বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পাইকগাছার হুসাইন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পাইকগাছার হুসাইন

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: পড়াশোনা শেষ করে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে যখন দরিদ্র পরিবারের হাল ধরার কথা, ঠিক তখনই নিয়তির এক নিষ্ঠুর পরিহাসে হাসপাতালের সাদা চাদরে ঢাকা পড়েছে এক সম্ভাবনাময় তরুণ প্রাণ। খুলনা জেলার পাইকগাছার গদাইপুর ইউনিয়নের এক প্রদীপ্ত কৃতিসন্তান হুসাইন আহমেদ। যার চোখের তারায় ছিল আকাশ ছোঁয়ার স্বপ্ন, আর আজ সেখানে কেবলই বেঁচে থাকার আকুল আকুতি নিয়ে হাসপাতালের করিডোরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন।

বর্তমানে হুসাইন ভারতের তামিলনাড়ুর ভেলোরে অবস্থিত ক্রিশ্চিয়ান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হুসাইন যক্ষ্মা (টিবি) রোগের অত্যন্ত জটিল ও শেষ পর্যায়ে রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটছে। তাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী এবং ব্যয়বহুল উন্নত চিকিৎসা।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের এই মেধাবী শিক্ষার্থী এবং উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০১৮ ব্যাচের প্রাক্তন ছাত্রের জীবন প্রদীপ আজ এক মরণব্যাধির থাবায় নিভু নিভু। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হুসাইন বর্তমানে টিবি রোগের শেষ পর্যায়ে ছটফট করছেন। দিন দিন তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটছে এবং তাকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন জরুরি ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদী ও ব্যয়বহুল চিকিৎসা।

হুসাইন শুধু একজন মেধাবী শিক্ষার্থীই নয়, সে তার পরিবারের একমাত্র কর্মক্ষম ব্যক্তি এবং বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। নি¤œ মধ্যবিত্ত এই পরিবারের পক্ষে এত দিন চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হলেও, এখন তারা সম্পূর্ণ নিঃস্ব। চিকিৎসার পেছনে ইতোমধ্যেই পরিবারের সবকিছু শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার যে বিপুল খরচ, তা বহন করার মতো সামর্থ্য এই অসহায় পরিবারের নেই। টাকার অভাবে চোখের সামনে একটি তরতাজা প্রাণ ঝরে যাবে, তা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তার সহপাঠী ও স্বজনরা।

হুসাইনের এই চরম বিপদে ঘরে বসে থাকতে পারেনি তার বন্ধুরা। তাকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে স্থানীয়ভাবে ফান্ড সংগ্রহের পাশাপাশি গণ-ফান্ডিংয়ের উদ্যোগ নিয়েছে তার সহপাঠীরা।

ভোলানাথ সুখদা সুন্দরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০১৮ ব্যাচের পক্ষে সাকিবুল হাসান আবেগভারাক্রান্ত কণ্ঠে বলেন, “হুসাইন আমাদের ভাই, আমাদের বন্ধু। ওর চোখের ভেতরের বাঁচার আকুতি আমরা সইতে পারছি না। আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি, কিন্তু চিকিৎসার মোটা খরচের সামনে তা খুবই সামান্য। সমাজের বিত্তবান ও সাধারণ মানুষের একটুখানি সহানুভূতিই পারে আমাদের ভাইকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিতে। দয়া করে সবাই ওর পাশে দাঁড়ান।”

একটি সম্ভাবনাময় তরুণ প্রাণকে অকালে ঝরে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে এবং একটি অসহায় পরিবারকে আলোর মুখ দেখাতে আপনার সামান্যতম ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিন। হুসাইনের জরুরি চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা পাঠাতে পারেন সরাসরি তাঁর সহপাঠীদের দেওয়া এই বিকাশ বা নগদ ব্যক্তিগত নম্বরে-০১৯২৬৮১৮০৬১।

প্রকৃতির নিয়মে যেমন অজগ্র ছোট ছোট বালু কণা পরম মমতায় জমে একটি বিশাল দ্বীপের ভিত্তি গড়ে তোলে, তেমনি আপনার একান্ত ব্যক্তিগত এই ক্ষুদ্র সহায়তা বা সামান্য অনুদানও হতে পারে হুসাইনের জন্য এক নতুন জীবনের স্বপ্নবীজ।

 

 

Ads small one

পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়তা পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে এখন নায়িকা হিসেবেই তিনি নিয়মিত কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি সিনেমাতে প্রধান নায়িকা হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দীঘি জানান, জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির বায়োপিকে তিনি কাজ করতে চান। এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ হবে বলেও মন্তব্য করেন নায়িকা।

কেন পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান সেটিও তিনি জানান। তার কথায়, কোনও একটি অনুষ্ঠানে পরীমণি জানিয়েছেন তার বায়োপিকে তিনি নিজেই অভিনয় করবেন। কারণ অন্য কেউ পারবে না। সে চ্যালেঞ্জ থেকেই দীঘি কাজটি করতে আগ্রহী।

দীঘির ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় তার (পরীমণি) বায়োপিক যদি হয় তাহলে এটি দারুণ একটি এন্টারটেইমেন্ট বায়োপিক হবে।’

নায়িকা হিসেবে দীঘির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো-‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’, ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘বিদায়’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়।

আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ
আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

বাংলাদেশ নারীদের এশিয়া কাপে বাঁচা মরার ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে । তবে এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল।

বিশেষ করে আগে ব্যাট করতে নেমে চাপে থাকা বাংলাদেশ যখন ৫৫ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তার ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

টাইগ্রেস ওপেনার দিলারা আক্তার রানের খাতা খোলার আগে প্রথম ওভারেই বিদায় নিয়েছেন। ৩ বলে ০ রান করেন দিলারা। তিনে নেমে ব্যর্থ ছিলেন সোবহানা মোস্তারীও। ৬ বলে ৩ রান করেছেন তিনি। টিকে থাকা ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা চেষ্টা চালিয়েছেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাওয়ারপ্লে শেষে ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে গেছেন জুয়াইরিয়া। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি থেমেছেন ২৮ বলে ২৩ রান করে। স্বর্ণা আক্তার এবং ফাহিমা খাতুন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। আউট হন পরপর দুই বলে। মাত্র ৫ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা ঝড় তোলেন। ৩১ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন শারমিন। তাতেই একশ পার করার রসদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করে টিকে ছিলেন। ৪ বলে ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাবেয়া খান। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

 

পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

আইসিসি পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানাকে জরিমানা করেছে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে। ফাতিমা আইসিসির খেলোয়াড় এবং সহযোগী স্টাফদের আচরণবিধির ২ দশমিক ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়। এতে পাকিস্তানি এই অধিনায়ককে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, ফাতিমার শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। ২৪ মাসের মধ্যে এটি ছিল তার দ্বিতীয় অপরাধ, যার ফলে এই ২৪ মাসের সময়সীমার মধ্যে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইয়ে। ফাতিমা তার আগের ডিমেরিট পয়েন্টটি পেয়েছিলেন ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন।

সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে, যখন ফাতিমা ওপেনার শেফালি বর্মাকে আউট করার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা (অঙ্গভঙ্গি) করেছিলেন।

ফাতিমা নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং এমিরেটস আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন, যার ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিমালি পেরেরা ও সাথিরা জাকির জেসী, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাবাব আহসান এই অভিযোগটি আনেন।