রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

একটি ইটের সড়কও নেই, মাটির পথেই যুগের পর যুগ পার করছেন চাউলখোলার মানুষ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ণ
একটি ইটের সড়কও নেই, মাটির পথেই যুগের পর যুগ পার করছেন চাউলখোলার মানুষ

সংবাদদাতা: স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের চাউলখোলা গ্রামে আজ পর্যন্ত নির্মিত হয়নি কোনো ইটের সড়ক। গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা কাঁচা মাটির পথ। বর্ষায় কাদা আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালির মধ্য দিয়েই যুগের পর যুগ যাতায়াত করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামটি উন্নয়নবঞ্চিত। কপোতাক্ষ নদের ভাঙনে অনেক পরিবারের বসতভিটা বিলীন হয়েছে, আবার দুর্বল যোগাযোগব্যবস্থার কারণেও অনেক পরিবার এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। বর্তমানে গ্রামে প্রায় শতাধিক পরিবার বসবাস করলেও চলাচলের উপযোগী কোনো স্থায়ী সড়ক গড়ে ওঠেনি।

স্থানীয়রা জানান, বিদ্যমান কাঁচা রাস্তাগুলোর অবস্থাও নাজুক। বিভিন্ন স্থানে রাস্তার দুই পাশ ভেঙে সরু হয়ে গেছে। এর ওপর মাছের ঘেরে নদীর লবণপানি ওঠানো-নামানোর কারণে রাস্তার ক্ষয় আরও বাড়ছে। সরকারি রাস্তা ব্যবহার করে বছরের পর বছর মাছ চাষ করা হলেও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামতে ঘের মালিকদের কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না।

গ্রামের বাসিন্দারা জানান, রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া কিংবা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের মতো ন্যূনতম সুবিধাটুকুও তাঁরা পাচ্ছেন না। এ অবস্থায় চাউলখোলা গ্রামের দুর্ভোগ সরেজমিনে দেখে দ্রুত সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

Ads small one

মৃত্যুর পরে মানুষ ভালো বললে তবেই আমি ভালো মানুষ: জেলা জজ নজরুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
মৃত্যুর পরে মানুষ ভালো বললে তবেই আমি ভালো মানুষ: জেলা জজ নজরুল ইসলাম

বদিউজ্জামান: সাতক্ষীরার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, “প্রতিটি মৃত্যু আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়Ñএই পৃথিবী চিরস্থায়ী নয়। মৃত্যুর পরে মানুষ যদি আমাকে ভালো বলে, তবেই আমি ভালো মানুষ।”

রোববার (৪ অক্টোবর) সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য প্রয়াত আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদারের স্মরণে আয়োজিত ফুলকোর্ট রেফারেন্স অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব আইনজীবী মো. নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাকারিয়া হোসেন, শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আবু বক্কার সিদ্দিক ও ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারকসহ জেলা বিচার বিভাগের অন্যান্য বিচারকেরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক আইনজীবী বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু, সাবেক সভাপতি আইনজীবী আব্দুল মজিদ, জিপি আইনজীবী অসীম কুমার ম-ল ও আইনজীবী রঘুনাথ ম-ল। প্রয়াত আইনজীবীর আত্মার শান্তি কামনায় ধর্মীয় গ্রন্থ গীতা পাঠ করেন সিনিয়র আইনজীবী গোবিন্দ চন্দ্র বল্লভ।

মৃত্যুর আগে প্রত্যেক মানুষের নিজের জীবন ও কর্মকে মূল্যায়ন করা উচিত উল্লেখ করে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, নিজের মধ্যে ভালো গুণের কোনো ঘাটতি থাকলে সময় থাকতেই তা পূরণ করতে হবে। প্রয়াত আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদারের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “তিনি ধনাঢ্য পরিবারের সন্তান হয়েও অত্যন্ত বিনয়ী ও ভদ্র মানুষ ছিলেন। তিনি নিরহংকার ছিলেন এবং কখনো উচ্চস্বরে কথা বলতেন না। তাঁর এই বিনয়ী ও মার্জিত আচরণের কারণেই আমরা তাঁকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।”

বক্তারা বলেন, আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদার ছিলেন একজন দক্ষ, বিনয়ী ও সদালাপী মানুষ। সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তাঁর সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তাঁর মৃত্যুতে আইনজীবী অঙ্গনে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদার। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত সনাতন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। দীর্ঘ পেশাজীবনে তিনি আইন পেশার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে ফুলকোর্ট রেফারেন্স শেষে দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে সমিতির হলরুমে প্রয়াত আইনজীবী নিরোধ কুমার মজুমদারের স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির আহ্বায়ক আইনজীবী বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু।

রাজধানীতে চালের বস্তায় মিললো ১৩২ বোতল ফেন্সিডিল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
রাজধানীতে চালের বস্তায় মিললো ১৩২ বোতল ফেন্সিডিল

পত্রদূত রিপোর্ট: চালের বস্তার মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে পরিবহনের সময় ১৩২ বোতল ফেন্সিডিলসহ মো. ইমরান খান (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল ৬টার দিকে দারুস সালাম থানাধীন গাবতলী বাগবাড়ীর সড়কে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে সাতক্ষীরা থেকে ঢাকায় যাওয়া পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশি করা হয়।

এ সময় চালের বস্তার মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ১৩২ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। এছাড়া ৪৫ কেজি চাল, একটি বাসের টিকিট ও একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত ইমরান খান বর্তমানে ঢাকার গুলশান এলাকায় বসবাস করেন। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দারুস সালাম থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদকবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাদকের অবৈধ পরিবহন, সরবরাহ ও বিস্তারের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালায় গ্রাম পুলিশের উপর মাদক ব্যবসায়ীদের হামলার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
তালায় গ্রাম পুলিশের উপর মাদক ব্যবসায়ীদের হামলার অভিযোগ

‎‎তালা প্রতিনিধি: ‎সাতক্ষীরার তালায় মাদকের তথ্য পুলিশকে দেওয়ায় গ্রাম পুলিশকে মারধর ও হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী সোহেল শেখ (৩৪) তালা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

‎‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে উপজেলার হাজরাকাটি বাজারে চায়ের দোকানের সামনে বিল্লাল বিশ্বাস, ফারুক বিশ্বাস ও হযরত সরদার স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সোহেল শেখকে গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলে কাঠ দিয়ে পিটিয়ে তাকে জখম করা হয়। পরে তিনি তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

‎‎সোহেল শেখ ১২ নং খলিলনগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ। তার দাবি, মাদকবিরোধী কার্যক্রম ও পুলিশকে তথ্য দেওয়ার জেরে এ হামলা। এর আগে তার সহযোগিতায় আটারই গ্রামের মিলন ও হাজরাকাটির মুস্তাইন ইয়াবাসহ আটক হয়েছিল।

‎‎ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হযরত বিশ্বাসের কোনো দোকান না থাকলেও গভীর রাত পর্যন্ত বাজারে বসে প্রশাসনের গতিবিধির ওপর নজর রাখেন।‎‎ তালা থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।