বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

তালায় অন্যের ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি অবৈধভাবে জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
তালায় অন্যের ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি অবৈধভাবে জবরদখল চেষ্টার অভিযোগ

তালার নুরু বিশ^াস ও যুব জামায়াতের নেতা ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে অন্যের ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে ন্যায় বিচার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে।

সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন, তালার হাজরাকাটি গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাব সরদারের পুত্র সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রব সরদার।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, স্থানীয় হাজরাকাটি মৌজায়, জেএল নং -১৪৫, এসএ খতিয়ান নং-৪৫৮, এসএ দাগ ৬১, ০.২১ একর ও ৬২ দাগে ০.১৭ একর মোট ০.৩৮ একর জমির মধ্যে ০.২৭ একর জমি যাহার ডিপি খতিয়ান নং ১১৬০, হাল ৬৮, ৬৯ দাগে ০.২৭ একর নিজস্ব জমিতে ৪০ টি দোকান ঘর আছে যার মধ্যে ৩টি পাকা দোকান ঘর নির্মাণ করে নিজে ব্যবসা করি এবং ভাড়াটিয়া দিয়ে ২৬ বছর যাবৎ শান্তিপূর্ণ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছি।

 

গত ০৬ আগস্ট ২০২৪ রাত অনুমান ৮টার দিকে ২৫জন ব্যক্তি পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী লোহার হাতুড়ী, গ্যাসলাইট, পেট্রোল ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার মার্কেটে অনধিকার প্রবেশ করে শক্তির মহড়া পরিদর্শন করে দোকানঘর ভাংচুর ও দোকানে থাকা মালামাল ও নগদ টাকা পয়সা লুটপাট করে এবং পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করে। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা দ্রুত বিচার আদালতে মামলা করলে সিআইডি সাতক্ষীরা এর উপর তদন্ত দিলে তদন্ত করে সিআর মামলা দ্রুত বিচার নং-৩৬/২৪/২০২৪, ধারা-আইন শৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার আইন-২০০২ এর ৪/(১)(২)/৫ ধারা চার্জশীট দাখিল করে।

এর জের ধরে হাজরাকাটি গ্রামের শামছুদ্দীনের পুত্র যুব জামায়াত নেতা ইয়াকুব আলী শেখ, আটারাই গ্রামের মৃত মোমিন উদ্দীনের পুত্র জুলফিকার আলী শেখ, মৃত আব্দুর রহমান বিশ^াসের পুত্র নূর ইসলাম বিশ্বাস, মোঃ হাফিজুর রহমান, মৃত জাফর সরদারের পুত্র মোঃ শফিকুল সরদার, মৃত আবু গাজীর পুত্র মোঃ রবিউল গাজী, মৃত মনিরউদ্দীন মোড়লের পুত্র মতিয়ার মোড়লসহ কতিপয় ব্যক্তিরা চাঁদার দাবিতে উক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে সেখানে নির্মিত দোকান ঘরের সকল ভাড়াটিয়াদের নিকট চাঁদা দেওয়ার কথা বয়ে যায় এবং ৫ নভেম্বর ২৫ তারিখের মধ্যে চাঁদা দেওয়ার হুমকি প্রদর্শণ করে।

 

পূর্বে নির্ধারিত তারিখে চাঁদার টাকা না দেওয়ায় অনুরূপভাবে অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভাড়াটিয়া সাহাবুদ্দীন জোয়ার্দ্দার, আলামিন জোয়ার্দ্দার, উভয় পিতা-মৃত মহিউদ্দীন জোয়ার্দ্দার, সাজ্জাদ শেখ-পিতা- ইউসুফ শেখ, বাবলু শেখ, পিতা-মৃত সবুর শেখ, ছোরমান গাজী, পিতা-মৃত ছিয়ামউদ্দীন গাজী, হানেফ গাজী, পিতা-মৃত সুরত গাজী, কিনা রজক, পিতা-অনিল রজক, বিও রজক, নিমাই রজক, উভয় পিতা নন্দ রজক, ছোট খোড়া, পিতা-মৃত সোনাই শেখ, রনি শেখ, পিতা- ছোট খোড়াদের নিকট থেকে চাঁদা উত্তোলন করে আসছে। বাধা দিলে খুন জখমসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে।

 

আমার ভাড়াটিয়া আছাদুল খাঁ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ১ ও ৩ নং আসামী ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং তারিখে মারপিট করে ঘর থেকে বের করে দেয়। এ নিয়ে ১৮ মার্চ ২০২৫ আমার অভিযোগের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা সেনা ক্যাম্পে দায়িত্বরত মেজর ইফতেখার ৫/০৭/২০২৫ ইং তারিখ উভয় পক্ষকে নোটিশ করে সেনা ক্যাম্পের অফিসে ডেকে জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র দেখে আমার পক্ষে রায় দেন এবং ০৬ জুলাই ২০২৫ ইং তারিখে সেনাবাহিনী সরেজমিনে জায়গা ও দোকানঘর বুঝ করে দেন।

 

পরবর্তীতে তারা সেনাবাহিনীর আদেশ অমান্য করে জোরপূর্বক আমার নিজস্ব দোকানঘর দখল করে নেয়। এনিয়ে আমি সাতক্ষীরা এডিএম কোর্টে মামলা করলে পক্ষে তাদের বিরুদ্ধে বারিত অর্ডার হয়। যার মামলা নং- পি-১৭১৫/২৪, তারিখ- ০৯/০৪/২০২৪। জমি নিয়ে মহামান্য হাইকোর্ট ও ভূমি আপিল বোর্ড স্থগিত আদেশ দেন। যাহা আমার পক্ষে। বর্তমানে সাতক্ষীরা দেওয়ানী কোর্টে উক্ত জমি নিয়ে মামলা চলমান। মামলা নং দেওয়ানী- ২/২০২৩ ও ১৯৩/২৪।

 

এছাড়া জমি নিয়ে ২৬/০৪/২০২৬ ইং তারিখে তালা থানায় এজাহার দায়ের করলে তালা থানার অফিসার ইনচার্জ সরেজমিনে তদন্ত করে জমি সংক্রান্ত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে আমার পক্ষে রায় দেন। তারপরও আমার সম্পত্তি তারা জোরপূর্বক দখলে রেখেছেন। তিনি তার নিজস্ব সম্পত্তি রক্ষায় এবং নিরাপত্তার দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

Ads small one

প্রায় ৭৫ হাজার মামলা বিচারাধীন: বিচারক ১০ গুণ বাড়ালেও জট নিরসন সম্ভব নয়: সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ
প্রায় ৭৫ হাজার মামলা বিচারাধীন: বিচারক ১০ গুণ বাড়ালেও জট নিরসন সম্ভব নয়: সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ

বদিউজ্জামান: সাতক্ষীরা জেলায় বর্তমানে প্রায় ৭৫ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিদ্যমান বিচারকের সংখ্যার চেয়ে দশ গুণ বেশি বিচারক নিয়োগ দেওয়া হলেও শুধু প্রচলিত বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাঙ্খিত সময়ে এসব মামলার নিষ্পত্তি সম্ভব হবে না। তাই আদালতের মামলা জট কমাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) এবং লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে আপসযোগ্য মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে জেলা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আপসযোগ্য মামলাগুলো লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে উভয় পক্ষের সম্মতিতে নিষ্পত্তি করা গেলে শুধু একটি মামলারই অবসান ঘটে না, বরং দুই পরিবারের মধ্যে বিরাজমান বিরোধ ও তিক্ততারও অবসান ঘটে। এতে সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আদালতের ওপর মামলার চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।
তিনি আরও বলেন, বিচারপ্রার্থীদের দ্রুত ও সহজে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার জাতীয় আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে। এ লক্ষ্যে আইন সংশোধনের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বর্তমানে বেশ কিছু ধরনের মামলা আদালতে দায়েরের আগে বাধ্যতামূলকভাবে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে আপসের উদ্যোগ গ্রহণের বিধান রয়েছে। এই উদ্যোগকে সফল করতে বিচারক, আইনজীবী, সরকারি কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান এবং জেলা আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বিএম মিজানুর রহমান পিন্টু। এছাড়া বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মোঃ জাহারুল ইসলাম, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি শেখ আলমগীর আশরাফ, প্যানেল আইনজীবী খায়রুল বদিউজ্জামান, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ মুনিরউদ্দিন, অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন লিমা, অ্যাডভোকেট নাজমুন নাহার ঝুমুর, অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান, অ্যাডভোকেট আকরাম আলীসহ অন্যান্যরা। সভায় সাতক্ষীরা বিচার বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারক, জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির প্যানেল আইনজীবী এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


সভায় পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে লিগ্যাল এইড আইন সংশোধন-সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া বিভিন্ন আইনে আপসযোগ্য মামলার পরিধি, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির আইনি কাঠামো এবং আপসের কার্যকর পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ নয়ন বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
সভায় বক্তারা বলেন, আদালতের মামলা জট নিরসন, বিচারপ্রার্থীদের সময় ও অর্থ সাশ্রয় এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে হবে। এ জন্য বিচার বিভাগ, আইনজীবী সমাজ, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি পুনর্গঠন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কমিটি পুনর্গঠন

চার কর্মকর্তার পদত্যাগের পর সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক মালিক সমিতির কার্যকরী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। এর আগে গত ২৬ জুলাই রাতে আলিপুর ট্রাক টার্মিনালে সমিতির কার্যালয়ে সভাপতি তাহমিদ শাহেদ চয়নের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় শেখ সাঈদ আহমেদ, বিপুল মমিন খান চৌধুরী, তহিদুজ্জামান ও আবু হাসানের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়। পরবর্তীতে সর্বসম্মতিক্রমে কুতুব উদ্দিনকে কার্যকরী সভাপতি, আকবর আলীকে সহসভাপতি, রজত হাজরাকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং শেখ মহিবুল ইসলাম দুলালকে প্রচার সম্পাদক মনোনীত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

 

নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধানের দাবিতে পরিবারের জিডি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ণ
নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধানের দাবিতে পরিবারের জিডি

পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন সাতক্ষীরা শহরের গড়কান্দা গ্রামের চা পরিবেশক ও ব্যবসায়ী আবদুল হাকিম (শাহজাহান ম-লের ছেলে)। গত ২৪ ঘণ্টায় তাঁর কোনো সন্ধান না পেয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবার। এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুলাই কালীগঞ্জে পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আবদুল হাকিম। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি এবং তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তবে কয়েকটি অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে পরিবারের কাছে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর বাবা শাহজাহান ম-ল আজ ২৯ জুলাই সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি জিডি (নং-১৮৮২) দায়ের করেছেন। নিখোঁজ ব্যবসায়ী আবদুল হাকিম দীর্ঘদিন ধরে চায়ের ডিলারের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ২৪ ঘণ্টা পার হলেও তাঁর কোনো খোঁজ না পাওয়ায় স্বজনেরা গভীর উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।প্রেস বিজ্ঞপ্তি