রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকগাছা হাসপাতালে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর চাপ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
পাইকগাছা হাসপাতালে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর চাপ

পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি (পাইকগাছা): খুলনার পাইকগাছায় ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম ২৬ দিনেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। রোগীর চাপ সামলাতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা ৫টি থেকে বাড়িয়ে ২৫টি করা হলেও তাতেও সংকুলান হচ্ছে না, তাই কোনো কোনো রোগীকে হাসপাতালের বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে ৬ জন, জুনে ৪ জন, জুলাইয়ে ১৫ জন এবং আগস্টে ৪৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। সেপ্টেম্বরের ২৬ দিনেই ভর্তি হয়েছেন আরও ১০৪ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেওয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০৪ জনে।

হাসপাতাল সূত্র বলছে, আগস্ট মাসে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য মাত্র পাঁচটি শয্যা নির্ধারিত ছিল। সেপ্টেম্বর মাসে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকায় আরও ২০টি শয্যা বাড়ানো হয়। বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ২৫টি শয্যা রয়েছে। তবে প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় এসব শয্যায় জায়গা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে অন্যান্য রোগীসহ প্রতিদিন গড়ে ১২০ থেকে ১৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। এর মধ্যে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপরও বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শাকিলা আফরোজ বলেন, বর্তমানে হাসপাতালে রোগীর চাপ অনেক বেশি। পাশের উপজেলা থেকেও অনেকে এখানে চিকিৎসা নিতে আসছেন। চিকিৎসকসহ প্রয়োজনীয় জনবল কম থাকায় রোগীদের সেবা দিতে তাঁদের কষ্ট হচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পপ কর্মকর্তা ডা. আহসানারা বিনতে আহমেদ ময়না বলেন, প্রতিদিন গড়ে ১২ থেকে ১৫ জন রোগী ডেঙ্গুর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা এবং জনসচেতনতা বাড়ানো না গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তিনি আরো বলেন, চিকিৎসক ও জনবল সংকটের মধ্যেও রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। পৌরসভা, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

এদিকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়লেও পৌর এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পৌরসভার স্থায়ী বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমের শুরু থেকে মশক নিধনে তেমন কার্যক্রম চোখে পড়েনি। বিভিন্ন ড্রেন, নালা ও মশার প্রজননস্থল অপরিষ্কার থাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে। রমেশ মন্ডল নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, শুধু ওষুধ ছিটালে হবে না। ড্রেন-নালা পরিষ্কার, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে জনসচেতনতামূলক প্রচার বাড়ানো দরকার।

তবে পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, মশক নিধনে কার্যক্রম চলছে। পৌরসভার সচিব লালু সরদার বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও পৌরসভার অর্থায়নে গত ৩০ আগস্ট থেকে বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশক নিধনের ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে। নিয়মিত ড্রেনও পরিষ্কার করা হচ্ছে। পাইকগাছা পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিবেচনায় পৌরসভার উদ্যোগে মশক নিধন কার্যক্রম চলছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি ড্রেন পরিষ্কার করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম চালাতে হবে। পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে নাগরিকদেরও সচেতন করতে হবে।

Ads small one

তায়কোয়ানডোতে সাতক্ষীরার ৪ খেলোয়াড়ের ৪ পদক অর্জন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
তায়কোয়ানডোতে সাতক্ষীরার ৪ খেলোয়াড়ের ৪ পদক অর্জন

সংবাদদাতা: তায়কোয়ানডো অঙ্গনে সাতক্ষীরার জন্য গৌরব বয়ে এনেছে সাতক্ষীরা নবজীবন তায়কোয়ানডো ক্লাব। রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ওপেন ক্লাব কাপ তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এ অংশ নিয়ে ক্লাবটির চারজন খেলোয়াড়ই পদক অর্জন করেছেন। তাদের অসাধারণ সাফল্যে অর্জিত হয়েছে ১টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ১টি তাম্্রপদক।

গত ২ ও ৩ অক্টোবর ২০২৬ রাজধানীর মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় এ প্রতিযোগিতা। দেশের বিভিন্ন ক্লাবের প্রতিভাবান তায়কোয়ানডো খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ চ্যাম্পিয়নশিপে সাতক্ষীরা নবজীবন তায়কোয়ানডো ক্লাবের চারজন খেলোয়াড় অংশ নেন এবং প্রত্যেকেই পদক জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করেন।

পদকজয়ী খেলোয়াড়দের মধ্যে শুভজিৎ অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে স্বর্ণপদক অর্জন করেন। জিহান ও সামি লাভ করেন রৌপ্যপদক। আর আফ্রিদী অর্জন করেন তাম্্রপদক। চারজন খেলোয়াড়ের চারটি পদক অর্জনের এ সাফল্য সাতক্ষীরার ক্রীড়াঙ্গনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। খেলোয়াড়দের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অনুশীলন, শৃঙ্খলা, আত্মনিবেদন এবং প্রশিক্ষকদের নিবিড় দিকনির্দেশনা।

সাতক্ষীরা নবজীবন ইনস্টিটিউটের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং সাতক্ষীরা জেলা তায়কোয়ানডো অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান প্রশিক্ষক শেখ মুস্তাসিম বিল্লাহর নেতৃত্বে খেলোয়াড়রা প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তা ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব গড়ে তুলতেও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ক্লাবের এ সাফল্যে সাতক্ষীরা নবজীবন ইনস্টিটিউট ও সাতক্ষীরা নবজীবন তায়কোয়ানডো ক্লাবের পক্ষ থেকে পদকজয়ী সকল খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। তাদের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরা তথা বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে আরও গৌরবময় অধ্যায় রচিত হবে-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

অসুস্থতায় ৯ মাস শুটিংয়ে নেই, এবার ফিরতে চান তানিয়া বৃষ্টি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
অসুস্থতায় ৯ মাস শুটিংয়ে নেই, এবার ফিরতে চান তানিয়া বৃষ্টি

দীর্ঘ প্রায় নয় মাস অভিনয় থেকে দূরে আছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। অসুস্থতার কারণে এই বিরতি তার। এখন শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় আবারও অভিনয়ে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

শনিবার (৩ অক্টোবর) ফেসবুক লাইভে নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেন বৃষ্টি। জানালেন, আগের চেয়ে এখন অনেকটা ভালো আছেন তিনি।

লাইভে এক প্রশ্নের জবাবে তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ‘এখন আমার কেমো থেরাপি চলছে। ছয় মাসের মধ্যে তিন মাস শেষ হলো, চতুর্থ মাসের কেমো চলছে। আরও দুই মাস এটা চলার পর কিছু টেস্ট করা হবে। সেটার পর ডাক্তার জানাবে, পরবর্তী চিকিৎসা কী হবে।’

অভিনয়ে ফেরা প্রসঙ্গে তানিয়া বৃষ্টি বলেন, ‘এই মাস থেকেই শুটিং শুরু করতে চাই। কথাবার্তা চলছে। তবে কবে থেকে কাজ শুরু করতে পারবো, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অসুস্থতার কারণে আমি নয় মাসের মতো শুটিং করিনি। এখনো অসুস্থ আছি, তবে তখন একটু বেশি খারাপ ছিলাম। এখন অনেকটা ভালো আছি।’

তানিয়া বলেন, ‘যারা আমাকে ভালোবাসেন, আমাকে সাপোর্ট দেন, আমার জন্য অপেক্ষা করেন, তাদের যেটা চাওয়া আমি সেটা করতে চাই। যদি এত মানুষ চান আমি কাজ করি, তাহলে আমি অবশ্যই করবো।”

 

টিভি নাটকের বাইরে তানিয়ার হাতে রয়েছে ‘ট্রাইব্যুনাল’ নামের একটি সিনেমার কাজ। রায়হান খান নির্মিতব্য এ ছবিতে আরও আছেন তারিক আনাম খান, সাবেরী আলম, মৌসুমী হামিদ, সায়রা আক্তার জাহান, আদর আজাদ, শাহেদ আলী, মিলন ভট্টাচার্য, অশোক ব্যাপারী, রাকিব হোসেন ইভন এবং উপমা।

যুক্তরাষ্ট্র কেন নিঃসঙ্গ শক্তিতে পরিণত হচ্ছে, জানালেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০১ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র কেন নিঃসঙ্গ শক্তিতে পরিণত হচ্ছে, জানালেন ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র নিজের ইচ্ছাতেই নিঃসঙ্গ শক্তিতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি জানান, ওয়াশিংটনের আমূল পরিবর্তন ও চীনের উত্থান বৈশ্বিক রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুন করে রূপ দিচ্ছে।

৬২তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য প্রদানকালে জয়শঙ্কর বলেন, বর্তমান আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের তীব্র প্রতিযোগিতা, বিকাশমান ও মধ্যম শক্তির দেশগুলোর স্বাবলম্বী হওয়ার প্রবণতা এবং অংশীদারত্বের বৈচিত্র্যায়ন ও ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগের মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত হচ্ছে।

সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এখানে উপস্থিত কেউই এই বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করবেন না যে, আজকের বিশ্ব পরিস্থিতি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের একটি আমূল পুনর্বিন্যাসের দ্বারা চিহ্নিত হচ্ছে।

এই পুনর্বিন্যাসকে একটি ইচ্ছাকৃত অবস্থান উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নিজের ইচ্ছাতেই নিঃসঙ্গ শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দ্বিতীয় প্রধান বৈশিষ্ট্য হিসেবে চীনের উত্থানকে চিহ্নিত করে জয়শঙ্কর দেশটির অর্থনৈতিক ক্ষমতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্ব প্রস্তুতকারক খাতের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পরিচালনা করছে চীন, যা তাদের রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে সহায়তা করছে।

বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র-চীন তীব্র প্রতিযোগিতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আজকের এই প্রতিযোগিতা কেবল এই দুটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং কোনও দেশের হাতে থাকা যেকোনও প্রভাবকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

পাশাপাশি বিকাশমান ও মাঝারি শক্তির দেশগুলোর আত্মসচেতনতা বাড়ার কথা উল্লেখ করে জয়শঙ্কর বলেন, তারা এখন অধিকতর স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছে। ভারতের ‘আত্মনির্ভর’ ধারণার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, এই দেশগুলো এখন সরবরাহ শৃঙ্খল আরও শক্তিশালী করছে এবং নিজেদের অর্থনীতি ও নিরাপত্তার বাইরে গিয়ে অংশীদারত্বের বৈচিত্র্যায়ন ও ঝুঁকি কমানোর নীতি গ্রহণ করছে।

জয়শঙ্কর জোর দিয়ে বলেন, একসঙ্গে কাজ করার জন্য প্রতিটি বিষয়ে দেশগুলোর মধ্যে পূর্ণ ঐকমত্যের প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, যে দিনগুলোতে সব বিষয়ে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বা স্বার্থের শক্তিশালী মিল থাকতে হতো, সেই দিনগুলোর মাপকাঠি আজকের দিনে অনেক বেশি উঁচু। পর্যাপ্ত সাধারণ ভিত্তি বা লক্ষ্য থাকলেই দেশগুলোর একসঙ্গে কাজ করার জন্য তা যথেষ্ট।

উদীয়মান শক্তিগুলোর বিভিন্ন সহযোগিতার উদাহরণ হিসেবে তিনি কোয়াড, ইন্ডিয়া-মিডল ইস্ট-ইউরোপ ইকোনমিক করিডোর, ইন্টারন্যাশনাল নর্থ-সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডোর এবং ব্রিকস-এর কথা উল্লেখ করেন।

ব্রিকস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্রিকস এমন এক পক্ষগুলোর একত্রিত হওয়ার উদাহরণ, যারা মনে করে তাদের ব্যক্তিগত কণ্ঠস্বরের চেয়ে যৌথ কণ্ঠস্বর অনেক বেশি শক্তিশালী।

এসব নমনীয় অংশীদারত্বের মাধ্যমেই আজকের পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে উঠছে বলে জানান তিনি।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে