শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

শ্যামনগরে স্টাটআপ বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেচিং কর্মসূচির প্রতিযোগিতা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে স্টাটআপ বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেচিং কর্মসূচির প্রতিযোগিতা

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শুক্রবার (১২ জুন) সকালে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম এসইডিপির আয়োজনে উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে স্টাটআপ বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেচিং কর্মসূচির প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও সেরা শিক্ষক,শিক্ষার্থীকে পুরস্কার প্রদান করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি জি এম নজরুল ইসলাম।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক উপাধ্যক্ষ নাজিম উদ্দীন, জেলা বিএনপির সদস্য মাষ্টার আব্দুল ওয়াহেদ, জেলা বিএনপির সদস্য জি এম সোলায়মান কবীর।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মিনা হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নূর মোহাম্মদ তেজারত। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনির, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণানন্দ মুখার্জী, প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার, অধ্যক্ষ আজিয়ার রহমান, প্রধান শিক্ষক হারুনর রশিদ, প্রভাষক রাফজান জানি, শিক্ষক রনজিৎ কুমার বর্মন সহ শিক্ষক, শিক্ষর্থী, সাংবাদিক, অভিভাবক ও অন্যান্য পেশাজীবিরা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের বাস্তবায়নে স্টাটআপ বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং ইনোভেশন আইডিয়া শোকেচিং কর্মসূচির প্রতিযোগিতায় উপজেলার নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কাঁঠালবাড়িয়া এজি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, চিংড়াখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জোবেদা সোহরাব মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নুরনগর আশালতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বনশ্রী শিক্ষা নিকেতন, কলবাড়ী নেকজানিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নওয়াবেঁকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভূরুলিয়া সিরাজপুর স্কুল এন্ড কলেজ, আটুলিয়া আব্দুল কাদের স্কুল এন্ড কলেজ, শ্যামনগর সরকারি মহসীন ডিগ্রী কলেজ, শ্যামনগর আতরজান মহিলা মহাবিদ্যালয়, জয়নগর আমিনিয়া হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসা ও নওয়াবেঁকী বিড়ালাক্ষ্মী কাদেরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসাসহ মোট ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উদ্ভাবনকৃত প্রজেক্ট উপস্থাপন করেন।

 

প্রতিযোগিতায় প্রথম নকিপুর সরকারি হরিচরণ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২য় ভূরুলিয়া সিরাজপুর স্কুল এন্ড কলেজ ও তৃতীয় বনশ্রী শিক্ষা নিকেতন প্রতিষ্ঠান পুরস্কার গ্রহণ করেন।

উপস্থাপনকৃত প্রজেক্টের মধ্যে ছিল বর্জ্য দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, বায়ু দূষণ বিশুদ্ধ করণ, লবন পানি শোধন করে মিষ্টি পানি তৈরী, স্মাট কৃষি প্রযুক্তিসহ অন্যান্য প্রজেক্ট।

মেলায় অংশ গ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকব্রন্দ বলেন এধরনের মেলা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান মনস্ক করে গড়ে তুলতে সাহায্যে করবে।

 

 

Ads small one

বনবিভাগের অভিযানে ১১০০ কেজি মধুসহ ১১ মৌয়াল আটক, চুক্তির মাধ্যমে বনে প্রবেশের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
বনবিভাগের অভিযানে ১১০০ কেজি মধুসহ ১১ মৌয়াল আটক, চুক্তির মাধ্যমে বনে প্রবেশের অভিযোগ

উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সুন্দরবনে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা চলাকালে মধু আহরণ করে ফেরার পথে ১১০০ কেজি মধুসহ ১১ জন মৌয়ালকে আটক করেছে বনবিভাগ। শুক্রবার (১২ জুন) সকালে সাতক্ষীরা রেঞ্জের টেংরাখালী বন টহল ফাঁড়ির সদস্যরা সুন্দরবনের গহীন এলাকা থেকে দুটি নৌকাসহ তাদের আটক করে।

বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আটককৃত মৌয়ালরা নিষিদ্ধ সময়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করে মধু সংগ্রহ করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে প্রায় ১১০০ কেজি মধু জব্দ করা হয়। পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে বন আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করে সাতক্ষীরা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

তবে আটক হওয়া মৌয়ালদের অভিযোগ, বনবিভাগের এক দালাল পরিচয়ধারী জালাল মোল্লার মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে চুক্তি করে তারা সুন্দরবনে প্রবেশ করেছিলেন। গত ১ জুন থেকে সুন্দরবনে সকল ধরনের প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও ওই চুক্তির ভিত্তিতেই তারা মধু সংগ্রহের জন্য বনে যান। নির্ধারিত সময় শেষে ফিরতে না পারার পরে ১২ জুন ফেরার পথে বনবিভাগের সদস্যদের হাতে আটক হন।

আটককৃত কয়েকজন মৌয়াল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “টাকা দিয়ে বনে যাওয়ার পরেও যদি বনবিভাগ আমাদের আটক করে, তাহলে সেই চুক্তির মূল্য কী? এখন আমাদের জেল-জরিমানা গুনতে হচ্ছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত চাই।”

আটককৃতরা হলেন- শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ৯ নম্বর সোরা গ্রামের বানছার উদ্দীন গাজীর ছেলে মো. আমজাত হোসেন (৬৪), হাকিম শেখের ছেলে মো. কামরুল শেখ (৪৫), মতিয়ার রহমানের ছেলে আল-আমিন (৪০), আছান হাবিব (৩৫), মো. রাব্বানী (৩৫), মো. হায়াত আলী গাজী (৫৫), মো. মোবারক শেখ (৩২), মো. বাবলু রহমান (৩০), মো. মনিরুল খাঁ (৩৮), মো. আবিয়ার মালী (৪৫) ও মো. কবিরুল ইসলাম (৪৫)।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময় কীভাবে মৌয়ালরা সুন্দরবনে প্রবেশ করলেন এবং চুক্তির নামে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ কতটুকু সত্য- তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে সাতক্ষীরা রেঞ্জের সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতে চাইলে ও এবিষয়ে কোন বন কর্মকর্তারা কথা না বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

পশ্চিম বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মশিউর রহমান এর সাথে যোগাযোগের জন্য তার মুঠো ফোনে একাধিক বার কল করলেও তিনি কল রিসিভ করেনি।

 

 

 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতির তথ্য পাঠাতে হবে হোয়াটসঅ্যাপে

সংবাদদাতা: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী নতুন মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ১৫ জুন থেকে প্রতিদিন বিদ্যালয়ে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য ধাপে ধাপে উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পেরিয়ে সরাসরি অধিদপ্তরে পৌঁছাবে। এ জন্য হোয়াটসঅ্যাপভিত্তিক একটি কেন্দ্রীয় নজরদারি কাঠামো গড়ে তোলার নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন স্বাক্ষরিত নির্দেশনাটি দেশের সব বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা ও থানা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান অনেকাংশে নির্ভর করে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা এবং শিক্ষকদের সময়মতো উপস্থিতির ওপর।

 

প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, বরং শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশ নিশ্চিত করার অন্যতম পূর্বশর্ত। এ প্রেক্ষাপটে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার আওতায় শিক্ষক উপস্থিতি মনিটরিং জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি উপজেলার ক্লাস্টারভিত্তিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নিয়ে একটি করে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ গঠন করা হবে।

 

সংশ্লিষ্ট সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তা (এইউপিইও/এটিপিইও) ওই গ্রুপের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিদিন কর্মদিবসে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সকাল ৯টা ২০ মিনিটের মধ্যে শিক্ষক উপস্থিতির তথ্য এসএমএসের মাধ্যমে ক্লাস্টার গ্রুপে পাঠাতে হবে। ঢাকা মহানগরের ক্ষেত্রে এ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৭টা ৫০ মিনিট। সরকারিভাবে বিদ্যালয়ের সময়সূচি পরিবর্তন হলে বিদ্যালয় শুরু হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে তথ্য পাঠাতে হবে।

 

উপস্থিতি প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের অনুমোদিত শিক্ষক পদ, কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা, নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা, বিভিন্ন ধরনের অনুমোদিত ছুটিতে থাকা শিক্ষক, প্রশিক্ষণে থাকা শিক্ষক, সংযুক্ত শিক্ষক এবং বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকের সংখ্যা পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে। ক্লাস্টার পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের পর সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তারা সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সমন্বিত প্রতিবেদন পাঠাবেন। উপজেলা পর্যায়ে সব ক্লাস্টারের তথ্য একত্র করে সকাল ১০টা ১৫ মিনিটের মধ্যে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হবে।

 

এরপর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটের মধ্যে বিভাগীয় উপপরিচালকের কাছে জেলার সারসংক্ষেপ পাঠাবেন। বিভাগীয় উপপরিচালকরা বিভাগের সব জেলার তথ্য একত্র করে দুপুর ১১টা ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পাঠাবেন। পাশাপাশি নির্ধারিত এক্সেল শিটে তথ্য সংযোজন করে ই-মেইলেও প্রেরণ করতে হবে। অধিদপ্তরের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ প্রতিদিন দেশের সব বিভাগের তথ্য সমন্বয় করে জাতীয় পর্যায়ের শিক্ষক উপস্থিতি প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে এবং তা মহাপরিচালকের কাছে উপস্থাপন করবে।

 

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রধান শিক্ষকদের শুধু উপস্থিতির তথ্য পাঠালেই হবে না, শিক্ষক হাজিরা খাতার সংশ্লিষ্ট অংশের ছবিও তুলে সহকারী উপজেলা বা থানা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে। এসব ছবি উপজেলা শিক্ষা অফিসে সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এ ছাড়া উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে তথ্য সন্নিবেশনের জন্য অধিদপ্তর থেকে সরবরাহ করা নির্ধারিত এক্সেল শিট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত শিক্ষকদের নামের তালিকাও ওই শিটে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

 

নির্দেশনায় সতর্ক করে বলা হয়েছে, শিক্ষক উপস্থিতি-সংক্রান্ত তথ্য সঠিক ও নির্ভুলভাবে প্রদান করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষককে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, শিক্ষক উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বাড়বে, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হবে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। নতুন এই মনিটরিং ব্যবস্থা সেই লক্ষ্য অর্জনেরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

 

 

 

আমাদী ইউনিয়নের হরিনগরে গ্রামবাসির সাথে মত বিনিময় করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জুবায়ের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
আমাদী ইউনিয়নের হরিনগরে গ্রামবাসির সাথে মত বিনিময় করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জুবায়ের

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার উপকূলীয় উপজেলা কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড হরিনগর গ্রামবাসির সাথে এক মত বিনিময় করেছেন আমাদি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সাবেক ছাএনেতা মোঃ জুবায়ের রহমান। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে হরিনগর গ্রামবাসীর সাথে তিনি মতবিনিময় করেন।

এসময় তিনি বলেন, এলাকায় রাস্তা-ঘাটের বেহাল দশা, সুপেয় পানির সংকট ও শিক্ষা-স্বাস্থ্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

গ্রামবাসিরা বলেন, গ্রামের কাঁচা রাস্তাগুলো বর্ষায় চলাচলের অনুপযোগী। বিশুদ্ধ পানির জন্য গভীর নলকূপ বাড়ানো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি।