খুলনায় সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি, ওপেন এসআরপি এবং স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা কর্মশালা
খুলনা বিভাগের সমন্বিত ইপিআই, এইচপিভি, ওপেন এসআরপি এবং স্বাস্থ্য কর্মসূচি পর্যালোচনা (Workshop on Integrated EPI, HPV, Open SRP and Health Program Review in Khulna Division) শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা আজ (রবিবার) খুলনা হোটেল সিটি ইনে অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
প্রধান অতিথি বলেন, জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোধে কিশোরীদের এইচপিভি টিকা দেওয়া হচ্ছে। জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় এইচপিভি টিকার শতভাগ কাভারেজ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে ১০ বছর বয়সী সকল কিশোরীকে এইচপিভি টিকার আওতায় আনতে হবে।
দেশের জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় মাইলফলক এইচপিভি টিকা। এই টিকা দিলে কিশোরীরা জরায়ুমুখ ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকবে। তিনি আরও বলেন, এইচপিভি টিকার বিষয়ে মিডিয়ায় প্রচার-প্রচারণা বাড়াতে হবে। এছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সকল মসজিদের ইমামরা এবিষয়ে মুসল্লিদের অবগত করতে পারেন। স্বাস্থ্যসেবার সাথে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা যদি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে তাহলে একটি সুস্থ জাতি উপহার দেওয়া সম্ভব।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ মো: মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সিফাত মেহনাজ ও ইউনিসেফের হেলথ ম্যানেজার ডা. রিয়াদ মাহমুদ। কর্মশালায় অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের পরিচালক মো: মোজাম্মেল হক, এমআইএস’র পরিচালক ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইউনিসেফ খুলনা চিফ মো: কাওসার হোসেন, ইপিআই’র সহকারী পরিচালক ডা. সাব্বির হায়দার ও খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. অপর্ণা বিশ্বাস। কর্মশালায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ১০ জেলার সিভিল সার্জন, চিকিৎসক, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, ইপিআই সুপার, ১০ জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, ইউনিসেফ, বিশ^ স্বাস্থ্য সংস্থা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এনজিও প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তথ্যবিবরণী










