বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

স্কুল থেকেই শিশুদের বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০৪ অপরাহ্ণ
স্কুল থেকেই শিশুদের বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী

ভবিষ্যতে বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করতে স্কুল থেকেই শিশুদের অতিরিক্ত বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার মতে, একটি তৃতীয় ভাষায় দক্ষতা ভবিষ্যতে বিদেশে পড়াশোনা কিংবা কর্মক্ষেত্রে অন্য দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে শিশুদের সহায়তা করবে।

এর মাধ্যমে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান, জাপানিজসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে শিশুরা নিজেদের পছন্দের একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য ‘শিশুর ভবিষ্যৎ হোক সুরক্ষিত’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেকটি বাচ্চার মধ্যে কোনও না কোনও একটা কোয়ালিটি আছে। আমাদের দরকার শুধু তাকে সেই সুযোগটা করে দেওয়া, যার মাধ্যমে সে নিজেকে বিকশিত করতে পারবে।

‘দেশের অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে সন্তানদের এসব সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও যেন শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সুযোগ পায়, সে জন্য স্কুল পর্যায় থেকে এসব সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

নিজের গিটার ও কিবোর্ড শেখার আগ্রহের কথা উল্লেখ করে শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা গিটার, হারমোনিয়াম, বাঁশি কিংবা অন্য কোনও বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করে, তা সম্পূর্ণ করে ভালোভাবে শেখতে হবে।’

যারা গান বা নাচ পছন্দ করে, তাদেরও সেই প্রতিভা বিকাশে মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইভাবে যারা কেরাত ও কোরআন তেলাওয়াত পছন্দ করে, তাদেরও তা সুন্দরভাবে রপ্ত করার পরামর্শ দেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, ‘এ-সংক্রান্ত কাজগুলো মোটামুটিভাবে গুছিয়ে আনা হয়েছে এবং ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।’ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলার বিভিন্ন ক্ষেত্র বেছে নেয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি।

সরকার প্রধান বলেন, ‘শিশুদের শুধু পড়াশোনা, খেলাধুলা, শিল্প-সংস্কৃতি কিংবা ভাষাজ্ঞান অর্জন করলেই হবে না; নিজেদের মানবিক মানুষ হিসেবেও গড়ে উঠতে হবে। এই দেশের প্রকৃতি, এই দেশের পশুপাখির প্রতিও কিন্তু তোমাদেরকে মানবিক হতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শিশুদের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘বাড়ি, স্কুল কিংবা আশপাশের এলাকায় থাকা গাছের যত্ন নিতে হবে। পশুপাখির প্রতিও সদয় হতে হবে।’ প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি মানুষের দায়িত্বশীল আচরণ একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্বাস করেন প্রধানমন্ত্রী।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।

Ads small one

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা শীর্ষক সংলাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা শীর্ষক সংলাপ

পত্রদূত ডেস্ক: বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে এগ্রোইকোলজি চর্চা বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষক হিসেবে নারীর স্বীকৃতি, নারী শ্রমিকের মজুরি বৈষম্য দূরীকরণ এবং জাতীয় নীতিতে এগ্রোইকোলজিকে অন্তর্ভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বেলা ২টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের ল্যাবে ‘বাংলাদেশে জলবায়ু-সহনশীল খাদ্যব্যবস্থা: এগ্রোইকোলজিই পথ দেখায়’ শীর্ষক আঞ্চলিক সংলাপে এসব কথা উঠে আসে। সংলাপে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ খান। বারসিকের উপকূলীয় আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মো. শাহীন ইসলাম মূল উপস্থাপনা করেন। তাঁর উপস্থাপনার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারীরা উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।

আলোচনায় সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক তানভীর হোসাইন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদানের পাশাপাশি তাঁরা বিভিন্ন গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর পিএইচডি গবেষণার ৮৬ পৃষ্ঠার মধ্যে ছয় পৃষ্ঠা বারসিকের শ্যামনগর কর্মএলাকার সুন্দরবননির্ভর মানুষের জীবন ও বাস্তবতা নিয়ে। তিনি আরও বলেন, বছরের প্রায় পাঁচ মাস সুন্দরবন বন্ধ থাকায় বনজীবীদের জীবিকায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়। এ সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে যে সীমিত সহায়তা দেওয়া হয়, তা বনজীবীদের প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল। কমিউনিটি পর্যায় থেকে উঠে আসা দাবি ও সুপারিশগুলো গবেষণায় তুলে ধরা হলেও সেগুলো সরকারি নীতিনির্ধারণে কতটা প্রতিফলিত হচ্ছে, তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।

সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী নওশিন নোয়ার প্রমি বলেন, নারীরা পরিবারে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ কাজ করলেও এসব কাজের জন্য কোনো শ্রমমজুরি পান না। এগ্রোইকোলজি চর্চা সম্প্রসারিত হলে পানি সংগ্রহ, কৃষিকাজ, বীজ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর কাজের চাপ আরও বাড়তে পারে। তাই নারীর কাজের ক্ষেত্রকে আরও নমনীয় ও সহায়ক করার জন্য সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে সরকারি প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।

অধ্যাপক ড. মোসাম্মত রওশন আরা বলেন, দেশে এখনো নারী শ্রমিকের মজুরি বৈষম্য রয়েছে। কৃষক বলতেই সাধারণ মানুষের চিন্তায় পুরুষের নাম আসে, অথচ কৃষির সূচনালগ্ন থেকেই নারীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। নারীর হাত ধরেই কৃষির পাশাপাশি বীজ সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনারও বিকাশ ঘটেছে।

তিনি বলেন, মানুষের খাদ্য এমন হওয়া উচিত, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা গুরুত্বপূর্ণ পথ দেখাতে পারে। তাই সরকারের বিদ্যমান নীতিমালায় কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যাকে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সবাইকে সম্মিলিতভাবে সোচ্চার হতে হবে।

আলোচনার এক পর্যায়ে অধ্যাপক ড. তুহিন রায় বলেন, বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে প্রযুক্তির ব্যাপক প্রয়োগের ফলে কৃষি ও খাদ্যব্যবস্থায় নানা ধরনের সংকট তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে রাসায়নিক কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার সেই ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে। এর ফলে আমাদের খাদ্যব্যবস্থা দিন দিন অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য এগ্রোইকোলজি র বিকল্প নেই। এর মাধ্যমে টেকসই কৃষি, নিরাপদ খাদ্য এবং খাদ্য সার্বভৌমত্ব অর্জনের পথ তৈরি হতে পারে।

সংলাপে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. সেলিনা আহমেদ, অধ্যাপক মোসাম্মত রওশন আরা, অধ্যাপক তানভীর হোসাইন, ড. তুহিন রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক, পিএইচডি গবেষক, মাস্টার্স ও বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন। আলোচনায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, খাদ্যব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতা, কৃষকের স্বীকৃতি, নারী শ্রমের মূল্যায়ন, নারী শ্রমিকের মজুরি বৈষম্য দূরীকরণ, নিরাপদ খাদ্য এবং জাতীয় কৃষিনীতি ও পরিকল্পনায় কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যার অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে মতবিনিময় হয়।

সমাপনী বক্তব্যে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ খান বারসিকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এত চমৎকার ও সময়োপযোগী একটি বিষয় নিয়ে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের সঙ্গে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়ায় বারসিককে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আজকের সংলাপ থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন সংকট ও বাস্তবতা চিহ্নিত করে সেকেন্ডারি স্টেকহোল্ডারদের মাধ্যমে তা নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

 

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই খাদ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে কৃষি, পরিবেশ, নারী ও কৃষকের অধিকারকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে এগ্রোইকোলজি র চর্চা ও নীতিগত স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

জ্ঞান বিনিময়, লোকায়ত জ্ঞানের প্রসার এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ ও জৈব খাদ্য উৎপাদনের যে পথ (এখানে পথ বলতে এগ্রোইকোলজি) বারসিক আমাদের সামনে উন্মোচন করছে, সেটিকে আরও এগিয়ে নিতে হবে। রবিবার থেকে বারসিক ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যে পথচলা শুরু হলো, তা অত্যন্ত শুভ ও ফলপ্রসূ হোক- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”

দুর্যোগ আসার আগেই প্রস্তুতি, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাতক্ষীরায় নতুন উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০১ অপরাহ্ণ
দুর্যোগ আসার আগেই প্রস্তুতি, ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাতক্ষীরায় নতুন উদ্যোগ

এসএম বিপ্লব হোসেন: দুর্যোগ আঘাত হানার পর তৎপরতার পাশাপাশি পূর্বাভাসের ভিত্তিতে আগাম প্রস্তুতি ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সাতক্ষীরায় প্রত্যাশা প্রকল্পের জেলা পর্যায়ের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আজিজ। সভাপতিত্ব করেন উত্তরণের লিগ্যাল অ্যাডভাইজর অ্যাডভোকেট মো. মনিরউদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।

সভায় অ্যাকশন এগেইনস্ট হাঙ্গার (এসিএফ)-এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার হুমায়ূন কবীর সুমন, সিনিয়র কমিউনিকেশন অ্যান্ড নলেজ ম্যানেজমেন্ট অফিসার শাহনাজ রহমান, কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, আবহাওয়া, পরিবেশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সিপিপির কর্মকর্তাসহ সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. রেজওয়ান উল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও সভায় অংশ নেন।

সভায় প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়ন কৌশল তুলে ধরে বলা হয়, দুর্যোগের পূর্বাভাস পাওয়ার পর নির্ধারিত ট্রিগারের ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া গেলে জানমাল ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমানো সম্ভব। এ জন্য আগাম সতর্কবার্তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা দুর্যোগের আগেই পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

অংশীজনরা সাতক্ষীরার স্থানীয় দুর্যোগঝুঁকি তুলে ধরে সরকারি দপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, এনজিও, গণমাধ্যম ও জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের সুপারিশ করেন।

উপকূলীয় ও দুর্যোগপ্রবণ জেলা সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পাশাপাশি নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার ঝুঁকি রয়েছে। এসব ঝুঁকি বিবেচনায় আগাম পদক্ষেপের সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা সভায় উঠে আসে।

পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদে ডুবে যাওয়া কার্গো উদ্ধার অভিযান শুরু

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদে ডুবে যাওয়া কার্গো উদ্ধার অভিযান শুরু

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইকগাছা (খুলনা): খুলনার পাইকগাছায় কপোতাক্ষ নদে ডুবে যাওয়া কার্গোটি উদ্ধারে অভিযান শরু হয়েছে। খুলনার হোসেনের ডুবুরি দল কার্গোটি উদ্ধারে অভিযান শরু করেছে। জোয়ারের সময় নদে ভরে থাকে, সে জন্য ভাটার সময় ডুবুরি দল উদ্ধারের কাজ করছে।

জানা গেছে, ৩ অক্টোবর শনিবার ৩টার দিকে বালি ভর্তি কার্গোটি কপোতাক্ষ নদের বোয়লিয়া ব্রিজের প্লিয়ারে সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে যায়। কার্গোটির মালিক পাইকগাছার রাড়ুলি ইউনিয়ানের রজব আলী গাজীর। তিনি জানান, কার্গোটি কপোতাক্ষ নদে আসার পর ইঞ্জিনই বিকল হয়ে যায়, তখন কার্গোটি নিয়ন্ত্রণ করা যাইনি।

 

ভাসতে ভাসতে কার্গোটি বোয়লিয়া ব্রিজের প্লিয়ারে সাথে ধাক্কা লেগে ডুবে গেছে। এসময় কার্গোটি বালি ভর্তি ছিলো। খুলনার ডুবুরি হোসেনকে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দিতে হবে কার্গোটি উদ্ধারের জন্য। ৩ দিন ধরে উদ্ধার কাজ চলছে। বৃহস্পতিবার কার্গোটি পানির নিচ থেকে উদ্ধার হতে পারে।

কপোতাক্ষ নদে ডুবে যাওয়া কার্গোটি উদ্ধার করার কাজ দেখতে শত শত লোক নদের দুই তির ও ব্রিজের উপর ভিড় করছে। বিপুল সংখ্যাক লোকের উপস্থিতি দেখলে মনে হবে মেলা বসেছে।