শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
সাতক্ষীরায় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ, স্বামী পলাতক

মো. সিরাজুল ইসলাম :  ​সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী লক্ষ্মীদারি গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাতের পর গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। শনিবার রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

​নিহত গৃহবধূর নাম তাসলিমা খাতুন (৩৬)। তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এবং দুই সন্তানের জননী ছিলেন। ঘটনার পর থেকে তাঁর স্বামী সাদ্দাম হোসেন মোড়ল পলাতক রয়েছেন।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত তাসলিমা খাতুন দেবহাটা উপজেলার বহেরা গ্রামের নুরুজ্জামান ও ফাতেমা খাতুন দম্পতির মেয়ে। অন্যদিকে ঘাতক সাদ্দাম হোসেন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বেনাপোল এলাকার লোকমান হোসেন মোড়লের ছেলে। প্রায় ১৫-১৬ বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। সাদ্দাম দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লক্ষ্মীদারি গ্রামে তাঁর প্রয়াত নানা মোহাম্মদ গাজীর বাড়িতে সপরিবার বসবাস করছিলেন। তাঁদের ১৩ বছর বয়সী একটি মেয়ে ও ৮ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে।

লক্ষ্মীদারি গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য সন্তোষ কুমার ঘোষ জানান, সাদ্দাম বর্তমানে বেকার। কিছুদিন আগে অভাবের কারণে তাসলিমা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে একটি ছাগল নিয়ে আসেন। সাদ্দাম সেটি চুরি করে বিক্রি করে দিলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বিবাদ শুরু হয়। গতকাল রাতে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সাদ্দাম হাতুড়ি দিয়ে তাসলিমার মাথায় আঘাত করেন। তাসলিমা জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেলে সাদ্দাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যান।

​পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে সাতক্ষীরা সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

​সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “৯৯৯ থেকে তথ্য পেয়ে আমি নিজেই রাতে ঘটনাস্থলে যাই। গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”

​এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে এবং পলাতক স্বামী সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান ওসি।

Ads small one

পাল্লা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ
পাল্লা

মোসলেহ উদ্দিন বাবুল
হাসনাইনের মনটা কেবল
বন বাদারে ঘোরে,
থাকতে মোটে চায় না যে সে
বন্ধদোরের ঘরে।

তাই তো যে তাঁর হিসাবে নেই
সন্ধ্যা দুপুর ভোর,
সময় কোন ব্যাপারই নয়,
হলেও আঁধার ঘোর!

সমস্যাটা কেবল আমার,
চুল দাড়ি সব সাদা,
তেনার সাথে পাল্লা দিয়ে
যায় কি চলা দাদা!

বুধহাটায় মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ
বুধহাটায় মাদকের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় মাদক প্রতিরোধ, ব্যবসায়ীদের গ্রেপ্তার ও এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধহাটা দক্ষিণ পাড়া বায়তুন নুর জামে মসজিদ সংলগ্ন সড়কে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মসজিদ কমিটির সভাপতি রেজাউল ইসলাম খাঁর সভাপতিত্বে ও উপজেলা ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনারুল ইসলামের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জামায়াতের উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও জজ কোর্টের এপিপি আইনজীবী শহিদুল ইসলাম।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন স্থানীয় রাজনৈতিক দলের নেতা আবুল কালাম আজাদ, মাহমুদুর রায়হান প্রিন্স ও বাপ্পী হোসেন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, এলাকায় মাদককারবারীদের তৎপরতা ও চুরি বহুগুণ বেড়ে গেছে। বারবার স্থানীয় প্রশাসনকে লিখিত ও মৌখিকভাবে জানানো হলেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও যুবসমাজকে বাঁচাতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

আশাশুনিতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ভবনের কাজে অনিয়ম, বন্ধের নির্দেশ ইউএনওর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ণ
আশাশুনিতে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ভবনের কাজে অনিয়ম, বন্ধের নির্দেশ ইউএনওর

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: আশাশুনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ভবনের নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগে চলমান কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শ্যামানন্দ কুন্ডু। উপজেলা পরিষদ ক্যাম্পাসের ভেতরে কোটি টাকা খরচে এ ভবন নির্মাণের কাজ চলছিল। কাজের শুরু থেকেই সঠিক তদারকি না করার অভিযোগ তুলেছিলেন স্থানীয়রা।

নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা স্থানীয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে না জানিয়ে ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতি নেন। এ সময় ব্যবহৃত পাথরের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠলে উপজেলা একাডেমি সুপারভাইজার হাসানুজ্জামান কাজ বন্ধ রাখতে বলেন। তবে দায়িত্বে থাকা প্রকৌশলীরা সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে কাজ শুরু করেন।

পরবর্তী সময়ে অনিয়মের খবর পেয়ে ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিজ কার্যালয়ে তলব করেন। উপজেলা প্রকৌশলী অনিন্দ্যদেব জানান, ব্যবহৃত পাথর সঠিক ছিল না। তা ছাড়া পূর্বে বাতিল করা একটি পাইল পুনরায় ব্যবহারসহ রডের ব্যবহারে অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে।
ইউএনও শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, ব্যবহৃত পাথরের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত ভবনের সব ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে।