বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

লাবসায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
লাবসায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত

​নিজস্ব প্রতিনিধি: ​সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নে শৈলকুর বিলে অপরিকল্পিত মৎস্য ঘেরের কারণে স্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার হয়েছেন শত শত পরিবারের হাজার হাজার মানুষ। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ইউপির মাগুরা, কৈখালী, তালতলা, গোপীনাথপুরসহ অন্তত ১০টি গ্রামে এই কৃত্রিম বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা দেখা দেওয়ায় জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত জেলা প্রশাসকের কার্যকর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

​স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টানা বর্ষণে তালতলা ঈদগাহ মোড় থেকে কৈখালী মাদ্রাসা পর্যন্ত সড়ক, মাগুরা আইসক্রিম ফ্যাক্টরি থেকে দাসপাড়ার ইটের সোলিং রাস্তা এবং মাগুরা কর্মকার পাড়ার পাকা রাস্তা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ফলে স্কুলগামী কোমলমতি শিশুদের যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ ছাড়া লোকালয়ে পানি ঢুকে গৃহস্থালি পুকুরের মাছ ভেসে গেছে এবং বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি ও বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনা প্লাবিত হয়েছে।

​এদিকে সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের মাগুরা-গোপীনাথপুর ও বিনেরপোতা অংশ এবং বিনেরপোতা বিসিক শিল্পনগরী থেকে লাবসা মোড় পর্যন্ত বাইপাস সড়কের দুই ধারে অপরিকল্পিত ঘের থাকায় সড়কের বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। মহাসড়কের বিভিন্ন অংশের পিচ উঠে গিয়ে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অনেক গর্ত।

​এলাকাবাসী জানান, একসময় শৈলকুর বিলের পানি স্থানীয় গেটের খাল হয়ে বেতনা নদীতে গিয়ে পড়ত। এ ছাড়া কুলুটিয়া ও গোপীনাথপুর খাল দিয়ে এলাকা থেকে পানি অপসারণ হতো। তবে গত সাত-আট বছর ধরে মাত্র ১৫-১৬টি ঘেরের কারণে ঐতিহ্যবাহী এই পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমের আগেই ঘেরমালিকেরা এক্সকাভেটর (ভেকু) দিয়ে বেড়িবাঁধ উঁচিয়ে তোলায় একটু বৃষ্টি হলেই পুরো গ্রাম পানিবন্দী হয়ে পড়ে।

​শৈলকুর বিলে খন্দকার আলী হায়দার, ইয়ার আলী, আলী হোসেন মেম্বার ও তাঁর ছেলে জুয়েল-জুলু, রাজু, কামরুজ্জামান, তৈয়ব আলী, জিয়াদ আলী, কামাল হোসেন, ইকবাল হোসেনসহ কয়েকজন প্রভাবশালী মৎস্য ঘের তৈরি করায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

​ঘেরমালিকদের একজন কামরুজ্জামান নিজেই স্বীকার করে বলেন, “শৈলকুর বিলের ১৫-১৬টি ঘেরের বেড়িবাঁধ কেটে দিলে মাগুরা ও কৈখালী গ্রামের প্রায় চার হাজার মানুষ জলাবদ্ধতার হাত থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তি পাবে।”

​মাগুরা গ্রামের সমাজসেবক আবিদার রহমান বলেন, “অপরিকল্পিত ঘেরের কারণে কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দী। দুর্ভোগ লাঘবে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আমরা কার্যকর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার জোরালো দাবি জানাচ্ছি।”

​মাগুরা গ্রামের এক স্থানীয় মাদ্রাসা শিক্ষক সালমা খাতুন জানান, পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে চার থেকে পাঁচ মাস ঘরবাড়িতে পানি জমে থাকে। এর ফলে পানিবাহিত চর্মরোগ, চুলকানি ও ঘা-পাঁচড়া ছড়িয়ে পড়ছে। স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং বিষাক্ত সাপ ও পোকামাকড়ের উপদ্রব বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়েছেন নারী ও শিশুরা। সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক একজন নারী হওয়ায় নারী ও শিশুদের জীবন রক্ষায় তিনি বিশেষ নজর দেবেন—এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।

​যোগাযোগ করা হলে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত বলেন, “শৈলকুর বিলের জমা পানি সরানোর জন্য স্থানীয় লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে অবিলম্বে মৎস্য ঘের মালিক ও এলাকাবাসীকে নিয়ে বৈঠক করার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে পানি সরানোর উদ্যোগ সফল না হলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ঘেরের বাঁধ কেটে পানি অপসারণ করা হবে।”

Ads small one

সাতক্ষীরার শিকারি ব্র্যান্ড বিডির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরার শিকারি ব্র্যান্ড বিডির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

সংবাদদাতা: মফস্বল শহর থেকে যাত্রা শুরু করে আধুনিক ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টে নিজেদের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে ‘শিকারি ব্র্যান্ড বিডি’। দীর্ঘ ১১ বছরের সফল পথচলা শেষে প্রতিষ্ঠানটি ১২ বছরে পদার্পণ করেছে। এ উপলক্ষে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির পাশে অবস্থিত শিকারি ব্র্যান্ড বিডির প্রধান কার্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশ ও মিলনমেলার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন করা হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের টিম সদস্য ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশ নেন। কেক কাটা, ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়, ফটোসেশন এবং স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়।

২০১৫ সালের ২৮ মার্চ সাতক্ষীরা শহর থেকে ছোট পরিসরে প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু করেন প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মাহফুজ আহমেদ এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইমরুল কায়েস পিয়াস। মফস্বল শহরের গন্ডি পেরিয়ে আধুনিক ওয়েডিং ফটোগ্রাফি ও সিনেমাটোগ্রাফিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই ১৫-২০ জন তরুণকে নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল শিকারি ব্র্যান্ডের।

দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময়ের পথচলায় সেই ছোট পরিসরের উদ্যোগ এখন পরিণত হয়েছে একটি বড় প্রতিষ্ঠানে। বর্তমানে দেশের ৩০টিরও বেশি জেলায় প্রায় ৩ হাজার ইভেন্ট সফলভাবে সম্পন্ন করেছে শিকারি ব্র্যান্ড বিডি। ঢাকায় শাখা কার্যালয়সহ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত রয়েছেন বহু তরুণ।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজের সুনাম অর্জনের পাশাপাশি শিকারি ব্র্যান্ডের কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। প্রতিষ্ঠানটির আলোকচিত্রীদের তোলা ছবি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে এবং পুরস্কৃতও হয়েছে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শিকারি ব্র্যান্ড বিডির সিইও মাহফুজ আহমেদ বলেন, ‘আমার কাছে শিকারি ব্র্যান্ড বিডি শুধু কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি ভালোবাসার পরিবার। ২০১৫ সালে যাত্রা শুরুর সময় ভাবিনি প্রতিষ্ঠানটি একদিন আন্তর্জাতিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছাবে। ১১ বছরের এই পথচলায় যারা পাশে ছিলেন, তাদের সবার প্রতি আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আগামীতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম আরও উজ্জ্বল করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’

এক নজরে শিকারি ব্র্যান্ড বিডি: প্রতিষ্ঠা-২৮ মার্চ ২০১৫; প্রধান খাত-ফটোগ্রাফি, সিনেমাটোগ্রাফি ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট; প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও-মাহফুজ আহমেদ; সহ-প্রতিষ্ঠাতা-ইমরুল কায়েস পিয়াস; প্রধান কার্যালয়-ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়ির পাশে, সাতক্ষীরা; শাখা-ঢাকা।

ভূমি অপরাধ আইনে মামলা গ্রহণে সাতক্ষীরায় জটিলতা: দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস জেলা প্রশাসনের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
ভূমি অপরাধ আইনে মামলা গ্রহণে সাতক্ষীরায় জটিলতা: দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস জেলা প্রশাসনের
বদিউজ্জামান: ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৮ ধারায় অবৈধভাবে দখলচ্যুত ব্যক্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করার আইনগত সুযোগ থাকলেও সাতক্ষীরায় এ ধারায় মামলা গ্রহণের কার্যক্রম অদ্যাবধি শুরু না হওয়ায় বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
সম্প্রতি সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিস থেকে চীফ গিগ্যাল এইড অফিসার মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) দেবহাটা উপজেলার আলমগীর নামে একজন নালিশকারীকে তার দখলীয় জমি থেকে অবৈধভাবে উচ্ছেদের অভিযোগে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৮ ধারায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা করার পরামর্শ দেন। কিন্তু পরামর্শ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আদালতে মামলা করতে গিয়ে তিনি তা দাখিল করতে পারেননি বলে জানা গেছে।
সাতক্ষীরা জেলা লিগ্যাল এইড অফিসের নথিতে দেখা যায়, ২৩/০৮/২০২৬ তারিখের আদেশে উপস্থিত ছিলেন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার এবং বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, সাতক্ষীরা। ওই আদেশে নালিশকারীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রতিপক্ষ অবৈধভাবে তার স্বত্ব দখলীয় জমিতে ঘেরা বেড়া ও প্রাচির দিয়ে বেদখল করেছে উল্লেখ করে তাকে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৮ ধারার বিধান অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মামলা দায়েরের পরামর্শ দেওয়া হয় এবং আবেদনটি নিষ্পত্তি করা হয়।
আইনের ৮ ধারার উপধারা (১)-এ বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তিকে উপযুক্ত আদালত বা কর্তৃপক্ষের আদেশ ছাড়া তার দখলীয় ভূমি থেকে উচ্ছেদ বা দখলচ্যুত করা হলে তিনি দখল পুনরুদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট অধিক্ষেত্রের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন বা মামলা করতে পারবেন। উপধারা (২) অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে পূর্ব-দখলীয় ভূমিতে দখল পুনর্বহালের জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন।
এছাড়া ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা, ২০২৪-এও ধারা ৮-এর অধীনে অবৈধভাবে দখলচ্যুত ব্যক্তির দখল পুনরুদ্ধারের আবেদন করার পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে। বিধিমালা অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় দলিলাদি সংযুক্ত করে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করার বিধান রয়েছে।
ফলে আইন ও বিধিমালায় যেখানে দখলচ্যুত মানুষের দ্রুত প্রতিকার পাওয়ার পথ তৈরি করা হয়েছে, সেখানে সাতক্ষীরায় সংশ্লিষ্ট আদালতে এ ধারায় মামলা গ্রহণের কার্যক্রম কার্যকর না থাকায় আইনটির সুফল থেকে বিচারপ্রার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছেন কি না—এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন বিশ্বাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “বিষয়টি নিয়ে উনারা কাজ করছেন। দ্রুতই মামলা নেওয়ার ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জমি দখলকে কেন্দ্র করে বিরোধের কারণে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘদিন দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার পেছনে ছুটতে হয়। ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩-এর ৮ ধারা অবৈধভাবে দখলচ্যুত ব্যক্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য একটি বিশেষ আইনি প্রতিকার সৃষ্টি করেছে। তাই সাতক্ষীরায় এ ধারার মামলা গ্রহণ ও নিষ্পত্তির কার্যকর ব্যবস্থা দ্রুত চালু করা হলে প্রকৃত ভুক্তভোগীরা উপকৃত হবেন।
বিচারপ্রার্থী জনগণের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে ধারা ৮-এর আবেদন বা মামলা গ্রহণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট আদালতের কার্যক্রম স্পষ্টভাবে নির্ধারণ এবং জনসাধারণকে তা অবহিত করবেন—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের।

সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:)-২০২৬ উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:)-২০২৬ উদযাপন

পত্রদূত ডেস্ক: পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:)-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) ১২ রবিউল আউয়াল বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের হলরুমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনুল ইসলাম টুকুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ।

এসময় পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:) এর তাৎপর্য তুলে ধরে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক (প্রভাতী শাখা) খান মাকসুদুর রহমান ও সহকারি প্রধান শিক্ষক (দিবা শাখা) জিএম আলতাফ হোসেন প্রমুখ। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা:)-২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ইভেন্টে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এসময় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাহিম, খালিদ ও মাহিদ।