শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস: অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস: অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হোক

সাকিবুর রহমান বাবলা

কন্যাশিশু পরিবারের আনন্দ, সমাজের শক্তি এবং আগামীর সম্ভাবনা। তার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও বিকাশের ওপর নির্ভর করে একটি জাতির ভবিষ্যৎ। অথচ পৃথিবীর বহু দেশে এখনো কন্যাশিশুরা লিঙ্গবৈষম্য, বাল্যবিবাহ, অপুষ্টি, নির্যাতন ও শিক্ষাবঞ্চনার শিকার। এসব বৈষম্য দূর করে কন্যাশিশুর অধিকার, মর্যাদা ও সম্ভাবনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রতিবছর ১১ অক্টোবর পালিত হয় আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস। দিবসটির মূল বার্তাÍকন্যাশিশুর অধিকার নিশ্চিত করা, তার কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সমান সুযোগের মাধ্যমে তাকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা।

আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের ধারণা বিকাশে আন্তর্জাতিক সংস্থা প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কানাডার উদ্যোগে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২০১১ সালের ১৯ ডিসেম্বর ৬৬/১৭০ নম্বর প্রস্তাব গ্রহণ করে ১১ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০১২ সালের ১১ অক্টোবর প্রথমবার দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালিত হয়। প্রথম বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘বাল্যবিবাহের অবসান’। এরপর থেকে প্রতিবছর কন্যাশিশুর অধিকার, শিক্ষা, নিরাপত্তা, নেতৃত্ব ও ক্ষমতায়নের বিভিন্ন দিক গুরুত্ব পেয়ে আসছে।

জাতিসংঘ ও ইউনিসেফের বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বিশ্বে প্রতিবছর এক কোটিরও বেশি মেয়েশিশু ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই বাল্যবিবাহের শিকার হয়। বিপুলসংখ্যক কন্যাশিশু এখনো বিদ্যালয়ের বাইরে। কৈশোরে সহিংসতা, বৈষম্য, অপুষ্টি ও নিরাপদ পরিবেশের অভাব তাদের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত করে। বাংলাদেশের বাস্তবতাতেও বাল্যবিবাহ, যৌতুক, যৌন হয়রানি, সাইবার বুলিং এবং শিক্ষার ধারাবাহিকতা হারানোর মতো সমস্যা রয়েছে।

দারিদ্র্য, পুত্রসন্তানের প্রতি অতিরিক্ত পক্ষপাত, কন্যাশিশুকে পরিবারের বোঝা মনে করা, সামাজিক লোকলজ্জা এবং নিরাপত্তাহীনতা এসব সমস্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করে। অনেক পরিবারে ছেলেদের শিক্ষা ও পুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়; মেয়েদের ওপর চাপানো হয় বিনা পারিশ্রমিকের গৃহস্থালি কাজ। আবার প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতায় বৈষম্য তাদের সম্ভাবনাকে সীমিত করে।

কন্যাশিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, নিরাপত্তা ও মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করা পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত দায়িত্ব। বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদ আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য থেকে সুরক্ষার ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছে। বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭; শিশু আইন, ২০১৩; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এবং জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন আইন, ২০০৪সহ আরো কিছু আইনের ধারায় কন্যাশিশুর সুরক্ষা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ। তবে আইনের পাশাপাশি প্রয়োজন কার্যকর প্রয়োগ, দ্রুত বিচার, জন্মনিবন্ধনের নির্ভুলতা, নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ভুক্তভোগীবান্ধব সহায়তা।

ইসলামে কন্যাসন্তানের প্রতি অবহেলা ও বৈষম্যের নিন্দা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনের সূরা আত-তাকভীরের ৮-৯ নম্বর আয়াতে জীবন্ত কবর দেওয়া কন্যাশিশুর বিষয়ে প্রশ্ন তুলে এ বর্বরতার নিন্দা করা হয়েছে। হিন্দুধর্মে নারীকে সম্মান করার শিক্ষা রয়েছে; খ্রিস্টধর্মে নারী-পুরুষ উভয়কে ঈশ্বরের সৃষ্টির মর্যাদায় দেখা হয়; বৌদ্ধধর্মের করুণা ও অহিংসার নীতি শিশুর প্রতি নির্যাতনবিরোধী মানবিক শিক্ষা দেয়। মানবতাবাদ, সমতাবাদ ও নারীবাদী দর্শনও প্রত্যেক মানুষের সমান মর্যাদা, স্বাধীনতা ও সুযোগের ওপর গুরুত্ব দেয়। এসব নীতির আলোকে কন্যাশিশুর প্রতি বৈষম্য, জবরদস্তি ও সহিংসতা পরিহার করা জরুরি।

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় দারিদ্র্য, প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত সংকট, নিরাপত্তাহীনতা ও সামাজিক রীতিনীতির কারণে কিছু এলাকায় কন্যাশিশুর শিক্ষা ও সুরক্ষা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। এ পরিস্থিতিতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন এবং শিশু অধিকারকর্মীদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। জেলার ৭০ শতাংশের বেশি কন্যাশিশু ১৮ বছরের আগেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ঝরে পড়ছে। এসকল শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিশুবিবাহ, গৃহস্থালি ও বিভিন্নভাবে শিশুশ্রমে যুক্ত হচ্ছে।

প্রতিবছর ১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়। বিশ্বজুড়ে কন্যাশিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, কণ্ঠস্বর জোরালো করা, নেতৃত্বের বিকাশ এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই এ দিবসের মূল লক্ষ্য। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্যÍ‘বাল্যবিবাহের অবসান ঘটাও এবং কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিনিয়োগ করো।’ কন্যাশিশু, তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন, নাগরিক সমাজ ও জাতিসংঘের অংশীদারদের মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারিত এ প্রতিপাদ্য বাল্যবিবাহ বন্ধ এবং কন্যাশিশুর অধিকার, শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সম্ভাবনার বিকাশে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায়।

কন্যাশিশুকে বোঝা নয়, সম্ভাবনা হিসেবে দেখতে হবে। তার মতামতকে সম্মান করতে হবে, স্বপ্নপূরণের সুযোগ দিতে হবে এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পরিবারে সমতা, বিদ্যালয়ে সুরক্ষা, সমাজে সচেতনতা ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত হলেই গড়ে উঠবে বৈষম্যহীন ভবিষ্যৎ। আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের অঙ্গীকার হোকÍপ্রতিটি কন্যাশিশুর অধিকার, মর্যাদা ও সম্ভাবনার পূর্ণ বিকাশ নিশ্চিত করা।

Ads small one

মাদকমুক্ত সমাজ ও শ্যামনগর গড়ার আহ্বান পুলিশ কর্মকর্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ
মাদকমুক্ত সমাজ ও শ্যামনগর গড়ার আহ্বান পুলিশ কর্মকর্তার

শ্যামনগর প্রতিনিধি: মাদকমুক্ত সমাজ ও পরিচ্ছন্ন শ্যামনগর গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি অনঙ্গ কুমার ম-লের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রুস্তম আলী, বিএনপি নেতা মোজাম মোল্লাসহ স্থানীয় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাফিউল ইসলাম বলেন, সমাজ থেকে মাদককে কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না। পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে মাদকসেবী ও কারবারিদের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে। মাদক সমাজকে গ্রাস করে চলেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাদকের ভয়াবহতার কারণে সন্তান জন্মদাতা মা-বাবাকে পর্যন্ত মারধর কিংবা হত্যার মতো জঘন্য অপরাধ ঘটাচ্ছে। অতীতে মাদকাসক্তির কারণে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

শারদীয় দুর্গাপূজার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে মানুষের বিবেককে সর্বাগ্রে কাজে লাগাতে হবে। ধর্ম ভিন্ন হলেও সুষ্ঠু সমাজ গঠনে হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে এবারের শারদীয় উৎসব উদযাপিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পূজা উদ্যাপনকে কেন্দ্র করে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে বা মাদকদ্রব্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে তাকে কঠোর আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এ সময় তিনি দেশ ও রাষ্ট্রবিরোধী সব ধরনের অপপ্রচার থেকে দূরে থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

সদরের ইন্দারায় পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, ২ নারীসহ আহত ৩

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ
সদরের ইন্দারায় পূর্বশত্রুতার জেরে হামলা, ২ নারীসহ আহত ৩

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদরের আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের ইন্দারা গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই নারীসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মারাত্মক জখম অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন মোছা. হামিদা খাতুন (৬৫), লাভলী পারভীন (৩৮) এবং মো. আব্দুল গফুর (৪৩)।
হাসপাতালের শয্যায় চিকিৎসাধীন আব্দুল গফুর জানান, জমি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে স্থানীয় আবাদের হাট বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। আগে থেকে ওত পেতে থাকা তাঁর আপন সেজ ভাই পাটকেলঘাটা পূবালী ব্যাংক শাখার নিরাপত্তাকর্মী আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে ৬-৭ জনের একদল উগ্র কিশোর ও যুবক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। এ সময় আঘাত সামলাতে না পেরে তিনি ড্রেনের মধ্যে পড়ে যান। তাঁর আত্মচিৎকারে মা হামিদা খাতুন ও স্ত্রী লাভলী পারভীন বাঁচাতে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদের ওপরও চড়াও হয়। লোহার রডের আঘাতে আব্দুল গফুরের মাথা ফেটে যায় এবং বাঁ হাতের দুটি আঙুল ভেঙে যায়।
এ ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে তাঁরা শঙ্কামুক্ত বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) জামিরুল মারামারির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে।

মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বিশেষ অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ণ
মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বিশেষ অনুষ্ঠান

সংবাদদাতা: মৌচাক সাহিত্য পরিষদের আয়োজনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সাহিত্যকর্মের ওপর এক বিশেষ আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

‘নজরুল বর্ষ’ উদ্যাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী তুফান কনভেনশন সেন্টার ও লেকভিউ প্রাঙ্গণে এই মহতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিকেলে “মৌচাক সাহিত্য পরিষদ, সাতক্ষীরা”-এর ব্যানারে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ডা. আবুল কালাম বাবলা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক, কবি ও নাট্যকার আব্দুল ওহাব আজাদ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহারুল ইসলাম (টুটুল)। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতীয় কবির বিদ্রোহী চেতনা ও তাঁর সাহিত্যিক অবদান বর্তমান প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে কবির জীবন ও সৃষ্টির নান্দনিক দিক নিয়ে গভীর ও তাত্ত্বিক আলোচনা করেন সম্মানিত আলোচকদ্বয়Ñযশোর ও বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের সাবেক কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর মো. আবু নসর এবং সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৌচাক সাহিত্য পরিষদের উপদেষ্টা আব্দুর রব ওয়ার্ছি, মাওলানা আনোয়ারুল হাসান, মুসা করিম, সহসভাপতি শেখ মোসফিকুর রহমান মিলটন, প্রভাষক মহিনুর ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মো. মছরুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ, সাহিত্য সম্পাদক মনিরুজ্জামান মুন্না, জেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি কবি শহীদুর রহমান, ড. মুফতি আখতারুজ্জামান, সংগীতশিল্পী আবু আফফান রোজ বাবু এবং কবি পল্টু বাশারসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করে দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রুফাইয়া রহমান মাইসা, শেখ মিফাতাহুল জান্নাত ও সানজিদা সুরাইয়া শেফা।