শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সাংবাদিক আইয়ুব হোসেনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ
সাংবাদিক আইয়ুব হোসেনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

 

দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সিনিয়র রিপোর্টার ও বিশিষ্ট সাংবাদিক আইয়ুব হোসেনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বুধবার (১৩ মে)। ২০০৬ সালের এই দিনে দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সাংবাদিক আইয়ুব হোসেন স্মৃতি পরিষদ খুলনায় দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আজ বুধবার দুপুর ১২টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। পরিষদের পক্ষ থেকে শুভানুধ্যায়ীদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
খুলনার সাংবাদিকতা জগতের অন্যতম অভিভাবক হিসেবে পরিচিত ছিলেন আইয়ুব হোসেন। তিনি খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের (কেইউজে) সভাপতি এবং খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিনিধি হিসেবেও তার দীর্ঘ কাজের অভিজ্ঞতা ছিল।
আইয়ুব হোসেনের পরিবার বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক দীপক রায় চৌধুরীর সঙ্গে মিলে তিনি সম্পাদনা করতেন সাপ্তাহিক ‘বাংলার ডাক’ পত্রিকা। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রানাঘাট থেকে প্রকাশিত এই পত্রিকায় তিনি ‘রণাঙ্গণ থেকে আইয়ুব হোসেন’ ছদ্মনামে নিয়মিত রিপোর্ট করতেন, যা যুদ্ধের ময়দানে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা জোগাত। তার বাবা মরহুম আব্দুল জলিল বিশ্বাস ছিলেন মাগুরার দক্ষিণ অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সংগঠক। রাজাকাররা তার পৈতৃক ভিটা দুইবার পুড়িয়ে দিয়েছিল। তার মেজ
ভাই ও ‘মোহন বাহিনীর’ প্রধান কমান্ডার মোক্তার হোসেন মোহন ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে নিখোঁজ হন, যার সন্ধান আজও মেলেনি। আরেক ভাই মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর হোসেন টুকুও যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি দোসরদের হাতে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হন। তার ভাতিজা আব্দুর রউফ বিশ্বাসসহ পরিবারের ৮জন সদস্যকে রাজাকাররা জীবন্ত কবর দিয়ে হত্যা করে। এত ত্যাগ ও সক্রিয় ভূমিকা থাকা সত্ত্বেও বিনয়ী আইয়ুব হোসেন জীবদ্দশায় কখনোই নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করেননি। পেশাগত কাজের বাইরেও তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত ছিলেন। খুলনার সাংবাদিক সমাজে তিনি আজও এক সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে অম্লান হয়ে আছেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমান মাদকসহ একজন আটক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমান মাদকসহ একজন আটক

পত্রদূত রিপোর্ট: শনিবার (৩০ মে ২০২৬) সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন এর অধীনস্থ পদ্মশাখরা, কাকডাঙ্গা, মাদরা, হিজলদী ও চান্দুরিয়া বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় শাড়ি, চিংড়ি মাছের রেনুপোনা, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ১ জন আসামীসহ ৬০৩ বোতল এসকুফ কাশির সিরাপ আটক করে।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়ন হেডকোয়াটার জানায়, পদ্মশাখরা বিওপির আভিযানে সাতক্ষীরা সদর থানার জোড়াতাল গাছ নামক স্থান হতে ২ লাখ ২৫ হাজার টাকার ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা আটক করে। কাকডাঙ্গা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার রাজ্জাকের মোড় হতে ৭০ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি আটক করে। মাদরা বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার শ্মশান ঘাট হতে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকার মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। হিজলদী বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার বড়ালি আমবাগান হতে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে।

এছাড়াও, চান্দুরিয়া বিওপির আভিযানে কলারোয়া থানার গোয়ালপাড়া হতে ২ লাখ ৪১ হাজার ২০০ টাকার ভারতীয় এসকুফ কাশির সিরাপ আটক করে।
আটক পন্যের সর্বমোট মূল্য ৯ লাখ ১৬ হাজার ২০০ টাকা।

বিজিবি আরো জানায়, চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

বল্লীতে গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু, এলাকায় শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
বল্লীতে গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু, এলাকায় শোক

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের এক যুবক গাছ থেকে পড়ে মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন। নিহত আবু রায়হান (২৮) আমতলা গ্রামের বাসিন্দা রিজাউল সরদারের মেজো ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৩০ মে) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে বাড়ির সামনে একটি জাম গাছে ওঠেন আবু রায়হান। পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, গাছে থাকা অবস্থায় হঠাৎ মৃগী রোগের খিঁচুনি (ফিট) শুরু হলে তিনি ভারসাম্য হারিয়ে নিচে পড়ে যান।

গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হযে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আকস্মিক এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের মাতম নেমে আসে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং নিহতের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

স্থানীয়রা জানান, আবু রায়হান একজন শান্ত-স্বভাবের ও সবার কাছে পরিচিত যুবক ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে আমতলা গ্রামসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতের পরিবার তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলায় মাছখোলা বাজারে উৎসবমুখর ঈদ আনন্দ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলায় মাছখোলা বাজারে উৎসবমুখর ঈদ আনন্দ

সংবাদদাতা: পবিত্র ঈদুল ফিতর পরবর্তী আনন্দকে ভাগাভাগি করে নিতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ৯ নম্বর ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাছখোলা বাজারে বসেছিল জমজমাট মিলনমেলা। উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ও আকর্ষণীয় বিভিন্ন খেলাধুলা।

 

স্থানীয় যুবসমাজ ও সর্বস্তরের জনগণের উপস্থিতিতে পুরো মাছখোলা বাজার এলাকা এক টুকরো আনন্দ দ্বীপে পরিণত হয়। ঈদ পরবর্তী এই আনন্দ আয়োজন দেখতে সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশে নারী, পুরুষ ও শিশুদের ঢল নামে খেলাঙ্গনে।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে গ্রাম বাংলার হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী সব খেলাধুলার সমাহার ঘটানো হয়। প্রতিযোগিতাগুলোর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণ ছিল পুরুষদের ‘মোরগ লড়াই’, ‘হাঁড়িভাঙা’ এবং শক্তির পরীক্ষা ‘দড়ি টানাটানি’।

 

এছাড়া নদীমাতৃক বাংলার রূপ তুলে ধরতে আয়োজন করা হয় ‘নদীতে হাঁস ধরা’ ও ‘সাঁতার প্রতিযোগিতা’। ডাঙ্গায় চোখ বেঁধে হাঁস ধরার অভিনব ও কৌতুকপূর্ণ খেলাটি উপস্থিত দর্শকদের সবচেয়ে বেশি আনন্দ দেয়। নারীদের জন্য ছিল ‘বালিশ বদল’ এবং শিশুদের জন্য ‘চেয়ার সিটিং’ সহ আরও বেশ কিছু আকর্ষণীয় ও মজার খেলা। খেলা চলাকালীন সময়ে দর্শকদের করতালি ও উল্লাসে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী সাংবাদিক মাসুদ রানা। খেলা চলাকালীন সময়ে দর্শকদের করতালি ও উল্লাসে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।