শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলিতে শিশু নিহত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গোলাগুলিতে শিশু নিহত

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গোলাগুলিতে মোজাহেদ নামে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা ও তিন নারীসহ আরও ছয় জন আহত হন। আহতদের কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুতুপালং ক্যাম্প-৮ ইস্টের বি-৪০ ও বি-৪১ ব্লক এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানান উখিয়ায় দায়িত্ব পালনরত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) উপ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ক্যাম্পের ওই এলাকায় হঠাৎ গোলাগুলি শুরু হয়। এ সময় শতাধিক গুলির শব্দ শোনা যায়। এতে ক্যাম্পজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য অনেকে ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

গোলাগুলির মধ্যে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয় পাঁচ বছর বয়সী মোজাহেদ। সে ক্যাম্প-৮ ইস্টের বাসিন্দা নূর আলমের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় মোজাহেদের মা তাহেরা বেগমসহ আরও ছয় জন আহত হন। আহতদের মধ্যে তিন জন নারী রয়েছেন। তাদের কয়েকজনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) ও রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) সদস্যদের মধ্যে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে গোলাগুলির কারণ এবং এতে কারা জড়িত, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

Ads small one

কলারোয়ায় ‘মা-ই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ শীর্ষক সেমিনার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪০ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ‘মা-ই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ শীর্ষক সেমিনার

নিজস্ব প্রতিনিধি: শিক্ষাক্ষেত্রে মায়ের ভূমিকা যেকোনো শিক্ষকের চেয়ে অপরিসীম। শিশুশিক্ষা থেকে শুরু করে নৈতিক শিক্ষায় মা-ই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ‘মা-ই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। ২৯ আগস্ট উপজেলার সোনাবাড়িয়ায় ‘একাডেমিক নলেজ’ আয়োজিত সেমিনার ও অভিভাবক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কলারোয়া সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ অধ্যাপক মো. আবু নসর। সোনাবাড়িয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আখতার আসাদুজ্জামান চাঁন্দুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যশোর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক হারুন-অর-রশীদ। একাডেমিক নলেজের পরিচালক মিজানুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ও শহীদুর রহমান শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষক জিয়াউল হক, প্রধান শিক্ষক মুজিবর রহমান, ওয়ায়েস আলী সিদ্দিকী, ইয়াসিন আলী, মাওলানা ফারুক হোসেন ও মাসুদ রানাসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।
বক্তারা শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলা এবং ভবিষ্যে সাফল্য অর্জনে শিক্ষক ও অভিভাবকদের পাশাপাশি মায়েদের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

আশাশুনি প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনও ও এসিল্যান্ডের মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ণ
আশাশুনি প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে ইউএনও ও এসিল্যান্ডের মতবিনিময়

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু ও নবাগত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র। ২৯ আগস্ট বিকেলে আশাশুনি প্রেসক্লাবের সভাপতি এস কে হাসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আকাশ হোসেনের সঞ্চালনায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডু, নবাগত সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিঠুন মৈত্র, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এস এম আহসান হাবীব ও জি এম আল ফারুক এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সমীর রায়সহ অন্য সাংবাদিকেরা।
ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডু বলেন, সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতা পেলে মাদক, জুয়া ও চুরির মতো অপরাধ দমন সহজ হবে। কোনো মাদক ব্যবসায়ী, সেবনকারী বা জুয়াড়ির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। উপজেলার যেকোনো সমস্যা সম্পর্কে তাঁকে সরাসরি বা ফোনে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি। নবাগত এসিল্যান্ড মিঠুন মৈত্র জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদক, জুয়াসহ বাজারের ভেজালবিরোধী কার্যক্রমে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভূমি-সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে জনগণ সরাসরি তাঁর কার্যালয়ে আসতে পারবেন; এর জন্য কোনো পূর্বানুমতি বা মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হবে না। অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনে তিনি সাংবাদিকসহ উপজেলাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

সাতক্ষীরায় নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

সেলিম হোসেন: সাতক্ষীরায় নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন নি¤œ ও মধ্যম আয়ের মানুষ। বাজারে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন, চিনি, আটা, সবজি ও মসলাজাতীয় পণ্যের বাড়তি দামে সংসারের ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন বাজারে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বিশেষ করে কাঁচা সবজি ও মসলাজাতীয় পণ্যের দাম অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। গত জুলাইয়ে টানা বৃষ্টির কারণে সাতক্ষীরার বাজারে কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন সবজির দাম দ্বিগুণের কাছাকাছি পৌঁছে যায়।
এদিকে পেঁয়াজ ও রসুনের দামও কয়েক দিনের ব্যবধানে বেড়েছে। জুলাইয়ে সাতক্ষীরার বিভিন্ন বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫০ টাকা এবং রসুন ৭০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা যায়।
সুলতানপুর বড়বাজারের ক্রেতারা জানান, আয় বাড়ছে না, অথচ প্রতিদিনই বাড়ছে বাজার খরচ। আগে যে পরিমাণ পণ্য কিনতে নির্দিষ্ট বাজেট যথেষ্ট ছিল, এখন একই পণ্য কিনতে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে। ফলে অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় কেনাকাটায় কাটছাঁট করতে বাধ্য হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকায় সবজি উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যাহত হওয়া, পাইকারি বাজারে দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকটের কারণে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।
অন্যদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারে নিয়মিত তদারকি না থাকায় কোনো কোনো ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি করছেন। তারা নিত্যপণ্যের বাজারে কঠোর নজরদারি ও দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রশাসনের নিয়মিত বাজার মনিটরিং, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।