কলারোয়ায় যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে জাতীয় পরিচয়পত্র ও টিপসই নিয়ে বিধবার জাল কাবিননামা তৈরির ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে দুই জনের নাম উল্লেখ করে গত বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে ফুলবাড়িয়া থানায় নিজেই এ অভিযোগ জমা দেন ওই নারী। এরপর গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঘটনাটি তদন্তে ভুক্তভোগীর বাড়িতে যায় পুলিশ।
অভিযুক্ত দুই জন হলেন- স্থানীয় কসমেটিক ব্যবসায়ী ও জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সদস্য আবদুস ছাত্তার এবং ভুক্তভোগী নারীর ছেলের উকিলশ্বশুর আবদুল কদ্দুস।
ভুক্তভোগী নারী জানান, প্রায় ১৩ বছর আগে তার স্বামী মারা যান। এরপর মানুষের জমিতে কাজ করে পাঁচ ছেলেকে বড় করেন। সম্প্রতি এক ছেলের উকিলশ্বশুর আবদুল কদ্দুস তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এতে তিনি রাজি না হচ্ছিলেন না। পরে কদ্দুসের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় আবদুস ছাত্তার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি নেন। একটি কাগজে নেওয়া হয় টিপসই। এরপর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তার বিয়ে হয়ে গেছে এবং একটি কাবিননামাও এলাকার লোকজনকে দেখানো হয়। তবে বিয়ের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে দাবি করেন ওই নারী।
বৃহস্পতিবার রাতেই ভাইয়ের সঙ্গে গিয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ওই নারী। গতকাল শুক্রবার দুপুরে ফুলবাড়িয়া থানার একজন এসআই তদন্তের জন্য ভুক্তভোগীর বাড়িতে যান।
এদিকে ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টিপসই নিয়ে বিয়ে হয়ে গেছে— এমন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার প্রথম বুধবার দ্বিতীয় সালিশে বসেন এলাকাবাসী; কিন্তু অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সালিশে না আসায় শুক্রবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে জামায়াত নেতা আবদুল ছাত্তারকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে বলা হয়েছিল; কিন্তু এতে তিনি সাড়া দেননি।
সালিশে থাকা স্থানীয় প্রাণী চিকিৎসক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘শুক্রবার কোনও সালিস হয়নি। ওই নারী থানায় অভিযোগ দেওয়ায় এটি এখন আইনিভাবেই শেষ হবে। সে কারণে গ্রামের মানুষ সালিশ থেকে সরে এসেছেন। ছাত্তার জামায়াতের নেতা হওয়ায় এলাকায় টুকটাক মাতবরি করতেন। ওই নারীকে বিয়ে করতে আগ্রহী কদ্দুসেরও যোগাযোগ ছিল ছাত্তারের সঙ্গে। নিজের বিয়ের বাসনা পূরণ করতে ছাত্তারকে দিয়ে সব কাজ করিয়েছেন কদ্দুস, আমরা এমনটি ধারণা করছি।’
ঘটনার পর থেকে কদ্দুসকে এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়। অন্যদিকে শুরু থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে যাচ্ছেন জামায়াতের ইউনিয়ন কমিটির সহযোগী সদস্য আবদুস ছাত্তার। শুক্রবার বিকালে তার মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়।
ঘটনার শিকার ওই নারী বলেন, ‘এলাকার সালিশে ওরা (আবদুল কুদ্দুস ও আবদুস সাত্তার) না আসায় আমি থানায় অভিযোগ দিয়েছি। পুলিশ গতকাল এসে তদন্ত করে গেছে। দেখি, পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয়। কদ্দুসের হয়ে ছাত্তার কেন স্বাক্ষর নিলো তা জানি না।’
ফুলবাড়িয়া থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান জানান, ওই নারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে বিয়ের প্রলোভন, অসদুপায়ে এনআইডি ও টিপসই নিয়ে কাবিননামা তৈরির অভিযোগ করা হয়েছে।
ওসি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। কাবিননামাসহ মূল কাগজপত্রগুলো খোঁজা হচ্ছে। কোন কাজি এটি করেছেন, তা বের করতে পুলিশ কাজ করছে। কাগজপত্র পাওয়ার পর যাচাই–বাছাই করে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবো।’
রাজধানীর তুরাগে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের খুলনার ফুলতলা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ওরফে এস কে সাদ্দামকে (৩৭) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) মো. আকতার হোসেন জানান, তুরাগ থানা পুলিশের একটি দল শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকাল ৪টার দিকে তুরাগের খালপাড় ব্রিজসংলগ্ন পাকা রাস্তা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
তিনি জানান, পুলিশের ক্রিমিনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিডিএমএস) পর্যালোচনায় সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় একাধিক রাজনৈতিক মামলা থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দিঘলিয়া ও ফুলতলা থানায় দায়ের করা মামলায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, চুরি এবং অন্যান্য অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেফতার সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা আন্দোলনের সমর্থনে মুম্বাইয়ে প্রতিবাদ করার সময় প্রখ্যাত অভিনেতা ইমরান খানসহ চার শতাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে।
শনিবার মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক আগস্ট ক্রান্তি ময়দানসহ শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। অনুমোদনহীন কোনও রাজনৈতিক জমায়েত ঠেকাতে পুলিশ এই কঠোর পদক্ষেপে নামে।
দিনের শুরুতে একই স্থান থেকে অন্তত ২০০ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ছিলেন সমাজকর্মী তুষার গান্ধীর নেতৃত্বাধীন সংগঠন ‘হাম ভারত কে লোগ’-এর সদস্য এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-এর সমর্থকরা। রাজধানী দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভের প্রতি সংহতি জানাতে অনুমতি ছাড়াই সেখানে জড়ো হয়েছিলেন তারা।
তিন হাজার মানুষকে আটকের পর বিজেপি বলছে ‘জনগণের জয়’তিন হাজার মানুষকে আটকের পর বিজেপি বলছে ‘জনগণের জয়’
এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
উল্লেখ্য চলমান আন্দোলনে দিল্লিতে প্রায় তিন হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়।