শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় যুব নেতৃত্বে অধিকার ও জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে ‘এনগেজ’ প্রকল্পের পরিচিতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় যুব নেতৃত্বে অধিকার ও জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে ‘এনগেজ’ প্রকল্পের পরিচিতি সভা

সংবাদদাতা: যুব নেতৃত্বে অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় পর্যায়ে সহনশীল উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে সাতক্ষীরায় ‘এনগেজ’ প্রকল্পের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বারসিক, নেটজ বাংলাদেশও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগিতায় এবং সিডো, সাতক্ষীরার বাস্তবায়নে সভাটির আয়োজন করা হয়।

সভায় ‘এনগেজ’ প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, যুব নেতৃত্বের বিকাশ, মানবাধিকার, জলবায়ু পরিবর্তন ও জলবায়ু সহনশীলতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে তরুণদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং তাদের নেতৃত্বে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আয়োজকেরা জানান, প্রকল্পটির মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অধিকার ও সহনশীলতা জোরদার করার পাশাপাশি স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও তরুণদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় যুবদের নেতৃত্ব বিকাশ, সচেতনতা সৃষ্টি, অধিকারভিত্তিক কার্যক্রম এবং স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু সহনশীল উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. দেবাশীষ মিত্র, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস. এম. আজিজুল হক, ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজান চৌধুরী, প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফারুক হোসেন মিঠু, ইউপি সদস্য বিক্রম গাইন, মো. শরিফুল ইসলাম মোড়ল, ধূলিহর ইউনিয়নের সচিব মো. কামরুজ্জামান, এ. আর. এম. মোখলেছুল হক, নেহালপুর পল্লী উন্নয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান, ধূলিহর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুস সালাম, ধূলিহর-ব্রহ্মরাজপুর ডিবি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. এমদাদুল ইসলাম, সাংবাদিক মোঃ হাফিজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, আখি সুলতানা, মোরজিনা খাতুন, শামীম হোসেন, সায়েদ হাসান, তাসনিম রহমান, মুনমুন আক্তার, ফারজানা ইয়াসমিন, মাসুদ রানা, হায়দার আলী, লিজা সুলতানা ও মুসলিমা আক্তারসহ স্থানীয় যুব সদস্যরা।

Ads small one

এই শীতে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
এই শীতে

মকবুল মাহ্ফুজ
উলের সোয়েটার পরে আছে ওষুধের দোকান
নতুন বছরের ক্যালেন্ডারের গায়ে শীতের চাদর।

এই শীতে গাছেরা কুঁজো হয়ে আছে।
হাড় কাঁপানো শীত এ বছর
আগুনে সেঁকতে হচ্ছে হাত। পা রোজ।
কার যেন কবিতায় পড়েছিলাম
‘কথা বললেই শীত কম লাগে।’
ইস্, এরা যদি কথা বলতে পারত!

মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে
বাবুর আলী গোলদার
কিছু ইতর প্রাণী মলমূত্র ত্যাগ করছে,
দুর্গন্ধ নাকে আসছে।
নারী কী পুরুষ চেনা দায় হচ্ছে,

সর্বাঙ্গ ঢাকা আছে।
বিরতিহীন হাঁটছে,
এপাড়া-ওপাড়া যাচ্ছে।
ফিসফিসিয়ে বলছেÑ
অনন্তকাল সুখভোগের লোভ দেখাচ্ছে।
বাহ্! সুখ যেন ওদের হাতে,
মিছামিছি লোভ দেখাচ্ছে।
সরলমনা মানুষগুলো কি বুঝতে পারছে?

 

আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
আমি তোমার বন্ধু হতে চাই

জহুরুল হক জুলু
সকালের রোদের চিকমিক সোনা গায়ে মেখে
যে নতুন দিনের জন্ম দেয়,
আর সন্ধ্যার আকাশে
আবিরের রঙ ছড়িয়ে

অস্তাচলে রেখে যাওয়া শেষ স্বাক্ষরÑ
শিল্পীর তুলিতে আঁকা রঙিন স্বপ্নের মতো;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
শীতের ভোরে
ঘাসের ডগায় জেগে থাকা শিশিরকণা

টুপটাপ ঝরে পড়ে নীরবে,
যেন একান্ত আপন ভেবে
বেদনার ভাষা জানাতে চায়Ñ
হৃদয় নিংড়ানো স্বচ্ছ সে কথা;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
সৌন্দর্যের ডালি সাজিয়ে, সুগন্ধ বিলিয়ে
যে নীরবে পৌঁছে যায় হৃদয়ের মনিকোঠায়,

অবশেষে একদিন
ঝরে পড়ে নিঃশব্দে,
নিজেকে নিঃশেষ করে দিয়েÑ
আমি সেই ফুলটিকে ধরে রাখতে চাই
সযতেœ স্মৃতির পাতায়;
আমি তার বন্ধু হতে চাই।
ঘুম ভাঙে কিচিরমিচির ডাকে,

হৃদয়ে জাগে অচেনা আলোড়ন।
কেউ দূর নীল আকাশে ভেসে যায়,
খাদ্যের সন্ধানে ব্যস্ত উড়াল;
সন্ধ্যা নামলে আবার
কুলায় ফেরে তৃপ্ত হৃদয়ে।
তাদের এই সহজ জীবনযাত্রা
কার না মন কাড়ে?
আমি সেই পাখিদের বন্ধু হতে চাই।

সবুজ ফসলের মাঠ মনকে ভুলিয়ে দেয়,
আলো-ছায়ার লুকোচুরি খেলায়
বাতাস দোলে ছন্দে ছন্দে;
তার ঢেউ এসে আছড়ে পড়ে
আমার হৃদয়ের তীরে।
আমি তারও বন্ধু হতে চাই।
তুমিও তবে হাত বাড়াওÑ
দিগন্ত-বিস্তৃত উন্মুক্ত হাত।

এসো, আমরা বন্ধু হই

এই সৌন্দর্যের, এই জীবনের,

এই অনন্ত মমতার।

শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ
শীতল বাতাসের এক অনুরোধ

শাহাবুদ্দীন
সবকিছুর বিনিময়ে তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন ভোরের কুয়াশা তার অদৃশ্য আঙুল দিয়ে
ঘাসের ডগায় হেঁটে যায়,
শুধু নিঃশব্দে কিছু নরম আলো রেখে যায়।
আমি যত দিইÑ
শব্দ, সময়, স্মৃতি, অদৃশ্য আঙুলের স্পর্শÑ
সবই যেন মাটির নিচে সরে যায়;
কিন্তু তুমি ভালো থাকো,
এটাই আমার প্রার্থনা।
যেমন ঝড়ের পর একা পাতার ওপর
সন্ধ্যার আলো নেমে আসে,
তেমনি তোমার মুখে যেন
শান্তির নরম ছাপ থাকেÑ

যেখানে কেউ আহত হয় না, কেউ হারায় না।
আমি জানি, আমার দেওয়া সবকিছু
অদৃশ্য নদীর মতো বয়ে যাবে;
শুধু তুমি ভালো থেকো,
এই ভেবে নদীও থেমে যায়,
এক মুহূর্তের জন্য নিজেকে দাঁড় করায়।
তুমি ভালো থেকোÑ
যেমন হেমন্তের শেষে
শিশিরের নিচে একাকী ফুল;
শুধু নিজের উপস্থিতি দিয়ে
সমস্ত মাঠকে ভরিয়ে রাখে।
সবকিছুর বিনিময়ে,
যদি এই পৃথিবীর সমস্ত শব্দ,
সমস্ত নীরবতা, সমস্ত আকাশ
আমার হাতে এসে গলে যায়Ñ
তবু একটাই চাওয়া থাকবে:
তুমি ভালো থেকো,
যেমন নক্ষত্র নিজের আলো দিয়ে
রাত্রিকে আলোকিত রাখে,
অচল, অমোঘ, অদূর।