বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

শ্যামনগরে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঐতিহাসিক ‘নকিপুর জমিদার বাড়ি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঐতিহাসিক ‘নকিপুর জমিদার বাড়ি

দীপঙ্কর বিশ্বাস: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর জমিদার বাড়িটি এখন কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বাংলার বারো ভুঁইয়াদের অন্যতম মহারাজ প্রতাপাদিত্যর স্মৃতি বিজড়িত পবিত্র ভূমি শ্যামনগর। শ্যামসুন্দর নামক একজন ভদ্রলোক প্রয়োজনীয় গৃহাদি নির্মাণের জন্য একখন্ড জমি ইংরেজ সরকারকে দান করেন। সেই থেকে স্থানটির নাম দাতার নামানুসারে ‘শ্যামনগর’ হয়েছে।

 

১৮৯৭ সালে ব্রিটিশ আমলে সৃষ্টি হওয়া শ্যামনগর উপজেলাটির মোট আয়তন ১৯০৩ বর্গ কিলোমিটার। যার মূল ভূখন্ড ৪৫৫ বর্গ কিলোমিটার এবং সুন্দরবনজুড়ে রয়েছে ১৪৪৮ বর্গ কিলোমিটার। প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে এখানে রয়েছে বংশীপুর ঐতিহাসিক শাহী মসজিদ, হাম্মামখানা/হাবসিখানা, যশোরেশ্বরী কালী মন্দির, জাহাজঘাটা নৌ দূর্গ, গোপালপুর গোবিন্দ দেবের মন্দির, জমিদার হরিচরণ রায় বাহাদুরের বাসভবন, নহবতখানা ও মন্দির, ঈশ্বরীপুরের জেযুইট গির্জা উল্লেখযোগ্য।

 

তৎকালীন সময়ে ঐতিহ্যের শ্যামনগরের নকিপুরে অবস্থিত জমিদার হরিচরণ রায় বাহাদুরের বাসভবনের সামনের রাস্তা দিয়ে কোন প্রজারা হেঁটে গেলে নাকি জমিদারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য পা থেকে জুতা খুলে হাতে নিয়ে জমিদার বাড়ি অতিক্রম করে আবার জুতা পরতো। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক সত্য হলো শ্যামনগরের অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শন হরিচরণ রায় বাহাদুরের বাসভবন ‘নকিপুর জমিদার বাড়ি‘টি রক্ষায় নামমাত্র কোন সাইনবোর্ডও এখোনো বসেনি।

 

বর্তমানে প্রাচীন স্থাপত্য শৈলীর নকিপুর জমিদার বাড়ির মূল ভবনটির প্রায় অর্ধেক অংশ ধংসপ্রাপ্ত হয়েছে। আর যে অংশটুকু এখনো টিকে আছে তা কোনরকম সংরক্ষণ বা ব্যবস্থাপনা না থাকায় ধংসের দারপ্রান্তে। সংস্কার আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বাড়িটি ভুতের বাড়িতে পরিণত হয়েছে। জানালা-দরজা না থাকায় বাড়িটি গবাক্ষে রূপ নিয়েছে। বাড়ির দেয়ালে জন্ম নিয়েছে শতশত বটবৃক্ষ। নোনা ধরে ইটের দেয়াল খসে খসে পড়ছে। ইতিহাসের জীবন্ত উপাদান এ বাড়িটি রক্ষায় নেয়া হচ্ছে না কোন উদ্যোগ।

 

স্থানীয়রা মনে করেন নকিপুর জমিদার বাড়িটি ইতিহাস ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে। শ্যামনগর থানা সদরের ২ কিলোমিটার পূর্বে জমিদার হরিচরণ রায়চৌধুরীর বাড়িটি ১৮৮৮ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়। বিশাল আকারের তিনতলার ইমারতটি ভাঙাচোরা অবস্থায় এখন কোনরকমে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। রাজা প্রতাপাদিত্যের পরে হরিচরণ রায় ছিলেন শ্যামনগর অঞ্চলের প্রভাবশালী ও বিত্তশালী জমিদার। তার উদ্যোগে শ্যামনগরে তথা সমগ্র সাতক্ষীরায় অনেক জনহিতকর কাজ হয়েছিল। অনেক জমিদারের মতো হরিচরণ রায় শুধু সম্পদ ও বিলাসে মত্ত ছিলেন না। রাস্তাঘাট, খাল খনন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিলেন।

 

১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত হয়েছিল নকিপুর মাইনর স্কুলটি। যেটি বর্তমানে নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় নামে খ্যাত। জমিদারবাড়ির সব জিনিসপত্র চলে গেছে চোর ও লুটেদারের দখলে। তবে পরিত্যক্ত জমিদারবাড়ি, এর পাশের দুর্গামন্ডপ, নহবতখানা, শিবমন্দির, জলাশয় ইত্যাদি দেখে সহজে অনুমান করা যায় এর অতীত জৌলুস। দক্ষিণবঙ্গের প্রতাপশালী শাসক রাজা প্রতাপাদিত্যের রাজধানী ছিল সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগরের ধুমঘাট এলাকায়। তাঁর রাজত্বের প্রায় ২৫০ বছর পরে জমিদার রায় বাহাদুর হরিচরণ চৌধুরী শ্যামনগরের নকিপুরে একছত্র অধিপতি ছিলেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় তাঁর অনিন্দ্য সুন্দর বসতবাড়িটি যা দর্শনীয় ঐতিহাসিক স্থাপত্য হিসেবে পর্যটকদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারতো তা আজ সংস্কার ও দূরদর্শীতার অভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

 

শিক্ষক ও লেখক চারু চন্দ্র মন্ডলের লেখা একটি বই থেকে জানা যায়, জমিদার রায় বাহাদুর হরিচরণ চৌধুরীর বাড়িটি ছিল সাড়ে তিন বিঘা জমির উপর। যার বাউন্ডারীটি ছিল প্রায় দেড় হাত চওড়া প্রাচীর দ্বারা সীমাবদ্ধ। সদর পথে ছিল একটি বড় গেট বা সিংহদ্বার। সম্মুখে ছিল একটি শান বাঁধানো বড় পুকুর। শতাধিককাল পূর্বে খননকৃত এই পুকুরটিতে সারাবছরই জল থাকে এবং গ্রীষ্মের দিনে প্রচন্ড তাপদাহে তা শুকায় না। পুকুরঘাটের বাম পাশে ছত্রিশ ইঞ্চি সিঁড়ি বিশিষ্ট দ্বিতল নহবত খানা।

 

আটটি স্তম্ভ বিশিষ্ট এই নহবত খানার ধ্বংসাবশেষটি এখনও প্রায় অক্ষত অবস্থায় দন্ডায়মান থেকে কালের স্বাক্ষী বহন করছে। বাগান বাড়িসহ মোট বার বিঘা জমির উপর জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত ছিল। বাড়িটি ছিল দৈর্ঘ্য ২১০ ফুট, প্রস্থ ৩৭ ফুট, পুনঃ ৬৪ ফুটের মাথায় এল প্যাটার্নের বাড়ি। সদর দরজা দিয়ে ঢুকতেই সম্মুখে সিঁড়ির ঘর। নিচের তলায় অফিসাদি ও নানা দেবদেবীর পূজার ঘর, এছাড়া আরও দুইটি গমনাগমন সিঁড়ি পথ। মাঝের তলায় কুল দেবতা গোপাল দেবের মন্দির ও অতিথি শালা।

 

সিঁড়ির দু’পাশে কক্ষ ছিল এবং সিঁড়ি ছিল মধ্যবর্তী স্থানে। সদর অন্দরের দুই পাশেই বারান্দা ছিল। বারান্দাগুলি বেশ প্রশস্ত আট ফুট চওড়া। বিল্ডিং এর নীচে আন্ডারগ্রাউন্ড ছিল। নিচের তলায় ১৭টি এবং উপরের তলায় ৫টি কক্ষ ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। ছোট, বড়, মাঝারি সব রকমের কক্ষ ছিল। প্রথমবার ঢুকলে কোন দিকে বহির্গমন পথ তা বোঝা বেশ কষ্টদায়ক। চন্দন কাঠের খাট-পালঙ্ক, শাল, সেগুন, লৌহ কাষ্ঠের দরজা-জানালা ও বর্গাদি, লোহার কড়ি, ১০ ইঞ্চি পুরু চুন-সুরকির ছাঁদ, ভিতরে কক্ষে কক্ষে গদি তোষক, কার্পেট বিছানো মেঝে, এক কথায় জমিদার পরিবেশ, যেখানে যেমনটি হওয়া দরকার তার কোন ঘাটতি ছিল না।

 

বাড়িতে ঢুকতে ৪টি গেট ছিল। গেট ৪টি ছিল ২০ ফুট অন্তর। জমিদার বাড়ির দক্ষিণে একটি বড় পুকুর ছিল। ১৯৫৪ সালের জমিদার পরিবার এখান থেকে স্ব-পরিবারে ভারতে চলে যায়। বর্তমান সে পুকুরটি আর নেই। নেই পূর্বের মত সৌন্দর্য। তবে তার দক্ষিণে এখনও একটি পুকুর বিদ্যমান যার শান বাঁধানো ঘাটের ধ্বংসাবশেষটির দুই পাশে দুটি শিব মন্দির প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। নকিপুর জমিদার বাড়িটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে বাড়িটিকে পূর্বের নান্দনিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। তৎকালীন জমিদার বংশের গৌরবময় ঐতিহ্যের নানা নির্দশন পাওয়া যায় এ বাড়িতে। বাড়িটি সংরক্ষণে ইতোমধ্যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কিন্তু এর বাস্তবায়নের নিদর্শন এখনো পর্যন্ত চোখে পড়েনি।

 

Ads small one

বাংলাদেশ দল থেকে দুই প্রবাসীসহ ৭ জন বাদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৬ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ দল থেকে দুই প্রবাসীসহ ৭ জন বাদ

ফিফা আসিয়ান কাপকে সামনে রেখে জাতীয় দলের অনুশীলন চলছে। এতে স্থানীয় খেলোয়াড় ছাড়াও বংশোদ্ভূতরাও রয়েছেন। কোচ টমাস ডুলি তাদেরকে নানানভাবে পরখ করছেন। আপাতত তার প্রাথমিক দল থেকে ৭ জন খেলোয়াড় বাদ পড়েছেন।

জাতীয় দলের ক্যাম্প থেকে বাদ পড়াদের মধ্যে রয়েছেন দুই প্রবাসী ইয়াসার ও দেবজিতসহ কাজেম শাহ, ঈসা ফয়সাল, তাজ উদ্দিন, রাহুল ও স্বাধীন।

জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় প্রথম আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের খেলার সূচি প্রকাশ করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।

‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। ‘বি’ গ্রুপে রয়েছে থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও পাকিস্তান।

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। ২৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টায় ম্যাচটি শুরু হবে। খেলা হবে গেলোরা বান কার্নো স্টেডিয়ামে। দুই দিন পর ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের ম্যাচ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে। একই মাঠে একই সময়ে ম্যাচটি শুরু হবে।

বাংলাদেশের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে। ১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ম্যাচটি শুরু হবে। খেলা হবে গেলোরা বান কার্নো স্টেডিয়ামে।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা মারা গেছেন

কারাগারে আটক বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মা সন্ধ্যা রাণী ধর (৭১) মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর শ্রীশ্রী পুণ্ডরীক ধাম আশ্রমে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন সন্ধ্যা রাণী ধর। তার বাড়ি সাতকানিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে অসুস্থ হয়ে চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার ক্যানসার শনাক্ত হয়। গত বুধবার রাতে তাকে হাসপাতাল থেকে পুণ্ডরিক ধামে নিয়ে আসা হয়।

তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারী সবার ছোট। গুরুতর অসুস্থ মাকে দেখতে কারাগারে থাকা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে প্যারোলে মুক্তি দিতে বুধবার কারা ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতির কাছে আবেদন করেছিল পরিবার।

চিন্ময়ের বড় ভাই রঞ্জন কুমার ধর বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে আমার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন মায়ের মরদেহ নিয়ে হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছি। সেখান থেকে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট নিয়ে আমার ভাইয়ের প্যারোলে মুক্তির জন্য আবেদন করবো। আমাদের মায়ের শেষকৃত্য হাটহাজারীর পুণ্ডরীক ধামে সম্পন্ন হবে।’

পুণ্ডরিক ধাম সূত্রে জানা গেছে, ধর্মীয় আচারাদি পালন শেষে এখানেই সন্ধ্যা রাণী ধর-কে (শ্রীমতি সখী রসমঞ্জুরী মাতাজি) সমাধি দেওয়া হবে।

রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচনের আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনে ভোটের এ তফসিল ঘোষণা করেন তিনি।

তফসিল অনুযায়ী, ২৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র দাখিল, বাছাইয়ের তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর। আপিল নিষ্পত্তি ৬ অক্টোবর। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৭ অক্টোবর।