শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় গুমের স্বীকার ব্যক্তিদের স্মরণে মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় গুমের স্বীকার ব্যক্তিদের স্মরণে মানববন্ধন

সংবাদদাতা: আন্তর্জাতিক গুম সপ্তাহ উপলক্ষে গুমের স্বীকার ব্যক্তিদের স্মরণে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকাল ১০ টায় মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের আয়োজনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে সাতক্ষীরা আশাশুনি সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

 

অধিকার এর সাতক্ষীরা সমন্বয়ক মো. মুজাহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক ফিরোজ হোসেন এর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, গুমের স্বীকার ডা. মোখলেছুর রহমানের পিতা শেখ আব্দুর রাশেদ, সাংবাদিক জিল্লুর রহমান, শাহজাহান আলী মিটন, আব্দুল আলিম, গুম থেকে ফিরে আসা মো. টিপু সুলতান, সামিউল প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, বিগত সময় সাতক্ষীরার জনিসহ অসংখ্য মানুষ গুম হয়েছিলো। দীর্ঘ ১০ বছর পার হলেও এখনও গুমের স্বীকার ব্যক্তিদের সন্ধান মেলেনি। দেশে নির্বাচিত সরকারের মেয়াদ ৪ মাস হতে যাচ্ছে, কিন্ত গুম হওয়া ব্যক্তিদের উদ্ধার ও তাদের পরিবারের পাশে দাড়ানোর কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনি। অবিলম্বে গুমের স্বীকার ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে সরকারকে সহায়তার হাত বাড়ানোর আহবান জানান বক্তারা। মানববন্ধনে গুম কমিশন আইন বাস্তবায়নের জোর দাবী জানান ভূক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা।

 

মানববন্ধনে ২০১৬ সালে সাতক্ষীরা সদর থানার লকাপ হতে গুমের স্বীকার ডাঃ মোখলেছুর রহমানের পিতা শেখ আব্দুর রশিদ বলেন, ২০১৬ সালে ৪ আগস্ট আমার ছেলে মোখলেছুর রহমান জনিকে গ্রেপ্তার করে সাতক্ষীরা সদর থানার লকাপে রাখা অবস্থায় ৩ দিন তাকে খাবার দিয়েছিলাম। তার পরে আর আমার জনিকে পাওয়া যায় যায়নি। গুমের সাথে জড়িত তৎকালীন ওসি এমদাদসহ আসামীরা এখনও পলাতক। অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার করে বিচার করার জোর দাবী জানাচ্ছি। এসময় গুমের স্বীকার জনির কন্যা সন্তান, বৃদ্ধ পিতাসহ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের দাবী জানান বৃদ্ধ শেখ আব্দুর রাশেদ।

 

 

 

Ads small one

খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৯ পূর্বাহ্ণ
খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে ধস, সংস্কারকাজ শুরু

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার তুয়ারডাঙ্গার মুচির কোনা এলাকায় খোলপেটুয়া নদীর উপকূলীয় ওয়াপদা বেড়িবাঁধে ধস নেমেছে। খবর পেয়ে দ্রুত জিওটিউব ফেলে কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।
পাউবোর শাখা কর্মকর্তা (এসও) আলমগীর হোসেন জানান, দুপুরে বেড়িবাঁধের আনুমানিক ৩০০ ফুট ধসে যাওয়ার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান এবং বিকল্প বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত কাজ শেষ না হলে জোয়ারের পানি ঢুকে খাজরা ও বড়দল ইউনিয়নের ১৫ থেকে ২০ হাজার বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং পাউবোকে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ
কয়রায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প উপলক্ষে লিফলেট বিতরণ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা কপোতাক্ষ মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন উপলক্ষে এলাকায় লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। আগামী ১২ আগস্ট এ দিনব্যাপী চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে।
খুলনা জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পির ব্যবস্থাপনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রচারণার অংশ হিসেবে জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাসান নেতাকর্মীদের নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও জনবহুল স্থানে লিফলেট বিতরণ করেন।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এলাকার দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ যেন কোনো খরচ ছাড়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় ওষুধ পেতে পারেন, সে লক্ষ্যেই এই ক্যাম্পের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১:০৫ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় ধানের বীজতলায় বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পার-কুখরালীতে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ধানের বীজতলায় ঘাস মারার বিষ প্রয়োগ করার অভিযোগ উঠেছে।
পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু সাইদ জানান, তাঁর বাবা ২০০২ সালে জব্বার সরদারের কাছ থেকে জমিটি কেনেন। কিন্তু বিআরএস রেকর্ডে ভুলবশত প্রতিপক্ষের নাম ওঠায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) আদালতে মামলা (নং ১৯৩৭/২৫) চলমান রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মৃত জব্বার সরদারের ছেলে আব্দুর রকিব জমিতে ফসল না করার জন্য পূর্বে হুমকি দিয়েছিলেন। এরপর জমিতে গিয়ে দেখা যায় বীজতলার চারাগুলো বিষ প্রয়োগের কারণে মরে গেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুর রকিব। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু সাইদ এ বিষয়ে স্থানীয় কৃষি বিভাগ ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।