সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

যুদ্ধবিরতির ঘণ্টা না পেরোতেই লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৫

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
যুদ্ধবিরতির ঘণ্টা না পেরোতেই লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৫

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে বিমান ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। হামলায় ধ্বংস হয়েছে একাধিক আবাসিক ভবন। যুদ্ধবিরতির পরও হামলা অব্যাহত থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রচেষ্টা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৪টা থেকে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে যুদ্ধবিরতি শুরুর পরও দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ অঞ্চলে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ও সশস্ত্র ড্রোন থেকে একাধিক হামলা চালানো হয়। এছাড়া ভোরের আগে ওই এলাকায় গোলন্দাজ বাহিনীর গোলাবর্ষণের ঘটনাও ঘটে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও উদ্ধারকর্মীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে কয়েকটি বাড়িঘর ও স্থাপনা। উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে হতাহতদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এদিকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাওয়ার খবর দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স সেবার তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও নাবাতিয়েহ এলাকায় এক ডজনের বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে।

বিবিসি তাদের লাইভ আপডেটে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও দক্ষিণ লেবাননে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। নাবাতিয়েহ এলাকার হাসপাতাল সূত্রের বরাত দিয়ে বিবিসি উল্লেখ করেছে, যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শুরু হওয়ার পরও একাধিক বিমান হামলা অব্যাহত ছিল।

সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগ মুহূর্তে এবং পরে দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপক ইসরায়েলি হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। এ সংঘাতের কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আল-জাজিরা জানিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরায়েল আগেও একাধিকবার হামলা চালিয়েছে এবং সাম্প্রতিক হামলা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সংবাদমাধ্যমটি উল্লেখ করেছে, লেবাননের বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা শান্তি প্রচেষ্টাকে দুর্বল করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতায় নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও সীমান্তে উত্তেজনা পুরোপুরি থামেনি। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে, যা চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় তৈরি করেছে।

অন্যদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি পুনর্বহালের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বাস্তবে সীমান্ত এলাকায় বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ ও হামলার খবর পাওয়া গেছে। ফলে পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত নাজুক বলে মনে করছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতায় এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়েছিল। তবে হামলার কারণে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠকও অনিশ্চয়তায় পড়ে। পরিস্থিতির কারণে কূটনৈতিক তৎপরতায়ও প্রভাব পড়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক তৎপরতা ও নিরাপত্তা হুমকি পুরোপুরি দূর হয়নি। এজন্য প্রয়োজন হলে তারা অভিযান অব্যাহত রাখবে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় তাদের কার্যক্রম চলবে।

অন্যদিকে লেবানন ও হিজবুল্লাহপন্থী সূত্রগুলোর অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও হামলা চালিয়ে ইসরায়েল চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করেছে। এতে যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

যুদ্ধবিরতির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এমন হামলা প্রমাণ করে যে ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাত এখনও অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে সীমান্ত অঞ্চলে নতুন করে বড় ধরনের সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

Ads small one

জনদুর্ভোগ লাঘবে শাখরা ব্রিজ সংস্কারে ৪৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
জনদুর্ভোগ লাঘবে শাখরা ব্রিজ সংস্কারে ৪৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শাখরা কোমরপুর ব্রিজ সংস্কারে ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা বরাদ্দের পর এবার ৪৫ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) সকালে শাখরা-কোমরপুর ব্রিজ এলাকায় যেয়ে বরাদ্দের বিষয়টি জানান, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মোঃ আব্দুর রউফ। তিনি জানান, প্রথমে বরাদ্দকৃত ৬ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকায় ব্রিজটি সম্পূর্ণরূপে সংস্কার সম্ভব নয়। এজন্য সাতক্ষীরার উন্নয়নে বরাদ্দকৃত ২০ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজের অর্থ থেকে এই ব্রিজ সংস্কারের জন্য ৪৫ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হয়েছি তো কি হয়েছে। আমি আপনাদের পাশে ছিলাম এবং যতদিন বেঁচে আছি আপনাদের পাশে সুখে দুঃখে থাকবো। আপনাদের দাবি ছিল নষ্ট হয়ে যাওয়া শাখরা-কোমরপুর ব্রিজটি সংস্কার করা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাতক্ষীরার উন্নয়নে আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ঠিকাদারের মাধ্যমে এই শাখরা কোমরপুর ব্রিজের সংস্কার কাজ শুরু হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ রেজাউল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম, ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল আলম মিলন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি বজলুর রহমান, সহ-সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহানুর রহমান, দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান মিন্টু প্রমূখ। এছাড়াও বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

বোয়ালমারী খাল পুনঃখনন কাজের মানে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী, বৃক্ষরোপণে সুরক্ষার দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ
বোয়ালমারী খাল পুনঃখনন কাজের মানে সন্তুষ্ট এলাকাবাসী, বৃক্ষরোপণে সুরক্ষার দাবি

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় “খাল খনন কর্মসূচি” এবং অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)-এর আওতায় দেবহাটা ইউনিয়নের বোয়ালমারী খাল পুনঃখনন কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করা হলেও খালের দুই পাড়ে রোপণ করা গাছগুলো রক্ষায় খুঁটি ও নেট দিয়ে ঘিরে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

জানা গেছে, বোয়ালমারী খাল পুনঃখনন প্রকল্পে মোট ১৩ হাজার ২৬৯ দশমিক ৪৪০ ঘনমিটার মাটি অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পে ১১৯ জন উপকারভোগী শ্রমিক কাজ করছেন। তাদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ প্রাপ্য অর্থের পরিমাণ ৪ হাজার টাকা। প্রকল্পের এনইউআর (ঘটজ) হওয়ার তারিখ ৩১ মে ২০২৬।

প্রকল্পের শ্রম ব্যয় বাবদ প্রায় ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্লোপ স্ট্যাবিলাইজেশন ও বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের জন্য পৃথকভাবে ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৪৬০ টাকা এবং বৃক্ষরোপণের জন্য ৬ লাখ ৬৬ হাজার ৬০০ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখা, দেবহাটা, সাতক্ষীরা। প্রকল্প কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন দেবহাটা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতিন।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট হয়ে থাকায় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিত এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতায় কৃষকসহ সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হতো। পুনঃখননের ফলে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ফিরে আসবে এবং কৃষি, মৎস্য ও পরিবেশের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

এলাকাবাসীর দাবি, খালের পাড়ে যে বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে, তা ভবিষ্যতে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে গবাদিপশু ও অন্যান্য কারণে যাতে গাছগুলো ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য প্রতিটি গাছ খুঁটি ও নেট দিয়ে ঘিরে সুরক্ষিত করা প্রয়োজন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা বলেন, সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্প হিসেবে বোয়ালমারী খাল পুনঃখনন কাজ সঠিক ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কাজের মধ্যে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ত্রুটি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মফিজুর রহমান বলেন, প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে হচ্ছে এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমও পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তবে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায়, খালের পাড়ে গাছ রোপণ করা হলেও অনেক স্থানে গাছের সুরক্ষার জন্য খুঁটি ও নেটের ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা দাবি করেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রয়েছে এবং বিষয়টি সরেজমিনে দেখানোর কথাও জানান।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, খাল পুনঃখননের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের যথাযথ সংরক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে প্রকল্পটি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই উন্নয়নের একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে রোপণকৃত গাছগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

 

দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রণোদনা কর্মসূচীর গাছের চারা বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রণোদনা কর্মসূচীর গাছের চারা বিতরণ

দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটা কৃষি অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় উক্ত চারা বিতরণী অনুষ্ঠানটি সোমবার (২২ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত ওসমান। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওঃ অলিউল ইসলাম, দেবহাটা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী মোল্লা, দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, দেবহাটা বিআরডিবি কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল প্রমুখ।

 

অনুষ্ঠানে ৭০ জন কৃষকদের মাঝে নারিকেল চারা ১ হাজার, বনজ ফলজ ও ফলের চারা ১৯৮০টি এবং জৈব সার ও বাঁশের লাঠি বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ করা হবে বলে জানা গেছে।