শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩

সাতক্ষীরা উত্তর জেলা ইসলামী আন্দোলনের শপথ গ্রহণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা উত্তর জেলা ইসলামী আন্দোলনের শপথ গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সাতক্ষীরা জেলা উত্তর শাখার নবগঠিত কমিটির শপথ গ্রহণ ও পরিচিতি সভা সম্পন্ন হয়েছে। ২০ আগস্ট বিকেলে স্থানীয় একটি মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত দায়িত্বশীলরা আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।

নতুন কমিটিতে মুহাদ্দিস মোস্তফা শামসুজ্জামান সভাপতি এবং অধ্যাপক মো. রবিউল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। সহসভাপতি পদে রয়েছেন এমদাদুল ইসলাম, মো. ইউসুফ আলী ও মীর জমির হোসেন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাহমুদুল হাসান, সহকারী সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা ওয়ালীউল্লাহ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খাইরুল ইসলাম।

অন্যান্য পদে রয়েছেন—অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাফেজ মো. মফিজুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মো. আশরাফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মো. আবদুল মাজেদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাদ্দিস হাবিবুর রহমান, দাওয়াহ ও জনশক্তি সম্পাদক মো. মোখলেছুর রহমান, ছাত্র ও মহিলা সম্পাদক মো. আনারুল ইসলাম, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এস এম আবদুল আলিম এবং শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক শেখ শাহাদাৎ হোসাইন।

 

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. রবিউল ইসলাম। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

 

 

Ads small one

আমার শৈশব

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
আমার শৈশব

নাজির হোসেন
দুই টাকার মহামূল্য-বায়না ধরে ধর্না দিয়ে,
আশির দশকের শুরু লয়ে স্মৃতির পাতা নিলাম ছুঁয়ে।
ক্ষুধার জ্বালা সইতে পারি না, পেটের ভেতর আগুন,
তবুও হাসির রঙে আঁকা ছিল শৈশবের সেই ফাগুন।

দুই টাকা হাতে পেলেই যেন রাজ্য জয়ের সুখ,
চানাচুর আর মুড়ির মাঝে হারিয়ে যেতো দুঃখ।
এক টাকার সেই বাতাসা, আর এক টাকার খেলনা,
সামান্যতেই আনন্দ ছিলো—ছিলো না কোনো চাওয়া।

ছেঁড়া জামা, খালি পায়ে ধুলোমাখা সেই পথ,
বন্ধুদের সাথে দৌড়ঝাঁপে ভুলতাম দিনের ক্ষত।
বৃষ্টি এলে কাদার মাঝে নৌকা বানিয়ে খেলি,
সোনালি রোদে মাঠের বুকে অবিরাম চলি।

মায়ের আঁচল ছিলো তখন পৃথিবীর-ই ছায়া,
বাবার শাসন পেরিয়ে ছিলো ভালোবাসার মায়া।
হারিকেনের ম্লান আলোয় পড়তাম বই খুলে,
স্বপ্নগুলো জেগে থাকতো অন্ধকারকে ভুলে।

আজকে কত টাকা আছে, কত আয়োজন ঘরে,
তবুও সেই সুখটা কেন ফিরে আসে না পরে?
দুই টাকার সেই মহামূল্য আজও মনে রয়,
শৈশব আমার হারিয়ে গেছে—স্মৃতিই শুধু সঙ্গী হয়।

আশির দশক, মাটির ঘ্রাণ, কাঁচা পথের টান,
সেই দিনগুলো বুকের মাঝে আজও অম্লান ।
জীবন যত দূরে-ই যাক, যতো-ই বদলাক কাল,
আমার শৈশব হৃদয়জুড়ে থাকবে চিরকাল।

কাঠুরিয়ার মেয়ে রাজরানী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ
কাঠুরিয়ার মেয়ে রাজরানী

মোঃ সৈয়দুল ইসলাম
এক দেশে এক রাজা ছিল। রাজার ছিল এক সুন্দরী রাণী। রাজার মন সবসময় খারাপ থাকতো। কারণ, তাদের বিয়ের প্রায় এক যুগ কেটে গেল। রাজা কোন সন্তানের মুখ দেখতে পারেননি। রাজ্যের সবাই তাঁকে আঁটকুড়া রাজা বলে ডাকে। হঠাৎ একদিন রাজা রাজ্য ভ্রমনে বের হলেন। অনেক দূর যেতে যেতে জঙ্গলের পাশে পরীর মতো এক সুন্দরী মেয়েকে দেখতে পেলেন। দেখে অবাক হয়ে গেলেন। মনে মনে বলতে লাগলেন আমার এই রাজ্যে এতো সুন্দর মেয়ে আছে। মুচকি হেসে রাজা বললেন- তোমার নাম কি? তোমার বাড়ি কোথায়? মেয়ে বলল- আমার নাম পরীমনি। আমার বাড়িঘর নেই। আমি জঙ্গলে থাকি। তখন রাজা অবাক হয়ে বললেন- জঙ্গলে মানে? তুমি কার সাথে থাকো? তখন মেয়েটি বললো- আমি আমার কাঠুরিয়া বাবার সাথে থাকি। রাজা বললেন- তোমার মা? মেয়েটি অশ্রুসিক্ত নয়নে বললো- আমার বয়স যখন দুই বৎসর তখনই আমার মা মারা যান। এই কথা শোনার পর রাজার চোখে জল এসে গেলো। রাজা পরীমনিকে নিয়ে কাঠুরিয়ার কাছে গেলেন। কাঠুরিয়া রাজাকে দেখে ভয় পেয়ে গেলো। কাঠুরিয়া রাজাকে বলতে লাগলো- হুজুর আমার মেয়ে কি কোন ভুল করেছে। রাজা হেসে হেসে বললেন- না, সে ভুল করেনি। আমি আপনার কাছে একটা প্রস্তাব নিয়ে এসেছি। কাঠুরিয়া বললো- কি প্রস্তাব? রাজা তখন বললেন- আমি পরীমনিকে বিয়ে করতে চাই। এই কথা শোনার পর কাঠুরিয়া হতভম্ব হয়ে গেলো। কাঠুরিয়া বললো- হুজুর আমি একজন সামান্য কাঠুরিয়া। দিন আনি দিন খাই। কাঠ বিক্রি করে আমাদের জিবন চলে। আপনি রাজ্যের রাজা। আমার মেয়েকে আপনি বিয়ে করবেন? রাজা বললেন- আপনি রাজি থাকলে আমি আপনার মেয়েকে রাজ প্রাসাদের রাণী করতে চাই। অনেক চিন্তা ভাবনা করে কাঠুরিয়া রাজি হয়ে গেলো। রাজা পরীমনিকে প্রাসাদে নিয়ে গিয়ে ধুমধাম করে বিয়ে করলেন। কিছুদিন যাওয়ার পর ছোট রাণী পরীমনি রাজাকে সুসংবাদ দিলেন। রাজা সুসংবাদ পেয়ে খুশিতে আত্মহারা। অনেকদিন পরে সন্তানের মুখ দেখবেন। রাজ প্রাসাদে রাজা খাবারের আয়োজন করলেন। রাজ্যের সকল গরীব দুখি মানুষদের পেটভরে খাওয়ালেন। এদিকে বড়ো রাণীও সুসংবাদ শোনার পর খুব খুশি হলেন। ছোট রাণীর সন্তান হলে আমাকেও বড়ো মা বলে ডাকবে। এই ভেবে বড়ো রাণী ছোট রাণীর ভালোভাবে দেখবাল করতে লাগলেন। কিছুদিন পর ছোট রাণীর ঘরে এক রাজপুত্র জন্ম নিলো। রাজা রাজপুত্রকে পেয়ে খুব আনন্দিত। কপালে চুমু খেয়ে বললেন- আমার সুখ, আমার রাজ্যের একমাত্র কা-ারি। বড়ো রাণীও অনেক আনন্দিত। রাজপুত্রকে কোলে নিয়ে আদর করতে লাগলেন। বড়ো রাণী ছোট রাণীকে বললেন- আমিও আজ মা হয়ে গেলাম। আর রাজাকেও তুমি আঁটকুড়া রাজার অপবাদ থেকে মুক্তি দিলে। অবশেষে, রাজা আঁটকুড়া রাজার অপবাদ থেকে মুক্তি পেলেন এবং দুই রাণী আর রাজপুত্রকে নিয়ে সুখে শান্তিতে রাজ্য পরিচালনা করতে লাগলেন।

অনন্ত তিয়াস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৭ পূর্বাহ্ণ
অনন্ত তিয়াস

আসাদুজ্জামান খান মুকুল
চল সখী তবে হারিয়ে যাই ওই দিগন্তের ওপারে,
যেখানে মেঘেদের গায়ে রঙের উৎসব
সেখানেই বাঁধব না হয় মিলনের ঘর।
আকাশছোঁয়া পাহাড়ের চূড়ায় জাগবে সুখের মেলা,
আনন্দের খেলা হবে
ঘাসের কার্পেটে বিছিয়ে।
সারাটি রাত গল্প হবে মুখোমুখি বসে।
অন্ধকারের আড়ালে
সাক্ষী হয়ে রবে শুধু জোছনাভেজা মাটি।
ওই হাসির ভেতর মুক্তোর মতো আনন্দ ঝরে পড়ে,
আর আমার ব্যাকুল মন
নিমেষেই হারিয়ে ফেলে নিজের চিরচেনা পথ।
মিটে যায় হৃদয়ের জমানো সব আকুলতা,
নীল সীমানায় স্বপ্নের জাল বুনে
জড়িয়ে নেব তোকে,
আজ কেবল মনের দুয়ার খুলে দে।