মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

আদালতের মাধ্যমে আপোসে সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
আদালতের মাধ্যমে আপোসে সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার

পত্রদূত রিপোর্ট: যশোরের কেশবপুর আমলী আদালতে আপোষ-মিমাংসার ভিত্তিতে একটি ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে। মামলার বাদী নিজে আদালতে উপস্থিত হয়ে আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন এবং আসামীকে মামলা থেকে খালাস প্রদানের আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সি.আর-৩১৯/২৬ নম্বর মামলায় বাদী এস এম এবাদত সিদ্দিক বিপুল আসামী বর্তমানে সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নূর আহম্মেদের বিরুদ্ধে দ-বিধির ৪২০ (প্রতারণা) এবং ৫০৬ (২) (অপরাধমূলক হুমকি) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন।

গত ২৪ মে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব আহম্মেদ ইমনের আদালতে বিশেষ প্রার্থনায় মামলার নথি পেশ করা হয়। এ সময় বাদী এস এম এবাদত সিদ্দিক বিপুল তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে একটি লিখিত দরখাস্ত জমা দেন। দরখাস্তে বাদী উল্লেখ করেন, আসামীর সাথে স্থানীয়ভাবে তাঁদের আপোষ-মিমাংসা হয়ে গেছে। ফলে তিনি আর মামলাটি চালিয়ে যেতে ইচ্ছুক নন এবং এটি প্রত্যাহার করতে চান।

পরবর্তীতে আদালত বাদীর হলফনামা পাঠ করেন এবং তাঁর জবানবন্দী গ্রহণ করেন। বাদীর প্রত্যাহারের দরখাস্ত, মামলার নথি ও গৃহীত জবানবন্দী পর্যালোচনা করে আদালত সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন।

আদেশে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাকিব আহম্মেদ ইমন উল্লেখ করেন, বাদীর প্রত্যাহারের দরখাস্তটি মঞ্জুর করে মামলাটি প্রত্যাহার করা হলো এবং আসামীকে এই মামলা থেকে খালাস প্রদান করা হলো। একই সাথে আদালত সমনের প্রসেস রিকল (ফেরত) করার এবং মামলাটি নথিজাত করে সংরক্ষণের নির্দেশ দেন।

Ads small one

আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ
আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

বাংলাদেশ নারীদের এশিয়া কাপে বাঁচা মরার ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে । তবে এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল।

বিশেষ করে আগে ব্যাট করতে নেমে চাপে থাকা বাংলাদেশ যখন ৫৫ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তার ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

টাইগ্রেস ওপেনার দিলারা আক্তার রানের খাতা খোলার আগে প্রথম ওভারেই বিদায় নিয়েছেন। ৩ বলে ০ রান করেন দিলারা। তিনে নেমে ব্যর্থ ছিলেন সোবহানা মোস্তারীও। ৬ বলে ৩ রান করেছেন তিনি। টিকে থাকা ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা চেষ্টা চালিয়েছেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাওয়ারপ্লে শেষে ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে গেছেন জুয়াইরিয়া। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি থেমেছেন ২৮ বলে ২৩ রান করে। স্বর্ণা আক্তার এবং ফাহিমা খাতুন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। আউট হন পরপর দুই বলে। মাত্র ৫ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা ঝড় তোলেন। ৩১ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন শারমিন। তাতেই একশ পার করার রসদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করে টিকে ছিলেন। ৪ বলে ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাবেয়া খান। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

 

পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

আইসিসি পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানাকে জরিমানা করেছে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে। ফাতিমা আইসিসির খেলোয়াড় এবং সহযোগী স্টাফদের আচরণবিধির ২ দশমিক ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়। এতে পাকিস্তানি এই অধিনায়ককে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, ফাতিমার শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। ২৪ মাসের মধ্যে এটি ছিল তার দ্বিতীয় অপরাধ, যার ফলে এই ২৪ মাসের সময়সীমার মধ্যে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইয়ে। ফাতিমা তার আগের ডিমেরিট পয়েন্টটি পেয়েছিলেন ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন।

সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে, যখন ফাতিমা ওপেনার শেফালি বর্মাকে আউট করার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা (অঙ্গভঙ্গি) করেছিলেন।

ফাতিমা নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং এমিরেটস আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন, যার ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিমালি পেরেরা ও সাথিরা জাকির জেসী, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাবাব আহসান এই অভিযোগটি আনেন।

ডি পল খোলা চিঠিতে আসল মেসিকে তুলে ধরলেন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ
ডি পল খোলা চিঠিতে আসল মেসিকে তুলে ধরলেন

ফুটবল বিশ্বে তৈরি হয়েছে নস্টালজিয়া ও আবেগের আবহ,লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণায়। দীর্ঘদিনের সতীর্থ রদ্রিগো ডি পলও মেসির বিদায়ের সিদ্ধান্তে আবেগাপ্লুত। আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির সঙ্গে কাটানো সময় এবং অধিনায়কের প্রতি নিজের গভীর শ্রদ্ধার কথা উঠে এসেছে তার খোলা চিঠিতে।

ইন্টার মায়ামি ও আটলান্টা ইউনাইটেডের ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হওয়ার আগে মেসির সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেন ডি পল। তিনি বলেন, দেশের জন্য মেসি যা করেছেন, তা অতুলনীয়। তার ভেতরে এখন মূলত বিষণ্ণতা কাজ করছে এবং জাতীয় দলে মেসির প্রতিটি মুহূর্ত তার কাছে ভীষণ প্রিয়। মেসির অবসরের সিদ্ধান্ত আর্জেন্টিনার ড্রেসিংরুমে কতটা আবেগ তৈরি করেছে, সেটিও তুলে ধরেন ডি পল। তার ভাষায়, আর্জেন্টাইন হিসেবে এটি তাদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন সময়।

মেসিকে মাঠে দেখতে পাওয়া সবসময়ই তাদের জন্য বিশেষ কিছু ছিল। বিশ্বজুড়ে আর্জেন্টিনার জার্সির জনপ্রিয়তার পেছনেও মেসির বড় অবদান দেখেন ডি পল। তিনি বলেন, পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে আর্জেন্টিনার জার্সি দেখা যায় এবং এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ১০ নম্বর। বিষয়টি তাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। গত ৩১ আগস্ট মেসি নিশ্চিত করেন, আর্জেন্টিনার হয়ে আর মাঠে নামবেন না তিনি। এর মধ্য দিয়ে ২১ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানেন এই তারকা।

ঘোষণার পর সতীর্থদের কাছ থেকে একের পর এক বিদায়ী বার্তা আসতে থাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেসিকে প্রথম দিকেই বিদায়ী বার্তা জানান ডি পল। তিনি মেসির সুখী জীবন কামনা করেন এবং তাদের সামনে থাকা সময়টুকু উপভোগ করার কথা বলেন। মেসিকে দেওয়া খোলা চিঠিতে ডি পল লিখেছেন, ‘দেশের প্রতি তার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, হার না মানার মানসিকতা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ধৈর্য এবং অসাধারণ নেতৃত্বের জন্য কেবল ধন্যবাদই দেওয়া যায়।’

মেসিকে সর্বকালের সেরা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মানুষের মুখে মেসি যে হাসি ফুটিয়েছেন, তা অকল্পনীয় এবং তিনি চিরন্তন।’ চিঠিতে মাঠের বাইরের মেসিকেও তুলে ধরেছেন ডি পল। তিনি লিখেছেন, ‘সবসময় চেয়েছেন আর্জেন্টাইনরা জানুক, ক্যামেরা বা স্টেডিয়াম না থাকলে মেসি আসলে কেমন। মেসি কখনো নিজের কথা বলতে পছন্দ করতেন না; বরং চাইতেন তার বুটই মাঠে তার হয়ে কথা বলুক।’ মেসির সেই পর্দার আড়ালের দিনগুলো দেখার সুযোগ পাওয়াকে নিজের সৌভাগ্য মনে করেন ডি পল। ফাইনালের আগের রাতগুলোতে মেসির ওপর থাকা চাপ, ভয়, দ্বিধা ও সমালোচনাও খুব কাছ থেকে দেখেছেন বলে জানান তিনি।

অন্য কেউ হলে হয়তো ভেঙে পড়ত, কিন্তু মেসি পরদিন সকালে উঠে আবার মাঠে নামতেন। তার জার্সি ও দেশের প্রতি ভালোবাসা কখনো বদলায়নি। তাই জাতীয় দলের হয়ে মেসির অবদান শুধু গোল বা শিরোপা দিয়ে বিচার করা সম্ভব নয় বলে মনে করেন ডি পল। বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতিও চিঠিতে তুলে ধরেছেন তিনি।