শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ভেড়ির কুঁড়েঘর থেকে স্বপ্নের প্রাসাদে মৌলুদা-মোস্তাফার পরিবার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
ভেড়ির কুঁড়েঘর থেকে স্বপ্নের প্রাসাদে মৌলুদা-মোস্তাফার পরিবার

পত্রদূত রিপোট: একসময় তাদের ঠিকানা ছিল মাছের ঘেরের ভেড়ির পাশে তৈরি করা একটি জরাজীর্ণ কুঁড়েঘর। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি চুঁইয়ে পড়ত মাথার ওপর, শীতের রাতে কাঁপতে কাঁপতে কাটত সময়, আর ঝড় এলেই বুকের ভেতর বাসা বাঁধত অজানা আতঙ্ক। ভূমিহীন ও হতদরিদ্র মৌলুদা খাতুন এবং তার স্বামী গোলাম মোস্তফার কাছে জীবন ছিল বেঁচে থাকার এক নিরন্তর সংগ্রামের নাম। দুবেলা খাবার জোগাড় করাই যেখানে কঠিন ছিল, সেখানে নিজের জমিতে একটি নিরাপদ ঘরের স্বপ্ন দেখাও ছিল বিলাসিতা। কিন্তু সেই অসম্ভব স্বপ্নই আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে মানবতার দুই মহান বন্ধু ভিনসেনজো ফালকোনে এনজো ও গ্রাজিয়েল্লা মেলানো লাওরার হাত ধরে।

 

মুক্তিযুদ্ধের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের মানুষের কষ্ট তাদের হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করেছিল। সেই টানেই ইতালি থেকে এ দেশে ছুটে এসেছিলেন তারা। তারপর কেটে গেছে কয়েক দশক। আশির কোঠায় পৌঁছেও থেমে যাননি। মানুষের জন্য ভালোবাসা আর সেবার অঙ্গীকার নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। তাদের প্রতিষ্ঠিত ঋশিল্পীর মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আবাসন, কর্মসংস্থান ও মানবিক সহায়তার নানা কর্মসূচিতে উপকৃত হয়েছেন দেশের লাখ লাখ প্রান্তিক মানুষ। অসংখ্য পরিবার পেয়েছে নতুন আশ্রয়, নতুন জীবন এবং নতুন করে বাঁচার সাহস।
সম্প্রতি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পারকুখরালি গ্রামের মৌলুদা খাতুনের পরিবারের অসহায় জীবনযাত্রার কথা জানতে পারেন এনজো ও লাওরা। ঘেরের ভেড়ির পাশে মানবেতর পরিবেশে বসবাস করা পরিবারটির দুর্দশার কথা শুনে তারা বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন।

পরিবারটির জন্য জমি ক্রয় করে নির্মাণ করা হয়েছে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন বাড়ি। বাড়িটিতে রয়েছে তিনটি প্রশস্ত শয়নকক্ষ, যেখানে পরিবারের সদস্যরা নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করতে পারবেন। রয়েছে একটি আলাদা রিডিং রুম, যাতে শিশুদের লেখাপড়া ও জ্ঞানচর্চার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এছাড়া সুপরিসর ড্রয়িং ও ডাইনিং রুম, আধুনিক স্বাস্থ্যসম্মত বাথরুম এবং বড় পরিসরের রান্নাঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ঘরের প্রতিটি অংশ এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে একটি পরিবার শুধু আশ্রয়ই না পায়, বরং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারে। জমি ক্রয় ও গৃহনির্মাণ বাবদ মোট ব্যয় হয়েছে ১৫ লাখ ৬৩ হাজার ৯৫১ টাকা।

বাড়ি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঋশিল্পী ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক প্রশান্ত কুমার বল্লভ, কনসালটেন্ট মো. আকতারুল আলম, প্রোগ্রাম অফিসার মো. নাঈমুজ্জামান এবং হিসাবরক্ষক মীর মাহমুদুর রহমান।
নতুন ঘরের চাবি হাতে নিয়ে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে মৌলুদা খাতুন বলেন, আমাদের কোনো জমি ছিল না, কোনো নিরাপদ আশ্রয়ও ছিল না। আজ মনে হচ্ছে আমরা নতুন জীবন পেলাম। যারা আমাদের এই ঘর দিয়েছেন, তাদের ঋণ কোনোদিন শোধ হবে না।

এন্সো ও লাওরা আজীবন মানুষকে যত দৃষ্টান্তমুলক সেবা দিয়েছে তা নিরবে। জাহির করে নয়। মানবতার পাশে তাদের সব কর্মকান্ড তাই অনন্য ও অসাধারণ। তার তাদের অনুপস্থিতিতে তাদের পক্ষে জমির দলিল ও বাড়ির চাবি হস্তান্তর করে সমাজকর্মী ও সাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন।

সুমন বলেন, মানুষের কল্যাণে কাজ করার ক্ষেত্রে এনজো ও লাওরা কখনও প্রচার বা স্বীকৃতি খোঁজেননি। নীরবে, নিরলসভাবে তারা হাজারো অসহায় মানুষের জীবন বদলে দিয়েছেন। আজ মৌলুদা খাতুনের পরিবারের মুখে যে হাসি দেখা যাচ্ছে, সেটিই তাদের মানবিক কর্মকান্ডের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। মানবতার জন্য তাদের এই ভালোবাসা আমাদের সকলের জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এটি শুধু একটি বাড়ি নির্মাণের ঘটনা নয়; এটি মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাদের ভাষায়, অনেকেই সাহায্য করেন, কিন্তু মানুষের ভাগ্য বদলে দেওয়ার মতো কাজ খুব কম মানুষই করেন। এনজো ও লাওরা একটি পরিবারকে শুধু ঘর দেননি, তাদের হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন, সম্মান ও ভবিষ্যৎ ফিরিয়ে দিয়েছেন।

ঋশিল্পী ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক প্রশান্ত কুমার বল্লভ বলেন, একটি পরিবারের মাথার ওপর নিরাপদ ছাদ নিশ্চিত করা শুধু দান নয়, এটি মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার কাজ। এনজো ও লাওরা আজীবন সেই মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন।

ফাউন্ডেশনের কনসালটেন্ট মো. আকতারুল আলম বলেন, ভূমিহীন মানুষের জন্য জমি ও বাসস্থান নিশ্চিত করা তাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। মৌলুদা খাতুনের পরিবারের জন্য এই উদ্যোগ সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

সাতক্ষীরার এই গল্প তাই কেবল একটি গৃহহস্তান্তরের সংবাদ নয়; এটি মানুষের প্রতি মানুষের সীমাহীন ভালোবাসা, মমতা ও দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দলিল, যা দীর্ঘদিন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে চৌদ্দ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে চৌদ্দ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শুক্রবার (১২ জুন ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও হিজলদী বিওপি এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকসহ চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ, চিংড়ি মাছের রেনুপোনা ও ১৫ বোতল মদ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার বাদামতলী হতে ৪ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি ও ভাদিয়ালি হতে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় ঔষধ ও মদ আটক করে।

 

মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার রাজপুর হতে ৩ লাখ ৬১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালি হতে ১ লাখ ২৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর আভিযানে কলারোয়া থানার বোয়ালিয়া হতে ২ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

চোটে বিশ্বকাপ শেষ জাপান অধিনায়কের, তারপর অবসর ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
চোটে বিশ্বকাপ শেষ জাপান অধিনায়কের, তারপর অবসর ঘোষণা

চোটের কারণে আসন্ন বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন জাপান অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দো। হতাশায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দলের প্রথম ম্যাচের মাত্র তিন দিন আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকেও অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই মিডফিল্ডার। তার অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ডিফেন্ডার কো ইতাকুরা।

পায়ের চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে না পারায় টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার। তার পরিবর্তে জাপান দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বোরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখের শুতো মাচিনোকে। তার পরেই ৩৩ বছর বয়সী এন্দো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, বিশ্বকাপে খেলতে না পারায় তিনি ‘হতাশ’। তবে গ্রুপ ‘এফ’-এ নেদারল্যান্ডস, তিউনিসিয়া ও সুইডেনের বিপক্ষে জাপান ভালো করবে বলেই বিশ্বাস তার।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এন্দো লিখেছেন, ‘ভবিষ্যতে এমন একটা সময় অবশ্যই আসবে, যখন জাপান বিশ্বকাপ জিতবে। তাই আসুন, আমরা সেই বিশ্বাস ধরে রাখি এবং দলকে সমর্থন করি।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপেই যেন সেই স্বপ্ন বাস্তব হয়, সে জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে জাপানের শক্তি হয়ে দাঁড়াতে হবে।’

জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে এন্দো লিখেছেন, ‘আমি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে আমি শুধু একজন সমর্থক হিসেবে জাপানকে সমর্থন জানাব।’

গত ফেব্রুয়ারিতে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে লিভারপুলের হয়ে খেলতে গিয়ে পায়ের চোটে পড়েন এন্দো। তবে ৩১ মে টোকিওতে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ১-০ গোলের জয়ে তিনি জাপান দলে ফিরেছিলেন। সেই ম্যাচে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন তিনি। পরে মেক্সিকোতে জাপানের বিশ্বকাপ-পূর্ব প্রস্তুতি ক্যাম্পেও অস্বস্তি অনুভব করেন। সেখানে কোনও পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি। সোমবার জাপান দল বিশ্বকাপ ক্যাম্প ন্যাশভিলে পৌঁছানোর পর তিনি অনুশীলনে অংশ নিলেও, টুর্নামেন্টের আগে প্রয়োজনীয় ফিটনেস ফিরে পাননি। এন্দো নিজের শারীরিক ফিটনেস নিয়ে জানান, ‘চোট পাওয়ার পর থেকে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তাই আমার কোনও আক্ষেপ নেই।’

আক্ষেপ না থাকলেও কষ্টটা লুকাননি এন্দো, ‘অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে না পারার কষ্ট আছে। তবে তার চেয়েও বড় বিষয় হলো, কাতার বিশ্বকাপের পর থেকে আমি এই দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং দলকে এমন এক জায়গায় নিতে পেরেছি, যেখানে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করাটা স্বাভাবিক বলে মনে হয়। এজন্য আমি গর্বিত।’

২০১৫ সালে জাপানের হয়ে অভিষেক হয় এন্দোর। জাতীয় দলের জার্সিতে ৭৩ ম্যাচ খেলে চারটি গোল করেছেন তিনি। ছিলেন ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে জাপান দলের সদস্য। কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনের বিপক্ষে জাপানের স্মরণীয় জয়ের দিনও খেলেছিলেন তিনি।

দেড় লাখ টাকা খরচ করে নিজের বাড়িকে বানালেন ‘ব্রাজিল বাড়ি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
দেড় লাখ টাকা খরচ করে নিজের বাড়িকে বানালেন ‘ব্রাজিল বাড়ি’

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় মাতোয়ারা পুরো বিশ্ব। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেই চলছে। এমনই এক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ছতুরা-চান্দপুর গ্রামের রুবেল মিয়া।

রুবেল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক। তাই নিজের পুরো বাড়িটির রঙ করিয়েছেন, নিজদল ব্রাজিলের পতাকার আদলে। বাড়ির সীমানা দেওয়ালে ব্রাজিলের পতাকার পাশাপাশি সে দেশের খেলোয়াড়দের ছবি এঁকেছেন। বাড়ির ভবনে আঁকা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও।

এদিকে বাড়িটিকে একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ব্রাজিল সমর্থকরা ছুটে আসছেন। ব্রাজিল ছাড়া অন্য দলের সমর্থকরাও বাড়িটির প্রশংসা করছেন। পুরো উপজেলাজুড়ে এমন বাড়ি নেই বলে দাবি করছেন মালিক রুবেল। বাড়িটির কারণে এলাকার নামও চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে ব্রাজিল বাড়ি বলে।

বাড়ির মালিক রুবেল মিয়া বলেন, ব্রাজিলের খেলা আমার পছন্দ। আমি ছোট বেলা থেকে ব্রাজিল সাপোর্ট করে আসছি। আর এই কারণেই ব্রাজিলের পতাকার আদলে বাড়ির ভবন ও সীমানা দেয়াল রঙ করিয়েছি। খেলোয়াড়দের ছবিও আঁকিয়েছি। গত ১৬ দিন ধরে কাজ চলছে। এখনও কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। রঙ করতে প্রায় দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। অনেকে আসছেন বাড়িটি দেখতে। আমি মনে করি আমার প্রিয় দল ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপে ভালো করবে এবং শিরোপা জয়লাভ করবে।

তিনি তার প্রিয় দল ব্রাজিল দলের জন্যে সবার কাছে দোয়া চান।