শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩

মানবাধিকার ও তথ্য অনুসন্ধান নিয়ে ঢাকায় আবাসিক কর্মশালা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
মানবাধিকার ও তথ্য অনুসন্ধান নিয়ে ঢাকায় আবাসিক কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজধানীর লালমাটিয়ায় এনজিও ফোরামের মিলনায়তনে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)-এর উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং স্কিলস’ শীর্ষক এই কর্মশালা ১৮ আগস্ট শুরু হয়ে ২০ আগস্ট শেষ হয়। এতে দেশের ১২টি জেলা থেকে ২৪ জন প্রতিনিধি অংশ নেন।

তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও আইনি কাঠামো বিষয়ে আলোচনা করেন এসএফের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান, সাক্ষাৎকার গ্রহণের কৌশল নিয়ে ধারণা দেন প্রথম আলোর পার্থ সাহা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামো বিষয়ে বক্তব্য দেন ইউএন বাংলাদেশের জাহিদ হোসেন।

এ ছাড়া আইনি প্রক্রিয়া ও ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করেন আইনজীবী মো. খালেদ হোসেন সরকার ও সাজ্জাদ হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন সিনিয়র স্টাফ ল’ইয়ার নাহিদ শামস ও সাহিদ মাহফুজ। সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর সোফিয়া হাসিন।

কর্মশালা শেষে মানবাধিকারকর্মী দেবাশীষ দত্তের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

Ads small one

গাঁয়ের মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
গাঁয়ের মানুষ

দুখু হুমায়ুন
বনের ধারে মাঠের পাশে ছোট্ট পাতার ঘর,
সবাই মিলে বসত সেথা কেউ নয়তো পর।
সবুজ বনে শিতল ছায়া জুড়ায় মন প্রান,
আসলে সেথা সবুজ গাঁয়ে পাবে ফুলের ঘ্রাণ।
শস্য শ্যামল মাঠের পাশে আমরা করি বাস,
সুখের ধারা বহে সেথায় বুকে নির্মল শ্বাস।
মাঠের মাঝে ডুবার জলে মাছের মেলা বসে,
মটরশুটি বিছায় মাদুর মেঠো পথের পাশে।
হরেক রকম চৈতালী আর সোনা ধানের মাঠে,
নয়ন ভরা সজীব সবুজ গাঁয়ের মাঠে বাটে।
স্বর্গ সেথায় হাওয়া বিলায় পল্লী গাঁয়ের বুকে,
সহজ প্রান গাঁয়ের মানুষ লুটায় স্বর্গ সুখে।
নদীর ঘাটে স্নানের কালে নামে মানব ঢল,
সকল জাতি করছে গোসল নাইতো মনে ছল।
হিজল তমাল বট পাকুড়ে আরো ফলজ শাখে,
কত রকম পাখির কুজন কেবা হিসেব রাখে!
ফুল ফসলে তরুর তলে বলবো বলো কতো।
সুখের ধারা গাঁয়ের পথে ছড়িয়ে কতো শত।

হাটের দিনে সার বাধিয়া কৃষক হাটে ছোটে,
সন্ধ্যায় ফেরে সদাই নিয়ে আপন গৃহ বাটে।
জীবিকা লাগি গাঁয়ের মানুষ কত পেশায় রতো,
অন্যের দুঃখে সবাই ছোটে হোকনা কষ্ট যতো।

নিবন্ধ/সন্তান- শিক্ষার্থী -অভিভাবক ও শিক্ষক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৫ পূর্বাহ্ণ
নিবন্ধ/সন্তান- শিক্ষার্থী -অভিভাবক ও শিক্ষক

জয়ন্ত কুমার চঞ্চল।
অতি স্নেহে শুধু সন্তান নয় সন্তানসম শিক্ষার্থীও বিপথগামী হতে পারে। আর এজন্য আপছোস ও মনখারাপের একটাই সুস্বাদু রেসিপি হলো ‘’গুজব”। কদর কে শ্রদ্ধার ও সম্মানের ডিসম্যেনু না বানিয়ে কিংবা অপরাগতার দুয়ারে কড়া না নাড়িয়ে যদি পারিবারিক শিক্ষা ও নৈতিকতা থেকে চূড়ান্ত অনুভবের করা যায় তবে তাহবে উপযোগী। মনের গভীরের আকুতি মিনতি যদি নিষ্ঠা ও সততা থেকে আসে তবে এটাও সত্য যে আদর্শ ও আদব জয়ী হবেই। শক্ত হলে নিষ্ঠুর, নমনীয় হলে ভিতু এবং মধ্যমায় সুযোগবাদী এটাই স্বাভাবিক ধর্তব্য। তবে আনন্দহীন শিক্ষা ও নৈতিকতা বিরোধী উপদেশে উচ্ছুন্নে যাওয়ার হাত থেকে রেহাই দিতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের অবশ্যই শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবোধ ও আত্মসচেতন এর বিশুদ্ধ বীজ বপন করতেই হবে। এখনই সময় একথা মেনে নেয়ার যে অভিভাবক ও শিক্ষকদের উভয়েই উভয়কে পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। এখনই আরো উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে শিক্ষককে নিজেকে অভিভাবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আবার অভিভাবককে শিক্ষকের সহায়তায় একমাত্র সুষম শিক্ষা ও নৈতিকতার পথে নিয়ে আসা সম্ভব।
শিক্ষক -অভিভাবক বৈরী ও বিরুপ মন্তব্য চালাচালির মতো ঘৃণ্য এবং বেপোরোয়া আচরণের মধ্যে থাকলে বদনাম ও বিপদের সমূহ সম্ভাবনা থাকে। একদিকে ডিভাইস আসক্তি অন্যদিকে সামাজিক লিডারশিপের অভাবের তাড়না আকাঙ্ক্ষা ও ইচ্ছে কে দারুনভাবে নিরূৎসাহিত করছে। এক্ষেত্রে শিক্ষক শিক্ষার্থী অভিভাবক সবাই ক্ষেত্রবিশেষে দায় এড়াতে পারিনা। সন্তানের সামনে অভিভাবক, অভিভাবক -শিক্ষক একসাথে, শিক্ষার্থীদের সামনে শিক্ষক এই সমস্যা অর্থাৎ আসক্তি বিরাজমান।
পরিশেষে বলবো আমি বা আমরা একাধারে শিক্ষক , অভিভাবক আবার শিক্ষার্থী। আমাদের সমাজের বাস্তবতা ও পরিহাস কে একসাথে পরিমাপের মতো ভুল করলে হবেনা। পরিশ্রম -সাধনা- অনুশীলন ও ঐকান্তিক গভীর ভক্তি শ্রদ্ধার সমন্বয় নিজেরাই ঘটিয়ে নিতে হবে। গতি ও আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক হলে হবে না আদৌও।

অবক্ষয়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:২৩ পূর্বাহ্ণ
অবক্ষয়

মোঃ রহমত আলী
রঙ বদলে যাচ্ছে চাঁদ-তারা-সূর্যের,
শুধু আকাশের রঙ বদলানোর অপেক্ষা।
ঘোলা জল স্বচ্ছ হতে হতে যতক্ষণ..
গোধূলির গোলাপি মেঘ ততক্ষণে হাওয়া।

ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশির-বিন্দু..
ঝরে পড়তে না পড়তেই জোনাক জ্বলা সন্ধ্যা!
অবশেষে সাজানো শহরের জৌলুস ভেঙে
রঙিন সভ্যতা জঙ্গলে পৌঁছে গেছে।

অতঃপর জ্যোৎস্নার কণাও আর উঁকি দেয় না..
কোনো বৃক্ষের জীর্ণ ডালের ফাঁক থেকে।