কেশবপুরে মশলা জাতীয় ফসল হলুদ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে
Exif_JPEG_420
এম আব্দুল করিম, কেশবপুর (যশোর): যশোরের কেশবপুর উপজেলায় চলতি বছর মশলাজাতীয় ফসল হলুদের ব্যাপক চাষ হয়েছে। বাজার মূল্য বেশি থাকায় চাষিদের মধ্যে এ মশলা জাতীয় হলুদ চাষে আগ্রহ বেড়েছে।
উপজেলার বন্যামুক্ত উঁচু এলাকা বাগদহা, মির্জাপুর, শ্রীফলা, প্রতাপপুর, বায়সা, কমলাপুর, গড়ভাঙ্গা, বেলকাটি, সাগরদত্তকাটি, মঙ্গলকোট, বসুন্তিয়া ও কেদারপুর, মোমিনপুর, কাবিলপুর, হাসানপুর, চাদড়া, মির্জানগর, বরনডালি, গোপালপুর, জাহানপুর, ভালুকঘর, বেগমপুর এলাকায় জমিতে এই মশলাজাতীয় কৃষিজাত পণ্য হলুদের ব্যাপকহারে চাষ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, হলুদ রোপণে খরচ একেবারে সীমিত। বীজভেদে কাঠাপ্রতি খরচ হয় মাত্র ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। আর উৎপাদন হয়ে থাকে কাঠাপ্রতি ৫ থেকে ৭ মন। কাঁচা হলুদ প্রকারভেদে বিক্রয় হয়ে থাকে ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা মন দরে। বর্তমান বাজারে প্রতি কাঠায় সর্বনিম্ন লাভ হয় ২ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ৪ হাজার টাকা। হলুদ চাষের সময় কাল ৯ মাস।
বিভিন্ন এলাকায় যেয়ে দেখা যায় কৃষকের হলুদ বাগান সবুজ গাছে মাঠ পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ভালুকঘর গ্রামের হলুদ-চাষী সোহরাব হোসেন বলেন ভালো পরিচর্যার করতে পারলে অন্য ফসলের চেয়ে অনেক বেশি লাভবান হওয়া যায়। সে জন্য আমি প্রতি বছর হলুদ চাষ করি।
খরচের তুলনায় বেশী লাভ হওয়ায় অনেকেই এখন হলুদ চাষে আগ্রহী হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গত বছর এ উপজেলায় হলুদ চাষ হয়েছিল মাত্র ৬৭০ বিঘা জমিতে। এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ হাজার ১২০ বিঘা, যা গত বছরের তুলনায় অনেক বেশী।
হলুদ চাষ লাভজনক হওয়ায় এই চাষের প্রতি আগ্রহী করতে কৃষকদের বিভিন্ন পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে দিন দিন হলুদের আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে।









