শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাতক্ষীরা সদরে সাড়ে ১৬ হাজার পরিবার পাচ্ছে ঈদ উপহারের চাল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা সদরে সাড়ে ১৬ হাজার পরিবার পাচ্ছে ঈদ উপহারের চাল

নিজস্ব প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ১৬ হাজার ৫৪৭টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারকে ভিজিএফের (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) চাল দেওয়া হচ্ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপহার হিসেবে এসব পরিবারকে কার্ডপ্রতি ১০ কেজি করে মোট ১৬৫ দশমিক ৪৭০ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হবে।

সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের দুস্থ ও অসহায় মানুষের তালিকা চূড়ান্ত করে ইতিমধ্যে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বরাদ্দের বিবরণ অনুযায়ী, সদর উপজেলার বাঁশদহ ইউনিয়নে ৯৭০ পরিবারের জন্য ৯ দশমিক ৭০০ মেট্রিক টন, কুশখালী ইউনিয়নে ১ হাজার ৪৫ পরিবারের জন্য ১০ দশমিক ৪৫০ মেট্রিক টন, বৈকারী ইউনিয়নে ৮৮০ পরিবারের জন্য ৮ দশমিক ৮০০ মেট্রিক টন, ঘোনা ইউনিয়নে ৭৫৭ পরিবারের জন্য ৭ দশমিক ৫৭০ মেট্রিক টন এবং শিবপুর ইউনিয়নে ৮৯০ পরিবারের জন্য ৮ দশমিক ৯০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ভোমরা ইউনিয়নে ১ হাজার ২৩৬ পরিবারের জন্য ১২ দশমিক ৩৬০ মেট্রিক টন, আলিপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ৩৭৭ পরিবারের জন্য ১৩ দশমিক ৭৭ মেট্রিক টন, ধুলিহর ইউনিয়নে ১ হাজার ১৭৭ পরিবারের জন্য ১১ দশমিক ৭৭ মেট্রিক টন, ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে ১ হাজার ৪৬ পরিবারের জন্য ১০ দশমিক ৪৬০ মেট্রিক টন, আগরদাঁড়ী ইউনিয়নে ১ হাজার ৭৮২ পরিবারের জন্য ১৭ দশমিক ৮২০ মেট্রিক টন, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নে ১ হাজার ৫৯৪ পরিবারের জন্য ১৫ দশমিক ৯৪০ মেট্রিক টন, বল্লী ইউনিয়নে ৭৫৬ পরিবারের জন্য ৭ দশমিক ৫৬০ মেট্রিক টন, লাবসা ইউনিয়নে ১ হাজার ৫৩৫ পরিবারের জন্য ১৫ দশমিক ৩৫০ মেট্রিক টন এবং ফিংড়ী ইউনিয়নে ১ হাজার ৪৯৭টি পরিবারের জন্য ১৪ দশমিক ৯৭০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

চাল বিতরণে যেকোনো ধরনের অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি রোধ করতে উপজেলা প্রশাসন থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গেছে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে চাল বণ্টনের লক্ষ্যে প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে সরকারি ট্যাগ অফিসার (সরকারি কর্মকর্তা) নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে এবং তদারকিতে এই চাল বিতরণ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে, যাতে প্রকৃত দুস্থরা কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়াই তাদের প্রাপ্য সুবিধা সময়মতো হাতে পান।

Ads small one

এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা

অরুণ সান্যাল
এই পৃথিবী বড়ই অভাগা
এখানে সুখের চেয়ে
চোখের জলের মাত্রা বেশি দাগা।
মানুষের বুকে নেই মানুষের টান,
স্বার্থের বাজারে বিক্রি হয় পবিত্র সব মান।

স্নেহের আলো নিভে যায় স্বার্থের ঝড়ে
বিশ্বাস হারিয়ে যায় শূন্যতার ঘরে।
চোখের পলকে আপন মানুষ অচেনা হয়ে যায়,
ভালোবাসা শুধু আজ বেদনার খেলায় হারায়।

তবুও মানুষ বাঁচে মিথ্যে আশার টানে,
অশ্রু লুকিয়ে রাখে মলিন হাসির গানে।
ক্ষতের ওপর প্রলেপ মেখে পথ চলে একা,
ভাগ্যের সাথে যেন নেই কোনো সুখের লেখা।
তবুও তো এই ধরায় কোনো এক কোণে,
ভালোবাসা বেঁচে থাকে নিঃস্ব মানুষের মনে।

“কথার ভার”

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ
“কথার ভার”

 

 

বাপী নাগ
রাগ-অভিমান ভুলে একবার এসো, জমে থাকা কথাগুলো একটু ভাগ করে নিই।
কী হলো, শুনতে পাচ্ছ? এখনও কিছু না-বলা কথা রয়ে গেছে— সময়ের ভাঁজে, নীরবতার আড়ালে।
না না, ভয় নেই! আমার শত দুঃখের ভার তোমায় নিতে হবে না, তোমার সুখের অংশও আমায় দিতে হবে না। শুধু কিছু কথার বিনিময়— হয়তো এতেই মনটা একটু হালকা হবে।
রাগ কোরো না, তোমার রোজনামচায় জমে থাকা কিছু কথা আজ নির্দ্বিধায় আমায় বলতে পারো। আমিও প্রতিদিনের বুকের ভেতর জমে থাকা কিছু অপ্রকাশিত কথা নিঃসংকোচে তোমার হাতে তুলে দিতে চাই।
বাকশক্তি থাকা কালীন কথা বিনিময় ছাড়া বেঁচে থাকা বোধহয় অসম্ভব। কারণ, কিছু নীরবতা শব্দের অপেক্ষায়ই বেঁচে থাকে।
আজ নিরবে, নিঃশব্দে, জমে থাকা অনেক কথা বলতে চাই। নেবে কি আমার কথার ভার? শুনবে কি আমার হৃদয়ের দীর্ঘদিনের নীরব স্বীকারোক্তি?
বিশ্বাস করো, সব কথা অভিযোগ নয়, কিছু কথা শুধু মানুষ হয়ে মানুষের পাশে বসার আকুতি। কিছু কথা ক্ষমা চায়, কিছু কথা ফিরে পেতে চায় হারিয়ে যাওয়া সেই সহজ সম্পর্ক।
হয়তো কথা বললেই দুঃখের যন্ত্রণা পুরোপুরি মুছে যাবে না, তবু বুকের ভারটা একটু হালকা হবে। কারণ, না-বলা কথার চেয়ে বলা কথার আফসোস অনেক কম।
তাই একবার এসো— শুধু কিছুক্ষণ সময় নিয়ে। আজ কথা হোক, কারণ একদিন হয়তো সময় থাকবে, কিন্তু বলার মতো মানুষটি আর থাকবে না।
কথারা কখনও দূরত্ব বাড়ায় না, দূরত্ব বাড়ায় শুধু নীরবতা। তাই এসো, অভিমানের দেয়াল ভেঙে একবার কথা বলি… হিসেব-নিকেশ নয়,আজ শুধু হৃদয়ের দরজাটা খুলে দিই। যদি কিছুই ফিরে না পাই,তবু এই তৃপ্তিটুকু থাকবে—চেষ্টা করেছিলাম,নীরবতাকে হারিয়েকথার আলোয় ফিরে আসতে।
শেষবারের মতো বলছি- এসো, একবার কথা হোক।
হয়তো সব অভিমান মুছে যাবে না, সব প্রশ্নের উত্তরও মিলবে না। তবু কিছু নীরবতার অবসান হবে, কিছু দীর্ঘশ্বাস ফিরে পাবে মুক্তির পথ।
জীবন তো অনিশ্চিত— কে কখন কোন মোড়ে হারিয়ে যায়, তা কেউ জানে না। তাই সময় থাকতে কথাগুলো বলে নিই, ক্ষমাগুলো চেয়ে নিই, ভালোবাসাগুলো জানিয়ে দিই।
কারণ, একদিন হয়তো মানুষ থাকবে না, শুধু থেকে যাবে— না-বলা কিছু কথা….. আর বুকভরা একরাশ আফসোস।

শ্রাবণের বর্ষা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ণ
শ্রাবণের বর্ষা

দুখু হুমায়ুন
শ্রাবণ মেঘে বরষা নামে
বাংলার পল্লী-গাঁয়,
টিনের চালে মজার তালে
নূপুর বেজে যায়।
তালের পাতা শালের পাতা
বৃক্ষ-লতা যত,
নাচছে হেলে রূপের ছন্দে
দক্ষ পটুয়ার মতো।
হঠাৎ ফাঁকে থামলো বৃষ্টি
সূর্য আঁখি খোলে,
উঠলো হেসে পল্লী বাংলা
অরূপ রূপের কোলে।

আকাশকোণে ফিনকি দিয়ে
রংধনুটা হাসে,
ছড়িয়ে পড়ে রূপের ছটা
সাতটি রঙের পাশে।

হঠাৎ আবার আসলো ধেয়ে
ঝমঝমিয়ে ঢল,
একটুখানি জিরিয়ে বুঝি
ফিরে পেল বল।
শ্রাবণ দিনে এমনি চলে
রূপের লুকোচুরি,
বাংলার বুকে বর্ষা সাজায়
হাজার রূপের ডালি।