মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবস: গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব ও ডিজিটাল বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবস: গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব ও ডিজিটাল বাংলাদেশ

সাকিবুর রহমান বাবলা
২৩ জুন ‘আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবস’—বিশ্বব্যাপী জনকল্যাণে নিবেদিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার একটি অনন্য উপলক্ষ। ২০০২ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই দিবসটি ঘোষণার মাধ্যমে জনসেবার মর্যাদা বৃদ্ধি, দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গঠন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করে। বর্তমান বিশ্বে গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করা। আর এই সেবা হতে হবে দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং ন্যায়বিচারভিত্তিক, যেখানে নাগরিক অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে অবারিত।
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জনবহুল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। স্বাধীনতার পর থেকে শিক্ষা, কৃষি, বানিজ্য, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতে দেশ বেশ সাফল্য অর্জন করলেও দারিদ্র্য, বেকারত্ব, দুর্নীতি, সামাজিক বৈষম্য, মাদক, অভিবাসন এবং পরিবর্তিত জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা আমাদের জন্য এখনও বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের ধর্মীয় সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের সাথে সততা, মানবিকতা ও জনকল্যাণের আদর্শ গভীরভাবে মিশে আছে। তাই জনসেবাকে কেবল প্রশাসনিক দায়িত্ব হিসেবে নয়, বরং একটি পবিত্র নৈতিক ও মানবিক অঙ্গীকার হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
জাতীয় সংসদের সদস্য থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি—সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানরা জনগণের সবচেয়ে নিকটতম সেবক। স্থানীয় উন্নয়ন, নাগরিক সেবা, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তাদের কার্যকর নেতৃত্ব অপরিহার্য। আন্তর্জাতিক গণতন্ত্রের মানদ- অনুযায়ী, জনপ্রতিনিধিদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণে জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া এবং সরকারি সম্পদের ব্যবহারে পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা একান্ত আবশ্যক।
বর্তমান যুগে জনসেবার গুণগত মান উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি হলো ‘ডিজিটাল রূপান্তর’। অনলাইন সেবা, ই-গভর্ন্যান্স, ডিজিটাল অভিযোগ ব্যবস্থাপনা, উন্মুক্ত তথ্যভা-ার, অনলাইন বাজেট প্রকাশ এবং নাগরিক অংশগ্রহণমূলক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জনপ্রশাসনকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করে তুলছে। প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগ দুর্নীতি হ্রাস, সেবাপ্রাপ্তির সময় সাশ্রয় এবং দ্রুত প্রতিকারের মাধ্যমে জনগণের আস্থা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি প্রান্তিক ও গ্রামীণ জনপদকে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে পারলে একটি প্রকৃত অন্তর্ভুক্ত উন্নয়নমূলক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।
আন্তর্জাতিক জনসেবা দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, গণতন্ত্রের প্রকৃত শক্তি জনগণের কল্যাণে নিবেদিত সেবার মধ্যেই নিহিত। দেশের জনপ্রতিনিধিরা যদি নৈতিক নেতৃত্ব, স্বচ্ছতা, প্রযুক্তিনির্ভর সেবা এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারেন, তবেই একটি আধুনিক, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। এভাবেই আমাদের উন্নয়নযাত্রা গতিশীল হবে এবং জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথ সুগম হবে।

Ads small one

পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়তা পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে এখন নায়িকা হিসেবেই তিনি নিয়মিত কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি সিনেমাতে প্রধান নায়িকা হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দীঘি জানান, জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির বায়োপিকে তিনি কাজ করতে চান। এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ হবে বলেও মন্তব্য করেন নায়িকা।

কেন পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান সেটিও তিনি জানান। তার কথায়, কোনও একটি অনুষ্ঠানে পরীমণি জানিয়েছেন তার বায়োপিকে তিনি নিজেই অভিনয় করবেন। কারণ অন্য কেউ পারবে না। সে চ্যালেঞ্জ থেকেই দীঘি কাজটি করতে আগ্রহী।

দীঘির ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় তার (পরীমণি) বায়োপিক যদি হয় তাহলে এটি দারুণ একটি এন্টারটেইমেন্ট বায়োপিক হবে।’

নায়িকা হিসেবে দীঘির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো-‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’, ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘বিদায়’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়।

আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ
আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

বাংলাদেশ নারীদের এশিয়া কাপে বাঁচা মরার ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে । তবে এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল।

বিশেষ করে আগে ব্যাট করতে নেমে চাপে থাকা বাংলাদেশ যখন ৫৫ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তার ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

টাইগ্রেস ওপেনার দিলারা আক্তার রানের খাতা খোলার আগে প্রথম ওভারেই বিদায় নিয়েছেন। ৩ বলে ০ রান করেন দিলারা। তিনে নেমে ব্যর্থ ছিলেন সোবহানা মোস্তারীও। ৬ বলে ৩ রান করেছেন তিনি। টিকে থাকা ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা চেষ্টা চালিয়েছেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাওয়ারপ্লে শেষে ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে গেছেন জুয়াইরিয়া। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি থেমেছেন ২৮ বলে ২৩ রান করে। স্বর্ণা আক্তার এবং ফাহিমা খাতুন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। আউট হন পরপর দুই বলে। মাত্র ৫ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা ঝড় তোলেন। ৩১ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন শারমিন। তাতেই একশ পার করার রসদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করে টিকে ছিলেন। ৪ বলে ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাবেয়া খান। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

 

পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

আইসিসি পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানাকে জরিমানা করেছে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে। ফাতিমা আইসিসির খেলোয়াড় এবং সহযোগী স্টাফদের আচরণবিধির ২ দশমিক ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়। এতে পাকিস্তানি এই অধিনায়ককে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, ফাতিমার শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। ২৪ মাসের মধ্যে এটি ছিল তার দ্বিতীয় অপরাধ, যার ফলে এই ২৪ মাসের সময়সীমার মধ্যে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইয়ে। ফাতিমা তার আগের ডিমেরিট পয়েন্টটি পেয়েছিলেন ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন।

সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে, যখন ফাতিমা ওপেনার শেফালি বর্মাকে আউট করার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা (অঙ্গভঙ্গি) করেছিলেন।

ফাতিমা নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং এমিরেটস আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন, যার ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিমালি পেরেরা ও সাথিরা জাকির জেসী, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাবাব আহসান এই অভিযোগটি আনেন।