মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

শেষ হচ্ছে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘এটা আমাদেরই গল্প’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
শেষ হচ্ছে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘এটা আমাদেরই গল্প’

শেষ হচ্ছে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘এটা আমাদেরই গল্প’। ১৮ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে এমনই জানালেন নাটকের শিল্পী কলাকুশলী ও নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজ। তবে, কততম পর্বে গিয়ে শেষ হচ্ছে তা এখনো জানা যায়নি। চ্যানেল আইয়ের পর্দায় প্রতি বুধ ও বৃহস্পতিবার নাটকটি প্রচারের পর এটি দেখা যাচ্ছে সিনেমাওয়ালার ইউটিউব চ্যানেলে।

এখন পর্যন্ত ৪৬ টি পর্ব প্রচারিত হয়েছে নাটকটির। এরই মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়তায় পৌঁছেছে পারিবারিক গল্পের নাটকটি। মূলত পাকিস্তানি সিরিজ ‘কাভি মে কাভি তুম’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এটি নির্মিত হয়েছে। নাটকের গল্পে উঠে এসেছে পারিবারিক বন্ধন, ভালোবাসা, দ্বন্দ্ব আর মমত্ববোধ।

নাটকে ফাহাদ চরিত্রে ইরফান সাজ্জাদ ও সামির চরিত্রে অভিনয় করেছেন খায়রুল বাসার। মেহরী চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেয়া পায়েল। সায়রা চরিত্রে আছেন সুনেরাহ বিনতে কামাল। সিরিজের অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইন্তেখাব দিনার, দীপা খন্দকার, মনিরা আক্তার মিঠু, নাদের চৌধুরী, শিল্পী সরকার অপু, ডিকন নূর, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, মুকিত জাকারিয়া, এমএনইউ রাজু ও ইসরাত। চিত্রগ্রহণ করেছেন আদিত্য মনির।

নির্মাণের পাশাপাশি নাটকটির গল্পও লিখেছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। তিনি বলেন, “আমাদের সমাজের মূল শক্তি হলো পরিবার। আমি বিশ্বাস করি, পরিবারকে কেন্দ্র করে বলা গল্পগুলো দর্শকের হৃদয়ে সবসময়ই গভীরভাবে দাগ কাটে। তাই এই সিরিজের ট্যাগলাইন রেখেছি, ‘পরিবারই শুরু, পরিবারই শেষ।’ গল্পে আমরা দেখানোর চেষ্টা করেছি পারিবারিক বন্ধন, ভালোবাসা, দ্বন্দ্ব ও মমত্ববোধ। দর্শক যেন নিজেদের জীবনের টুকরো টুকরো অংশ এখানে খুঁজে পান, সেটাই আমাদের মূল চেষ্টা। মোদ্দা কথা, পারিবারিক বন্ধনের গুরুত্ব তুলে ধরার প্রয়াসে সিরিজটি তৈরি করেছি।”

নাটকটির সমাপ্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শুরুতেই ধারণা করেছিলাম, এটি মানুষের কাছে পোঁছাবে। সেই প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সাড়া পেয়েছি। এর আগেও “গ্রাজুয়েট”, “মাইক”, “চাঁদের নিজের কোনো আলো নেই”সহ বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক প্রচারের সময় অনেক সাড়া পেয়েছি। তবে এই নাটকটি সবকিছু ছাপিয়ে গেছে।”

‘এটা আমাদেরই গল্প’তে ব্যবহৃত গানগুলোর প্রতি শ্রোতারা ভালো লাগার কথা জানিয়েছেন। এরমধ্যে টাইটেল গান সুর করেছেন ও গেয়েছেন আরফিন রুমি। তার সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন গায়িকা দোলা রহমান। গানটি লিখেছেন মাহমুদ মানজুর।

গতকাল ছিল নাটকটির শুটিংয়ের শেষ দিন। আবেগঘন পরিবেশে সকল কলাকুশলী এক হয়ে নাটকের সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন। দাঁড়িয়ে ধন্যবাদ ও স্যালুট জানিয়েছেন নির্মাতা মোস্তফা কামাল রাজকে।

Ads small one

সাতক্ষীরায় অ্যাডভান্স ও ভেটেরিনারি সার্টিফিকেট কোর্সের পরীক্ষা শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় অ্যাডভান্স ও ভেটেরিনারি সার্টিফিকেট কোর্সের পরীক্ষা শুরু

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ বছর মেয়াদী অ্যাডভান্স সার্টিফিকেট ইন ফাইন আর্টস, কম্পিউটার টেকনোলজি ও ফিজিক্যাল এডুকেশন কোর্সের জানুয়ারি-ডিসেম্বর ২০২৬ সেশনের প্রথম পর্ব ও ভেটেরিনারি জুলায়-জুন ২০২৫-২০২৬ সেশনে দ্বিতীয় পর্বের সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষাটি শুরু হয়। এ কেন্দ্রে মোট ৩৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে।

কেন্দ্র সচিব ফেরদাউস আরেফিন জানান, সকাল থেকেই সুন্দর ও শান্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষার সকল কার্যক্রম বোর্ডের নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা ক্রিয়েটিভ ট্রেনিং এন্ড ভেটেরিনারি ইন্সটিটিউটের পরিচালক ফিরোজ আহম্মেদ বলেন, আমার সব শিক্ষার্থী যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। আশা করছি তারা ভালো ফলাফল করবে।

 

কয়রায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
কয়রায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রায় নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য রেলি বের হয়। সেটি উপজেলার সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদর্শন করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

 

এসময় উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মৃন্ময় কুমারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুল্লাহ আল বাকি। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নির্বাচন অফিসার মোঃ আকবর হোসেন, ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ, মদিনাবাদ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক শহিদ সারোয়ার স্বর্ণকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নুরুল আমিন প্রমুখ।

৩০ বছর পর সরকারি জমি উদ্ধারে নাগরিকদের মধ্যে স্বস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
৩০ বছর পর সরকারি জমি উদ্ধারে নাগরিকদের মধ্যে স্বস্তি

মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের মনিরামপুর পৌরসভা ভবন সংলগ্ন পাবলিক লাইব্রেরির পাশে প্রায় সাত শতক সরকারি জমি দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর পর দখলমুক্ত করেছে উপজেলা ও পৌর প্রশাসন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা থেকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালিয়ে ওই জমি উদ্ধার করা হয়।দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমিটি বিভিন্ন দোকানপাট নির্মাণ করে ব্যবহারের অভিযোগ ছিল। প্রশাসনের অভিযানের পর জমিটি দখলমুক্ত হওয়ায় স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

স্থানীয় নাগরিক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পৌর ভবন সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, পাবলিক লাইব্রেরি ও সরকারি প্রভাতি বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়। গুরুত্বপূর্ণ এ এলাকায় সরকারি জমি দখল করে দোকান নির্মাণ করায় দীর্ঘদিন ধরে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালের দিকে প্রভাবশালী একটি মহল নামমাত্র ডিসিআর নিয়ে প্রায় সাত শতক সরকারি জমি দখল করে সেখানে মুরগি, মুদি, মিষ্টি ও কসমেটিকসসহ বিভিন্ন দোকান নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছিল। পরবর্তীতে নাগরিকদের অভিযোগের পর সংশ্লিষ্ট ডিসিআর বাতিল করে সরকার জমিটি উদ্ধারের উদ্যোগ নেয়।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ওই জমির একটি অংশ পুনরায় দখল করে পাঁচটি টিনশেড দোকান নির্মাণ করা হয়। তৎকালীন পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে কয়েকজনকে এসব দোকান ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মুরগির দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকায় দুর্গন্ধ ছড়ানো এবং পাশেই অবস্থিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বাচ্চা ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছিল বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। সরকারি জমি দখলমুক্ত করার জন্য নাগরিকরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

সুতারং দখলমুক্ত হওয়ায় স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং উপজেলা প্রশাসন প্রশাংসায় ভাষছে ।