬ উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:)-২০২৬ উদযাপন

পত্রদূত ডেস্ক: পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:)-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) ১২ রবিউল আউয়াল বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের হলরুমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম টুকুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

এসময় পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:) এর তাৎপর্য তুলে ধরে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক (প্রভাতী শাখা) খান মাকসুদুর রহমান ও সহকারি প্রধান শিক্ষক (দিবা শাখা) জিএম আলতাফ হোসেন প্রমুখ। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:)-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এসময় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম, খালিদ ও মাহিদ।