শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতক্ষীরা শাঁখরা বাজার সংলগ্ন বেইলি ব্রিজের সংস্কার কাজ উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা শাঁখরা বাজার সংলগ্ন বেইলি ব্রিজের সংস্কার কাজ উদ্বোধন

সীমান্ত প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার ভোমরা ইউনিয়নের শাঁখরা-কোমরপুর বেইলি ব্রিজের সংস্কার কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৮ অক্টোবর) সকালে ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহিনুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ফিতা কেটে বেইলি ব্রিজ সংস্কার কাজের উদ্বোধন করেন জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব মো. আব্দুর রউফ।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, আমি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হয়েছি তো কি হয়েছে। আমার দলতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়। আমি তো বিজয়ী। সাতক্ষীরার উন্নয়নে যে কাজই হোক না কেন আমাদের হাত দিয়েই হবে। দেশের উন্নয়নে কাজ করবে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। জামায়াতের কাজ হলো সংসদে শুধু বক্তব্য দেয়া। জামায়াতের ভাইদের বলি আপনাদের আগে মানুষ শালিসে ডাকতো। এখন আর আপনাদের ডাকেনা। জনগণ আপনাদেরকে চিনে ফেলেছে, আপনারা কি জিনিস।

 

এসময় তিনি আরো বলেন, আপনাদের পাশে ছিলাম এবং যতদিন বেঁচে আছি আপনাদের পাশে সুখে দুঃখে থাকবো। সম্প্রতি একটি দল জনগণের কাছে বাহবা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন এই ব্রিজের জন্য তারা নাকি বরাদ্দ এনেছেন। তারা মানুষকে বিভিন্ন মিথ্যা প্রলোভন দেখানো ছাড়া আর কোন কাজ নেই। আমি আজ সংস্কার কাজের উদ্বোধন করে যাচ্ছি এবং আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি এই বেইলি ব্রিজ ভেঙে খুব শীঘ্রই পাকা ব্রিজ নির্মাণ করব।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, আলিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. রেজাউল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ শাহানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমিরুল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামসুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন, ভোমরা ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক খালিদ হোসেন, যুবদল নেতা লাল্টু, দেবহাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান মিন্টু প্রমূখ। বেইলি ব্রিজ সংস্কারের নির্মাণাধীন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে ড্রিম ভিশন কন্সট্রাকশন।

দীর্ঘদিন পর শাঁখরা কোমরপুর ব্রিজটির সংস্কার কাজের উদ্বোধন হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। এ সময় এলাকাবাসী আলহাজ্ব মোঃ আব্দুর রউফকে মন খুলে দোয়া করতেও দেখা গেছে। এসময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

 

 

Ads small one

চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের ঠাঁই হবে না: যুব ঐক্য পরিষদের পরিচিতি সভায় বক্তারা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যুদের ঠাঁই হবে না: যুব ঐক্য পরিষদের পরিচিতি সভায় বক্তারা

সংবাদদাতা: তারুণ্যের ঐক্য, মানবিক মূল্যবোধ ও অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সাতক্ষীরার ম্যানগ্রোভ সভাঘরে জেলা যুব ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক অমিত কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নিখিল কুমার বালা।

 

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য সাহা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিঠুন বিশ্বাস, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, জেলা খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি স্বপন বৈরাগী ও সাধারণ সম্পাদক পৌল সাহা।

 

সভাপতির বক্তব্যে অমিত কুমার ঘোষ বলেন, ‘সাতক্ষীরার মাটিতে কোনো চাঁদাবাজ বা ভূমিদস্যুর স্থান হবে না। সংখ্যালঘুদের ওপর কোনো ধরনের নির্যাতন বা নিপীড়ন হলে যুব ঐক্য পরিষদ শক্ত হাতে তা প্রতিরোধ করবে এবং অন্যায়কারীদের আইনের আওতায় আনতে রাজপথে থাকবে।’

 

অনুষ্ঠানে শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী সৌরভ ম-লকে শিক্ষা উপকরণ ও আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া সংগ্রামী যুবক রামপ্রসাদ তরফদারকে শারদীয় শুভেচ্ছা উপহার এবং সাতক্ষীরার দেশীয় পণ্যের প্রসারে ভূমিকা রাখায় তরুণ উদ্যোক্তা অনুপ নন্দীকে ‘যুব উদ্যোক্তা সম্মাননা’ প্রদান করা হয়।

 

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস: শুনতে হবে মনের কথা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস: শুনতে হবে মনের কথা

সাকিবুর রহমান বাবলা
মানুষের সুস্থতার কথা উঠলেই আমরা সাধারণত শরীরের যতœ, রোগ-ব্যাধি ও চিকিৎসার কথা ভাবি। অথচ সুস্থ জীবনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হলো মানসিক স্বাস্থ্য। মন ভালো না থাকলে শরীর, পরিবার, শিক্ষা, কর্মজীবন ও সামাজিক সম্পর্কÑকোনোটিই স্বাভাবিক গতিতে এগোয় না। তাই মানসিক স্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়া এখন আর ব্যক্তিগত বিষয় নয়; এটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

১০ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে থাকা ভয় ও সামাজিক কলঙ্ক দূর করা এবং প্রয়োজনীয় সেবা ও সহায়তা নিশ্চিত করাই এ দিবসের প্রধান উদ্দেশ্য। ১৯৯২ সালে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেন্টাল হেলথ-এর উদ্যোগে দিবসটি প্রথম পালিত হয়।

২০২৬ সালের প্রতিপাদ্যÑ’বাস্তব অভিজ্ঞতা শোনা হোক: প্রকৃত কণ্ঠস্বর, প্রকৃত পরিবর্তন।’ এবারের বার্তার কেন্দ্রে রয়েছে যাঁরা নিজের জীবনে মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যার অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, তাঁদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং তাঁদের অভিজ্ঞতাকে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ও নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়া। শুধু তাঁদের গল্প শোনা নয়, তাঁদের মতামত যেন সেবা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হয়Ñএটাই এবারের আহ্বান।

মানসিক স্বাস্থ্য কোনো নির্দিষ্ট বয়সের বিষয় নয়। এর যতœ শুরু হওয়া উচিত জীবনের শুরু থেকেই। গর্ভকালীন সময়ে মায়ের অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও উদ্বেগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা প্রয়োজন। জন্মের পর শিশুর নিরাপদ পরিবেশ, স্নেহ, ভালোবাসা ও পারিবারিক বন্ধন তার আবেগীয় বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কৈশোরে পড়াশোনা, পারিবারিক প্রত্যাশা, সামাজিক চাপ, বুলিং ও সম্পর্কের নানা পরিবর্তন মানসিক সুস্থতায় প্রভাব ফেলতে পারে। আবার প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে কর্মক্ষেত্রের চাপ, আর্থিক সমস্যা, পারিবারিক দায়িত্ব কিংবা একাকিত্ব মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। বার্ধক্যে একাকিত্ব, স্মৃতির পরিবর্তন ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার সঙ্গেও মানসিক সুস্থতার বিষয়টি জড়িয়ে থাকে।

তাই শিশুর আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, কৈশোরে হঠাৎ নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া, পড়াশোনায় আগ্রহ কমে যাওয়া, দীর্ঘদিনের মন খারাপ, ঘুম ও খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন কিংবা কর্মজীবনে দীর্ঘস্থায়ী অস্বস্তিকে অবহেলা করা উচিত নয়। এসব ক্ষেত্রে ধমক বা উপহাস নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা, মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজন হলে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী বা মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর সহায়তা নেওয়া।

পরিবার মানসিক স্বাস্থ্যের প্রথম আশ্রয়স্থল। সন্তানকে অন্যের সঙ্গে তুলনা না করা, পারিবারিক কলহ থেকে শিশুদের রক্ষা করা, বয়স্ক সদস্যদের কথা শোনা এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত গুণগত সময় কাটানো জরুরি। একইভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বুলিং ও অতিরিক্ত শিক্ষাচাপ কমিয়ে শিক্ষার্থীদের কথা বলার নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

কর্মক্ষেত্রেও মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি যতœশীল হওয়া জরুরি। অতিরিক্ত কাজের চাপ, বৈষম্য, হয়রানি, চাকরির অনিশ্চয়তা ও অসম্মানজনক পরিবেশ মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিপরীতে নিরাপদ ও সহায়ক কর্মপরিবেশ মানুষের আত্মবিশ্বাস ও কর্মক্ষমতা বাড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিষণ্ণতা ও উদ্বেগের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ১২ বিলিয়ন কর্মদিবস হারিয়ে যায়।

ডিজিটাল যুগেও প্রয়োজন সচেতনতা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অন্যের জীবন দেখে নিজের জীবনকে ছোট করে দেখা, অতিরিক্ত স্ক্রিনে ডুবে থাকা কিংবা নেতিবাচক ও ভুয়া তথ্যের প্রভাবে মানসিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। তাই প্রযুক্তির ব্যবহার হতে হবে পরিমিত ও দায়িত্বশীল।
মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতে আত্মসচেতনতা, আবেগকে বুঝতে শেখা, চাপ সামলানোর স্বাস্থ্যকর উপায়, সময় ব্যবস্থাপনা, সমস্যা সমাধানের দক্ষতা, সুস্থ ব্যক্তিগত সীমারেখা এবং প্রয়োজনের সময় সাহায্য চাওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো-কষ্টকে লুকিয়ে না রেখে বিশ্বাসযোগ্য মানুষ ও প্রয়োজনীয় পেশাজীবীর সঙ্গে কথা বলা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সহজলভ্য, অধিকারভিত্তিক ও মানুষকেন্দ্রিক করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশ্বব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় আক্রান্ত মানুষের নিজের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং তাঁদের সেবা পরিকল্পনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশীদার করার বিষয়টিও এখন বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

বাংলাদেশেও মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আইন, নীতি, চিকিৎসা ও সচেতনতা কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা ক্রমেই গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে দক্ষ জনবল বৃদ্ধি, জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সেবা সম্প্রসারণ এবং মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক কলঙ্ক কমানো এখনও গুরুত্বপূর্ণ কাজ। পরিবার, শিক্ষক, চিকিৎসক, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যম-সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের লক্ষ্য হোক-মানুষের মনের কথা শোনা, কষ্টকে অবহেলা না করা এবং মানসিক অসুস্থতাকে লজ্জার বিষয় হিসেবে না দেখে সব জড়তা দূর করা। একজন মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা তার জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেই অভিজ্ঞতা থেকে সমাজও শিখতে পারে। আসুন, আমরা শুধু মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা না বলে মানুষের কথা শুনি, সহমর্মী হই এবং এমন একটি সমাজ গড়ে তুলি, যেখানে মানসিক সুস্থতাও শারীরিক সুস্থতার মতোই মর্যাদা পায়।

সাতক্ষীরায় জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা

Oplus_131072

পত্রদূত ডেস্ক: সাতক্ষীরা জেলা জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের নবগঠিত কমিটির মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় সাতক্ষীরা রয়েল প্লাস কনভেনশন সেন্টারের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন নবগঠিত সাতক্ষীরা জেলা জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের সভাপতি শামীম হোসেন কোরাইশি লাল্টু। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ মোস্তফা সোহেল।

সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের খুলনা মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নিয়াজ আহমেদ তুহিন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এড. সৈয়দ ইফতেখার আলী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান, খুলনা মহানগর জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম পিপলু, যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল হোসেন শান্ত, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও ৯০ দশক ছাত্র ফোরামের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ও ৯০ দশক ছাত্র ফোরামের সভাপতি আহসান হাবিব টুটুল, সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু, জেলা কৃষকদলের সাবেক সভাপতি আহছানুল কাদির স্বপন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি রুহুল কুদ্দুস এবং জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দুদায়েব মাসুদ খান অর্ঘ্য।

এছাড়া সভায় জেলা বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং নবগঠিত জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভায় বক্তারা নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দর্শন শিশু-কিশোরদের মধ্যে তুলে ধরে তাদের দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।