শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় সুমন হত্যা মামলার প্রধান আসামী রুবেল গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমা- আবেদন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সুমন হত্যা মামলার প্রধান আসামী রুবেল গ্রেপ্তার, ৭ দিনের রিমা- আবেদন

পত্রদূত ডেস্ক: ইসলামিক বক্তা মনোয়র হোসেন মোমিনের ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার চালক সুমন হুসাইনকে মোবাইল ফোনে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর পানিতে ডুবিয়ে লাশ গুমের চেষ্টার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামী হাবিবুর রহমান ওরফে রুবেলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে একটার দিতে তাকে তার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কৈখালি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত হাবিবুর রহমান ওরফে রুবেলের(২৯) বাবার নাম আলী হোসেন।

নিহত সুমন হুসাইনের চাচা ইকবাল হোসেন জানান, গত ১৯ জুলাই রবিবার রাতে আর্জেন্টিনা ও তুরস্কের মধ্যে বিশ^কাপ ফুটবলের চুড়ান্ত প্রতিযোগিতা চলছিল। রাত ১১টার দিকে ভাইপো সুমন হুসাইনকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে যায় অজ্ঞাতনামা লোকজন। পরদিন সকালে কৈখালি গ্রামের কেসমত দাই এর মাছের ঘের থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ লাশের পাশ থেকে ৩৩ ভোল্টের বৈদ্যুতিক তার, দুটি লোহা কাটা ব্লেড ও সিমবিহীন একটি বাটাম ফোন উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তার(ইকবাল) ভাই আব্দুল হামিদ সরদার বাড়ি হয়ে কারো নাম উল্লেখ করে ২০ জুলাই সাতক্ষীরা সদর থানায়( জিআর-৩২৭/২৬ সদর) একটি হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টার মামলা করেন। ফোন কলের সূত্র ধরে বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে নিজ বাড়ি থেকে রুবেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সাতক্ষীরা সদর থানার উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন জানান, সুমন হত্যা মামলার সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে বৃহষ্পতিবার দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নিজ চাচা আনছার আলীকে হত্যাসহ আরো একটি মারপিটের মামলা রয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুক্রবার আদালতে সাত দিনের রিমা- আবেদন জানানো হয়েছে।

সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মঈনউদ্দিন জানান, গ্রেপ্তারকৃত রুবেলকে শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজাতে পাঠানো হয়েছে।

Ads small one

কপিলমুনিতে বিশ^কর্মা পূজা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
কপিলমুনিতে বিশ^কর্মা পূজা অনুষ্ঠিত

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনিতে প্রতি বছরের ন্যায় সাড়ম্বম্বে শ্রী শ্রী বিশ^কর্মা পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

কপিলমুনি স্বর্ণ সমিতি কার্যালয়ে, বিভিন্ন জুয়েলার্সের দোকানে, জুয়েলার্স ব্যবসায়ীদের বাড়ীতে, টেইলার্সে, সাইকেলের দোকানে, কাপড় পট্টিতে, স মিল, ও রাইসমিল ও কর্মকারদের বাড়ীতে এ পূজা শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

 

ঢাক ঢোল, শঙ্খ বাজিয়ে ও উলু ধ্বণি দিয়ে পূজা শুরু করা হয়। পূজা শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

সাতক্ষীরায় সুকান্ত জন্মশতবর্ষ উদযাপন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৯ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় সুকান্ত জন্মশতবর্ষ উদযাপন

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে কবির সংগ্রামী জীবন, সাহিত্যকর্ম ও সমাজভাবনা নিয়ে আলোচনা সভা, আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশন করা হয়।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় সাতক্ষীরা শহিদ নাজমুল সরণিতে অবস্থিত ম্যানগ্রোভ সভাঘরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ঈক্ষণ সাংস্কৃতিক সংসদ, সাতক্ষীরা নাট্যদল (সানাদ) ও স্বরবৃত্ত একাডেমির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঈক্ষণ সাংস্কৃতিক সংসদের সভাপতি কবি পল্টু বাশার।

অনুষ্ঠানে আলোচক ও অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বাসুদেব বসু, সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল হামিদ, এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, অধ্যক্ষ আশেক-ই এলাহি, ও কবি নাজমুন নাহার। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কবি আমিরুল বাশার ও কবি শুভ্র আহমেদ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য স্বল্পায়ু হলেও বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করা এই কবি অল্প সময়ের সাহিত্যজীবনেই মানুষের দুঃখ-কষ্ট, শোষণ-বঞ্চনা, সংগ্রাম ও স্বপ্নকে তাঁর কবিতায় তুলে ধরেছেন। তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের কবি। তাঁর সাহিত্যকর্মে সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারা, মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষা এবং সমকালীন রাজনৈতিক-সামাজিক বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটেছে।

বক্তারা আরও বলেন, সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা ও রাজনীতি যেন পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল। তাঁর লেখায় শোষিত মানুষের অধিকার, সাম্য ও বৈষম্যহীন সমাজের আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে। শিশুদের নিয়েও তিনি লিখেছেন গান ও কবিতা। রুশ বিপ্লবসহ তৎকালীন বিশ্বের নানা রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবর্তনের প্রভাবও তাঁর সাহিত্যচিন্তায় প্রতিফলিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী আবু আফফান রোজবাবু, কবি গাজী শাহাজান সীরাজ, কবি শহিদুর রহমান, ঈক্ষণ সাংস্কৃতিক সংসদের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাসুদুল হক, কবি গুলশান আরা, রাবেয়া খাতুন রুপা, কবি মনিরুজ্জামান, মাহফুজা হাসানসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সংস্কৃতিকর্মী ও সাহিত্যপ্রেমীরা।

অনুষ্ঠানে বরেণ্য কণ্ঠশিল্পী আবু আফফান রোজবাবু ও মনজুরুল হক সংগীত পরিবেশন করেন। পাশাপাশি সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে কবির সাহিত্য ও সংগ্রামী চেতনাকে স্মরণ করা হয়।

এসময় অতিথিরা ‘মিঠেকড়া’ নামে একটি পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন করেন। সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কবি, সাহিত্যিক, সংস্কৃতিকর্মী ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে ম্যানগ্রোভ সভাঘর প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

পাইকগাছা থেকে তালায় সাইকেল র‌্যালি ও সমাবেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা থেকে তালায় সাইকেল র‌্যালি ও সমাবেশ

উপকূলের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): উপকূলের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ এবং সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনসহ ৪২টি নাগরিক ও সামাজিক সংগঠন। শুক্রবার খুলনা জেলার পাইকগাছা ও সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় আয়োজিত সাইকেল র‌্যালি ও সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং পরিচ্ছন্ন ও ন্যায়ভিত্তিক জ্বালানি ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ শীর্ষক মাসব্যাপী প্রচারাভিযানের অংশ হিসেবে পাইগাছার মাহমুদ কাটীতে অনির্বাণ লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশের আগে হরিঢালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ থেকে ব্যানার, ফেষ্টুন নিয়ে একটি সুসজ্জিত সাইকেল র‌্যালী শুরু হয়ে পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি, কাশিমনগর এবং সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা এবং পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়ে প্রচার চালানো হয়।

সচেতন সংস্থার সভাপতি বিদ্যুৎ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে ভার্চুয়ালি বক্তৃতা করেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র। তিনি বলেন, এ মুহূর্তে নবায়নযোগ্য জ্বালানির কোনো বিকল্প নেই। উপকূল জুড়ে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। উপকূলে সোলার স্থাপনের জন্য প্রচুর জমি রয়েছে।

 

রামপাল ও মাতারবাড়ীর মতো বিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যমান জমি কাজে লাগিয়ে বড় পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। উপকূলের বেড়িবাঁধ ও বিস্তৃীর্ণ চরও সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় আনা যেতে পারে। এ সকল বিষয়ে সুনির্দ্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

সমাবেশে আরো বক্তৃতা করেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সমীরণ দে, অনির্বাণ লাইব্রেরির সহ-সভাপতি বাসুদেব রায় ও মানিক ভদ্র, উন্নয়নকর্মী এস এম আফজাল হোসেন, পরিবেশকর্মী শহিদুল ইসলাম প্রমূখ।