শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩

দেবহাটায় মাদক, চুরি ও জুয়া প্রতিরোধে ওসির মতবিনিময়

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
দেবহাটায় মাদক, চুরি ও জুয়া প্রতিরোধে ওসির মতবিনিময়

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা: পুলিশ, জনগণ, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের সম্মিলিত উদ্যোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে মাদক, চুরি, জুয়াসহ সব ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করে একটি নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ. এম. শাহীন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার সখিপুর মোড়ে মাদক, চুরি ও জুয়া প্রতিরোধে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দেবহাটা থানার ওসি এইচ. এম. শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সখিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. এবাদুল ইসলাম নেতৃত্ব দেন।

সভায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ, গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, দল-মত ও ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে সামাজিকভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করলে মাদক, চুরি, জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মুকুল, সখিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন বকুল, সাংবাদিক মো. সিরাজুল ইসলাম, সখিপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. নূর মোহাম্মদ, উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য জিয়াউর রহমান, জামায়াতের ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আফছার আলী, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মনু সরদার ও মো. রেজাউল, ওয়ার্ড জামায়াতের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আফজাল হোসেনসহ বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সভায় ওসি এইচ. এম. শাহীন অপরাধ প্রতিরোধে স্থানীয়দের সচেতনতা বৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা এবং অপরাধের তথ্য দ্রুত পুলিশকে জানানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

উল্লেখ্য, দেবহাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক, চুরি, জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ধারাবাহিকভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে দেবহাটা থানা পুলিশ।

 

Ads small one

শ্যামনগরে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
শ্যামনগরে জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি: ক্রমবর্ধমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। দলীয় কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার সকাল ১০টা থেকে শ্যামনগর পৌরসভার নকিপুর বাজারসহ জনবহুল এলাকাগুলোতে এই প্রচারপত্র বিলি করা হয়।
উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমানের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অংশ নেন পৌর জামায়াতের আমির হারুন-অর রশীদ সাচ্চু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মঈনুদ্দীন, গোলাম মোস্তফা, যুব বিভাগের সাঈদী হাসান বুলবুল এবং ছাত্রশিবিরের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এর আগে সকালে জামায়াতের একটি দল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে।
কর্মসূচিপালনের সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে, যা সাধারণ মানুষের জনজীবন ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। এই মহামারি থেকে রক্ষা পেতে হলে নিজের আঙিনাসহ চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জমে থাকা পানি নিয়মিত অপসারণ করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে ডেঙ্গু লক্ষণে ভয় না পেয়ে চিকিৎসকের পরমর্শ অনুযায়ী সঠিক ওষুধ সেবন ও মানসিক শক্তি ধরে রাখার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তাঁরা।

 

পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের দুপাশে ঝোপঝাড়: পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের দুপাশে ঝোপঝাড়: পথচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

এমএম জামান মনি, পাটকেলঘাটা: পাটকেলঘাটা-কলারোয়া সড়কের সরুলিয়া বাজার থেকে মুরারিকাটি পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার সড়কের উভয় পাশ দীর্ঘদিন ধরে ঘন ঝোপঝাড়ে আচ্ছাদিত হয়ে আছে। এতে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। পাশাপাশি ডাকাতি, মাদকসেবন ও ছিনতাইয়ের মতো অপরাধমূলক কর্মকা- বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এই রুটে চলাচলকারী যানবাহনচালক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তালা ও কলারোয়াÑএই দুই উপজেলার প্রায় তিন লাখ মানুষ প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে। সড়কের পাশের ঝোপঝাড়ের কারণে বেশ কিছু স্থান দিনের বেলাতেও নির্জন ও আড়ালযুক্ত হয়ে থাকে। ফলে সেখানে অপরাধীরা সহজেই লুকিয়ে থাকে।

নিয়মিত যাতায়াতকারী ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি মাহমুদুল হক জানান, দীর্ঘদিন ধরে ঝোপঝাড় পরিষ্কার না করায় পরিবেশ নষ্ট হয়েছে এবং উচ্ছৃঙ্খল যুবকরা এই জঙ্গলের আড়ালকে অপরাধের কাজে ব্যবহার করছে। ধানদিয়া চৌরাস্তা মোড়ের মুদি দোকানদার ফরিদুল ইসলাম জানান, বাইরের পথচারীরা প্রায়ই ছিনতাইয়ের শিকার হন। সন্ধ্যার পর ক্রেতাদের সুরক্ষায় বাড়তি সতর্ক থাকতে হয়, কারণ অপরাধীরা লুটপাট করে দ্রুত জঙ্গলের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের ধরা সম্ভব হয় না।

স্থানীয়দের দাবি, সড়কের দুই পাশের আগাছা ও জঙ্গল নিয়মিত পরিষ্কার করা হলে দৃশ্যমানতা বাড়বে এবং অপরাধীদের লুকিয়ে থাকার সুযোগ থাকবে না। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের চলাচলের আতঙ্ক কাটাতে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল বাড়ানোর জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এ বিষয়ে এলজিআরডির এক কর্মকর্তা জানান, খুব দ্রুতই সড়কটির দুই পাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হবে। তবে বর্ষাকাল হওয়ায় জঙ্গল দ্রুত বেড়ে ওঠে। পাটকেলঘাটা থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাস্তার দুই পাশ পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত জরুরি। জনগণের জানমালের সুরক্ষা দিতে নিয়মিত পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে এবং আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে এই টহল আরও জোরদার করা হবে।

কেশবপুরে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি ও মারধরের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি ও মারধরের অভিযোগ

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের বাঁশবাড়িয়া গ্রামে প্রায় ১১ মাস আগে সংঘটিত তোতা সরদারের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলা তুলে নিতে বাদী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হুমকি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর থেকে পুরো পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, মামলা দায়েরের পর থেকেই প্রধান অভিযুক্ত ফারুক হোসেন, আব্দুস সালাম ও বিল্লাল হোসেনের পক্ষ থেকে বাদীপক্ষকে নানাভাবে হুমকি ও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছিল। গত ৭ অক্টোবর এই মামলাকে কেন্দ্র করে তোতা সরদারের মেয়ে ও মামলার বাদী আসমা খাতুন এবং তাঁর চাচাতো বোন জেসমিন আক্তারকে মারধর করা হয়। এ ঘটনায় জেসমিন আক্তার বাদী হয়ে একই দিনে চিংড়া বাজার ক্যাম্প পুলিশ ফাঁড়িতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত ফারুক হোসেন দাবি করেন, তাঁরা কাউকে কোনো ধরনের হুমকি বা মারধর করেননি এবং এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

অন্যদিকে বাদীপক্ষের ক্ষোভ, হত্যা মামলার দীর্ঘ ১১ মাস পেরিয়ে গেলেও মূল আসামিদের এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাঁরা দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার, পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। এ বিষয়ে চিংড়া বাজার ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ শামীম হোসাইন জানান, মারধরের একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।