মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩

ছেলের লাশ নিয়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি বাবা, কেঁদে কেঁদে বললেন ‌‘মাফ করে দিলাম’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ণ
ছেলের লাশ নিয়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি বাবা, কেঁদে কেঁদে বললেন ‌‘মাফ করে দিলাম’

পারিবারিক বিরোধের জেরে ধারালো বঁটির কোপে মাকে হত্যা করেছিলেন ছেলে। সেই নৃশংস ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো গ্রাম। ক্ষোভে ফুঁসছিলেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা। হত্যার পর গ্রেফতার হয়ে কারাগারেও যেতে হয়। কিন্তু দুই মাসের মাথায় কারাগারে অসুস্থ হয়ে মারা যান সেই ছেলে। শেষ পর্যন্ত তার মরদেহ দাফন করা হয় সেই মায়ের কবরের পাশেই, যাকে হত্যা করেছিলেন তিনি।

যশোর সদর উপজেলার বাজে দুর্গাপুর গ্রামের এ ঘটনায় জানাজার আগে ছেলের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীর কাছে ক্ষমা চান বাবা ও বড় ভাই। তাদের ক্ষমা প্রার্থনা এবং জানাজায় মানুষের ঢল—সব মিলিয়ে শোকাবহ পরিবেশ তৈরি হয় গ্রামে।

মৃত মামুনুর রশিদ (৪৫) দুর্গাপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন মাস্টারের ছেলে। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক ছিলেন। তার মায়ের নাম আনোয়ারা বেগম (৫৮)।

স্বজন ও স্থানীয় লোকজন জানান, গত ২৭ আগস্ট পারিবারিক বিষয় নিয়ে মা আনোয়ারা বেগমের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান মামুন। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ধারালো বঁটি দিয়ে মাকে কোপ দেন। এতে আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এলে বঁটি ফেলে পালিয়ে যান মামুন। পরদিন এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পুলিশ তাকে আটক করে। হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে বন্দি অবস্থায় গত ২৮ অক্টোবর হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হন মামুন। প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তর করা হয় খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রবিবার রাত ৮টার দিকে মৃত্যু হয়।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে সোমবার সন্ধ্যায় পুলিশের পাহারায় মামুনের মরদেহ নিয়ে আসা হয় গ্রামের বাড়িতে। একদিকে মায়ের হত্যাকারী, অন্যদিকে নিজের সন্তান—মামুনের মরদেহ সামনে পেয়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন তার বাবা আলতাফ হোসেন। তবে জানাজার আগে বাজে দুর্গাপুর আঞ্জুমানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ছেলের পক্ষে ক্ষমা চান তিনি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বড় ছেলে প্রভাষক মঞ্জুর হাসান। তারা এলাকাবাসীর কাছে মামুনকে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানান।

পরে জানাজা শেষে পারিবারিক সিদ্ধান্তে মায়ের কবরের পাশেই দাফন করা হয় মামুনকে। স্বজনদের কান্না আর শোকের আবহে ভারী হয়ে ওঠে গ্রামের পরিবেশ। জানাজায় অংশ নেন শত শত মানুষ।

মামুনের বাবা আলতাফ হোসেন বলেন, ‘মামুনের দুটি বিয়ে হয়েছিল। প্রায় ৮-৯ বছর আগে সদর উপজেলার ভেকুটিয়া গ্রামের মিথিলাকে বিয়ে করে। দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের বিচ্ছেদ হয়। পরে ঝিকরগাছার অমৃতবাজার গ্রামের রিনাকে বিয়ে করে মামুন। প্রায় ছয় বছর আগে দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গেও বিচ্ছেদ হয়। দুই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য মামুন তার মাকে দায়ী করতো। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই কথা-কাটাকাটি হতো।’

আলতাফ হোসেন আরও বলেন, ‘পারিবারিক অশান্তির কারণে মামুন মানসিক সমস্যায় ভুগছিল। তাকে মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে কিছুদিন চিকিৎসা শেষে ঘটনার দিন বাড়িতে ফেরে। বাড়িতে ফেরার পর মায়ের সঙ্গে কথা -কাটাকাটির একপর্যায়ে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছিল।’

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনায় স্ত্রীকেও হারালাম, সন্তানকেও হারালাম। প্রথমে অনেক ক্ষোভ জন্মালেও হাজার হোক, সে তো আমার ছেলে। তাই তাকে মাফ করে দিয়েছি। জানাজায়ও ছেলের পক্ষে এলাকাবাসীর কাছে মাফ চেয়েছি। আমার ছেলেকেও মাফ করুক, আমার স্ত্রীকেও আল্লাহ মাফ করুক—সৃষ্টিকর্তার কাছে এটাই চাই।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানি বলেন, ‘ছেলের হাতে মা খুনের ঘটনায় এলাকার মানুষ স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পলাতক মামুনকে আটক করে পুলিশে দেয়। তার প্রতি মানুষের ক্ষোভ ও ঘৃণা তৈরি হয়েছিল। তবে মামুনের মৃত্যুর পর মরদেহ বাড়িতে এলে মানুষের ঢল নামে। জানাজায় সেই ক্ষোভ ভুলে শত শত মানুষ অংশ নেন। পরিবারের ইচ্ছাতেই মায়ের কবরের পাশে মামুনকে দাফন করা হয়েছে। তুচ্ছ একটি ঘটনায় একটি পরিবার শেষ হয়ে গেলো। স্বজনেরা মামুনকে ক্ষমা করে দিলেও, মূলত ক্ষমা করে দেওয়ার মালিক সৃষ্টিকর্তা।’

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ বলেন, ‘মামুনের মরদেহ সব আইনি কার্যক্রম শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার দাফনও সম্পন্ন হয়েছে। তিনি কারাগারে যত দিন ছিলেন, তত দিন শান্ত স্বভাবের ছিলেন।’

Ads small one

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমির

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:২০ পূর্বাহ্ণ
গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন আমির

ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে দামি টি-টোয়েন্টি লিগ আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে মোহাম্মদ আমিরের। এমন গুঞ্জন ছড়ালেও পাকিস্তানের সাবেক এই বাঁহাতি পেসার জানিয়ে দিয়েছেন, আসন্ন আইপিএল নিলামে নাম লেখানোর কোনো পরিকল্পনা তার নেই।

ক্রিকবাজকে দেওয়া বার্তায় ৩৩ বছর বয়সী আমির নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুবাই থেকে পাঠানো বার্তায় আইপিএল নিলামে নিবন্ধনের বিষয়ে তিনি বলেছেন, ‘না, আমি নিবন্ধন করছি না।’

আগামী ১৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা আইপিএল ২০২৭-এর নিলাম। পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আইপিএলে খেলার অনুমতি না থাকায় দেশটির খেলোয়াড়েরা দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতিযোগিতার বাইরে। তবে সম্প্রতি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়ায় আমিরের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।

আইপিএলের উদ্বোধনী আসরের পর থেকে পাকিস্তানের কোনো ক্রিকেটার এই লিগে খেলেননি। তবে ব্রিটিশ পাসপোর্ট থাকায় পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার আজহার মাহমুদ কয়েক মৌসুম আইপিএলে খেলেছিলেন। আমিরের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পাওয়ার পর তার ক্ষেত্রেও একই সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। যদিও নিলামে নাম লেখালেই দল পাওয়ার নিশ্চয়তা ছিল না।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) সোমবার জানিয়েছে, আইপিএল নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী বিদেশি ক্রিকেটাররা নিজ নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন। ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে নিবন্ধনপ্রক্রিয়া। ইংল্যান্ডে এখন স্থানীয় ক্রিকেটার হিসেবে বিবেচিত হওয়ায় আমির চাইলে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) মাধ্যমে নিলামে নাম লেখাতে পারতেন।

ইংল্যান্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ইতোমধ্যে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবেই খেলেছেন আমির। দ্য হান্ড্রেডে নটিংহ্যামভিত্তিক দল ট্রেন্ট রকেটসের হয়ে স্থানীয় খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন তিনি।

অন্যদিকে সোমবার যুক্তরাজ্যের নাগরিক হিসেবে আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগের (এপিএল) প্লেয়ার্স ড্রাফটে নিবন্ধন করেছেন আমির। অর্থাৎ আইপিএলে আগ্রহ না থাকলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলার সুযোগ খুঁজছেন এই পেসার।

চলতি বছরের পর ইসরায়েলকে আর আর্থিক সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
চলতি বছরের পর ইসরায়েলকে আর আর্থিক সহায়তা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

চলতি বছর শেষে ইসরায়েলকে দেওয়া বার্ষিক আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এ বিষয়ে ইতোমধ্যে তার একটি সমঝোতা হয়েছে।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলাকালে ফক্স নিউজ-এর ‘ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েলকে অর্থ দেওয়ার বিষয়ে আমি ও বিবি নেতানিয়াহু চুক্তি করেছি যে আমরা তাদের বছরে ৪০০ কোটি ডলার দিই। মাসখানেক আগেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে এটি বন্ধ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা আগেই একমত হয়েছি যে এই বছরের শেষ নাগাদ আমরা ইসরায়েলকে আর কোনও অর্থ দেব না। তবে প্রয়োজন হলে আমরা ইসরায়েলকে সহায়তা করব।

ট্রাম্প ঠিক কোন ধরনের সহায়তার কথা বলছেন, তা তাত্ক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি।

ইসরায়েলকে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা এবং মার্কিন রাজনৈতিক প্রচারণায় ইসরায়েল সমর্থকদের অর্থায়ন চলতি বছর ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের জন্যই একটি স্পর্শকাতর বিষয় হয়ে উঠেছে। বছরের পর বছর ধরে চলা দ্বিপক্ষীয় সমর্থনের জায়গা থেকে সরে মার্কিন নেতাদের তরফ থেকে ইসরায়েলের কঠোর সমালোচনা দেখা যাচ্ছে।

গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসনের জেরে গত জুলাইয়ে মার্কিন হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তা বন্ধের একটি সংশোধনী প্রস্তাব পেশ করা হয়। কেন্টাকির রিপাবলিকান প্রতিনিধি থমাস ম্যাসি এই সংশোধনী আনেন। প্রায় অর্ধেক ডেমোক্র্যাট সদস্য এর পক্ষে সমর্থন জানালেও শেষ পর্যন্ত ৩১৪-১০৪ ভোটে প্রস্তাবটি নাকচ হয়ে যায়।

সূত্র: আল জাজিরা

ইরানে ‘অনেক মানুষ মারতে চান না’ ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
ইরানে ‘অনেক মানুষ মারতে চান না’ ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে ‘অনেক মানুষ মারতে চান না’ বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রয়োজনে ওয়াশিংটন যে কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না, সেই হুঁশিয়ারিও দিয়ে রেখেছেন তিনি।

ভোট গ্রহণ চলাকালে ফক্স নিউজ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দেখুন, আমি তো আর অনেক মানুষ মেরে ফেলতে চাচ্ছি না। তবে আমাদের যদি করতেই হয়, তবে আমরা তা করতে বাধ্য হব।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো প্রথাগত যুদ্ধের চেয়ে আলাদা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি দাবি করেন, ইরানের নৌ ও বিমান শক্তি পঙ্গু করে দেওয়ার পর তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, আমরা তাদের পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণেই রেখেছি। আমরা চাইলে তাদের একদম নিঃশেষ করে দিতে পারি, অথবা আমরা নমনীয় হয়ে এমন হাজার হাজার মানুষকে বাঁচতে দিতে পারি, যারা এই যুদ্ধে মারা পড়ত।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, গত রাতে মার্কিন বাহিনী ইরানের সদ্য নির্মিত একটি বিমান বিধ্বংসী স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যার ওপর গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে নজর রাখা হচ্ছিল। এটিকে ‘সামান্য হামলা, কোনও যুদ্ধ নয়’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার ইরানের কেশম দ্বীপে প্রতিরক্ষামূলক হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি