শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ম্যাপের ফেরে কুলিয়ার সরকারি জমি ও গাছ নিয়ে বিতর্ক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
ম্যাপের ফেরে কুলিয়ার সরকারি জমি ও গাছ নিয়ে বিতর্ক

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সীমানাসংলগ্ন জমি নিয়ে চলছে ম্যাপ ও মাপের লড়াই। উত্তর কুলিয়ার মাসুদ হোসেন ও দক্ষিণ কুলিয়ার কামরুল ইসলাম গংদের মালিকানাধীন জমির সঙ্গে পরিষদের সীমানা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় গাছ কাটার ঘটনা এখন আলোচনার কেন্দ্রে। তবে ভুক্তভোগীদের দাবি, এটি কোনো অপরাধ নয় বরং সরকারি সার্ভেয়ারের দেওয়া ভুল সীমানার ফল।
জানা গেছে, গত বছরের ৮ আগস্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পাঠানো সার্ভেয়ার লিজা খাতুন জমিটি পরিমাপ করেন। সেই মাপে কামরুল ও মাসুদ হোসেনের অংশে ৬.৭৩ শতক জমি নির্ধারিত হয়। সরকারি সেই সীমানা অনুযায়ী তাঁরা নিজেদের প্রাপ্ত জায়গায় থাকা কয়েকটি গাছ কেটে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
বিপত্তি ঘটে গত ২ এপ্রিল। মালিকপক্ষ নিজস্ব সার্ভেয়ার দিয়ে পুনরায় মেপে অতিরিক্ত জায়গা দাবি করলে পরিষদ কাজ বন্ধ করে দেয়। এরপর ৬ এপ্রিল ইউএনও’র পাঠানো সার্ভেয়ার নতুন ম্যাপ অনুযায়ী পুনরায় পরিমাপ করলে দেখা যায়, আগে পরিষদের অংশে ২৩ শতক জমি থাকলেও নতুন ম্যাপে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ শতকে। এতে মালিকপক্ষের জায়গা ৪ শতক কমে যায় এবং আগে কাটা গাছগুলো হঠাৎ করেই পরিষদের সীমানার ভেতরে পড়ে যায়।
জমির মালিক মাসুদ ও কামরুল ইসলাম বলেন, “প্রথমবারের সরকারি মাপে গাছগুলো আমাদের সীমানায় পড়েছিল বলেই আমরা সেগুলো অপসারণ করেছিলাম। নতুন ম্যাপে সীমানা বদলে যাওয়ায় এখন সেগুলো পরিষদের জায়গায় দেখাচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত এবং কারিগরি ভুলের ফসল। আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না, সুষ্ঠু সমাধান চাই।”
কুলিয়ার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাষ মন্ডল বর্তমানে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছেন। স্থানীয়দের মতে, একই জমিতে সরকারি সার্ভেয়ারের দুই ধরনের মাপে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। সচেতন মহল মনে করছে, বিষয়টি ‘ইচ্ছাকৃত অপরাধ’ না হয়ে ম্যাপের জটিলতাজনিত ‘ভুল বোঝাবুঝি’ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। প্রশাসনিকভাবে ম্যাপের এই অসামঞ্জস্য দূর না হলে এ ধরনের সীমানা বিরোধ আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে চৌদ্দ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে চৌদ্দ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শুক্রবার (১২ জুন ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ ভোমরা, কাকডাঙ্গা, মাদরা ও হিজলদী বিওপি এবং ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদকসহ চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ, ঔষধ, চিংড়ি মাছের রেনুপোনা ও ১৫ বোতল মদ আটক করেছে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর জানায়, ভোমরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার বাদামতলী হতে ৪ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি আভিযানে কলারোয়া থানার কেড়াগাছি ও ভাদিয়ালি হতে ৩ লাখ ৭২ হাজার ৫০০ টাকার ভারতীয় ঔষধ ও মদ আটক করে।

 

মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার রাজপুর হতে ৩ লাখ ৬১ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালি হতে ১ লাখ ২৪ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, ঝাঁউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্প এর আভিযানে কলারোয়া থানার বোয়ালিয়া হতে ২ লাখ টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

চোটে বিশ্বকাপ শেষ জাপান অধিনায়কের, তারপর অবসর ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
চোটে বিশ্বকাপ শেষ জাপান অধিনায়কের, তারপর অবসর ঘোষণা

চোটের কারণে আসন্ন বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন জাপান অধিনায়ক ওয়াতারু এন্দো। হতাশায় নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে দলের প্রথম ম্যাচের মাত্র তিন দিন আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকেও অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন অভিজ্ঞ এই মিডফিল্ডার। তার অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেবেন ডিফেন্ডার কো ইতাকুরা।

পায়ের চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে না পারায় টুর্নামেন্ট থেকে নাম প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন লিভারপুলের এই মিডফিল্ডার। তার পরিবর্তে জাপান দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বোরুসিয়া মনশেনগ্লাডবাখের শুতো মাচিনোকে। তার পরেই ৩৩ বছর বয়সী এন্দো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, বিশ্বকাপে খেলতে না পারায় তিনি ‘হতাশ’। তবে গ্রুপ ‘এফ’-এ নেদারল্যান্ডস, তিউনিসিয়া ও সুইডেনের বিপক্ষে জাপান ভালো করবে বলেই বিশ্বাস তার।

এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এন্দো লিখেছেন, ‘ভবিষ্যতে এমন একটা সময় অবশ্যই আসবে, যখন জাপান বিশ্বকাপ জিতবে। তাই আসুন, আমরা সেই বিশ্বাস ধরে রাখি এবং দলকে সমর্থন করি।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপেই যেন সেই স্বপ্ন বাস্তব হয়, সে জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে জাপানের শক্তি হয়ে দাঁড়াতে হবে।’

জাতীয় দল থেকে অবসরের বিষয়ে এন্দো লিখেছেন, ‘আমি জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এখন থেকে আমি শুধু একজন সমর্থক হিসেবে জাপানকে সমর্থন জানাব।’

গত ফেব্রুয়ারিতে সান্ডারল্যান্ডের বিপক্ষে লিভারপুলের হয়ে খেলতে গিয়ে পায়ের চোটে পড়েন এন্দো। তবে ৩১ মে টোকিওতে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ১-০ গোলের জয়ে তিনি জাপান দলে ফিরেছিলেন। সেই ম্যাচে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন তিনি। পরে মেক্সিকোতে জাপানের বিশ্বকাপ-পূর্ব প্রস্তুতি ক্যাম্পেও অস্বস্তি অনুভব করেন। সেখানে কোনও পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি। সোমবার জাপান দল বিশ্বকাপ ক্যাম্প ন্যাশভিলে পৌঁছানোর পর তিনি অনুশীলনে অংশ নিলেও, টুর্নামেন্টের আগে প্রয়োজনীয় ফিটনেস ফিরে পাননি। এন্দো নিজের শারীরিক ফিটনেস নিয়ে জানান, ‘চোট পাওয়ার পর থেকে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। তাই আমার কোনও আক্ষেপ নেই।’

আক্ষেপ না থাকলেও কষ্টটা লুকাননি এন্দো, ‘অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে না পারার কষ্ট আছে। তবে তার চেয়েও বড় বিষয় হলো, কাতার বিশ্বকাপের পর থেকে আমি এই দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি এবং দলকে এমন এক জায়গায় নিতে পেরেছি, যেখানে বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করাটা স্বাভাবিক বলে মনে হয়। এজন্য আমি গর্বিত।’

২০১৫ সালে জাপানের হয়ে অভিষেক হয় এন্দোর। জাতীয় দলের জার্সিতে ৭৩ ম্যাচ খেলে চারটি গোল করেছেন তিনি। ছিলেন ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপে জাপান দলের সদস্য। কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনের বিপক্ষে জাপানের স্মরণীয় জয়ের দিনও খেলেছিলেন তিনি।

দেড় লাখ টাকা খরচ করে নিজের বাড়িকে বানালেন ‘ব্রাজিল বাড়ি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
দেড় লাখ টাকা খরচ করে নিজের বাড়িকে বানালেন ‘ব্রাজিল বাড়ি’

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় মাতোয়ারা পুরো বিশ্ব। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেই চলছে। এমনই এক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ছতুরা-চান্দপুর গ্রামের রুবেল মিয়া।

রুবেল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক। তাই নিজের পুরো বাড়িটির রঙ করিয়েছেন, নিজদল ব্রাজিলের পতাকার আদলে। বাড়ির সীমানা দেওয়ালে ব্রাজিলের পতাকার পাশাপাশি সে দেশের খেলোয়াড়দের ছবি এঁকেছেন। বাড়ির ভবনে আঁকা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও।

এদিকে বাড়িটিকে একনজর দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ব্রাজিল সমর্থকরা ছুটে আসছেন। ব্রাজিল ছাড়া অন্য দলের সমর্থকরাও বাড়িটির প্রশংসা করছেন। পুরো উপজেলাজুড়ে এমন বাড়ি নেই বলে দাবি করছেন মালিক রুবেল। বাড়িটির কারণে এলাকার নামও চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে ব্রাজিল বাড়ি বলে।

বাড়ির মালিক রুবেল মিয়া বলেন, ব্রাজিলের খেলা আমার পছন্দ। আমি ছোট বেলা থেকে ব্রাজিল সাপোর্ট করে আসছি। আর এই কারণেই ব্রাজিলের পতাকার আদলে বাড়ির ভবন ও সীমানা দেয়াল রঙ করিয়েছি। খেলোয়াড়দের ছবিও আঁকিয়েছি। গত ১৬ দিন ধরে কাজ চলছে। এখনও কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। রঙ করতে প্রায় দেড় লাখ টাকার বেশি খরচ হয়েছে। অনেকে আসছেন বাড়িটি দেখতে। আমি মনে করি আমার প্রিয় দল ব্রাজিল এবার বিশ্বকাপে ভালো করবে এবং শিরোপা জয়লাভ করবে।

তিনি তার প্রিয় দল ব্রাজিল দলের জন্যে সবার কাছে দোয়া চান।