সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ: বদলি নেমে দুই মিনিটেই গোল, বাংলাদেশকে জেতালেন ইব্রাহিম
এককে জায়গা হয়নি। বদলি হিসেবে অপেক্ষা নামার। শেষ সেই সুযোগ এলো মোহাম্মদ ইব্রাহিমের কাছে। আর দর্শকদের নামার দুই মিনিটের মধ্যেই গোল করে মাতালেন গ্যারা অপেক্ষায়। তারলাই সাফের সদস্য গ্রুপের প্রথম অংশ ভুটানকে ০ বয়বকে বিজয় শুভচনা বাংলাদেশ করেছে।
প্রথম পার্শ্বভুটানের মুখের চমক ঘাঁট ব্যক্তিগত ডিফেন্ডার বিশ্বনাথকে নম্বর নম্বর নাইন বা স্ট্রাইন খেলান তিনি। তবে মজলা চৌধুরীকে ছাড়া হার্মা বলবেন না বাংলাদেশ প্রথম ভুটান জড়াতে। র্যাঙ্কিংয়ে অগ্রণী পদক্ষেপের পর বারবার শুরু হতে শুরু করুন। একের পর এক খেলা গোলার দেখা পায়নি স্বাগতি করা। ফলে গোলা শূন্য সম্বন্ধে দুই দল।
গত রাতের জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে একাদশ থেকে চিটকে যান তপু বর্মণ। তার জায়গায় দলন সৈয়দম শাহ। পানে ফেরেন জামাল ভূঁইয়া। শুরু আক্রমণাত্মক মান উচ্চতাকে চাপে বাংলাদেশ। কিন্তু সুযোগ পেলেই গোল করতে পারে তারা।
৮ মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার কর্নার থেকে ভুটানের এক ডিফেন্ডার বল ক্লিয়ার তা পান ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। দ্বিতীয় চেষ্টায় পায়ের শটে গোলের চেষ্টা করেন তিনি। তবে বাঁ দিকে ঝঁপে পড়ে প্রচেষ্টা রুখে দেন তাঁর গোলকিপার গিলশেন জাংপো।
এর কিছুক্ষণ পর সাদ গ্রুপের সঙ্গে লড়াইয়ে চোট পান তিসেরা ওয়াংচুক। তাঁকে এই সময় নিয়ে যেতে যেতে কিছু বন্ধ থাকে। পরে জলে এই ভুটানের শান্তির।
১২ মিনিটে শমিত সোমার হেড গোলকিপারের হাত ফসকেবল বলে ছুটে যান বিশ্বনাথ। কিন্তু নীতিপ্রদর্শক তাঁর উপর লাফিয়ে বল আবারও নিজের নিয়ন্ত্রণে জাংপো।
১৭ মিনিটে রাকিব হোসেনের ক্রস থেকে বিশ্বনাথের হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ২৫ মিনিটে শমিত সোমার শট কর্নারের ব্যবহার করেন জংপো। কর্নার থেকে জটলার মধ্যে বিশ্বনাথের ভলি দূর ঘেঁষে পোস্ট করা যায়।
৩৮ মিনিটে আবারও সুযোগ পেয়ে বিশ্বনাথ। তবে তার শট পোস্টের মাধ্যমে পাওয়া যায়। এর কিছুক্ষণ পর রাকিব হোসেনের প্রচেষ্টাও দ্বিতীয় দফায় ক্লিয়ার করেন জাংপো। প্রথম দিকের দিকে আরও চাপ প্রয়োগ করতে গোলাগুলি দেখতে পায়নি বাংলাদেশ।
ছাত্রীর পর ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকে ফট ফাহামিদুল ইসলামকে নামান ডুলি। তার পরও আক্রমণে কাঁক ধরতে দেখা যায়। পছন্দ অনর্গেট শট না জানাই। আমার গুছিয়ে নিয়ে প্রতি আক্রমণে স্বগতিকদের চাপে ফেলার চেষ্টা করা। কর্নার করতে পারে তারা। তবে গোলের দেখা পায়নি। সতর্কতা ছিল।
৬৩ মিনিটে জোড়া পরিবর্তন আনেন ডুলি। জামাল ভূঁইয়া ও বিশ্বনাথকে দেওয়া সোহেল নামান মোহাম্মদ ইব্রাহিম রানা জুনিয়কে। গতি খেলা আবার ফিরে আসে। কিছুক্ষণ পর এক প্রচেষ্টা বল নিয়ে বাঁদিক দিয়ে এগিয়ে জোরালো শট ফাহামিদুল। তবে তার শট পোস্ট করা যায়।
চমক দেখান ইব্রাহিম। দুই মিনিট পর গোল্ড করে বাংলাদেশকে দেন এই উইঙ্গান্ডার। ক্রস থেকে শম মেরে হেডফেন্ডার পায় একইভাবে ইব্রাহিমের জোড়া। নাগরিক গার্জ কাছ থেকে ক্ষিপ্রদর্শক শটে বল জানালেন তিনি। উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি।
৭৮ মিনিটে আরও পরিবর্তন আনেন ডুলি। ভোটারম ওকে সক্রিয় নামান মোহাম্মদ হৃদয় ও রহমত মিকে। তবে ব্যাবধান বাড়াতে পারে বাংলাদেশ। ভুটানও তিন পুরুষ বদল করেও সমরতে পারে। শেষ পর্যন্ত ইব্রাহিমের গানে জয় নিয়ে বাংলাদেশ।
প্রথম জয়ের কথা নিয়ে সেমিফাইনালের পথ গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ এগিয়ে এগিয়ে জামালরা। আগামী ১১ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার আনন্দ খেলবে বাংলাদে









