মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ব পর্যটন দিবস: দিগন্ত জুড়ে প্রযুক্তির ছোঁয়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
বিশ্ব পর্যটন দিবস: দিগন্ত জুড়ে প্রযুক্তির ছোঁয়া

সাকিবুর রহমান বাবলা

প্রতিবছর ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব পর্যটন দিবস। পর্যটনের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে আন্তর্জাতিক জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মানুষের মধ্যে দেশ-দেশান্তরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের পরিচয় ঘটানো এ দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য। ১৯৭০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব পর্যটন সংস্থার সংবিধি গৃহীত হওয়ার দিনটিকে স্মরণীয় করে ২৭ সেপ্টেম্বর তারিখটি নির্ধারণ করা হয়। ১৯৭৯ সালে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ১৯৮০ সালে প্রথমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়।

২০২৬ সালের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্যÑ’পর্যটন পুনর্গঠনে ডিজিটাল এজেন্ডা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’। এ প্রতিপাদ্য পর্যটন ব্যবস্থাপনা, ভ্রমণ পরিকল্পনা, তথ্যপ্রাপ্তি, সেবা ও পর্যটকের অভিজ্ঞতায় ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (চ্যাটবট, স্মার্ট বুকিং, ভার্চুয়াল ট্যুর) ক্রমবর্ধমান ভূমিকার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। ইউএন ট্যুরিজমের সাধারণ পরিষদ উক্ত প্রতিপাদ্য গ্রহণের পাশাপাশি এল সালভাদরকে আনুষ্ঠানিক আয়োজক দেশ হিসেবে নির্ধারণ করেছে। সার্ফ সিটি ও সংস্কার করা ঐতিহাসিক কেন্দ্রকে ঘিরে ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন কর্মসূচিতে পর্যটনমন্ত্রী, শিল্পের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিত্ব এবং প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। এল সালভাদর ইউএন ট্যুরিজমের ‘ফ্যামিলি ফ্রেন্ডলি সিল’ অর্জনকারী প্রথম দেশ হিসেবেও উল্লেখযোগ্য।

পর্যটন বলতে সাধারণ পরিবেশের বাইরে সাময়িকভাবে ভ্রমণ ও অবস্থানকে বোঝায়। অবকাশ ও বিনোদন, ব্যবসা, চিকিৎসা, শিক্ষা, ধর্মীয় উদ্দেশ্য কিংবা রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাÑবিভিন্ন কারণে মানুষ ভ্রমণ করে। নিজের দেশের ভেতরে ভ্রমণ অভ্যন্তরীণ পর্যটন এবং দেশের সীমানা অতিক্রম করে অন্য দেশে যাওয়া আন্তর্জাতিক পর্যটনের অন্তর্ভুক্ত। ফলে পর্যটন শুধু অবকাশযাপন নয়; এটি মানুষের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও পারস্পরিক পরিচয় বিস্তারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

বিশ্ব অর্থনীতিতেও পর্যটনের ভূমিকা ব্যাপক। ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক পর্যটন থেকে প্রাপ্ত আয় প্রায় ১.৭৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায়। একই বছরে আন্তর্জাতিক পর্যটন-আয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রায় ২১৫ বিলিয়ন, স্পেন ১০৬.৫ বিলিয়ন এবং যুক্তরাজ্য ৮৪.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে। পর্যটন হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, গাইড, হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। স্থানীয় পণ্য ও সংস্কৃতির বাজারও সম্প্রসারিত হয়।

কম্বোডিয়ার অঙ্কোর ওয়াট প্রাচীন স্থাপত্য, পেরুর মাচু পিচুর ইনকা সভ্যতার নিদর্শন এবং ভারতের তাজমহলের মুঘল স্থাপত্য ইতিহাস, শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে পর্যটনের গভীর সম্পর্ককে তুলে ধরে। বাংলাদেশেও পর্যটনের সম্ভাবনা বিস্তৃত। কক্সবাজারের দীর্ঘ সমুদ্রসৈকত, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন, সাজেক ও বান্দরবানের পাহাড়-ঝরনা, সিলেটের চা-বাগান, রাতারগুল ও জাফলং, কুয়াকাটার সমুদ্রসৈকত, নওগাঁর পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার এবং বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। স্থানীয় খাবার, জামদানি, পাটজাত পণ্য, হস্তশিল্প ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী পণ্য পর্যটনকেন্দ্রিক অর্থনীতি, সংস্কৃতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতিকে আরো বিস্তৃত করে।

আমাদের দেশে পর্যটন ও আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগও রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট পড়াশোনার পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট কোর্স এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট থেকে রান্না, বেকিং, ট্রাভেল এজেন্সি ও ফ্রন্ট অফিস ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণের সুযোগ রয়েছে। পর্যটন তাই একটি উন্মুক্ত শ্রেণিকক্ষও। পাহাড়, নদী, বন, প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শন, জাদুঘর ও ঐতিহাসিক স্থাপনা সরাসরি দেখার মাধ্যমে ইতিহাস, ভূগোল, পরিবেশ, সংস্কৃতি ও প্রতœতত্ত্ব সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জন করা যায়। শিক্ষা সফর শিক্ষার্থীদের বইয়ের জ্ঞানকে বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করে এবং গবেষণার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করে।

বিশ্ব পর্যটন দিবসের মূল বার্তা তাই শুধু ভ্রমণের আনন্দে সীমাবদ্ধ নয়। পর্যটন অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে পারে, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে সহায়তা করতে পারে, পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে পারে এবং মানুষের মধ্যে পারস্পরিক পরিচয় ও সম্প্রীতির সেতু গড়ে তুলতে পারে। আর ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত হচ্ছে। প্রযুক্তির সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা করা গেলে পর্যটন হয়ে উঠতে পারে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও মানবিক সংযোগের শক্তিশালী মাধ্যম।

Ads small one

জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রাতে কুড়িকাহুনিয়া ভাঙন পরিদর্শনে এসিল্যান্ড মিঠুন মৈত্র

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
জেলা প্রশাসকের নির্দেশে রাতে কুড়িকাহুনিয়া ভাঙন পরিদর্শনে এসিল্যান্ড মিঠুন মৈত্র
বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া লঞ্চঘাটের দক্ষিণ পাশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ওয়াপদা বেড়িবাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঘটনায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের নির্দেশে রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন আশাশুনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র।
সোমবার রাতে তিনি সরেজমিনে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নদীর তীব্র স্রোতে বাঁধের ভাঙন ও ঝুঁকিপূর্ণ অংশের অবস্থা দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেন।
পরিদর্শনকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র বলেন, “সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের নির্দেশে ভাঙন সরেজমিনে পরিদর্শন করতে এসেছি। বাঁধের যে অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে, সেটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।”
স্থানীয়রা জানান, বাঁধের ভাঙন ঠেকাতে দিনভর প্রায় চার শতাধিক মানুষ কাজ করেন এবং অতিরিক্ত মাটি ও অন্যান্য উপকরণ দিয়ে সংস্কারের চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সংস্কার করা অংশের একটি বড় অংশ ফের নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
ভাঙন পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় মসজিদগুলোতে মাইকিং করে এলাকাবাসীকে সতর্ক করা হয়। পরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় রাতে হ্যালোজেন বাতি স্থাপন করে ভাঙনকবলিত এলাকায় কাজ চালানো হয়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত স্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধ ও বাঁধ সংস্কার করা না হলে জোয়ারের পানিতে মাছের ঘের, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
স্থানীয়রা জরুরি ভিত্তিতে বাঁধের ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
পরিদর্শনকালে প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী আবু দাউদ, সার্ভেয়ার মোস্তাফিজুর রহমান, সাংবাদিক বিএম আলাউদ্দীনসহ স্থানীয় জামায়াতের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ

ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে আজ অনুষ্ঠিত ফিফা আসিয়ান কাপের ‘গ্রুপ এ’-র গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের কাছে ১-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ।

এই হারের ফলে টুর্নামেন্টে টানা দ্বিতীয় হারের স্বাদ পেয়ে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছে টমাস ডুলির শিষ্যরা।

এর আগে, মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ ব্যবধানে হেরে ফিফা আসিয়ান কাপে মিশন শুরু করে বাংলাদেশ। ২ ম্যাচে ২ হারে কোনো পয়েন্ট না পেয়ে টেবিলের তলানিতে বাংলাদেশ।

ম্যাচের ৩৫ মিনিটে সিঙ্গাপুর এগিয়ে যায়। বাঁ প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে নুর আবদুল্লাহর ক্রসে হেডে গোল করেন হারিস স্টুয়ার্ট।

বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমার্ধে আধিপত্য বিস্তার করে খেলে সিঙ্গাপুর। পাঁচটি শট নেয় সিঙ্গাপুর। যার মধ্যে চারটিই ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে একটিও শট নিতে পারেনি বাংলাদেশ।

বিরতির পর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ম্যাচের শেষ পর্যন্ত গোলের জন্য চেষ্টা চালিয়েও সমতাসূচক গোল আদায় করতে পারেননি জামাল ভূঁইয়া ও তার সতীর্থরা।

অন্যদিকে, দ্বিতীয়ার্ধে কোনো গোল করতে পারেনি সিঙ্গাপুরও। ফলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় সিঙ্গাপুর।

আজকের ম্যাচের শুরুর একাদশে চারটি পরিবর্তন আনেন কোচ টমাস ডুলি। একাদশের পরিবর্তন বাংলাদেশকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলা উপহার দিতে সহায়তা করলেও, সমতাসূচক গোলটি করতে ব্যর্থ হয় এবং টানা দ্বিতীয় হার বরণ করে নেয় বাংলাদেশ।

আগামী ১ অক্টোবর স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।

এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেলেন শান্ত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
এশিয়ান গেমস থেকে ছিটকে গেলেন শান্ত

জ্বরের কারনে এশিয়ান গেমসে অংশ নেওয়া হলোনা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্য নাজমুল হোসেন শান্তর। দেশে থেকে জাপানে আসার পরই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের চিকিৎসক, বিসিবির ফিজিওথেরাপিস্ট এবং স্থানীয় মেডিকেল টিমের পর্যবেক্ষনের পর তাকে এশিয়ান গেমসে দলের বাইরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নাজমুল হোসেন শান্ত আগামীকাল যথাসম্ভব দ্রুততম ফ্লাইটে দেশে ফিরে যাবেন।
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন মেজর ইমরোজ আহমেদ (অব.) নাজমুল হোসেন শান্তর দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি তার নিরাপদে দেশে পৌঁছানোর জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

মেজর (অব.) ইমরোজ আহমেদ এই সম্পর্কে বলেন, ‘শান্তর প্রচন্ড জ্বর, সঙ্গে বমিও করছেন। তাই এই ক্রিকোটারকে দেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
আজ সকালে সে অসুস্থ বোধ করলে তাকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় নেওয়া হয়। সে সকালে দলের নির্ধারিত অনুশীলনে অংশ নেননি। আগেরদিনও শান্ত অনুশীলনে অনুপস্থিত ছিলেন।