রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক নেতৃবৃন্দ:  উপকূলের সংকট নিরসনে জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক নেতৃবৃন্দ:  উপকূলের সংকট নিরসনে জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে

পত্রদূত ডেস্ক: উপকূলের সংকট নিরসনে জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন নাগরিক নেতৃবৃন্দ। তারা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উপকূলের ১৯টি জেলার মানুষের জীবন-জীবিকা ও প্রাণ-প্রকৃতি ঝুঁকিতে আছে। এরপর প্রতিবছর প্রাকৃতিক দুর্যোগে আঘাত এই ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই ঝুঁকি মোকাবেলায় দীর্ঘ মেয়াদী সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে। এ জন্য জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ প্রয়োজন।

গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরাম (সিএএফ) ও লিডার্স আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওই এ সব কথা বলেন তারা। ফোরামের আহ্বায়ক আমিনুর রসুল বাবুলের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উত্থাপন করেন সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের সমন্বয়ক নিখিল চন্দ্র ভদ্র। সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মীর মোহাম্মদ আলী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ, সিরাক বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম সৈকত, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র যুগ্ম সম্পাদক হুমায়ুন কবীর সুমন, সচেতন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সাকিলা পারভীন, লিডার্সের ন্যাশনাল অ্যাডভোকেসি কোঅর্ডিনেটর শাকিল আহমেদ, ইয়ুথ ক্লাইমেট অ্যাকশন ফোরামের আহবায়ক সাদিয়া সুলতান শাপলা প্রমূখ।

সংবাদ সম্মেলন সহকারি অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, উপকূলীয় অঞ্চল বাংলাদেশের অর্থনীতি, খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্যসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সুন্দরবন দেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষাবলয় হিসেবে কাজ করছে এবং কার্বন শোষণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। অন্যদিকে চিংড়ি, কাঁকড়া ও সামুদ্রিক মৎস্য রফতানি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বড় অবদান রাখছে। তবুও জাতীয় বাজেটে জলবায়ু খাতে বরাদ্দ প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল এবং উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য আলাদা ও লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পনার ঘাটতি স্পষ্ট। বর্তমান সরকারকে এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে আমিনুর রসুল বলেন, উপকূলীয় পরিবেশগত সংকট নিরসনে জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করা, টেকসই বাঁধ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা গ্রহণ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়ন, সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবিলায় সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, নাগরিক সমাজ ও উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে ২১ দফা দাবি তুলে ধরে বলা হয়, দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের জন্য উপকূল উন্নয়ন বোর্ড গঠন করতে হবে। দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল, মধ্য উপকূল ও দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলের জন্য পৃথক দপ্তর সৃষ্টি করতে হবে। সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, বরগুনা ও পটুয়াখালীসহ উপকূলকে জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করতে হবে। পরিবেশবান্ধব ইকোনমিক জোন গঠন করতে হবে। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কার করতে হবে। প্রত্যন্ত উপকূলে সুপেয় পানি নিশ্চিত করতে হবে। ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রগুলো সংস্কার করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণবান্ধব করার পাশাপাশি প্রতিটি বাড়িকে দুর্যোগ সহনশীল করে গড়ে তুলতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতিবছর বাজেটের আকার বাড়লেও সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ ও জলবায়ূ খাতে বরাদ্দের হার কমছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে জলবায়ু ও পরিবেশ খাতে বরাদ্দ ছিল ২৮ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৮.২১ শতাংশ। ২০১৭-১৮ সালে বরাদ্দ ছিল ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৭.৫০ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ ছিল ৪১ হাজার ২০০ কোটি ও সর্বশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪১ হাজার ২০৯ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের যথাক্রমে ৫.১৭ ও ৫.২১ শতাংশ। এরপর প্রকল্প বাস্তবায়নে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে উপকূলের সংকট নিরসনে জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিতসহ সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Ads small one

ঐতিহ্য ও বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র সাতক্ষীরার ‘শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক’

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্য ও বিনোদনের প্রাণকেন্দ্র সাতক্ষীরার ‘শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক’

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা শহরের কোলাহল আর ব্যস্ততার মাঝে বুক ভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার এক টুকরো সবুজ চত্বর ‘শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক’। শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক পার্কটি কেবল একটি বিনোদন কেন্দ্রই নয়, এটি সাতক্ষীরার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এক নীরব সাক্ষী।

প্রতিদিনই শহরের হাজারো মানুষের পদচারণায় মুখরিত থাকে এই পার্ক প্রাঙ্গণ। বিশেষ করে সকাল এবং বিকেলে সব বয়সী মানুষের জন্য এটি এক অন্যতম মিলনমেলায় পরিণত হয়।

ইতিহাস ও নামকরণ: মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে এই পার্কের নাম। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে মার্চের গণআন্দোলনের সময় ৩ মার্চ নিহত দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারী বীর শহীদ আব্দুর রাজ্জাকের স্মরণে এই পার্কটির নামকরণ করা হয়। পার্কের ভেতরে প্রবেশ করলেই চোখে পড়ে এক কোণে দাঁড়িয়ে থাকা দৃষ্টিনন্দন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, যা আগত দর্শনার্থী ও তরুণ প্রজন্মের মাঝে দেশপ্রেমের চেতনাকে জাগ্রত করে।

নাগরিক জীবনের ফুসফুস: যান্ত্রিক শহরের ব্যস্ত জীবন থেকে ক্লান্তি দূর করতে এই পার্কটি স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে এক বড় আশ্রয়স্থল।

প্রাতঃভ্রমণ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা: প্রতিদিন ভোরে শহরের শত শত সচেতন নাগরিক এখানে আসেন প্রাতঃভ্রমণ ও ব্যায়াম করতে। পার্কের বিশাল গাছপালার ছায়া ঘেরা পরিবেশ ভোরের বাতাসকে রাখে সতেজ।

বিকেলের আড্ডা ও শিশু বিনোদন: বিকেলে পার্কটি মুখরিত হয়ে ওঠে শিশু-কিশোর ও তরুণ-তরুণীদের আড্ডায়। পরিবারের সবাইকে নিয়ে একটু খোলামেলা পরিবেশে সময় কাটানোর জন্য এটি শহরের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান।
সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু: সাতক্ষীরার যেকোনো বড় উৎসব, মেলা, রাজনৈতিক সমাবেশ কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূল ভেন্যু হিসেবে বছরের পর বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক। বিজয় মেলা, বইমেলা কিংবা স্বাধীনতা দিবসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এই মাঠ উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়।

সংস্কার ও আধুনিকায়নের প্রত্যাশা: স্থানীয় দর্শনার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, পার্কের পরিবেশ রক্ষায় এবং সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করতে কিছু সংস্কার প্রয়োজন। পার্কের ভেতর বসার পর্যাপ্ত আধুনিক বেঞ্চের ব্যবস্থা করা, ওয়াকওয়ে (হাঁটার পথ) আরও উন্নত করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার দাবি জানান তারা।

নাগরিকদের অভিমত: “শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কটি আমাদের সাতক্ষীরা শহরের প্রাণ। পৌর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসন যদি পার্কটির সৌন্দর্য বর্ধনে এবং পরিবেশ রক্ষায় আরও একটু নজর দেয়, তবে এটি দেশের অন্যতম সেরা একটি দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।”

সব মিলিয়ে, সাতক্ষীরার ঐতিহ্য ও নাগরিক জীবনের স্পন্দন হয়ে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক। শহরের সৌন্দর্য ধরে রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থ বিনোদনের স্বার্থে এই পার্কের যতœ নেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। সংবাদদাতা জুলফিকার আলী

 

 

 

 

 

 

কলারোয়ার জালালাবাদে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার: ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
কলারোয়ার জালালাবাদে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার: ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

সংবাদদাতা: পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে সাতক্ষীরার কলারোয়ার জালালাবাদ ইউনিয়নে গরিব ও অসহায় মানুষের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (২৪ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

 

জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান নিশান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, জালালাবাদ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মোট ৬৪১টি কার্ডধারী পরিবারের মাঝে পরিবারপ্রতি ১০ কেজি করে এই চাল বিতরণ করা হয়।

 

চাল বিতরণকালে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন-ইউপি সচিব আমিনুর রহমান, ইউপি সদস্য মোকলেছুর রহমান, মোজব্বার আলী, মাহবুবর রহমান ও মনিরুল ইসলাম, ইউপি সদস্য আলী মাহমুদ, মশিয়ার রহমান, শফিউল আজম ও সাইফুল ইসলাম, মহিলা ইউপি সদস্য কাঞ্জন বিবি, নুর জাহান ও সালমা খাতুন, ডিএম আফতাবুজ্জামান প্রমুখ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ব্রহ্মরাজপুরে ভিজিএফের চাল বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ
ব্রহ্মরাজপুরে ভিজিএফের চাল বিতরণ

সংবাদদাতা: আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে সরকারি ভিজিএফ (ভার্নারেবল গ্রুপ ফিডিং) কর্মসূচির চাল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের এই মানবিক সহায়তার আওতায় ইউনিয়নের মোট ১ হাজার ০৪৬টি সুবিধাভোগী পরিবারের মাঝে এই চাল বিতরণ করা হয়।

শনিবার (২৩ মে) ও রবিবার (২৪ মে) দুই দিনব্যাপী উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থানে এ চাল বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই চাল বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহিনুল ইসলাম।

 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সেরাজুর রহমান, যুবদল নেতা জিয়ারুল ইসলাম, ট্যাগ অফিসার সুমন সাহা, ইউপি সদস্য সুভাষ চন্দ্র, হাকিম, লুৎফর, এবং কুরমান ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা রজব আলীসহ স্থানীয় গ্রাম পুলিশের সদস্যবৃন্দ।