বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: লবণ ও চামড়া খাতের সংকট

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ প্রসঙ্গ: লবণ ও চামড়া খাতের সংকট

সম্পাদকীয়
প্রসঙ্গ: লবণ ও চামড়া খাতের সংকট

আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির চামড়া সংরক্ষণের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুদান হিসেবে লবণ চেয়ে আবেদন করেছেন সাতক্ষীরার চামড়া ব্যবসায়ীরা। এই আবেদনটি দেশের চামড়া ও লবণ—উভয় খাতের এক গভীর সংকটের চিত্রকে সামনে এনেছে। একদিকে লবণের চড়া দামের কারণে পুঁজিসংকটে পড়ে চামড়া ব্যবসায়ীরা দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম হয়েছেন; অন্যদিকে মাঠপর্যায়ে লবণচাষিরা উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে লবণ বিক্রি করতে গিয়ে ঋণের বোঝায় জর্জরিত হচ্ছেন।

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে প্রতি মণ লবণ উৎপাদনে যেখানে খরচ হচ্ছে প্রায় ৩৫০ টাকা, সেখানে চাষিরা পাচ্ছেন মাত্র ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা। অথচ খুচরা বাজারে প্যাকেটজাত লবণ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। উৎপাদক যেখানে কেজিতে পাচ্ছেন মাত্র ৫ থেকে ৬ টাকা, সেখানে ভোক্তা পর্যায়ে সেই লবণের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়া কোনো স্বাভাবিক বাজার অর্থনীতির লক্ষণ হতে পারে না। মূলত কার্গো বোটের মালিক ও বড় ব্যবসায়ী চক্রের সিন্ডিকেটের কারণেই উপকূলের প্রান্তিক চাষিরা যেমন পিষ্ট হচ্ছেন, তেমনি সাতক্ষীরার মতো অঞ্চলের চামড়া ব্যবসায়ীদের সেই লবণ কিনতে হচ্ছে চড়া দামে।

চামড়া খাতের মতো একটি জাতীয় সম্পদ, যা কোরবানির মৌসুমের ওপর নির্ভরশীল, তা কেবল লবণের কৃত্রিম চড়া মূল্যের কারণে হুমকির মুখে পড়তে পারে না। সঠিক সময়ে ও ন্যায্যমূল্যে লবণ না পাওয়ায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ চামড়া পচে নষ্ট হয়, যা অর্থনীতির জন্য বড় অপচয়।

চামড়া ব্যবসায়ীদের সাময়িক লবণের অনুদান দেওয়া হয়তো একটি সাময়িক সমাধান, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি স্বস্তির জন্য প্রয়োজন মূল সমস্যার শিকড়ে হাত দেওয়া। উপকূলীয় লবণচাষিদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ ও সরাসরি বিপণন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমে। একই সঙ্গে অসাধু সিন্ডিকেট ভেঙে পরিবহন ও বাজারব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা জরুরি। প্রকৃত উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যকর পদক্ষেপ এখনই প্রয়োজন।

 

 

Ads small one

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি প্রেসক্লাবের

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি প্রেসক্লাবের

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের সময়োপযোগী একটি বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে কথিত গণমাধ্যমকর্মীসহ একটি মহল।

ধর্মান্ধতার আড়ালে ধর্মের নামে বাড়াবাড়ি পবিত্র ও মহান ধর্ম ইসলামও সমর্থন করেনা। বর্তমান তরুণ সমাজে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকান্ডের গুরুত্ব বোঝাতে জেলা প্রশাসকের এ বক্তব্য নিয়ে কোনভাবেই বিভ্রান্তি তৈরি করার সুযোগ নেই।

মুলধারার গণমাধ্যমকর্মীদের সংগঠন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে এ ধরণের দায়িত্বজ্ঞানহীন অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। পাশাপাশি সাতক্ষীরার স্থিতিশীল পরিবেশকে অস্থিতিশীল তৈরী করা অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছে।

বিবৃতিদাতারা হলেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুর জামান সুমন, সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদারসহ সকল সদস্য। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

সাতক্ষীরাবাসীকে ‘ধর্মান্ধ’ আখ্যায়িত করার অভিযোগে ওলামা মাশায়েখ পরিষদের মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরাবাসীকে ‘ধর্মান্ধ’ আখ্যায়িত করার অভিযোগে ওলামা মাশায়েখ পরিষদের মানববন্ধন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরাবাসীকে ‘ধর্মান্ধ’ আখ্যায়িত করে জেলা প্রশাসক বক্তব্য দিয়েছেন অভিযোগ এনে বুধবার (২৪ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় শহরের নিউমার্কেট মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওলামা মাশায়েখ পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলার উদ্যোগে সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, জেলা প্রশাসকের বক্তব্য সাতক্ষীরার ধর্মপ্রাণ জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে এবং জেলার মানুষের মর্যাদাকে ক্ষুণœ করেছে।

 

অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ওলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি মাওলানা ওসমান গণী, মাওলানা মনিরুল ইসলাম বেলালী, মাওলানা রুস্তম আলী তাওহিদী, মাওলানা শাহাদাত হোসেন, মাওলানা ফারুক হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরার মানুষ যুগ যুগ ধরে সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ ধারণ করে আসছে।

 

এধরনের মন্তব্য জেলার জনগণের প্রতি অসম্মানজনক এবং অনভিপ্রেত। তারা অবিলম্বে উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহার এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদানের দাবি জানান। সমাবেশে আরও বলা হয়, কোনো সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাস ও মূল্যবোধ সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য কাম্য নয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান বক্তারা। বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন।

এন্টার টিভির তালা উপজেলা প্রতিনিধি হলেন আবু রায়হান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৫:৩৫ অপরাহ্ণ
এন্টার টিভির তালা উপজেলা প্রতিনিধি হলেন আবু রায়হান

জনপ্রিয় স্যাটেলাইট ও অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘এন্টার টিভি নিউজ’-এর তালা উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আবু রায়হান।

 

সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে সাতক্ষীরার তালা অঞ্চলের সংবাদ সংগ্রহ ও প্রচারের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি