শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

রামিসা হত্যা মামলার আসামিরা আদালতে, রায় ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৯:২৩ পূর্বাহ্ণ
রামিসা হত্যা মামলার আসামিরা আদালতে, রায় ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা আলোচিত মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে দুই আসামিকে আদালতে আনা হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) সকাল ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে আসামি স্বপ্না খাতুনকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়। পরে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ৮টা ৪৫ মিনিটে আদালতে আনা হয়।

আদালত সূত্র গেছে, রায় ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত দুই আসামিকে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। রায় ঘোষণার ঠিক আগে মুহূর্তে তাদের ট্রাইব্যুনালে ওঠানো হবে।

আজ সকাল ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে।

এদিকে, রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। এছাড়াও আদালত চত্বর ও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আজ সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত হতে শুরু করেন। রায়কে ঘিরে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। আদালতের বিভিন্ন স্থানে উৎসুক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।

 

গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ দুই আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে। অন্যদিকে আসামিপক্ষ প্রধান আসামি সোহেল রানার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং স্বপ্না খাতুনের জন্য লঘুদণ্ডের আবেদন জানিয়েছে।

বহুল আলোচিত এ মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আদালতপাড়ায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে নিহত রামিসার পরিবারসহ দেশবাসী।

Ads small one

শেষ বেঞ্চের ছেলেটা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
শেষ বেঞ্চের ছেলেটা

 

তারিক মোহাম্মদ ত্বকী
রাফি ক্লাস এইটে পড়ে। ওর সবচেয়ে বড় ভয় হলো সবার সামনে কথা বলা।
স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রতিটা ক্লাস থেকে একটা করে কবিতা আবৃত্তি করতে হবে। স্যার রাফির নাম ডেকে বললেন, “তুমি করবা।”
রাফির বুকের ভিতর ধড়াস করে উঠলো। ওর হাত-পা ঠান্ডা হয়ে গেলো। ক্লাসের সবাই হাসাহাসি শুরু করলো। শেষ বেঞ্চের রাফি, ও আবার কবিতা বলবে!
বাসায় এসে রাফি আয়নার সামনে দাঁড়ালো। মুখ দিয়ে কথা বের হয় না। আব্বু পাশে এসে দাঁড়ালেন। আব্বু কিছু বললেন না। শুধু রাফির কাঁধে হাত রাখলেন।
পরদিন থেকে রাফি ছাদে গিয়ে কবিতা বলা শুরু করলো। প্রথম দিন গাছের সাথে। দ্বিতীয় দিন পাখির সাথে। তৃতীয় দিন আব্বুর সামনে। আব্বু শুধু হাসলেন।
অনুষ্ঠানের দিন এলো। রাফির সিরিয়াল সবার শেষে। স্টেজে উঠে রাফি দেখলো, পুরা হল ভরা মানুষ। ওর গলা শুকিয়ে কাঠ। মনে পড়লো লেখক তারিক মোহাম্মদ ত্বকীর কথা, “ভয় পেলে পিছিয়ে যাবি, ভয় না পেলে এগিয়ে যাবি।
রাফি একবার চোখ বন্ধ করলো। তারপর চোখ খুলে কবিতা শুরু করলো।
প্রথম দুই লাইন তোতলালো। তিন নাম্বার লাইনে গিয়ে গলা পরিষ্কার হলো। শেষ লাইন শেষ হতেই পুরা হল তালিতে ফেটে পড়লো।
স্যার স্টেজে এসে রাফির মাথায় হাত রাখলেন। বললেন, শেষ বেঞ্চের ছেলেরাই একদিন সামনের বেঞ্চে বসে ইতিহাস গড়ে।
সেদিন রাফি বুঝলো, ভয়টা আসলে কিছুই না। ভয়টা শুধু মনের ভিতর। তাকে জয় করলেই মানুষ যোদ্ধা হয়।

‘প্রকৃত হাসি’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
‘প্রকৃত হাসি’

 

শহীদুল্লা হক ভূইয়া
হাসি হাসি হাসি
মিষ্টি হাসি রাশি রাশি
তার শুবাস বড় ভালবাসি।

কে যেন ভাই বলে
দুঃখ ঘটে হাসির ছলে
সুখী জীবন নিরবতায় মিলে।

আমি বলি বার বার
হাসি ছাড়া নয় কিছু আর
চির শান্তি আছে সেই হাসিতে আবার।

জ্ঞানী গুনী জন হাসিতে দিয়া মন
অন্তরালে হাসি হাসে সারাক্ষন
সেই হাসি স্বার্থক এই মোদের পণ।

আমার কেবলি মনে হয়
প্রকাশ্যে হাসি ফেটে রয়
নির্জনে দুঃখের পরিচয়।

গ্রীষ্মের উপহার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
গ্রীষ্মের উপহার

আসাদুজ্জামান খান মুকুল
গ্রীষ্মজুড়ে রোদ্দুর যখন
ধরার নামায় খরা,
ফলের ঘ্রাণে মনটা জুড়ায়
স্নিগ্ধ মায়া ভরা।

পাকা আমের মিষ্টি হাসি
শোভে গাছে গাছে,
রসে-গন্ধে ভরা সে আম
জিভ খুশিতে নাচে।

জাম-জামরুলের শীতল রসে
শান্তি নামে বুকে,
গরম দিনে তার ছোঁয়াতে
রাখে কত সুখে।

পাকা লিচুর টক-মিষ্টি স্বাদ
তৃপ্তি আনে প্রাণে,
তরমুজে রয় জলের ধারা
সবাই তারে টানে।