রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ণ
ইসলামী ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খুরশীদ আলম। রবিবার (২৪ মে) তাকে ব্যাংকটির স্বতন্ত্র পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ (বিআরপিডি-২) থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ নিয়োগের কথা জানানো হয়। চিঠিটি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ও ৪৭(৩) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই নিয়োগ কার্যকর করা হয়েছে। এতে বলা হয়, মো. খুরশীদ আলমকে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের স্বতন্ত্র পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হলো।

একই দিনে ব্যাংকের বিদায়ী চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

ব্যাংক সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকের পরিচালনা ও নীতিনির্ধারণ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের মতবিরোধ তৈরি হয়। এর মধ্যেই চেয়ারম্যান দীর্ঘ সময় বিদেশে ছুটিতে অবস্থান করেন। একই সময়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক খানকেও ছুটিতে পাঠানো হয়। গত ১২ এপ্রিল পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ ছুটি অনুমোদন করা হয়েছিল।

রবিবার ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পর্ষদ সভা আহ্বান করা হলে সেখানে কিছু গ্রাহক ও কর্মকর্তা উপস্থিত হয়ে এমডি ও চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই চেয়ারম্যান বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান। একই দিনে এমডি ওমর ফারুক খানও পরিচালনা পর্ষদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে। তবে পর্ষদ সভা বাতিল হওয়ায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এদিকে ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলতাফ হোসেনসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তলব করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগের মাধ্যমে ব্যাংকটির পরিচালনা কাঠামো পুনর্গঠন করে।

ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে ইসলামী ব্যাংকের মুনাফা ছিল প্রায় ৪৪৭ কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালে নেমে আসে ১৩৭ কোটি টাকায়। একই সময়ে খেলাপি ঋণের হার ৪ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে প্রায় ৪৯ শতাংশে পৌঁছেছে। বর্তমানে ব্যাংকটির ৯২ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত।

শেয়ারহোল্ডিং কাঠামোতেও বড় পরিবর্তন এসেছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশীদারত্ব ৬৩ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালের মার্চে ১৭ দশমিক ৯১ শতাংশে নেমে আসে। অন্যদিকে এস আলম গ্রুপ-সংশ্লিষ্ট প্রায় ৮২ শতাংশ শেয়ার বাংলাদেশ ব্যাংক জব্দ করেছে।

Ads small one

লবণাক্ততার আগ্রাসন ও দুর্যোগ: উপকূলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
লবণাক্ততার আগ্রাসন ও দুর্যোগ: উপকূলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে একসময় মাটির তৈরি দেওয়াল আর খড়ের ছাউনির ঘরই ছিল সাধারণ মানুষের প্রধান আশ্রয়। কৃষি-নির্ভর এই জনপদে যুগ যুগ ধরে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে মিশে এই মাটির ঘরেই বাস করত। তবে ২০০৯ সালের ২৫ মে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘আইলা’র পর থেকে মাটির ঘর নির্মাণ এ অঞ্চলে নেই বললেই চলে। আইলার পর বুলবুল, আম্পান, ইয়াসের মতো একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপকূলের মাটি ও মানুষের জীবনকে ওলটপালট করে দিয়ে গেছে। জলোচ্ছ্বাসের লোনা পানি বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় সংকুচিত হয়েছে কৃষিজমি, আর তাতেই হারিয়ে যেতে বসেছে উপকূলের চিরচেনা এই মাটির ঘর।
স্থানীয় প্রবীণদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপকূলের বেলে-দোঁয়াশ ও এঁটেল মাটি মিশিয়ে ম- তৈরি করা হতো। এরপর হাতের সুনিপুণ কারুকাজে মাটির ‘চাফ’ (দলা) কেটে ধাপে ধাপে তৈরি হতো ঘরের মজবুত দেওয়াল। কিন্তু ক্রমাগত প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাটির দেওয়াল ধসে আসবাবপত্র নষ্ট হওয়া এবং শিশুসহ মানুষ চাপা পড়ার ঘটনার পর থেকে এই ঘরের প্রতি মানুষের আগ্রহ কমতে থাকে। এর ওপর বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাটির সংকট। চিংড়ি ঘেরের কারণে লোনা পানি ঢুকে টপ-সয়েলের (মাটির উপরিভাগ) বুনট নষ্ট হয়ে গেছে, ফলে ঘর তৈরির উপযোগী আঠালো মাটি এখন আর পাওয়াই যায় না।
উপকূলের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্বকালিনগর গ্রামে এখনো কোনোমতে টিকে আছে একটি মাটির ঘর। ঘরের কারিগর কৃষক শ্যামাপদ বৈদ্য বলেন, “এখন আর মাটির ঘর চোখেই পড়ে না। অথচ ২০-২৫ বছর আগে পৌষ থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত মাটির দেওয়াল তৈরির কাজে আমাকে দিন-রাত ব্যস্ত থাকতে হতো। এই ঘরগুলোতে খরচ কম, আরাম বেশি। বাইরে ঝড়-বৃষ্টি হলেও ভেতরে সহজে টের পাওয়া যেত না। এখনকার বেড়ার ঘরে সামান্য বাতাসেই বুক কাঁপে। আগেকার মাটির উঁচু ঘর চোর-ডাকাতদের থেকেও নিরাপদ ছিল।”
শ্যামাপদ বৈদ্যের স্ত্রী কৃষ্ণা রানী বৈদ্য বলেন, “আইলার আগে আমাদের তিনটি মাটির ঘর ছিল, সব ভেঙে গেছে। এবার খরচ ও পরিশ্রম কমাতে শুধু গোয়ালঘরটা আবার মাটি দিয়েই তৈরি করছি। বছরে একবার গোবর-মাটি দিয়ে লেপে দিলেই এক বছর চলে যায়।”
স্থানীয় শিক্ষক মনোজিৎ কর্মকার বলেন, “আগে গ্রামে প্রায় সব ঘরই ছিল মাটির। মানুষ তখন শান্তিতে থাকত, রোগবালাই কম ছিল। মাটির ঘর তৈরির জন্য গ্রামে কিছু লোকায়ত জ্ঞানসম্পন্ন প্রবীণ মানুষ ছিলেন। বছরের শুরুতে পৌষ-মাঘ মাসে কৃষিজমির বিশেষ মাটি তুলে ঘর বাঁধার প্রস্তুতি নেওয়া হতো। মাটি পেটানো, শুকানো আর ধাপে ধাপে দেওয়াল তুলতে তিন-চার মাস সময় লেগে যেত।” তিনি আফসোস করে বলেন, মাটির ঘরের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী মাটির হাঁড়ি, পাতিল, কলসের ব্যবহারও এখন বিলুপ্তির পথে।
বেসরকারি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিভাগীয় সমন্বয়কারী শাহিন ইসলাম এই পরিস্থিতিকে ‘সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার নীরব বিপ্লব’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, “উপকূলে মাটির ঘর ছিল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের ঐতিহ্য। একান্নবর্তী পরিবারগুলোতে থাকার ঘর, গোয়াল ঘর, খড় রাখার ঘরÑসবই মাটির তৈরি হতো। এগুলো ছিল প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে বেঁচে থাকার প্রতীক। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভূগর্ভস্থ এবং উপরিভাগের পানি ও মাটি অতিরিক্ত লবণাক্ত হয়ে পড়েছে, যা মাটির স্বাভাবিক আঠালো বুনট নষ্ট করে দিয়েছে। মাটি ও পানির সংকটে এ অঞ্চলের কুমারদের পেশাও বদলে যাচ্ছে।”
শাহিন ইসলাম আরও বলেন, উপকূলে লবণ পানির এই আগ্রাসন ও জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব রুখতে না পারলে শুধু মাটির ঘরই নয়, প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় সংস্কৃতি ও প্রাণবৈচিত্র্যকেও টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

কোন আবেদন ফুরিয়ে যায় না, জানালেন অপু বিশ্বাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
কোন আবেদন ফুরিয়ে যায় না, জানালেন অপু বিশ্বাস

ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস সবসময়ই তার অভিনয় দক্ষতা, ফ্যাশন সেন্স এবং পর্দার উপস্থিতি দিয়ে আলোচনায় থাকেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বেশ সক্রিয়, যেখানে তার প্রতিটি পোস্টই ভক্তদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি করে।
সম্প্রতি তিনি নতুন একটি ফটোশুটের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনটি ভিন্ন লুকে ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ফ্যাশনেবল ও স্টাইলিশ উপস্থিতির মাধ্যমে আবারও নিজের জনপ্রিয়তা ও আকর্ষণীয় ইমেজের প্রমাণ দিয়েছেন অপু বিশ্বাস।

ছবিগুলোতে তাকে একদম ভিন্ন রূপে, পরিচ্ছন্ন এবং রাজকীয় ভঙ্গিতে দেখা গেছে। ছবি শেয়ার করে অপু ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘চিরায়ত রূপের আবেদন কখনো ফুরিয়ে যায় না।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় অপু বিশ্বাসের এই ছবিগুলো শেয়ার করার পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে। অনেকেই তার মন্তব্যের ঘরে প্রশংসার ঝড় তুলেছেন। কেউ লিখেছেন ‘কিউট’, কেউ বা বলেছেন ‘রানী’। তার এই নতুন লুকে তার ভক্তরা পুরোপুরি মুগ্ধ।

প্রসঙ্গত, অপু বিশ্বাস ‘কোটি টাকার কাবিন’ দিয়ে ২০০৬ সালের পরিচিত পান। এর আগে ‘কাল সকালে’ সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয় তার। সিনেমাটি পরিচালনা করেন আমজাদ হোসেন। এরপর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত হোন অপু বিশ্বাস। অনেকদিন পর এমন নিয়মিত জুটি পায় বাংলা সিনেমা।

ঈদের ছুটিতেও ব্যাংক খোলা যেসব এলাকায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:১৮ অপরাহ্ণ
ঈদের ছুটিতেও ব্যাংক খোলা যেসব এলাকায়

দুয়ারে পবিত্র ঈদুল আজহা। উৎসবের আনন্দ প্রিয়জনদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে সোমবার (২৫ মে) থেকে (৩১ মে) রোববার পর্যন্ত টানা সাত দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে দেশের পাঁচ সিটি করপোরেশন নির্ধারিত কোরবানির হাট এলাকায় ঈদুল আজহার আগের দিন রাত ১০টা পর্যন্ত ব্যাংক খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার (২৪ মে) প্রতিটি তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের দেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের এক চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেয়।

এতে বলা হয়, এই সময়কালে ব্যাংক নির্ধারিত শাখা, উপশাখা বা হাটে স্থাপিত বুথগুলো সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখতে হবে। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, খুলনা সিটি করপোরেশন, রাজশাহী সিটি করপোরেশন ও রংপুর সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় কোরবানির পশুর হাট পরিচালিত হতে যাচ্ছে।

এসব হাটে অধিক সংখ্যক ক্রেতা ও ব্যবসায়ীর সমাগম এবং বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেন হচ্ছে। ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তা বিধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোরবানির পশুর হাটের কাছাকাছি ব্যাংকের শাখা বা উপশাখা এবং সংশ্লিষ্ট পশুর হাটে স্থাপন করা অস্থায়ী বুথ ব্যবহার করে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা যেন ক্রয়-বিক্রয়ের অর্থ সহজে লেনদেন করতে পারেন সেটা নিশ্চিত করতে ব্যাংকিং সহায়তা জরুরি।

হাটগুলো হলো—

ঢাকা উত্তর করপোরেশন
১. বনরূপা আবাসিক প্রকল্পের খালি জায়গা
২. মিরপুর সেকশন-৬, ওয়ার্ড নম্বর-৬ (ইস্টার্ন হাউজিং) এর খালি জায়গা
৩. মিরপুর কালশী বালুর মাঠের (১৬ বিঘা) খালি জায়গা
৪. ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন খালি জায়গা
৫. বাড্ডা থানার অন্তর্গত স্বদেশ প্রপার্টির খালি জায়গা
৬. ২৩ নং ওয়ার্ডের পূর্ব হাজীপাড়া, ইশরা মাদ্রাসার পাশে খালি জায়গা
৭. উত্তরা দিয়াবাড়ী ১৬ ও ১৮ নং সেক্টরসংলগ্ন বউ বাজার এলাকার খালি জায়গা
৮. গাবতলী পশুর হাট
৯. খিলক্ষেত থানাধীন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের মস্তুল চেকপোস্ট সংলগ্ন পশ্চিম পাড়া এলাকা
১০. বড় বেরাইদ বসুন্ধরা গ্রুপের খালি জায়গা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন
১. কাজলা ব্রীজ থেকে মাতুয়াইল মৃধাবাড়ী পানির পাম্প পর্যন্ত
২. মোস্তমামি মোড় সংলগ্ন গ্রীণ বনশ্রী হাউজিং
৩. ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের দক্ষিণ পূর্ব পাশ এলাকা
৪. রহমতগঞ্জ ক্লাবসংলগ্ন এলাকা
৫. পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পশ্চিমপার্শ্বে নদীর পাড় এলাকা
৬. উত্তর শাহজাহানপুর খিলগাঁও রেলগেট বাজারের মৈত্রী সংঘ ক্লাবসংলগ্ন আশপাশ এলাকা
৭. শিকদার মেডিক্যাল সংলগ্ন আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের এলাকা
৮. গোলাপবাগস্থ আউটফল স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা
৯. আমুলিয়া মডেল টাউন
১০. সারুলিয়া
১১. সাদেক হোসেন খোকা মাঠের দক্ষিণ পার্শ্বের খালি জায়গা অস্থায়ী কোরবানির পশুর হাট

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
১. বিবির হাট
২. সাগরিকা

রংপুর সিটি করপোরেশন
১. লালবাগ সদর হাট

খুলনা সিটি করপোরেশন
১. জোড়া হাট

রাজশাহী সিটি করপোরেশন
১. সিটি হাট