মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩

বর্তমান সরকার দেশের অপার সম্ভাবনাময় সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞানভিত্তিক টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ণ
বর্তমান সরকার দেশের অপার সম্ভাবনাময় সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞানভিত্তিক টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের অপার সম্ভাবনাময় সমুদ্র সম্পদের বিজ্ঞান ভিত্তিক টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে আমরা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহার এ বর্ণিত সুনীল অর্থনীতির সকল কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এর মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা অর্জন করার লক্ষ্যে সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, সমুদ্র ভিত্তিক শিল্প প্রযুক্তির উন্নয়ন, জীববৈচিত্ররক্ষা এবং সমুদ্রে পরিবেশ সংরক্ষণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন, গবেষণা এবং উদ্ভাবনে গুরুত্বারোপ করা হবে।
মন্ত্রী মঙ্গলবার খুলনা শিপইয়ার্ডে বাংলাদেশ ওশেনোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)-এর জন্য দেশে নির্মিতব্য প্রথম আন্তর্জাতিকমানের সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ একটি স্মল রিসার্চ ভেসেল এর আনুষ্ঠানিক কিল লেয়িং এবং একইসাথে গবেষণা জাহাজটির মুরিং সহায়তার জন্য নির্মিতব্য একটি সেলফ সাসটেইন্ড পন্টনের কিল লেয়িং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, একটি গবেষণা জাহাজের কববষ খধুরহম ঈবৎবসড়হু হচ্ছে জাহাজ নির্মাণের প্রাথমিক ধাপ। আজকের এই ভিত্তিপ্রস্তর বাংলাদেশের সমুদ্রবিজ্ঞান, সামুদ্রিক সম্পদ অনুসন্ধান, ব্লু-ইকোনমি এবং টেকসই উন্নয়েনের ভবিষ্যৎ যাত্রার দৃঢ় ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। বাংলাদেশ ওশেনোগাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্যই ছিল দেশের সামুদ্রিকসম্পদ সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বৃদ্ধি করা এবং সেই জ্ঞানকে জাতীয় উন্নয়নের কাজে লাগানো। আমরা সবাই উপলব্ধি করি যে আন্তর্জাতিক মানের সামুদ্রিক গবেষণার জন্য একটি নিজস্ব আধুনিক গবেষণা জাহাজ দীর্ঘদিনের প্রয়োজন ছিল। আজ সেই প্রয়োজন পূরণের পথে আমরা একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছি।
মন্ত্রী বলেন, নতুন গবেষণা জাহাজ সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ, সামুদ্রিক জীবপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পর্যটনসহ সমুদ্রকেন্দ্রিক বিষয় সমূহের তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং নীতি প্রনয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বৈজ্ঞানিক রিসার্চ ভেসেল এ জানতে পারবো আমাদের সমুদ্র সীমানার মধ্যে কোথায় মাছের বসবাস। সমুদ্রের গভীরে কী আছে, কোন প্রজাতির জীব কোথায় বাস করে, কী ধরনের পরিবেশগত পরিবর্তন ঘটছে, কোন সম্পদ ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হতে পারে- এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার জন্য অত্যাধুনিক গবেষণা অবকাঠামো প্রয়োজন। গবেষণা জাহাজ সেই অবকাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। মন্ত্রী জাহাজ নির্মাণ শিল্পে দেশের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে বলেন, গবেষণা জাহাজ নির্মাণের উদ্যোগ ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ সক্ষমতার এক উজ্জ্বল উদাহরণ। এটি আমাদের আত্মবিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করবে এবং প্রমাণ করবে যে বাংলাদেশ এখন শুধু জাহাজ ব্যবহারকারী দেশ নয়, বরং জাহাজ নির্মাণেও একটি সক্ষম ও সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সমুদ্রভিত্তিক সম্পদ আহরণ ও সকল অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে জাস্ট ট্রানজিশন ফ্রেমওয়ার্কে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যাতে সমুদ্র সম্পদ আহরণ কিংবা উপকূলীয় অঞ্চলের মানোন্নয়ন করতে গিয়ে জনগণ তাদের জীবিকা এবং পরিবেশের ক্ষতি সাধিত না হয়। এছাড়াও শিক্ষা ও শিল্পখাতে মেরিটাইন ইনোভেশন ফান্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ওশেনোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হক। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়ার এডমিরাল একেএম জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ওশেনোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)-এর বিজ্ঞানী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রকৌশলী, নৌ-প্রযুক্তিবিদ, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ, গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ও বাংলাদেশ ওশেনোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মধ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির আওতায় একটি নির্মাণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)-এর জন্য ০১টি স্মল রিসার্চ ভেসেল ফর স্যাম্পল কালেকশন, ০১টি সেলফ সাসটেইন্ড পন্টুন নির্মাণ করবে। ভেসেলটি যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিখ্যাত ডিজাইন প্রতিষ্ঠান ‘কীল মেরিন’ লিমিটেডের সর্বাধুনিক ড্রইং ও কারিগরি সহায়তায় খুশিলি (খুলনা শীপ লিমিটেড) কর্তৃক নির্মিত হবে। এটি বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মেরিন স্যাম্পল কালেকশন, বৈজ্ঞানিক রিসার্চ, হাইড্রোগ্রফিক ও ভূতাত্ত্বিক সার্ভে, বায়োলজিক্যাল, কেমিক্যাল ও এনভায়রনমেন্টাল ওশেনোগ্রাফি, মৎস্য গবেষণা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কাজে নিয়োজিত থাকবে।
পরে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম খুলনা শিরোমনি বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড পরিদর্শন এবং কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। এসময় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন, ক্যাবল শিল্প লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম-সহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তা ও সিবিএর নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তথ্যবিবরণী

Ads small one

পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবেই বেশ জনপ্রিয়তা পান প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে এখন নায়িকা হিসেবেই তিনি নিয়মিত কাজ করছেন। এর মধ্যে কয়েকটি সিনেমাতে প্রধান নায়িকা হিসেবে দেখা গেছে তাকে।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দীঘি জানান, জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমণির বায়োপিকে তিনি কাজ করতে চান। এটি বেশ চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ হবে বলেও মন্তব্য করেন নায়িকা।

কেন পরীমণির বায়োপিকে কাজ করতে চান সেটিও তিনি জানান। তার কথায়, কোনও একটি অনুষ্ঠানে পরীমণি জানিয়েছেন তার বায়োপিকে তিনি নিজেই অভিনয় করবেন। কারণ অন্য কেউ পারবে না। সে চ্যালেঞ্জ থেকেই দীঘি কাজটি করতে আগ্রহী।

দীঘির ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় তার (পরীমণি) বায়োপিক যদি হয় তাহলে এটি দারুণ একটি এন্টারটেইমেন্ট বায়োপিক হবে।’

নায়িকা হিসেবে দীঘির উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সিনেমা হলো-‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’, ‘তুমি আছো তুমি নেই’ ও ‘শ্রাবণ জ্যোৎস্নায়’। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘বিদায়’ সিনেমাটি। এটি পরিচালনা করেছেন মেহেদী হাসান হৃদয়।

আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ
আরব আমিরাত ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশকে

বাংলাদেশ নারীদের এশিয়া কাপে বাঁচা মরার ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে আগে ব্যাট করতে নেমে ১০৩ রানের সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে । তবে এদিন শুরুতেই বাংলাদেশকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল তুলনামূলক খর্ব শক্তির দল।

বিশেষ করে আগে ব্যাট করতে নেমে চাপে থাকা বাংলাদেশ যখন ৫৫ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তার ৩১ বলে ৩৮ রানের ইনিংসে ভর করে লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের।

টাইগ্রেস ওপেনার দিলারা আক্তার রানের খাতা খোলার আগে প্রথম ওভারেই বিদায় নিয়েছেন। ৩ বলে ০ রান করেন দিলারা। তিনে নেমে ব্যর্থ ছিলেন সোবহানা মোস্তারীও। ৬ বলে ৩ রান করেছেন তিনি। টিকে থাকা ওপেনার জুয়াইরিয়া ফেরদৌস কিছুটা চেষ্টা চালিয়েছেন। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে জোড়া উইকেট হারিয়ে মাত্র ২১ রান তোলে বাংলাদেশ।

পাওয়ারপ্লে শেষে ২০ বলে ১৬ রান করে সাজঘরে ফিরে গেছেন জুয়াইরিয়া। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি থেমেছেন ২৮ বলে ২৩ রান করে। স্বর্ণা আক্তার এবং ফাহিমা খাতুন মেরেছেন গোল্ডেন ডাক। আউট হন পরপর দুই বলে। মাত্র ৫ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ।

শেষ দিকে শারমিন আক্তার সুপ্তা ঝড় তোলেন। ৩১ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও খেলেন শারমিন। তাতেই একশ পার করার রসদ পায় বাংলাদেশ। এছাড়া নাহিদা আক্তার ২৬ বলে ১৬ রান করে টিকে ছিলেন। ৪ বলে ৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাবেয়া খান। নির্ধারিত ২০ ওভারের খেলা শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রানের পুঁজি দাঁড় করায় বাংলাদেশ।

 

পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
পাকিস্তান অধিনায়কের দ্বিতীয় অপরাধে আইসিসির শাস্তি

আইসিসি পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানাকে জরিমানা করেছে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে। ফাতিমা আইসিসির খেলোয়াড় এবং সহযোগী স্টাফদের আচরণবিধির ২ দশমিক ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করেছেন বলে প্রমাণিত হয়। এতে পাকিস্তানি এই অধিনায়ককে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি, ফাতিমার শৃঙ্খলা রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। ২৪ মাসের মধ্যে এটি ছিল তার দ্বিতীয় অপরাধ, যার ফলে এই ২৪ মাসের সময়সীমার মধ্যে তার মোট ডিমেরিট পয়েন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুইয়ে। ফাতিমা তার আগের ডিমেরিট পয়েন্টটি পেয়েছিলেন ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ চলাকালীন।

সর্বশেষ ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে, যখন ফাতিমা ওপেনার শেফালি বর্মাকে আউট করার পর প্যাভিলিয়নের দিকে ইশারা (অঙ্গভঙ্গি) করেছিলেন।

ফাতিমা নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং এমিরেটস আইসিসি ইন্টারন্যাশনাল প্যানেল অব ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাসের প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নিয়েছেন, যার ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। অন-ফিল্ড আম্পায়ার নিমালি পেরেরা ও সাথিরা জাকির জেসী, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার রাবাব আহসান এই অভিযোগটি আনেন।