রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঈদে আসছে নুসরাত ফারিয়ার নতুন গান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
ঈদে আসছে নুসরাত ফারিয়ার নতুন গান

বিনোদন ডেস্ক: দীর্ঘ বিরতির পর নতুন গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। মূলত, ঈদুল আজহার বিশেষ উপহার হিসেবে ‘লোকে বলে’ নামের একটি গান নিয়ে আসছেন তিনি। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও সুরকার ফুয়াদ আল মুক্তাদিরের আয়োজনে গান করবেন তিনি।
এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে শুক্রবার রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন নুসরাত ফারিয়া। লিখেছেন, কথা দিয়েছিলাম নতুন গান নিয়ে আসব। সঙ্গে জানান, এবারের ঈদের উদযাপন আরও গ্র্যান্ড হতে যাচ্ছে। আগামী ২৬ মে তার এই নতুন গানটি মুক্তি পাবে।

ফোক-পপ ঘরানার এই গানটির কথা লিখেছেন তাহজিব এম বন্ধন। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ফুয়াদ আল মুক্তাদির। গানটি এসভিএফ এবং ব্লিং মিউজিকের ব্যানারে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। গানটির মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করেছেন ভারতের খ্যাতিমান কোরিওগ্রাফার ও নির্মাতা বাবা যাদব।

বিনোদন জগতে নুসরাত ফারিয়ার পথচলা শুরু হয় বেলাল খানের একটি গানের মডেল হিসেবে। এরপর উপস্থাপনা, নাটক ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন। অভিনয়ের পাশাপাশি ২০১৮ সালে ‘পটাকা’ গানটির মাধ্যমে সংগীতশিল্পী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। গানটি মুক্তির পর যেমন প্রশংসিত হয়েছিল, তেমনি নানা সমালোচনারও জন্ম দিয়েছিল। ২০২৪ সালে এসভিএফের ব্যানারে নুসরাত ফারিয়ার সবশেষ গান প্রকাশিত হয়েছিল। ‘লোকে বলে’ হতে যাচ্ছে তার গাওয়া পঞ্চম একক গান।

এদিকে স্টেজ শো নিয়ে বর্তমানে দারুণ ব্যস্ত সময় পার করছেন নুসরাত ফারিয়া। গত সপ্তাহে তিনি দুবাইয়ে একটি স্টেজ শোতে সফলভাবে অংশ নিয়েছেন। এবারের ঈদ উৎসবে দর্শক-শ্রোতাদের জন্য ‘লোকে বলে’ গানটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলেই আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

Ads small one

ঈদ উপলক্ষে ৪ বন্দির সাজা মওকুফ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১২:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ঈদ উপলক্ষে ৪ বন্দির সাজা মওকুফ

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে মানবিক বিবেচনায় চার বন্দির অবশিষ্ট সাজা মওকুফ করে তাদের মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

রবিবার (২৪ মে) কারা অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের আওতায় চারজন কয়েদির অবশিষ্ট সাজা মওকুফ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে শিগগিরই তারা কারাগার থেকে মুক্তি পাবেন।

মুক্তির অপেক্ষায় থাকা বন্দিরা হলেন— ফরিদপুর জেলা কারাগারের নাঈম শিকদার, খুলনা জেলা কারাগারের মো. ইসলাম শেখ, রাঙ্গামাটি জেলা কারাগারের পলাশ বড়ুয়া এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের আব্দুল মালেক।

কারা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদানের আওতায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে।

লবণাক্ততার আগ্রাসন ও দুর্যোগ: উপকূলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
লবণাক্ততার আগ্রাসন ও দুর্যোগ: উপকূলে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মাটির ঘর

মুন্সিগঞ্জ (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে একসময় মাটির তৈরি দেওয়াল আর খড়ের ছাউনির ঘরই ছিল সাধারণ মানুষের প্রধান আশ্রয়। কৃষি-নির্ভর এই জনপদে যুগ যুগ ধরে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে মিশে এই মাটির ঘরেই বাস করত। তবে ২০০৯ সালের ২৫ মে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘আইলা’র পর থেকে মাটির ঘর নির্মাণ এ অঞ্চলে নেই বললেই চলে। আইলার পর বুলবুল, আম্পান, ইয়াসের মতো একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপকূলের মাটি ও মানুষের জীবনকে ওলটপালট করে দিয়ে গেছে। জলোচ্ছ্বাসের লোনা পানি বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ায় সংকুচিত হয়েছে কৃষিজমি, আর তাতেই হারিয়ে যেতে বসেছে উপকূলের চিরচেনা এই মাটির ঘর।
স্থানীয় প্রবীণদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপকূলের বেলে-দোঁয়াশ ও এঁটেল মাটি মিশিয়ে ম- তৈরি করা হতো। এরপর হাতের সুনিপুণ কারুকাজে মাটির ‘চাফ’ (দলা) কেটে ধাপে ধাপে তৈরি হতো ঘরের মজবুত দেওয়াল। কিন্তু ক্রমাগত প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাটির দেওয়াল ধসে আসবাবপত্র নষ্ট হওয়া এবং শিশুসহ মানুষ চাপা পড়ার ঘটনার পর থেকে এই ঘরের প্রতি মানুষের আগ্রহ কমতে থাকে। এর ওপর বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাটির সংকট। চিংড়ি ঘেরের কারণে লোনা পানি ঢুকে টপ-সয়েলের (মাটির উপরিভাগ) বুনট নষ্ট হয়ে গেছে, ফলে ঘর তৈরির উপযোগী আঠালো মাটি এখন আর পাওয়াই যায় না।
উপকূলের মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের পূর্বকালিনগর গ্রামে এখনো কোনোমতে টিকে আছে একটি মাটির ঘর। ঘরের কারিগর কৃষক শ্যামাপদ বৈদ্য বলেন, “এখন আর মাটির ঘর চোখেই পড়ে না। অথচ ২০-২৫ বছর আগে পৌষ থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত মাটির দেওয়াল তৈরির কাজে আমাকে দিন-রাত ব্যস্ত থাকতে হতো। এই ঘরগুলোতে খরচ কম, আরাম বেশি। বাইরে ঝড়-বৃষ্টি হলেও ভেতরে সহজে টের পাওয়া যেত না। এখনকার বেড়ার ঘরে সামান্য বাতাসেই বুক কাঁপে। আগেকার মাটির উঁচু ঘর চোর-ডাকাতদের থেকেও নিরাপদ ছিল।”
শ্যামাপদ বৈদ্যের স্ত্রী কৃষ্ণা রানী বৈদ্য বলেন, “আইলার আগে আমাদের তিনটি মাটির ঘর ছিল, সব ভেঙে গেছে। এবার খরচ ও পরিশ্রম কমাতে শুধু গোয়ালঘরটা আবার মাটি দিয়েই তৈরি করছি। বছরে একবার গোবর-মাটি দিয়ে লেপে দিলেই এক বছর চলে যায়।”
স্থানীয় শিক্ষক মনোজিৎ কর্মকার বলেন, “আগে গ্রামে প্রায় সব ঘরই ছিল মাটির। মানুষ তখন শান্তিতে থাকত, রোগবালাই কম ছিল। মাটির ঘর তৈরির জন্য গ্রামে কিছু লোকায়ত জ্ঞানসম্পন্ন প্রবীণ মানুষ ছিলেন। বছরের শুরুতে পৌষ-মাঘ মাসে কৃষিজমির বিশেষ মাটি তুলে ঘর বাঁধার প্রস্তুতি নেওয়া হতো। মাটি পেটানো, শুকানো আর ধাপে ধাপে দেওয়াল তুলতে তিন-চার মাস সময় লেগে যেত।” তিনি আফসোস করে বলেন, মাটির ঘরের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী মাটির হাঁড়ি, পাতিল, কলসের ব্যবহারও এখন বিলুপ্তির পথে।
বেসরকারি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিভাগীয় সমন্বয়কারী শাহিন ইসলাম এই পরিস্থিতিকে ‘সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার নীরব বিপ্লব’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, “উপকূলে মাটির ঘর ছিল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের ঐতিহ্য। একান্নবর্তী পরিবারগুলোতে থাকার ঘর, গোয়াল ঘর, খড় রাখার ঘরÑসবই মাটির তৈরি হতো। এগুলো ছিল প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে বেঁচে থাকার প্রতীক। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ভূগর্ভস্থ এবং উপরিভাগের পানি ও মাটি অতিরিক্ত লবণাক্ত হয়ে পড়েছে, যা মাটির স্বাভাবিক আঠালো বুনট নষ্ট করে দিয়েছে। মাটি ও পানির সংকটে এ অঞ্চলের কুমারদের পেশাও বদলে যাচ্ছে।”
শাহিন ইসলাম আরও বলেন, উপকূলে লবণ পানির এই আগ্রাসন ও জলবায়ু পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব রুখতে না পারলে শুধু মাটির ঘরই নয়, প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল স্থানীয় সংস্কৃতি ও প্রাণবৈচিত্র্যকেও টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়বে।

কোন আবেদন ফুরিয়ে যায় না, জানালেন অপু বিশ্বাস

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ১১:১৯ অপরাহ্ণ
কোন আবেদন ফুরিয়ে যায় না, জানালেন অপু বিশ্বাস

ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস সবসময়ই তার অভিনয় দক্ষতা, ফ্যাশন সেন্স এবং পর্দার উপস্থিতি দিয়ে আলোচনায় থাকেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি বেশ সক্রিয়, যেখানে তার প্রতিটি পোস্টই ভক্তদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি করে।
সম্প্রতি তিনি নতুন একটি ফটোশুটের একগুচ্ছ ছবি শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনটি ভিন্ন লুকে ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ছবিগুলো প্রকাশের পরপরই সামাজিক মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ে এবং ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ফ্যাশনেবল ও স্টাইলিশ উপস্থিতির মাধ্যমে আবারও নিজের জনপ্রিয়তা ও আকর্ষণীয় ইমেজের প্রমাণ দিয়েছেন অপু বিশ্বাস।

ছবিগুলোতে তাকে একদম ভিন্ন রূপে, পরিচ্ছন্ন এবং রাজকীয় ভঙ্গিতে দেখা গেছে। ছবি শেয়ার করে অপু ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘চিরায়ত রূপের আবেদন কখনো ফুরিয়ে যায় না।’

সোশ্যাল মিডিয়ায় অপু বিশ্বাসের এই ছবিগুলো শেয়ার করার পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে গেছে। অনেকেই তার মন্তব্যের ঘরে প্রশংসার ঝড় তুলেছেন। কেউ লিখেছেন ‘কিউট’, কেউ বা বলেছেন ‘রানী’। তার এই নতুন লুকে তার ভক্তরা পুরোপুরি মুগ্ধ।

প্রসঙ্গত, অপু বিশ্বাস ‘কোটি টাকার কাবিন’ দিয়ে ২০০৬ সালের পরিচিত পান। এর আগে ‘কাল সকালে’ সিনেমায় পার্শ্ব চরিত্র দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয় তার। সিনেমাটি পরিচালনা করেন আমজাদ হোসেন। এরপর শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধে নিয়মিত হোন অপু বিশ্বাস। অনেকদিন পর এমন নিয়মিত জুটি পায় বাংলা সিনেমা।