শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫-২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (১২ এপ্রিল) সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় এবং প্রাইম ব্যাংক লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার।

 

আমরা দিন দিন খেলা থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং কোচিং এর সাথে সম্পৃক্ত হচ্ছি। খেলাধুলার মাধ্যমে মস্তিষ্ক ও শারীরিক বিকাশ ঘটে। সৌম্য ও মোস্তাফিজের মতো তোমরাও একদিন জাতীয় দলে নাম লেখাবে। আমাদের পরিকল্পনা আছে শীঘ্রই উপজেলা পর্যায়ে থেকেও টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড সাতক্ষীরা শাখার হেড অব ব্রাঞ্চ জালাল আহমেদ ও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তৈয়েব হাসান সামছুজ্জামান প্রমূখ। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান, সাপ্তাহিক সূর্যের আলো পত্রিকার সম্পাদক ওয়ারেশ খান চৌধুরী পল্টু, বাংলাদেশ আম্পায়ার অ্যান্ড স্কোরার অ্যাসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান সৈকত প্রমূখ।

প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটে ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী খেলায় অংশ নেয় সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় বনাম সাতক্ষীরা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ। সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় টসে জিতে ব্যাটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেয় এবং সাতক্ষীরা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজকে ফিল্ডিংয়ে আমন্ত্রণ জানায়। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় খেলায় অংশ নেয় কারীমা মাধ্যমিক বিদ্যালয় বনাম পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

 

খেলায় আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেন ওয়াহিদুজ্জামান শামীম ও ফিরোজ রহমান এবং স্কোরার এর দায়িত্ব পালন করেন জিএম সাইফুল ইসলাম বাপ্পি। এসময় প্রশাসনিক কর্মকর্তা, প্রাইম ব্যাংক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

Ads small one

এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

অরুণ সান্যাল
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা
এখানে সুখের চেয়ে
চোখের জলের মাত্রা বেশি দাগা।
মানুষের বুকে নেই মানুষের টান,
স্বার্থের বাজারে বিক্রি হয় পবিত্র সব মান।

স্নেহের আলো নিভে যায় স্বার্থের ঝড়ে
বিশ্বাস হারিয়ে যায় শূন্যতার ঘরে।
চোখের পলকে আপন মানুষ অচেনা হয়ে যায়,
ভালোবাসা শুধু আজ বেদনার খেলায় হারায়।

তবুও মানুষ বাঁচে মিথ্যে আশার টানে,
অশ্রু লুকিয়ে রাখে মলিন হাসির গানে।
ক্ষতের ওপর প্রলেপ মেখে পথ চলে একা,
ভাগ্যের সাথে যেন নেই কোনো সুখের লেখা।
তবুও তো এই ধরায় কোনো এক কোণে,
ভালোবাসা বেঁচে থাকে নিঃস্ব মানুষের মনে।

“কথার ভার”

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
“কথার ভার”

 

 

বাপী নাগ
রাগ-অভিমান ভুলে একবার এসো, জমে থাকা কথাগুলো একটু ভাগ করে নিই।
কী হলো, শুনতে পাচ্ছ? এখনও কিছু না-বলা কথা রয়ে গেছে— সময়ের ভাঁজে, নীরবতার আড়ালে।
না না, ভয় নেই! আমার শত দুঃখের ভার তোমায় নিতে হবে না, তোমার সুখের অংশও আমায় দিতে হবে না। শুধু কিছু কথার বিনিময়— হয়তো এতেই মনটা একটু হালকা হবে।
রাগ কোরো না, তোমার রোজনামচায় জমে থাকা কিছু কথা আজ নির্দ্বিধায় আমায় বলতে পারো। আমিও প্রতিদিনের বুকের ভেতর জমে থাকা কিছু অপ্রকাশিত কথা নিঃসংকোচে তোমার হাতে তুলে দিতে চাই।
বাকশক্তি থাকা কালীন কথা বিনিময় ছাড়া বেঁচে থাকা বোধহয় অসম্ভব। কারণ, কিছু নীরবতা শব্দের অপেক্ষায়ই বেঁচে থাকে।
আজ নিরবে, নিঃশব্দে, জমে থাকা অনেক কথা বলতে চাই। নেবে কি আমার কথার ভার? শুনবে কি আমার হৃদয়ের দীর্ঘদিনের নীরব স্বীকারোক্তি?
বিশ্বাস করো, সব কথা অভিযোগ নয়, কিছু কথা শুধু মানুষ হয়ে মানুষের পাশে বসার আকুতি। কিছু কথা ক্ষমা চায়, কিছু কথা ফিরে পেতে চায় হারিয়ে যাওয়া সেই সহজ সম্পর্ক।
হয়তো কথা বললেই দুঃখের যন্ত্রণা পুরোপুরি মুছে যাবে না, তবু বুকের ভারটা একটু হালকা হবে। কারণ, না-বলা কথার চেয়ে বলা কথার আফসোস অনেক কম।
তাই একবার এসো— শুধু কিছুক্ষণ সময় নিয়ে। আজ কথা হোক, কারণ একদিন হয়তো সময় থাকবে, কিন্তু বলার মতো মানুষটি আর থাকবে না।
কথারা কখনও দূরত্ব বাড়ায় না, দূরত্ব বাড়ায় শুধু নীরবতা। তাই এসো, অভিমানের দেয়াল ভেঙে একবার কথা বলি… হিসেব-নিকেশ নয়,আজ শুধু হৃদয়ের দরজাটা খুলে দিই। যদি কিছুই ফিরে না পাই,তবু এই তৃপ্তিটুকু থাকবে—চেষ্টা করেছিলাম,নীরবতাকে হারিয়েকথার আলোয় ফিরে আসতে।
শেষবারের মতো বলছি- এসো, একবার কথা হোক।
হয়তো সব অভিমান মুছে যাবে না, সব প্রশ্নের উত্তরও মিলবে না। তবু কিছু নীরবতার অবসান হবে, কিছু দীর্ঘশ্বাস ফিরে পাবে মুক্তির পথ।
জীবন তো অনিশ্চিত— কে কখন কোন মোড়ে হারিয়ে যায়, তা কেউ জানে না। তাই সময় থাকতে কথাগুলো বলে নিই, ক্ষমাগুলো চেয়ে নিই, ভালোবাসাগুলো জানিয়ে দিই।
কারণ, একদিন হয়তো মানুষ থাকবে না, শুধু থেকে যাবে— না-বলা কিছু কথা….. আর বুকভরা একরাশ আফসোস।

শ্রাবণের বর্ষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
শ্রাবণের বর্ষা

দুখু হুমায়ুন
শ্রাবণ মেঘে বরষা নামে
বাংলার পল্লী-গাঁয়,
টিনের চালে মজার তালে
নূপুর বেজে যায়।
তালের পাতা শালের পাতা
বৃক্ষ-লতা যত,
নাচছে হেলে রূপের ছন্দে
দক্ষ পটুয়ার মতো।
হঠাৎ ফাঁকে থামলো বৃষ্টি
সূর্য আঁখি খোলে,
উঠলো হেসে পল্লী বাংলা
অরূপ রূপের কোলে।

আকাশকোণে ফিনকি দিয়ে
রংধনুটা হাসে,
ছড়িয়ে পড়ে রূপের ছটা
সাতটি রঙের পাশে।

হঠাৎ আবার আসলো ধেয়ে
ঝমঝমিয়ে ঢল,
একটুখানি জিরিয়ে বুঝি
ফিরে পেল বল।
শ্রাবণ দিনে এমনি চলে
রূপের লুকোচুরি,
বাংলার বুকে বর্ষা সাজায়
হাজার রূপের ডালি।