সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

টানা বর্ষণে জলাবদ্ধতার মধ্যে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নে ভুল ও অতিরিক্ত কঠিন প্রশ্নের অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আন্দোলনে নেমেছেন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম, বরিশাল, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ ও বগুড়াসহ বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও শিক্ষা বোর্ড ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছেন। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে আগামীকাল বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে বিভিন্ন কলেজের হাজারো শিক্ষার্থী জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করেন। এতে ধানমন্ডি, নিউমার্কেট, মিরপুর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ শত শত যানবাহন ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ।

পরে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা অতিক্রম করে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান নেন। শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা আলোচনার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দলকে ভেতরে যাওয়ার আহ্বান জানালেও আন্দোলনকারীরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। বোর্ড চত্বরে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে তারা স্লোগান দিতে থাকেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত ১৩ জুলাই দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা, জলাবদ্ধতা ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা নেওয়া হয়। অনেক পরীক্ষার্থী কোমরসমান পানি পেরিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছেছেন। আবার কেউ কেউ নির্ধারিত সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে না পেরে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ হারিয়েছেন। দুর্যোগের কারণে অনেকের বইপত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই পরীক্ষায় বসতে হয়েছে।

 

এর মধ্যেই পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের প্রশ্নে একাধিক ভুল এবং প্রশ্নের মান অস্বাভাবিক কঠিন ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। বিশেষ করে সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ত্রুটি থাকার বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের দাবি, শুধু পূর্ণ নম্বর দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না, নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়াই একমাত্র গ্রহণযোগ্য সমাধান।

এদিকে জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন স্বীকার করেছেন যে পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল ছিল। তিনি জানান, ওই দুই প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মাত্র কয়েক মাস আগে দায়িত্ব নিয়েছে এবং প্রশ্ন প্রণয়নের কাজ আগের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়েছিল।

তবে শিক্ষার্থীরা এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন। তাদের ভাষ্য, প্রশ্ন ভুলের দায় এড়িয়ে যাওয়া যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়, প্রকৌশল ও চিকিৎসাশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে পদার্থবিজ্ঞানে ভালো ফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে প্রশ্নের ত্রুটি হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

এদিকে বেলা ৩টার দিকে উত্তরার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবিতে আগামীকাল বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচী ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা আজ রাতের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের আল্টিমেটাম দেন। পরে বুধবার মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে উত্তরা বিএনএস সেন্টারের সড়ক থেকে সড়ে যান তারা।

রাজধানীর পাশাপাশি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড এবং ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধের কারণে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে থাকলেও অধিকাংশ এলাকায় আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল। কোথাও কোথাও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটেছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। তারা মনে করছেন, দুর্যোগের বাস্তবতা উপেক্ষা করে পরীক্ষা গ্রহণ এবং প্রশ্নপত্র প্রণয়নে অবহেলা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বড় ধরনের দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে এসেছে।

Ads small one

চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুল ও সহযোগী কারাগারে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজির মামলায় জামায়াত নেতা হাজী নজরুল ও সহযোগী কারাগারে

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় জামায়াত নেতা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম এবং তার সহযোগী বিশ্বজিৎ মন্ডলকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১০ আগস্ট) সাতক্ষীরার আদালতে হাজির হয়ে তারা জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী পবিত্র কুমার বলেন, বাদীপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) সিরাজুল ইসলাম, আইনজীবী শেখ আবদুল খালেক ও নির্মল জোয়াদ্দার আদালতে শুনানি করেন। তারা আদালতে বলেন, আসামিরা সরকারি প্রকল্পের কাজে চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। তারা জামিনে বাইরে থাকলে সরকারি কাজ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে উচ্চ আদালত থেকে হাজী মো. নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগী ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষে সোমবার তারা সাতক্ষীরার আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। আদালত সেই আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিকে, আদালত চত্বরে নজরুল ইসলামের ছবি নিতে গেলে সাংবাদিকদের ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ফেলে দেন তার ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম।

গত ২৫ মে রাতে শ্যামনগর থানায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে চাঁদাবাজি, হামলা ও কাজ বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগে মামলাটি করেন প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান আর-রাদ করপোরেশনের আইন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ ও শুরা সদস্য হাজী মো. নজরুল ইসলামকে। মামলায় তার ছেলে আব্দুর রহমান, স্থানীয় বিশ্বজিৎ মন্ডলসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, শ্যামনগরের পূর্ব দুর্গাবাটি এলাকায় জাইকার অর্থায়নে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে ডিএল-উন্নয়ন (জেভি) ও ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের পক্ষে আর-রাদ করপোরেশন। অভিযোগ করা হয়, গত বছরের আগস্ট থেকে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে চাঁদা দাবি এবং কাজ বন্ধের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল থেকে প্রকল্পের কাজ কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে গত ১৯ মে রাতে প্রকল্প এলাকায় গিয়ে হাজী নজরুল ইসলাম ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং কাজ চালিয়ে গেলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হত্যার হুমকি দেন।

এরপর ২৩ মে দুপুরে হাজী নজরুল ইসলাম, তার ছেলে আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন প্রকল্প এলাকায় গিয়ে প্রকৌশলী জাহিদ হাসানকে মারধর করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। তাকে বাধা দিতে গেলে কিউরিং ম্যান ফেরদৌসকেও মারধরের অভিযোগ রয়েছে। এ সময় প্রকৌশলী জাহিদের একটি অ্যাপল স্মার্টওয়াচ ও মানিব্যাগ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়।

মামলার বাদীর দাবি, পুরো ঘটনা প্রকল্প এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে। হামলায় আহত জাহিদ হাসান ও ফেরদৌসকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
তবে শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন হাজী মো. নজরুল ইসলাম। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। হামলার অভিযোগের সময় তিনি ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট অধিবেশনে ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বর্ষার আগে বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ করা না গেলে উপকূলীয় বিস্তীর্ণ এলাকা ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণে প্রকল্পটি নির্বিঘ্নে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী ও এড. আবু বক্কর।

 

দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১ জন আটক, ইয়াবা উদ্ধার

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম রেজাউল ইসলাম (৪৮)। সে কালিগঞ্জ উপজেলার সেহারা গ্রামের মৃত সামত আলীর ছেলে। তার নিকট থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিমের নেতৃত্বে থানায় কর্মরত এসআই সোহাগ মিয়া ও এসআই সাহিদুর রহমান মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছিলেন।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৯ আগস্ট ২০২৬ রাত ১০টার দিকে দেবহাটা উপজেলার নওয়াপাড়া গ্রামের নওয়াপাড়া ঢালাই রাস্তার মোড় থেকে ওয়াপদার দিকে যাওয়ার পথে জনৈক আব্দুল মান্নানের বাড়ির সামনে ইটের সলিং রাস্তার ওপর অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশ রেজাউল ইসলাম (৪৮) কে আটক করে। তার নিকট থেকে ৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় বলে জানায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে ১০ আগস্ট সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

শ্যামনগর প্রেসক্লাবে আব্দুল মোমিন ও দিলীপ কুমারের সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
শ্যামনগর প্রেসক্লাবে আব্দুল মোমিন ও দিলীপ কুমারের সংবাদ সম্মেলন

সংবাদদাতা: রবিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১০ টায় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্যামনগর উপজেলার সিরাজপুর গ্রামের মৃত নূর আহম্মদ গাজীর ছেলে মোঃ আব্দুল মোমিন সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলেন- তার নিলাম খরিদা ভূমি ছোট ভাই আব্দুল মালেক ও তার সহযোগী বড় ভগ্নিপতি মোঃ আমজাদ হোসেন ও সেজো ভাইয়ের স্ত্রী শাকিলা বেগম এর বক্তব্য দিয়ে আমার ও আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আমার বৃদ্ধা মাকে ভুল বুঝিয়া এক মিথ্যা বানোয়াট তথ্য পরিবেশন করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে কিছু না শুনে- না জেনে তার ও তার স্ত্রীর সম্মান হেয় করায় তিনি তীব্র প্রতিবাদ জানান ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানান।

একই দিন দুপুর ১২টায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দিলিপ কুমার রায়। তিনি শ্যামনগর উপজেলা মিঠাচন্ডিপুর গ্রামের মৃত কাত্তিক চন্দ্র রায়ের ছেলে। দিলিপ কুমার তার লিখিত বক্তব্যে দাবী করেন, হরিনগর এলাকার দিলিপ মল্লিকের কন্যা চম্পা রানী তার স্ত্রী ছিলেন।

 

উক্ত চম্পা রানীর বিরুদ্ধে তিনি বিভিন্ন অভিযোগ করে বলেন, জনৈক আব্দুল মান্নানকে দিয়ে তার ভিটা বাড়ি লিখে নেওয়ার জন্য হুমকি ও মারপিট করেন। এই ঘনটায় তিনি শ্যামনগর থানায় ১৫৮২ নং জিডি করেন।

 

এই ঘটনায় চম্পা রানী নিজেকে আহত দেখিয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে আদলতে মামলা করেন। দিলীপ দাবী করেন বর্তমান তিনি নিরাপত্তাহীনতায় আছেন। এব্যাপারে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।