রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

মেধা ও উদ্ভাবনে খুদে বিজ্ঞানীদের চমক: সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
মেধা ও উদ্ভাবনে খুদে বিজ্ঞানীদের চমক: সাতক্ষীরায় বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী প্রদর্শনী

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সদর উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের ‘স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী’ শুক্রবার (১২ জুন) সকালে সাতক্ষীরা নবারুণ বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম (ইইএসএস), এসইডিপি এবং ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে ও সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের সহযোগিতায় এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

মেলা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর কবীর এবং সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবুল হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন নবারুণ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুল মালেক গাজী, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আব্বাস আলী সরদার এবং সাবেক প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ মনজুরুল হক। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উপমা আহমেদ নাবিলা।

খুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন ও প্রকল্প মূল্যায়নে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী ইয়াকুব আলী, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক নিত্যানন্দ কুমার, আইসিটি বিভাগের প্রভাষক দেবাশীষ দাস এবং সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক মোঃ আফজাল করিম।
উপজেলা পর্যায়ের এই বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ১৮টি স্টল স্থান পায়। মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। স্টলগুলোতে খুদে বিজ্ঞানীরা তাদের চমৎকার সব উদ্ভাবনী আইডিয়া ও প্রযুক্তি প্রদর্শন করে নজর কাড়েন সবার।

মেলার প্যান্ডেলে ঢুকতেই প্রথমেই চোখে পড়ে বাঁকাল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্টল। কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়া থেকে কার্বন শোষণ করে কীভাবে বাতাসে সাদা ধোঁয়া ছাড়া যায় এবং পরিবেশ সুরক্ষিত রাখা যায়, সেই প্রযুক্তি প্রদর্শন করে তারা নজর কেড়েছে। একই ধরনের প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে সাতক্ষীরা পলাশপোল হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরাও।

সাতক্ষীরা প্রাণনাথ হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা বর্জ্য ব্যবহার করে কীভাবে শক্তি উৎপাদন করা যায়, তা প্রদর্শন করে। অন্যদিকে, সাতক্ষীরা টাউন গার্লস হাইস্কুলের স্টলে প্রদর্শন করা হয় পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্রযুক্তি।
দেশের সীমান্ত রক্ষা ও নিরাপত্তা জোরদারে অটো রাডার ও মিসাইল সিস্টেম কীভাবে কাজ করে, তা প্রযুক্তির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছে সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

চমৎকার পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনায় একটি সমৃদ্ধ আধুনিক কৃষি ও খামার প্রকল্প প্রদর্শন করে নজর কেড়েছে দ্য পোল স্টার অ্যান্ড পৌর হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা। ভিন্নধর্মী এক আইডিয়া নিয়ে হাজির হয়েছিল পল্লী মঙ্গল হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা। রাস্তার ওপর দিয়ে মানুষ হাঁটলে বা চাপ পড়লেই কীভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা সম্ভব, তা দেখিয়েছে তারা।
মেলায় নবারুণ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা একটি মেগা প্রকল্প প্রদর্শন করে। আগামী ৫০ বছর পর সাতক্ষীরা শহর কেমন হতে পারে-তার একটি দারুণ চিত্র তুলে ধরেছে তারা। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি ও খাদ্য, আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং বাসস্থানের আধুনিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়।

ফসলের মাঠ বা টবের মাটি শুকিয়ে গেলে কীভাবে মানুষের সাহায্য ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেচ দেওয়া সম্ভব, সেই অভিনব প্রযুক্তি দেখিয়েছে ডিবি ইউনাইটেড হাইস্কুলের শিক্ষার্থীরা। আর পানি বিশুদ্ধকরণের সহজ প্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে সাতক্ষীরা নবজীবন ইনস্টিটিউটের খুদে বিজ্ঞানীরা। বল্লী আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেখিয়েছে কীভাবে পানির সাহায্যে রকেট উড্ডয়ন করা যায়। একই সাথে তারা সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণের উপায়ও প্রদর্শন করে। অন্যদিকে, সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে কাজ করেছে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মেলায় বেশ নান্দনিক উপস্থাপনা ছিল সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। অতিরিক্ত লোড বা ওজনের কারণে পিচের রাস্তা নষ্ট হওয়া রোধে তারা একটি প্রযুক্তি প্রদর্শন করে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কোনো যানবাহন অতিরিক্ত লোড নিলেই তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে থেমে যাবে এবং চালক আগাম সতর্কবার্তা পেয়ে যাবেন। এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ও ট্রাফিক জ্যাম নিয়ন্ত্রণেও তারা পৃথক প্রদর্শনী করে সবার নজর কাড়ে।
খুদে বিজ্ঞানীদের এমন সব উদ্ভাবনী ও আধুনিক চিন্তাভাবনা মেলায় আসা শিক্ষক, বিচারক ও দর্শনার্থীদের ভীষণভাবে মুগ্ধ করেছে।

সাতক্ষীরা জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আলমগীর কবীর জানান, জেলার সাতটি উপজেলায় ১৯৪টি স্টলে শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীল প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছে। আগামী ১৪ জুন অনুষ্ঠিত হবে জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। এরপর জাতীয় পর্যায়ে জেলা থেকে বিজয়ী দল অংশ নিবে। জাতীয় পর্যায়ে সারা দেশ থেকে ১০০টি দল অংশগ্রহণ করবে। সেখান থেকে সেরা ১০টি দলকে পুরস্কৃত করা হবে।

 

Ads small one

দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:২১ পূর্বাহ্ণ
দর্শক খরায় বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ, টিকিটের দামে ছাড় দিয়েও মিলছে না ক্রেতা

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ইংল্যান্ড এবং স্পেনের কাছে ফ্রান্সের বিদায়ের পর দুই দলের সমর্থকদের মাঝেই যেন বিশ্বকাপের আমেজ অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে। তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টায় মায়ামি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী বা ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে। ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর আগমুহূর্তেও ফিফার অফিসিয়াল সাইটগুলোতে হাজার হাজার টিকিট অবিক্রিত পড়ে রয়েছে।

ফিফার টিকিট পোর্টাল এবং অফিসিয়াল রিসেল প্ল্যাটফর্মগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের এই ম্যাচটি ঘিরে এখনও প্রায় ৭,০০০ টিকিট অবিক্রিত অবস্থায় তালিকাভুক্ত রয়েছে। সাধারণ ক্যাটাগরিতে ১,২৪৬টি টিকিট অবিক্রিত আছে, যার একেকটির মূল্য হাঁকা হচ্ছে ৮৬৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৬৫৭ পাউন্ড) থেকে ১,১২৫ মার্কিন ডলার (প্রায় ৮৫৫ পাউন্ড) পর্যন্ত।

সবচেয়ে বড় চমক দেখা গেছে অফিসিয়াল রিসেল বা পুনঃবিক্রয় প্ল্যাটফর্মে। সেখানে প্রায় ৫,৮৬৪টি টিকিট বিক্রির জন্য জমা পড়ে আছে। সমর্থকরা তাদের কেনা টিকিট নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। সবচেয়ে সস্তা ক্যাটাগরি-৩-এর টিকিটগুলো ফেস ভ্যালু ৪৫৫ ডলারে পাওয়া যাচ্ছে (এর সঙ্গে ফিফার ১৫ শতাংশ অতিরিক্ত ফি যুক্ত হবে)।

ম্যাচের আকর্ষণ ও দর্শক আগ্রহ কমে যাওয়ায় সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে প্রিমিয়াম বা ক্যাটাগরি-১-এর টিকিটগুলোতে। যে টিকিটগুলোর মূল ক্রয়মূল্য ছিল ১,১২৫ ডলার, সেগুলো এখন প্রায় অর্ধেক বা বিশাল ডিসকাউন্টে মাত্র ৬৫৯ ডলারে রিসেল প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:১০ পূর্বাহ্ণ
মেসিদের মুখোমুখি হওয়ার আগে বড় ধাক্কা স্পেনের, অনুশীলন বাতিল

উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের মহারণে নামার ঠিক আগের দিন বড়সড় ধাক্কা খেলো স্পেন শিবির। নিউজার্সির বৈরী আবহাওয়ার কারণে শেষ মুহূর্তের চূড়ান্ত প্রস্তুতি আর ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন করতে পারলো না লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। প্রবল বৃষ্টি ও লাগাতার বজ্রপাতের কারণে শনিবারের (১৮ জুলাই) নির্ধারিত শেষ দিনের পুরো অনুশীলন সেশনটিই বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশন।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শনিবার নিউজার্সির হুইপ্যানিতে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায়) স্পেনের অনুশীলনে নামার কথা ছিল। স্প্যানিশরা এই সেশনের জন্য বেছে নিয়েছিল নিউইয়র্ক রেড বুলসের সাবেক অনুশীলন কেন্দ্র এবং বর্তমানে এনডব্লিউএসএল ক্লাব গথাম এফসির ভবিষ্যৎ ট্রেনিং কমপ্লেক্সটি। কিন্তু সকাল থেকেই শুরু হয় তীব্র বজ্রঝড়। প্রথমে অনুশীলন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরিস্থিতির কোনও উন্নতি না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত পুরো সেশনই বাতিল ঘোষণা করা হয়। মাঠে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকা সংবাদকর্মীদেরও নিরাপত্তার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারিত কর্মক্ষেত্রের ভবনের ভেতরে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

যুক্তরাষ্ট্রে বজ্রঝড় নিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নিখুঁত ও কঠোর, তা প্রকাশ পেয়েছে মাঠের এক কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যে। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, অনুশীলন বা ম্যাচ ভেন্যুর ৮ মাইলের মধ্যে কোথাও বজ্রপাত শনাক্ত হলেই নিয়ম অনুযায়ী মাঠের সব ধরনের কার্যক্রম সঙ্গে সঙ্গে স্থগিত করা হয়। এরপর প্রতি ৩০ মিনিট পরপর পরিস্থিতি গভীরভাবে মূল্যায়ন বা পর্যবেক্ষণ করা হয়।

বজ্রপাতের এই ঝুঁকি যখন পুরোপুরি কেটে যায়, তখনই কেবল নিরাপত্তা বিভাগ থেকে ‘অল ক্লিয়ার’ সংকেত দেওয়া হয়। এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই খেলোয়াড়রা মাঠে প্রবেশের অনুমতি পান। তবে শনিবার সকালে হুইপ্যানির পরিস্থিতি এতটাই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল যে স্পেনকে মাঠে নামার অনুমতি দেওয়াই সম্ভব হয়নি।

চলতি বিশ্বকাপজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ভেন্যুগুলোতে একই বজ্রঝড়-সংক্রান্ত কঠোর নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে। এর আগে এই নিয়মের মারপ্যাঁচে পড়ে চলমান টুর্নামেন্টের একাধিক ম্যাচের সময়সূচিতে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছিল। কোনও কোনও ম্যাচ দীর্ঘ সময় স্থগিতও রাখতে হয়েছিল।

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৯ জুলাই) দিবাগত রাত ১টায় (স্থানীয় সময় সন্ধ্যা) নিউজার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরার মুকুটের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। যেখানে আর্জেন্টিনা দল তাদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক সারতে পেরেছে, সেখানে অনুশীলনের এই ঘাটতি স্পেনের জন্য কতটা ভোগান্তি বাড়াবে তা বলা মুশকিল। তবে ফুটবলপ্রেমীদের মনে এখন সবচেয়ে বড় শঙ্কা— নিউজার্সির এই বৈরী আবহাওয়া ফাইনালকেও কোনও বিঘ্নের মুখে ফেলে কি না!

বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ২:০৬ পূর্বাহ্ণ
বিলাসবহুল ট্রাঙ্কে চড়ে ফাইনালের মঞ্চে পৌঁছাবে বিশ্বকাপ ট্রফি

বিশ্বকাপ ট্রফি শুধু ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত পুরস্কারই নয়, এটি মর্যাদা ও ঐতিহ্যেরও প্রতীক। সেই ট্রফিকে ফাইনালের মঞ্চে নিয়ে যেতে এবারও বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান লুই ভিতোঁ। ২০১০ সাল থেকে টানা পঞ্চম বিশ্বকাপে এই দায়িত্ব পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে বিশেষভাবে তৈরি লুই ভিতোঁর এই ট্রাঙ্কে করেই মাঠে আনা হবে বিশ্বকাপ ট্রফি।

বিশেষ এই ট্রাঙ্কের সামনে রয়েছে সোনালি রঙের ইংরেজি অক্ষর ‘ভি’। যা একদিকে ভিক্টরি তথা জয় -এর প্রতীক, অন্যদিকে ভিতোঁর আলাদা পরিচয় বহন করছে। ট্রাঙ্কজুড়ে রয়েছে লুই ভিতোঁর পরিচিত নকশা এবং সোনালি আবরণযুক্ত পিতলের কর্নার প্রটেক্টর।

এটি টানা পঞ্চম বিশ্বকাপ যেখানে ট্রফির জন্য বিশেষ ট্রাঙ্ক তৈরি করেছে লুই ভিতোঁ। এর আগে ২০১০, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপেও একই দায়িত্ব পালন করেছিল ফরাসি এই বিলাসবহুল ব্র্যান্ড।