বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

এসএসসি-এইচএসসি জানুয়ারি-এপ্রিলেই চান অংশীজনরা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ
এসএসসি-এইচএসসি জানুয়ারি-এপ্রিলেই চান অংশীজনরা

২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা চলতি বছরের ডিসেম্বরে নেওয়ার সরকারি পরিকল্পনার বিষয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
বুধবার (১৩ মে) অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে অধিকাংশ অংশীজন ডিসেম্বরে পরীক্ষা আয়োজনের বিপক্ষে মত দেন।

বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়ার প্রস্তাবে পরীক্ষার্থীরা তীব্র আপত্তি জানান। শিক্ষক ও অভিভাবকরাও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাদের মতে, হঠাৎ করে পরীক্ষার সময় চার মাস এগিয়ে আনা হলে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি মানসিক চাপ তৈরি হবে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিশেষজ্ঞরা ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে আয়োজনের পক্ষে মত দেন। একই সঙ্গে তারা বলেন, ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে সময় সমন্বয় করে পরীক্ষা ডিসেম্বরে আনা যেতে পারে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সভায় দেশের বিভিন্ন জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও অভিভাবকরা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

অধিকাংশের অভিমত ছিল, এক বছরেই চার মাস সময় কমানোর পরিবর্তে প্রতি বছর এক মাস করে এগিয়ে আনলে শিক্ষার্থীরা নতুন সময়সূচির সঙ্গে সহজে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে।

বৈঠকে উপস্থিত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক কর্মকর্তা জানান, অংশীজনদের কাছ থেকে ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে নেওয়ার পক্ষে বেশি মতামত পাওয়া গেছে।

বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান, অভিভাবক ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাব্য সময় ও সময় সমন্বয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ২০২৭ সালেই ডিসেম্বরে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে কি না, নাকি ২০২৮ সাল পর্যন্ত সময় নিয়ে সমন্বয় করা হবে, সেসব বিষয়ও আলোচনায় এসেছে। তবে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ ও ক্ষতি না হওয়ার বিষয়টিকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

Ads small one

আশাশুনিতে মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ
আশাশুনিতে মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার

বিএম আলাউদ্দীন, আশাশুনি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ১৪ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পরান্দা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুর রহমান।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার মো. মোখলেছুর রহমান (৪০) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আশাশুনি উপজেলার সরাপপুর দারুসসুন্নাহ হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগকারী পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ওই প্রতিষ্ঠানের হিফজ বিভাগের ছাত্র এবং মাদ্রাসার আবাসিক বোর্ডিংয়ে থাকত।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষক বিভিন্ন সময়ে ওই শিক্ষার্থীকে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন। এতে রাজি না হওয়ায় তাকে হয়রানি ও মারধর করা হতো। এ ছাড়া গত কয়েক দিন ধরে গভীর রাতে নিজের কক্ষে নিয়ে শিক্ষার্থীকে দিয়ে হাত-পা টেপানোর অভিযোগও করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সর্বশেষ গত ২১ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে বোর্ডিং থেকে চাল-ডাল নিয়ে রান্নাঘরে দিয়ে ফেরার পথে ওই শিক্ষক শিক্ষার্থীকে নিজের কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থী চিৎকার করলে অভিযুক্ত শিক্ষক তার মুখ চেপে ধরেন এবং কাউকে ঘটনাটি না জানানোর জন্য নিষেধ করেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

পরে বাড়িতে ফিরে শিক্ষার্থী তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানায়। অসুস্থ বোধ করায় তাকে আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীর বাবা মো. আক্তারুল ইসলাম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার আশাশুনি থানায় মামলা করেন।

আশাশুনি থানার ওসি শাহিদুর রহমান বলেন, “মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশ তৎপরতা শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রায় তিন ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পরান্দা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ২০ নম্বর মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০২৫)-এর ৯(১) ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছেন আশাশুনি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনজির হোসেন।

শ্যামনগরে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার সুরক্ষায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে মতবিনিময়

সুন্দরবনাঞ্চল (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন, অধিকার সুরক্ষা ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মুন্সিগঞ্জে অবস্থিত সুশীলন টাইগার পয়েন্টে সুন্দরবন আদিবাসী মুন্ডা সংস্থা ও সুশীলনের যৌথ উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় আদিবাসী মুন্ডা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা তাঁদের ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বরাদ্দ, নিরাপদ ও সুপেয় পানির সংকট নিরসন, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্তি, আদিবাসী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির পরিমাণ ও সুযোগ বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের সঙ্গে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সমন্বয় জোরদারসহ বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি তুলে ধরেন।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ কাউসার আজিজ মুন্ডা সম্প্রদায়ের ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি বরাদ্দ, সুপেয় পানির সংকট নিরসন এবং শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি নিশ্চিতকরণসহ উত্থাপিত বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এ সময় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর শরীফ ফাহাদ, সুশীলনের কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মনির প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় মুন্ডা সম্প্রদায়ের পক্ষে বক্তব্য দেন রাম প্রসাদ মুন্ডা, গোপাল মুন্ডা, চম্পা মুন্ডা, বিথিকা মুন্ডা, নিলিমা মুন্ডা, অনুপ মুন্ডা ও তাপস কুমার প্রমুখ।

ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩৫, ভোগান্তির শেষ কোথায়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৩৫, ভোগান্তির শেষ কোথায়

সৌদি আরবের রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে হুথিদের হামলার পর দেশটির বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে। সুতরাং নিরাপত্তা বিবেচনায় শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ওই রুটে গমনেচ্ছু ১৩৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। গত ১০ অক্টোবর থেকে ফ্লাইট বাতিল হওয়া শুরু হয়। আর এতে করে ২০ হাজার ৬৭২ জন যাত্রী আটকা পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বেবিচকের মুখপাত্র কাওছার মাহমুদ গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

বেবিচকের দেওয়া তথ্য মতে, বাতিল হওয়া ১৩৫ ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি ছিল ৬২টি আর ট্রানজিট ফ্লাইট ছিল ৭৩টি।

সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমানের ফ্লাইট ছিল ২৩টি, ইউএস-বাংলার ১০টি, সৌদিয়া এয়ারের ১৯টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি।

ট্রানজিট ফ্লাইটগুলো হলো ইন্ডিগো এয়ারের ২৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, ইজিপ্ট এয়ারের একটি, এমিরেটস এয়ারের ১৪টি, কাতারে এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি।

কাওছার মাহমুদ জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ফ্লাইট বাতিলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।