শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

পাইকগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০টি ফ্যান চুরি হয়েছে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
পাইকগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০টি ফ্যান চুরি হয়েছে

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনার পাইকগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার ২৫নং গোপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দোতালার তিনটি কক্ষ থেকে ১০টি ফ্যান চুরি করেছে সংঘবদ্ধ চোরেরা।

জানা গেছে, ঈদের ছুটির পরে ৭ মে রবিবার সকালে স্কুল পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করার জন্য নিয়জিত একজন মহিলা নিচের সিড়ির ঘরের গ্রিলের তালা খুলে দোতালায় উঠে তিনটি কক্ষের দরজার তালা ভাঙ্গা ও ১০টি ফ্যান খুলে নিয়ে গেছে দেখে প্রধান শিক্ষককে জানান। বিদ্যালয়ের নিচ তলা ও দোতলায় হাফ গ্রিল দেওয়া। বাথরুমের পাশের গ্রিল বেয়ে চোরেরা উপরে উঠে ফ্যান চুরি করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গ্রিলে মাটির দাগ লাগানো রয়েছে। চোর ফ্যান খোলার কাজে ব্যবহৃত প্লায়ার্স ও স্লাই রেজ্ঞ ফেলে গেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুস্মিতা সোম বলেন, ছুটি শুরুর আগের দিন সকল কক্ষ চেক করে তালা বন্ধ করা হয়। ছুটি শেষে স্কুল খোলার দিন সকালে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে এসে দেখা যায় ১০টি ফ্যান চুরি হয়ে গেছে। বিদ্যালয়ে কোন নৈশ প্রহরি নেই। চুরি হওয়া ১০টি ফ্যানের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৫ হাজার টাকা। চুরির ঘটনা উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৪ নভেম্বর দিবাগত সোমবার রাতে বিদ্যালয়ের দুইটি ভবনের ৫টি তালা ভেঙ্গে চোরেরা দুটি সোলার প্যানেলের ব্যাটারি, পানি উত্তোলনের মটর, বদনা, টয়লেটের প্রায় ৩০টি ট্যাব, পাইপ ও টিউবওয়েলের মাথা চুরি করে নিয়ে যায়।

উপজেলায় প্রতিরাতে কোথাও না কোথাও চুরির ঘটনা ঘটছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় এলাকায় চোর আতঙ্ক বিরাজ করছে।

 

Ads small one

এবার নদীপথে পুশইন, বিজিবির প্রতিরোধে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হলো বিএসএফ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪০ অপরাহ্ণ
এবার নদীপথে পুশইন, বিজিবির প্রতিরোধে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হলো বিএসএফ

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে শনিবার (১৩ জুন) মধ্যরাতে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের অধীনে রোকনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ১৫ জনকে নদীপথে নৌকাযোগে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে।

বিজিবির তাৎক্ষণিক ও কার্যকর পদক্ষেপের ফলে অবৈধ পুশইনের প্রচেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে। এ সময় উল্লেখিত ব্যক্তিরা সীমান্তের শূন্য লাইন বরাবর ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিল। পরে বিজিবির দৃঢ় অবস্থান ও কঠোর তৎপরতায় কয়েক ঘণ্টা পর বিএসএফের কোটালপুর ক্যাম্পের সদস্যরা তাদেরকে সীমান্ত পিলার ২২০/এমপি সংলগ্ন ভবানীপুর এলাকা দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

পুশইনের চেষ্টা চালানো ১৫ জনের মধ্যে দুই জন পুরুষ, ৮ জন নারী ও ৫ জন শিশু ছিল।

নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম জানান, বিজিবি পরিস্থিতি নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সীমান্ত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে পুশইন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও অবৈধ পারাপার প্রতিরোধে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এ ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় জনসচেতনতা মূলক মাইকিং, স্থানীয় মেম্বার, চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে রাত্রিকালীন টহল জোরদার করা হয়েছে। অবৈধ পুশইন টেকাতে আগামীতেও এই কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার কথা জানান এই কর্মকর্তা।

সামনে তহবিল আরও কমতে পারে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
সামনে তহবিল আরও কমতে পারে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় উন্নয়ন কার্যক্রমে চাপ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আগামী দিনগুলোতে তহবিলের প্রাপ্যতা আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে আমদানি ব্যয় বেড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিল্প উৎপাদন ও উন্নয়ন ব্যয়ে। বর্তমানে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তহবিল সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এর ফলে উন্নয়ন কার্যক্রমে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং আগামী বছরগুলোতে তহবিল আরও কমে যাওয়ার দ্বিতীয় দফা প্রভাব দেখা দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সমিতির সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বর্তমান জ্বালানি সংকটের মাত্রা আগের তিনটি বড় তেল সংকটের চেয়েও বিস্তৃত হতে পারে। এমন বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও উন্নয়নকে কেন্দ্র করে নতুন সুযোগ তৈরির চেষ্টা করছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হলে আস্থা ও বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা জরুরি। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন করে বাংলাদেশকে স্থিতিশীল, পূর্বানুমানযোগ্য ও বিনিয়োগবান্ধব হিসেবে তুলে ধরতে হবে।

তিনি বলেন, একই ধরনের চ্যালেঞ্জ অনেক দেশই মোকাবিলা করছে। রফতানি সক্ষমতা ধরে রাখতে এবং তা সম্প্রসারণে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সতর্ক কৌশল গ্রহণ করতে হবে।

ড. খলিলুর রহমান আরও বলেন, বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে সুদের হার বৃদ্ধি বিনিয়োগ পরিবেশকে প্রভাবিত করছে। উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো তুলনামূলক কম সুদে ঋণ নিতে পারলেও উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অনেক বেশি হারে ঋণ নিতে হচ্ছে, যা অর্থায়নকে সীমিত করছে।

তিনি জলবায়ু ঝুঁকির কথাও তুলে ধরে বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো অতিরিক্ত সুদের বোঝায় পড়ছে, যা বৈদেশিক ঋণ ও অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়াচ্ছে।

বিরোধী দলের উদ্দেশ্য মানুষকে বিভ্রান্ত করা: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩:২০ অপরাহ্ণ
বিরোধী দলের উদ্দেশ্য মানুষকে বিভ্রান্ত করা: প্রধানমন্ত্রী

প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়, বরং মানুষকে বিভ্রান্ত করাই বিরোধীদের মূল উদ্দেশ্য। তারা দেশে অস্থিরতা ও অশান্তি তৈরির চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নের পাতিলী খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, ‘বিরোধী দল বলছে, তারা এই বাজেট মানে না, এটিকে গণবিরোধী বাজেট বলছে। কিন্তু আমি দেশের মানুষের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই—যে বাজেটে ট্যাক্স কমানো হয়, সেই বাজেটও তাদের পছন্দ নয়। যে বাজেটে মদের দাম বাড়ানো হয়, সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়, সেই বাজেটও তারা মানে না। তাহলে তাদের উদ্দেশ্য কী, সেটা নিশ্চয়ই দেশের মানুষ বুঝতে পারছেন।’

তিনি বলেন, ‘তাদের লক্ষ্য দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো নয়। তাদের উদ্দেশ্য একটাই দেশের মধ্যে অস্থিরতা ও অশান্তি সৃষ্টি করা, মানুষকে বিভ্রান্ত করা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ৬০টি পণ্যে কর কমিয়েছে। এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে। ‘অথচ বিরোধী দল সেই বাজেটেরও বিরোধিতা করছে,’ যোগ করেন তিনি।

বিএনপির রাজনীতি মানুষের উন্নয়নের জন্য বলে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, ‘সারা দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০ হাজার করে কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। কারণ এই দেশের মানুষ স্বাবলম্বী না হলে দেশ কখনও সত্যিকারের উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হবে না। ইতোমধ্যে সরকার কৃষি কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি সরকার এই দেশের মালিক নয়, এই দেশের মালিক জনগণ। তাই জনগণের ভাগ্য উন্নয়নের জন্যই সরকার কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও করে যাবে।’

এ সময় তিনি জনগণকে কোনও ষড়যন্ত্রে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।