শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা

পত্রদূত রিপোর্ট: দলের বিভিন্নস্তরের নেতা কর্মী এবং বিভিন্ন সংগঠনের উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হলেন নব নিযুক্ত সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ প্রশাসক সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব। শুক্রবার সকাল থেকে দিনব্যাপী হাবিবুল ইসলাম হাবিবের কলারোয়ার বাসভবন, সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামসহ বিভিন্নস্থানে পৃথক পৃথকভাবে নেতকর্মীদের সমাগমে মুখরিত থাকে। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব, কলারোয়া ও তালা বিএনপি এবং এর সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল নেতাকর্মী- সমর্থক বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সদ্য দায়িত্বপ্রপাপ্ত জেলা পরিষদ প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এছাড়া তালা ও পাটকেলঘাটায় সংবর্ধনা প্রদানের জন্য প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব


সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা স্টেডিয়ামে এ ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম বেলাল হুসাইন, সদস্য কাজী জামালউদ্দীন মামুন, আসাদুজ্জামান মধু, রমজান আলী প্রমুখ।
ডিবি ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাব


সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে ‘ডি.বি ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাব’। ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন ডি.বি ফ্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা স ম শহীদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী স ম নুরুল আমিন লাভলু, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আইনুল ইসলাম নান্টা, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক শেখ আব্দুল ওদুদ, স্বপন কুমার সাহা, রফিকুল ইসলাম ও প্রধান শিক্ষক এমাদুল ইসলাম দুলু। এ ছাড়া ক্লাবের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্য এই শুভেচ্ছা জানান। প্রেসবিজ্ঞপ্তি
তালায় বিএনপির প্রস্তুতি সভা

 


জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে গণসংবর্ধনা দেওয়ার লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা করেছে তালা উপজেলা বিএনপি।
শুক্রবার বিকেলে তালা বাজারে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়। সভায় উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে নেতা-কর্মীদের নির্ধারিত সময়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, তালা সদর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল কালাম বিশ্বাস, সহসভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু, খেশরা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এস. এম. লিয়াকত হোসেন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান সাঈদ ও ফারুক হোসেন, তালা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান, তালা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সোহাগ হোসেন এবং জাসাসের সদস্যসচিব রাসেল বিশ্বাস।
তালা প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা


সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেলিম হায়দার।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে কলারোয়ায় নবনিযুক্ত প্রশাসকের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে এই শুভেচ্ছা জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন তালা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি আছাদুজ্জামান রাজু, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কে এম শাহিনুর রহমান, জয়দেব চক্রবর্তী, কামাল হোসেন ও রফিকুল ইসলাম নয়ন।
এর আগে তালা উপজেলা বিএনপি, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম. মফিদুল হক লিটু এবং তালা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেনও জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে পৃথকভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
কলারোয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা

 


কলারোয়া ও তালা বিএনপি এবং এর সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল নেতাকর্মী- সমর্থক বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সদ্য দায়িত্বপ্রপাপ্ত জেলা পরিষদ প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় হাবিবুল ইসলাম হাবিবের বাসভবনে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। হাবিবুল ইসলাম হাবিবের নতুন এই দায়িত্ব গ্রহণ বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। তাদের উচ্ছ্বাস ও আনন্দমুখরতায় এটি সহজেই ধারণা করা যায়। জুম্মার নামাজের পূর্বে সমাগত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া দায়িত্ব আমি নিষ্ঠার সাথে পালন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি সকলকে দ্বিধা-বিভেদ ভুলে একসাথে সঠিকভাবে দল গঠনের আহবান জানান। সকল দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে তিনি তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করার কথা বলেন। নেতাকর্মীকে দেশ গঠনে নবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। নব নিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাবেক পৌর মেয়র আকতারুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ মিয়া, উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র সাবেক অধ্যক্ষ রইছ উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রকিব মোল্লা, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন, সাবেক অধ্যক্ষ আবু বকর সিদ্দিক, শেখ আব্দুল কাদের বাচ্চু ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ তামিম আজাদ মেরিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ শরিফুজ্জামান তুহিন, সাবেক সহ-সভাপতি আখলাকুর রহমান শেলী, তালা বিএনপির সাবেক সভাপতি মৃনাল কান্তি রায়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মহব্বত হোসেন, কলারোয়া বিএনপি নেতা মাহফুজুর রহমান খান চৌধুরী, প্রভাষক সালাউদ্দিন পারভেজ, জহিরুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এসএম শহিদুল ইসলাম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, এমএ রব শাহিন, উপজেলা মহিলা বিএনপির সভানেত্রী মিসেস রাশিদা আশরাফ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এমএ হাকিম সবুজ, সদস্যসচিব তাওফিকুর রহমান সঞ্জু, যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন খোকন, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মাস্টার মনিরুজ্জামান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মোশারফ হোসেন, কলারোয়া ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বাবু, বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মীর রফিকুল ইসলাম, ক্রীড়া সংগঠক রমজান আহমেদ, রবিউল ইসলাম প্রমুখ।
জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজ

 


বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে জেলা পরিষদ প্রশাসক হিসেবে হাবিবুল ইসলাম হাবিব নিযুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজ সাতক্ষীরা জেলা শাখার পক্ষ থেকে সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৫টায় জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজ সাতক্ষীরা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম মাঠে উপস্থিত হয়ে নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবিদুল হক মুন্না, সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ নাজিরুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক রবিউল ইসলাম, মহিউদ্দীন মিলন, প্রচার সম্পাদক কাজী মিয়ারাজ, ক্রীড়া সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ডিএম কামরুল ইসলাম, এড. বায়েজিদ, এড. ইবাদুল হক, জহিরুল ইসলঅম, জাহাঙ্গীর হোসেন, আকরাম হোসেন, নাজমুল প্রমুখ। প্রেসবিজ্ঞপ্তি
পাটকেলঘাটায় বিএনপির জরুরি সভা
সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে অভিনন্দন জানিয়ে জরুরি আলোচনা সভা করেছে পাটকেলঘাটা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন। শুক্রবার রাতে পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাব সংলগ্ন যুবদলের নিজস্ব কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রাশেদুল হক রাজুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোড়ল আব্দুর রকিবের সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন তালা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও নগরঘাটা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মহাব্বত আলী, কুমিরা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেক এবং সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মো. রবিউল ইসলাম।
অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন তালা উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মন্টু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহিতুজ্জামান মুহিত, সরুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ডা. মো. রফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। সভায় বক্তারা সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিব সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক নিযুক্ত হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করেন এবং তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানান। সভা শেষে বিএনপির নেতৃবৃন্দ নবনিযুক্ত প্রশাসককে সশরীরে শুভেচ্ছা জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

 

 

Ads small one

সম্পাদকীয়/ নির্বিচারে বৃক্ষনিধন রোধে চাই কার্যকর জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পাদকীয়/ নির্বিচারে বৃক্ষনিধন রোধে চাই কার্যকর জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা

উন্নয়ন প্রকল্প, নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদার অজুহাতে দেশে আশঙ্কাজনক হারে গাছ কাটা ও বন উজাড়ের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সম্প্রতি পরিবেশ অধিদপ্তর মিলনায়তনে পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পরিবেশবিদেরা দেশের সবুজ আচ্ছাদন ধারাবাহিকভাবে হ্রাস পাওয়ার যে তথ্য প্রকাশ করেছেন, তা আমাদের পরিবেশ ও প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর এক মারাত্মক নেতিবাচক বার্তা দেয়। এই বাস্তবতায় দেশে নির্বিচারে গাছ কাটা রোধে একটি ‘জাতীয় বন ও বৃক্ষনিধন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার যে দাবি তাঁরা জানিয়েছেন, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং এর দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।
উত্থাপিত গবেষণা প্রবন্ধ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র এক বছরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৫২ হাজার ৩৭৫টি বৃক্ষনিধনের খবর গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যদিও এই সংখ্যাটি আগের বছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ২ শতাংশ কম এবং এটি সচেতনতা বৃদ্ধির ইতিবাচক দিক নির্দেশ করে, তবুও প্রতিবছর হাজার হাজার পরিপক্ব গাছ এভাবে কেটে ফেলা কোনোভাবেই হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। বিশেষ করে জেলাভিত্তিক হিসাবে রাজশাহীতে সর্বোচ্চ ২৩ হাজার এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১১ হাজার বৃক্ষনিধনের তথ্য পরিবেশগত সুরক্ষাকে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। কক্সবাজারের মতো সংবেদনশীল ও পর্যটন এলাকায় এত বিপুলসংখ্যক গাছ কাটার খেসারত আগামী দিনে ওই অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য ও পাহাড় সুরক্ষায় মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
আমরা প্রায়ই দেখি, রাস্তা সম্প্রসারণ কিংবা অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণের জন্য কোনো বিকল্প ভাবনা ছাড়াই শতবর্ষী ও ছায়াসুনিবিড় গাছগুলো সবার আগে কেটে ফেলা হয়। আইন ও নীতিমালা থাকলেও তার যথাযথ প্রয়োগ এবং জবাবদিহিতার অভাবে এই অপরাধ পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না। পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, মাঠপর্যায়ে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। বৃক্ষনিধনের এই ধারা অব্যাহত থাকলে মাটিক্ষয়, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস এবং সামগ্রিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যাবে, যা ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তীব্র তাপপ্রবাহের মাধ্যমে আমরা টের পাচ্ছি।
সরকার পরিবেশ সুরক্ষায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তবে নতুন গাছ লাগানোর চেয়ে বিদ্যমান বড় ও পরিণত গাছগুলোকে বাঁচিয়ে রাখা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় অনেক বেশি কার্যকর। বন আইনের কঠোর বাস্তবায়ন, টেকসই কৃষিবনায়ন সম্প্রসারণ এবং নগর পরিকল্পনায় সবুজ অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত করার কোনো বিকল্প নেই। একই সঙ্গে পরিবেশগত অপরাধ দমনে ইউনিয়ন বা স্থানীয় পর্যায়ে শক্তিশালী তদারকি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা প্রয়োজন।
জলবায়ু সংকটের এই বর্তমান বাস্তবতায় শুধু উৎসব করে গাছ লাগালেই চলবে না, বরং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সবুজ আচ্ছাদন ও বনাঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে হবে। আমরা আশা করি, পরিবেশবাদীদের দীর্ঘদিনের দাবি আমলে নিয়ে সরকার অনতিবিলম্বে একটি কার্যকর জাতীয় পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে এবং বনের ওপর স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার ও তদারকি নিশ্চিত করে পরিবেশ রক্ষায় কঠোর ভূমিকা পালন করবে।

বুধহাটা বাজারে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ
বুধহাটা বাজারে জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ

আশাশুনি প্রতিনিধি: আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজার এলাকায় ড্রেনেজ সমস্যার কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ লাঘবে ড্রেন পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগের বিষয়টি নজরে আসার পর সাতক্ষীরা জজকোর্টের এপিপি ও আশাশুনি উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম নিজস্ব লোকবল নিয়ে ভেঙে পড়া ড্রেন পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। তাৎক্ষণিকভাবে পানি চলাচলের সাময়িক ব্যবস্থা করায় বাজারের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও ভোগান্তি কিছুটা কমেছে।

স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম জানান, বুধহাটা বাজারের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে নতুন ড্রেন নির্মাণ ও রাস্তা সংস্কার করা প্রয়োজন। এই বিষয়ে সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্যের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে। হঠাৎ করে নেওয়া এই কার্যকর উদ্যোগের জন্য স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

কয়রায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু, শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:৫৩ অপরাহ্ণ
কয়রায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে আহত বৃদ্ধের মৃত্যু, শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের শিমলারআইট গ্রামে চলাচলের পথ নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে গুরুতর আহত এছার আলী সরদার (৫৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

আজ শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে এছার আলীর মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এ সময় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা আব্দুল হালিম সরদারকে এই হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত দাবি করে তাঁর ফাঁসির দাবি জানান। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়। কর্মসূচিতে স্থানীয় বাসিন্দা মো. মজিবুর রহমান, হাফেজ মো. দিদারুল ইসলাম, হাফেজ মো. ইব্রাহিম খলিলসহ কয়েক শ নারী-পুরুষ অংশ নেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলাচলের একটি পথের জমিকে কেন্দ্র করে শামছুর সরদার ও তাঁর ছেলে আব্দুল হালিম সরদারের সঙ্গে এছার আলী সরদার পক্ষের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ৩১ মে ওই জমিতে উভয় পক্ষ অবস্থান নিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধলে এছার আলী সরদারসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষই কয়রা থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, ঘটনার বিষয়ে উভয় পক্ষ থানায় মামলা করেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। এছার আলী সরদার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় এখন মামলায় হত্যার ধারা সংযুক্ত করার আইনি প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।