বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

পত্রদূত ডেস্ক: ‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’ প্রতিপাদ্যে সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আয়োজনে জেলা কালেক্টরেট চত্বর থেকে র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক মোজাফফর উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আলমগীর কবির, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সাতক্ষীরা উন্নয়ন সংস্থা ‘সাস’ এর নির্বাহী পরিচালক ইমান আলী, সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আলাউদ্দীন, সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল ইসলাম টুকু এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সিনিয়র স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান।

বক্তারা বলেন, সাক্ষরতা শুধু অক্ষরজ্ঞান অর্জনের বিষয় নয়। পরিবর্তিত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে মানুষের জীবনমুখী, কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর জ্ঞান অর্জন প্রয়োজন। একটি দক্ষ ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি হলো সাক্ষরতা।

তারা আরও বলেন, ঝরে পড়া শিশু, নারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আওতায় আনতে সাক্ষরতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা দরকার। সাক্ষরতার বিস্তার মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সামাজিক বৈষম্য কমাতে এবং ব্যক্তি ও পরিবারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর সহকারী পরিচালক শেখ ফারুক হোসেন।

Ads small one

শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুরে কৃষক মাঠ দিবস উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুরে কৃষক মাঠ দিবস উদযাপন

রমজাননগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নে কৃষক মাঠ দিবস উদযাপন ও সফল কৃষকদের সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা তিনটায় ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে ফেইথ ইন অ্যাকশন (ফিয়া)-এর ‘সাত-আইসিডিপি’ প্রকল্পের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আইসিডিপি প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক শমূয়েল সাংমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়ালিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ৮ নম্বর ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জি এম শফিউল আলম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোছাম্মৎ জাহানারা খাতুন, পিআইয়ের সভাপতি সুষমা রানী মন্ডল, সম্পাদক শরিফা খাতুন, ৬টি সিসিসির সভাপতিবৃন্দ ও মাঠ সংগঠকেরা।

অনুষ্ঠানে স্বপন মন্ডল, নাছিমা খাতুন, দেবদাস বর্মন, ছালিমা বেগম, অনিমিতা মন্ডল ও বিমল কৃষ্ণ মিস্ত্রীকে সফল কৃষক হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রকল্প কর্মকর্তা জেমস গাইন।

মহিলা পরিষদের আয়োজনে কর্মী সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
মহিলা পরিষদের আয়োজনে কর্মী সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদকে সংহত করি, নারী আন্দোলন অগ্রসর করি’ স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাংগঠনিক মাস উদযাপন উপলক্ষে গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা চারটায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখা এ কর্মসূচির আয়োজন করে। ১ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সাংগঠনিক মাস পালিত হচ্ছে।

মহিলা পরিষদের জেলা শাখা কার্যালয়ে আয়োজিত এ কর্মী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না দত্ত। সমাবেশে সংগঠনটির জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক রূপা মিত্র, পরিবেশ সম্পাদক ফরিদা খাতুন, প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ মো. মফিজুল ইসলামসহ জেলা ও পাড়া কমিটির নেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে নারীর অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। মানবাাধিকার তথা নারীমুক্তির এই নিরবচ্ছিন্ন আন্দোলনের ঐতিহ্য সংগঠনটি বহনে অঙ্গীকারবদ্ধ। আবহমান বাংলার অসাম্প্রদায়িক সংস্কৃতি ও গণসংগ্রামের ধারাবাহিকতায় এর জন্ম।

বক্তারা আরও বলেন, নারী জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন, বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার থেকে শুরু করে নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালসহ সংগ্রামী নারীদের অবদান সংগঠনের মূল প্রেরণা। তাঁদের দেখানো পথেই নারীর মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

 

দেবহাটার দুই বিদ্যালয়কে ‘সবুজ ও সহনশীল গ্রিন স্কুল’ ঘোষণা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫৮ অপরাহ্ণ
দেবহাটার দুই বিদ্যালয়কে ‘সবুজ ও সহনশীল গ্রিন স্কুল’ ঘোষণা

Oplus_131072

দেবহাটা প্রতিনিধি: পরিবেশবান্ধব ও সবুজ বিদ্যালয় গড়ে তোলার লক্ষ্যে সাতক্ষীরার দেবহাটায় দুটি বিদ্যালয়কে ‘সবুজ ও সহনশীল গ্রিন স্কুল’ ঘোষণা করা হয়েছে। গত বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের বসন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের আমবাগান চত্বরে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সুশীলনের আয়োজনে এবং ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের অর্থায়নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বসন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ভাতশালা সম্মিলনী উচ্চবিদ্যালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গ্রিন স্কুল’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর কে বাপ্পা, ওয়ার্ল্ড ভিশনের স্পনসরশিপ ও চাইল্ড প্রোটেকশন অফিসার পল্টন বিশ্বাস, টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আফছার আলী এবং দেবহাটা সরকারি বিবিএমপি ইনস্টিটিউশন হাইস্কুলের সাবেক শিক্ষক গৌর চন্দ্র ঘোষ।

সুশীলনের কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ইউপি সদস্য কামাল হোসেন, সিভিএ সভাপতি ফিরোজ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের বিকল্প নেই। বিদ্যালয় থেকেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

এর আগে বসন্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি সবজি বাগানের উদ্বোধন করা হয়। পরে দেবহাটা সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল দুটি বিদ্যালয়কে গ্রিন স্কুল ঘোষণা করেন।

এ সময় প্রতিটি শিক্ষার্থীকে নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ সুন্দর রাখতে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি সরকারের আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার অনুরোধ জানান বক্তারা।