বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সবুজে ঘেরা কামারালী: একজন আব্দুস সাত্তার ও একটি আদর্শ গ্রামের গল্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সবুজে ঘেরা কামারালী: একজন আব্দুস সাত্তার ও একটি আদর্শ গ্রামের গল্প

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার যুগিখালী ইউনিয়নের একটি অবহেলিত গ্রাম ছিল কামারালী। কিন্তু আজ সেখানে চোখ মেললেই দেখা যায় দিগন্তজোড়া সবুজের সমারোহ। মাঠের পর মাঠ ফসলের হাসিতে মন জুড়িয়ে যায়। এই বদলে যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছেন একজন দূরদর্শী ও কঠোর পরিশ্রমী সফল উদ্যোক্তা-আব্দুস সাত্তার সানা।

আব্দুস সাত্তার সানা আজ থেকে প্রায় ২০ বছর আগে সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে মৎস্য চাষ শুরু করেন। মাছ চাষে সফলতা পাওয়ার পর তিনি চিন্তা করলেন, জমির কোনো অংশই ফেলে রাখা যাবে না। সেই ভাবনা থেকেই বিগত ৫-৬ বছর ধরে তিনি শুরু করেন আধুনিক পদ্ধতিতে সবজি চাষ।

 

বর্তমানে কামারালী মাঠে তাঁর ৫ বিঘা জমির ওপর বিশাল এক মৎস্য ঘের রয়েছে। যার মধ্যে সাড়ে ৩ বিঘা জমিতে তিনি নিবিড়ভাবে মাছ চাষ করছেন। আর বাকি ১.৫ (দেড়) বিঘা পতিত জমিকে তিনি রূপ দিয়েছেন এক জীবন্ত প্রদর্শনী খামারে। ঘেরের পাড়ের এক ইঞ্চি জমিও তিনি ফেলে রাখেননি। ঘেরের পাড়ে পাড়ে আজ ঝুলছে খেরই, বরবটি, করলা, উচ্ছে, ঢেঁড়স, শিম, লাউ, কুমড়া আর কলার চমৎকার ফলন। আর্শীবাদের এক জলাধার আব্দুস সাত্তার সানার এই একক প্রচেষ্টাকে আরও বেগবান ও টেকসই করেছে এলাকার ‘কামারালী রিজার্ভার’।

 

সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু সহিষ্ণু কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে এই রিজার্ভারটি এলাকার কৃষকদের জন্য এক বিশাল আশীর্বাদ। সলিডারিডাড নেটওয়ার্ক এশিয়া ও উত্তরাণের এই রিজার্ভারের কল্যাণে খরা বা সেচ সংকটের সময়েও কৃষকেরা নিরবচ্ছিন্ন পানির সুবিধা পাচ্ছেন, যা পুরো এলাকার কৃষি ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে।

অবহেলা থেকে স্বাবলম্বী হওয়ার মন্ত্র আব্দুস সাত্তার সানা শুধু নিজের ভাগ্যবদল করেই ক্ষান্ত হননি। বিগত ৩ বছর ধরে তিনি এলাকার কৃষক ও কৃষাণীদের নিয়ে নিয়মিত উঠান বৈঠক করে আসছেন। গ্রামীণ নারীদের ঘরের কোণ থেকে বের করে এনে বাড়ির চারপাশের পরিত্যক্ত জমিতে কীভাবে সবজি চাষ করতে হয়, সেই পরামর্শ ও হাতে-কলমে শিক্ষা দেন তিনি।

 

তাঁর এই নিঃস্বার্থ পরামর্শ আর দিকনির্দেশনায় অনুপ্রাণিত হয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষ নিজেদের পতিত জমিতে চাষবাস শুরু করে। ধীরে ধীরে পুরো গ্রামের চিত্র পাল্টে যেতে থাকে। বেকারত্বমুক্ত এক অনন্য ‘আদর্শ গ্রাম’ আজ আব্দুস সাত্তার সানার সেই নীরব বিপ্লবের সুফল ভোগ করছে পুরো কামারালী গ্রাম।

 

বর্তমানে এই গ্রামে কোনো বেকার মানুষ নেই। অলস বসে থাকার দিন ফুরিয়েছে; নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই এখন কোনো না কোনো চাষবাস বা কৃষি কাজের সাথে যুক্ত। একসময় যাদের অভাব-অনটনে দিন কাটত, আজ তাদের আর কারো দুয়ারে হাত পাততে হয় না। গ্রামের প্রতিটি পরিবার এখন স্বাবলম্বী, প্রত্যেকের মুখে ফুটেছে আত্মতৃপ্তির হাসি।

 

কামারালী গ্রামটি এখন একটি অনুকরণীয় ‘আদর্শ গ্রাম’। দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন প্রকৃতির এক নিপুণ শিল্পী সবুজ ক্যানভাসে গ্রামটিকে সাজিয়েছেন। আর এই সবুজ সমারোহ এবং প্রতিটি মানুষের মুখে স্বাবলম্বী হওয়ার যে হাসি, তার পিছনের মূল কারিগর-সফল উদ্যোক্তা আব্দুস সাত্তার সানা। তাঁর এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, সঠিক পরিকল্পনা ও কঠোর পরিশ্রমের সাথে যদি সদিচ্ছা থাকে, তবে একটি মানুষের হাত ধরে পুরো সমাজের রূপান্তর সম্ভব। সংবাদদাতা জুলফিকার আলী

 

Ads small one

তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৭ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব থাকা অবস্থায় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ৭ মার্চ ভোররাতে বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয় তাকে।

তখন তাকে টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকতে হয়। কারাগারে রিমান্ডের নামে চলে অমানবিক নির্যাতন। নিষ্ঠুর নির্যাতনে তার মেরুদণ্ড ভেঙে দেয়া হয়। গুরুতর অবস্থায় তারেক রহমানকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সব মামলায় জামিন পেলে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তি পান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তারপরই শুরু হয় দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন। উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হয় বর্তমান তাকে। সঙ্গে যান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান।

শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ: শেখ হাসিনাসহ ৩০ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৭ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ: শেখ হাসিনাসহ ৩০ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণের নির্দেশ

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেনা প্রধান আজিজ, পুলিশ প্রধান বেনজিরসহ ৩০ আসামিকে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

এর আগে সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে কড়া নিরাপত্তায় মামলার গ্রেফতার করা আসামিদের ট্রাইব্যুনালে আনা হয়।

ট্রাইব্যুনালে আনা আসামিরা হলেন– জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ডিআইজি আব্দুল জলিল মণ্ডল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির ও ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু। তবে অসুস্থতার কারণে হাজির করা হয়নি সাংবাদিক ফারজানা রুপাকে।

মামলার পলাতক আসামিরা হলেন– ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, তৎকালীন র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শেখ মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মাহবুব হোসেন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি (এসবি) মনিরুল ইসলাম, তৎকালীন ডিএমপির ডিসি (সদর দফতর ও প্রশাসন) মো. আনোয়ার হোসেন, তৎকালীন ডিএমপির ডিসি (ট্রাফিক-দক্ষিণ) আশরাফুজ্জামান, তৎকালীন ডিএমপির এডিসি (মতিঝিল জোন) এসএম মেহেদী হাসান, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশীদ, সাবেক ডিআইজি বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক ডিআইজি সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, তৎকালীন ডিএমপির এডিসি (মতিঝিল বিভাগ) মো. আসাদুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শিবলী নোমান এবং তৎকালীন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিএম ফরমান আলী।

এর আগে, গত ১৬ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় ১১ আসামিকে হাজির করার কথা ছিল। তবে, দুজনের নামে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু না হওয়া এবং গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা ব্যক্তিদের নন এক্সিকিউটিভ রিপোর্ট বা এনইআর না আসায় সময় চায় প্রসিকিউশন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজকের দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।

গত ২৭ জুলাই ৪১ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একইসঙ্গে পলাতকদের নামে পরোয়ানা ও গ্রেফতার ব্যক্তিদের হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ মামলায় দুটি অভিযোগের মধ্যে প্রথমটিতে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে ঢাকায় ৩২ জনকে হত্যার ঘটনা আনা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে আনা হয়েছে, ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনা।

স্বর্ণের দাম আবার বাড়লো

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ণ
স্বর্ণের দাম আবার বাড়লো

টানা কয়েক দফা দাম কমানোর পর দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৩৫৪ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে।

বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের সভায় বৃহস্পতিবার সকালে স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের হলমার্ককৃত প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২০ হাজার ৩৫০ টাকা। ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি হিসেবে এর দাম দাঁড়ায় প্রায় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৫৬ টাকা।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ১৯ হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১৬ হাজার ৬৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১৩ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রুপার দামও বেড়েছে

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি গ্রাম রুপার দাম ৪৪০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪২৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩৬৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২৭৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল বাজুস। ওই দিন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর আগে ৩১ আগস্টও একই মানের স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমানো হয়েছিল। তারও আগে ২৯ আগস্ট ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম কমেছিল ৭ হাজার ১১৫ টাকা। অর্থাৎ কয়েক দফা কমার পর এক দিন পরই আবার স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলো বাজুস।

নতুন দামে স্বর্ণ

২২ ক্যারেট: ২০,৩৫০ টাকা প্রতি গ্রাম

২১ ক্যারেট: ১৯,৪৩৫ টাকা প্রতি গ্রাম

১৮ ক্যারেট: ১৬,৬৮৫ টাকা প্রতি গ্রাম

সনাতন পদ্ধতি: ১৩,৬৩০ টাকা প্রতি গ্রাম

বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। স্বর্ণ ও রুপার অলংকার বিনিময় ও ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।

উল্লেখ্য, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন এই দাম কার্যকর থাকবে।