মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটির নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

‘মানুষ, বৃক্ষের মতো আনত হও, হও সবুজ’Ñএই মূলমন্ত্র নিয়ে ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু করেছিল পরিবেশ ও প্রকৃতিবিষয়ক সংগঠন ‘সাতক্ষীরা বোটানিক্যাল সোসাইটি’। ‘প্রকৃতি ও মানবতার তরে আমরা’ স্লোগানকে সামনে রেখে সংগঠনটির নতুন পরিচালনা পর্ষদ ও কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তারিক ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মুজাহিদুল ইসলাম সাগর। এ ছাড়া সহসভাপতি হিসেবে ফয়জুর রহমান মিশুক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সাগর বিশ্বাস রোহান মনোনীত হয়েছেন।

কমিটির অন্যান্য সম্পাদকীয় পদে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন—সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা মাহফুজ, দপ্তর সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আবু রায়হান, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক শেখ আলভী রাজন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সম্পাদক এনামুল হাসান, দক্ষতা ও জনশক্তি সম্পাদক আহমেদ ইমন এবং স্বাস্থ্য সম্পাদক মহিবুল্লাহ হাসান রাজ।
পরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে নারী ও শিশুবিষয়ক সম্পাদক পদে নাজমিন নাহার আশা, কৃষি ও সামাজিক বনায়ন সম্পাদক মোহাম্মদ মামুন, প্রকৃতি ও পরিবেশ বিষয়ক আলোকচিত্র সম্পাদক সিহাব উদ্দীন, পরিবেশবান্ধব জ্বালানি সম্পাদক রিপন সরকার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. হাফিজুল ইসলাম এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদক হিসেবে মো. ছাব্বির হোসেনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সাধারণ মানুষের মাঝে উদ্ভিদবিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং উদ্ভিদবিজ্ঞানের সব পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ ও প্রচার করাই এই সোসাইটির মূল উদ্দেশ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সমতলভূমি, জলাভূমি ও বণাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত মাঠপর্যায়ের জরিপ চালানো হবে এবং উদ্ভিদের নমুনা ও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। মূলত বর্তমান ও ভবিষ্যতে দেশের উদ্ভিদ প্রজাতির টেকসই অস্তিত্ব রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের তাগিদেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে সাতক্ষীরা জেলার প্রান্তিক পর্যায়ের পরিবেশগত তথ্য ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনে সাতটি উপজেলার জন্য ‘পর্যবেক্ষক ও তথ্য সমন্বয়ক’ হিসেবে সাতজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন—সোহাগ হোসেন (সাতক্ষীরা সদর), আবু হুরায়রা (তালা), সুজন ইসলাম (কলারোয়া), মেহেদী হাসান (আশাশুনি), মো. আব্দুল্লাহ আলমামুন (দেবহাটা), আকাশ ইসলাম (কালীগঞ্জ) এবং মো. জহিরুল ইসলাম (শ্যামনগর)।
এ ছাড়া কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন জেবা তাসনিয়া, কাজী ফেরদাউস আহমেদ, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, শাহরিয়ার আল প্রিন্স এবং রিফাত রায়হান সাকিব।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি তারিক ইসলাম জানান, কেবলমাত্র বৃক্ষরোপণ নয়, বৈজ্ঞানিক ও প্রায়োগিক উপায়ে দেশের উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্যকে সংরক্ষণ করাই তাঁদের মূল লক্ষ্য। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সংকটময় সময়ে সমতল থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের উদ্ভিদ প্রজাতির টেকসই অস্তিত্ব রক্ষায় এই কমিটি মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

 

Ads small one

কলারোয়ায় তিন দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়ায় বিপাকে ক্রেতারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় তিন দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বাড়ায় বিপাকে ক্রেতারা

কলারোয়া প্রতিনিধি: মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হাটবাজারগুলোতে পেঁয়াজ ও রসুনের দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে বিপাকে পড়েছেন নি¤œ ও মধ্যবিত্ত আয়ের সাধারণ ক্রেতারা। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, দেশের বিভিন্ন পাইকারি আড়তে দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কলারোয়া বাজার ও সরসকাটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা তিন দিন আগেও ছিল ৩৫ টাকা। অন্যদিকে কেজিপ্রতি ১০ টাকা বেড়ে রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়, যা আগে ছিল ৭০ টাকা।

নিত্যপণ্যের বাজারে কেনাকাটা করতে আসা ভ্যানচালক রসুল আমিন ও ক্রেতা মনিরুজ্জামান জানান, আদা, আলুসহ সব পণ্যের দাম প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকায় সীমিত আয়ের মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে তদারকি বাড়ানোর দাবি জানান তাঁরা।

মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে কলারোয়া বাজারের আড়তদার আলাউদ্দিন ও বিক্রেতা আবুল কাশেম জানান, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন আড়ত এবং বর্ষা মৌসুমের কারণে সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় দেশি পেঁয়াজের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। কলারোয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, মৌসুমের প্রভাব কেটে গেলে ও আমদানি স্বাভাবিক হলে বাজার দর পুনারায় কমে আসবে।

 

 

ময়নাতদন্ত শেষে ফারজানার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই হাজারো মানুষের ঢল, শোকে স্তব্ধ এলাকা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
ময়নাতদন্ত শেষে ফারজানার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছাতেই হাজারো মানুষের ঢল, শোকে স্তব্ধ এলাকা

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রাম যেন মঙ্গলবার শোকের জনপদে পরিণত হয়। তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ফারজানা খাতুনের ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ বিকালে বাড়িতে পৌঁছালে তাকে একনজর দেখতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় করেন। স্বজনদের আহাজারি আর এলাকাবাসীর কান্নায় পুরো গ্রামে নেমে আসে হৃদয়বিদারক পরিবেশ।

ফারজানার মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ তার বাড়িতে ছুটে আসেন। ছোট্ট এই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপস্থিত সবাই গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

স্বজনরা বারবার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “আমাদের ফারজানাকে আর ফিরে পাব না। কিন্তু যারা এই নির্মম ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”

এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ফারজানার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। তারা নিহতের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দ্রুত ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান।

ফারজানার মৃত্যুতে পুরো নলতা ইউনিয়নজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় তারা আগে কখনও এত মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখেননি। ছোট্ট ফারজানার শেষ বিদায়ে মানুষের এই ঢল তার প্রতি সবার ভালোবাসা ও ঘটনার প্রতি গভীর ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ।

উল্লেখ্য, কালিগঞ্জের নলতা ইউনিয়নের কাশিবাটি গ্রামে কানের স্বর্ণের দুলের লোভে ফারজানা (৯) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতার গণপিটুনিতে অভিযুক্ত সুমা বেগম নামের এক নারী নিহত হয়।

সোমবার (২০ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু ফারজানা কাশিবাটি গ্রামের খান এনামুলের মেয়ে এবং স্থানীয় কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।

সকালে ফারজানা স্কুলে গিয়ে স্কুলের সামনের এক ঝালমুড়ির দোকানে যায়। দোকানটি পরিচালনা করতেন স্থানীয় আমিরুলের স্ত্রী সুমা বেগম। ফারজানার কানের স্বর্ণের দুলের লোভে সুমা তাকে কৌশলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটির হাত-পা ও মুখ বেঁধে একটি ওয়ারড্রোবের ভেতর আটকে রেখে হত্যা করা হয় এবং মরদেহটি সেখানেই লুকিয়ে রাখা হয়।

 

কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ক্লিনিকে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ
কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই ক্লিনিকে জরিমানা

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে দুই ক্লিনিক ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কলারোয়া উপজেলার কেরালকাতা ইউনিয়ন এর মা জননী নার্সিং হোম এবং মাতৃকল্যাণ ক্লিনিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম।

 

এ সময় ক্লিনিকে সরকারি অনুমোদন না থাকায়, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং অনুমোদিত ডাক্তার না থাকায় উভয় প্রতিষ্ঠানকে মেডিকেল প্র্যাকটিস এবং বেসরকারি ক্লিনিক ও ল্যাবরেটরি (নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ- ১৯৮২ অনুযায়ী পাঁচ হাজার করে সর্বমোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে ক্লিনিকের সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

 

আদালত পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. বাপ্পি কুমার দাস, বেঞ্চ সহকারী এমএ মান্নানসহ থানা পুলিশের সদস্যবৃন্দ। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম।