বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

সম্পাদকীয়/প্রাথমিক শিক্ষায় তীব্র জনবল সংকট: অবিলম্বে শিক্ষক নিয়োগ জরুরি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/প্রাথমিক শিক্ষায় তীব্র জনবল সংকট: অবিলম্বে শিক্ষক নিয়োগ জরুরি

একটি জাতির উন্নতির মূল ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। শৈশবের এই পাঠশালাতেই শিশুর মেধা, চরিত্র ও ভবিষ্যতের সঠিক বুনিয়াদ গড়ে ওঠে। অথচ দেশের প্রান্তিক জেলা সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা খাত বর্তমানে এক গভীর সংকটের মুখে পতিত হয়েছে। সম্প্রতি পত্রিকান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে উপজেলাটিতে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পাশাপাশি শিক্ষকদের বিপুলসংখ্যক পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে রয়েছে, যা স্থানীয় প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার স্বাভাবিক গতিকে মারাত্মকভাবে স্তব্ধ করে দিয়েছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ১৩৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯৮টিতেই কোনো স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। বাধ্য হয়ে সহকারী শিক্ষকদেরকে দিয়ে ‘ভারপ্রাপ্ত’ হিসেবে স্কুলের প্রশাসনিক দায়িত্ব চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি ৮৩১ জন সহকারী শিক্ষকের বিপরীতে ৫৮টি পদ শূন্য থাকায় সব মিলিয়ে শিক্ষক পদ খালি রয়েছে ১৫৬টি। শুধু ক্লাসরুমেই নয়, সংকট উপজেলা শিক্ষা অফিসেও। ৬ জন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিপরীতে দায়িত্ব সামলাচ্ছেন মাত্র ৪ জন, আর ৫টি প্রশাসনিক পদের বিপরীতে চালকের ভূমিকায় রয়েছেন মাত্র দু’জন কর্মচারী।
এই চিত্র অত্যন্ত উদ্বেগজনক। যখন একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে প্রতিদিন গাদা গাদা দাপ্তরিক ফাইলপত্র ও প্রশাসনিক ঝামেলা সামলাতে হয়, তখন শ্রেণিকক্ষে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদান করা তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে ওঠে। ফলে একদিকে যেমন শিক্ষকের অভাবে যথাযথ ক্লাস হচ্ছে না, অন্যদিকে বাড়তি চাপে শিক্ষকেরাও পাঠদানে মনোযোগ হারিয়ে ফেলছেন। পরিণতিতে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক মেধা বিকাশ।
শিক্ষা কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, শূন্যপদের তালিকা ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে এবং আগামী এক মাসের মধ্যে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের একটি আশ্বাসও পাওয়া গেছে। আমরা এই আশ্বাসকে স্বাগত জানাই, তবে একই সাথে মনে করিয়ে দিতে চাই যেÑশুধু সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিয়েই এই সংকট পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়। প্রধান শিক্ষকের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে স্থায়ী নিয়োগ না দিলে বিদ্যালয় পরিচালনার অচলাবস্থা কাটবে না।
আমরা মনে করি, গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে এভাবে ধুঁকে ধুঁকে চলতে দেওয়া যায় না। প্রাথমিক শিক্ষার সংকট দূর করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকদের শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী নিয়োগ বা পদোন্নতির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করতে হবে। পাশাপাশি উপজেলা শিক্ষা অফিসের প্রশাসনিক জনবল পূরণ করে পরিদর্শনের কাজ বেগবান করা আবশ্যক। কালিগঞ্জের কোমলমতি শিশুদের ভবিষ্যৎ রক্ষা ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিলম্ব না করে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেনÑএটাই আমাদের প্রত্যাশা।

Ads small one

শ্যামনগরে গাছ কাটতে বাধা পেয়ে মা-মেয়েকে পিটিয়ে জখম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে গাছ কাটতে বাধা পেয়ে মা-মেয়েকে পিটিয়ে জখম

শ্যামনগর প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গাছ কাটায় বাঁধা পেয়ে ময়না বেগম(৫৫) ও তার মেয়ে আমিনা বেগম(২৬)কে পিটিয়েছে প্রতিপক্ষের লোকজন। বুধবার বিকালে উপজেলার দাতিনাখালী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। এসময় দুই নারীকে উদ্ধারে এগিয়ে আসায় আমিনার স্বামী আলআমিন মোড়লও মারধরের শিকার হয়। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

আমিনা বেগমের ভাষ্য তাদের জমি ইজারা নিয়ে নুরুজ্জামান নামের এক ব্যক্তি কাঁকড়ার হ্যাচারী গড়ে তুলেছে। বুধবার বিকালে পানখালীর সাইদের নেতৃত্বে নুরুজ্জামানের ৭/৮ জন কর্মচারী আকস্মিকভাবে উক্ত জমিতে থাকা কেওড়া ও বাইন গাছ কাটা শুরু করে। এসময় বাড়িতে কোন পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোগে তারা মা-মেয়ে বাধা সৃষ্টি করে। একপর্যায়ে সাইদের নেতৃত্বে লাঠিশোটা দিয়ে গাছ কাটতে আসা লোকজন তাদের মারপিট শুরু করে। খবর পেয়ে তার স্বামী ঘটনাস্থলে পৌছে তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করায় তাকেও মারধর করা হয়।

আলআমিন মোড়লের দাবি তার স্ত্রীর পেটে মারাত্বকভাবে আঘাত করার কারনে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। পঞ্চাশোর্ধ্ব বয়সী শ^াশুড়ীও মারাত্বকভাবে আহত হয়েছে। ইজারা নেয়া জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে নুরুজ্জামান তার লোকজন দিয়ে গত তিন বছর ধরে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। নিজেদের জমির উপর দিয়ে নির্মিত চলাচলের রাস্তা পর্যন্ত তারা তালাবদ্ধ করে রেখে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন চালাচ্ছে।

অভিযুক্ত নুরুজ্জামান জানান তিনি ঘটনাস্থলে না থাকায় তার কর্মচারীরা ভুল করেছে। ইতিমধ্যে আহত মা-মেয়ের চিকিৎসার দায়-দায়িত্ব নিতে প্রস্তাব দিয়েছে। স্থানীয়ভাবে বসে মিমাংসার প্রস্তাবও দিয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম জানান লিখিত অভিযোগ পেয়ে তদন্ত করতে সহকারী উপ-পরিদর্শক নবীর হোসেনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

নীলডুমুর বাজারের ব্যবসায়ীদের মাঝে ৪০টি ডাস্টবিন বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১৪ অপরাহ্ণ
নীলডুমুর বাজারের ব্যবসায়ীদের মাঝে ৪০টি ডাস্টবিন বিতরণ

এম এ হালিম, উপকূলীয় অঞ্চল (শ্যামনগর): ‘প্লাস্টিক বর্জ্য ডাস্টবিনে ফেলি, সুন্দরবনকে রক্ষা করি’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্লাস্টিক দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার নীলডুমুর বাজারের ব্যবসায়ীদের মাঝে ডাস্টবিন বিতরণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় নীলডুমুর বাজারে বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবির সিসিআরসি-এর সহযোগিতায় এ ডাস্টবিন বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রবিউল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোল্লার রুহুল আমিন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ হালিম এবং সিসিডিবি পিসিআরসিবি প্রকল্পের উপজেলা সমন্বয়কারী স্টিভ রায় রুপন, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার অমিতাভ হালদার, ফিল্ড অর্গানাইজার ওয়ারেসুর রহমান, সাখিরা খানম, দিল আফরোজসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে নীলডুমুর বাজারের ৪০ জন ব্যবসায়ীর হাতে একটি করে ডাস্টবিন তুলে দেওয়া হয়। বাজারের বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে উৎপন্ন প্লাস্টিকের প্যাকেট, বোতলসহ অন্যান্য বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষণ এবং পরবর্তীতে যথাযথভাবে অপসারণের উদ্দেশ্যে এসব ডাস্টবিন বিতরণ করা হয়।

বক্তারা বলেন, উপকূলীয় এলাকার বাজারগুলোতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ প্লাস্টিক বর্জ্য উৎপন্ন হচ্ছে। এসব বর্জ্য যত্রতত্র ফেলে রাখলে তা নালা-নর্দমা ও নদীতে গিয়ে পড়ার পাশাপাশি একসময় সুন্দরবনের জলাভূমি ও জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশ রক্ষায় বাজারের ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষকে প্লাস্টিক বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

তারা আরও বলেন, সুন্দরবন শুধু বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ নয়, এটি উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। সুন্দরবন ও এর আশপাশের নদ-খালকে প্লাস্টিক দূষণ থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার করা জরুরি।

ডাস্টবিন বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাজার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং প্লাস্টিক বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার ক্ষেত্রে তারা সচেতন থাকবেন। একই সঙ্গে বাজারে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থা আরও জোরদারের দাবি জানান তারা।

কলারোয়ায় ৮০জন মেধাবী শিক্ষার্থী বিনামূল্যে পেলো বাইসাইকেল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:১১ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ৮০জন মেধাবী শিক্ষার্থী বিনামূল্যে পেলো বাইসাইকেল

আরিফ মাহমুদ: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে পেলো বাইসাইকেল। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে কলারোয়া উপজেলার ৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৮০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে ওই বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়। ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণীর প্রথম ও দ্বিতীয় রোলধারী ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শ্রেনীপ্রতি ২টি করে মোট ১০টি বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল চত্বরে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক, সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

কলারোয়া পাইলট হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুদীপ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাহফুজুর রহমান।
কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল, গার্লস পাইলট হাইস্কুল, মডেল হাইস্কুল, বেত্রবতী হাইস্কুল, সোনাবাড়িয়া হাইস্কুল, বামনখালী হাইস্কুল, চন্দনপুর হাইস্কুল ও কাজিরহাট হাইস্কুলের ৪৩ জন ছাত্রী ও ৩৭ জন ছাত্রের মাঝে মোট ৮০টি সাইকেল তুলে দেয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবী ও গবীর শিক্ষার্থীদের মাঝে উপবৃত্তি, বাইসাকেল ও বৃক্ষরোপণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধাবিকাশে উৎসাহিত হয় সেজন্য আমরা তাদের পাশে আছি।
এসময় তিনি পাইলট হাইস্কুলে একটি সাইকেল শেড তৈরির জন্য দুই লাখ টাকা প্রদানের ঘোষনা দেন।

পাইলট স্কুলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ তামিম আজাদ মেরিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মোল্লা, যুগ্ম সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের বাচ্চু, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ শরীফুজ্জামান তুহিন, বেত্রবতী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শেখ রাশেদুল হাসান কামরুল, সোনাবাড়িয়া হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আক্তার আসাদুজ্জামান চান্দু, উপজেলা কৃষকদলের আহবায়ক মাস্টার মনিরুজ্জামান প্রমুখ। এসময় শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।